27/05/2025
Ibn Akand Foundation Law Academy by jahir sir 01711337019
Adv. Md jahir uddin Akand
Mob;- 01711921416
Dhaka office
01711337019
Mymensingh office 01711921416
Sylhet office 01711921416
27/05/2025
18/10/2023
#আপনার_দলিল_জাল_নাকি_আসল_কিভাবে_বুজবেন!
⏭️জাল দলিল চেনার ৯ উপায়
জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে পরবর্তীতে দীর্ঘদিন ভুগতে হয়। এমন বহু মানুষ রয়েছেন, জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে আসল দলিল চিনতে না পারায় ঝামেলায় পড়েন। এজন্য দলিল চেনা খুবই জরুরি। আজকে প্রতিবেদনে থাকছে, কিভাবে চেনা যাবে জাল দলিল।
১. ভলিউডেমর তথ্য:
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এজন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।
২. স্বাক্ষর যাচাই:
অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।
খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।
৩. মূল মালিক শনাক্ত:
এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।
৪. নামজারি:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।
৫. আমমোক্তারনামা:
সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।
৬. তারিখ যাচাই:
কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।
৭. লেখক যাচাই:
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেয়া দরকার।
৮. মালিকানা যাচাই:
জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।
৯. সিল-স্ট্যাম্প যাচাই:
দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।
দেওয়ানি আদালত
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ
ঘোষণা মামলা
দলিল বাতিল
দলিল সংশোধন
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
বাটোয়ারা মামলা
চুক্তি রদ
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা
দখল পুনঃরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা
ভাড়াটিয়া উচ্ছেদ মামলা
ইজমেন্ট মামলা
টাকা মামলা
অগ্রক্রয় মামলা
হক সুফা অগ্রক্রয় মামলা
অর্পিত সম্পত্তি পুনঃরুদ্ধার মামলা
ভুমি জরিপ সংক্রান্ত মামলা
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা মামলা
ক্ষুদ্র মামলা
আর্বিট্রেশন মামলা
সাকসেশন মামলা
পারিবারিক মামলা
বিবাহ বিচ্ছেদ
দেন-মোহর
খোরপোষ
অভিভাবকত্ব
দাম্পত্য অধিকার পুনঃরুদ্ধার মামলা
অফিস সংক্রান্ত মামলা
ঘোষনা মামলা
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা
চুক্তি রদ সংক্রান্ত মামলা
08/09/2023
🔥"ভুমির বায়োডাটা"🔥
ভুমি সম্পর্কে পুর্নাঙ্গ তথ্য উপাত্ত পেতে,
ভুমি মালিককে বলুন নিম্ন লিখিত "ভুমির বায়োডাটা" ফরমেট কম্পিউটারের দোকানে পুরন করে, সেই অনুযায়ী সকল কাগজ পত্র বুঝিয়ে দিতে।
🔥 যদি পুর্নাঙ্গ ভুমির বায়োডাটা না দেয়, তাইলে এই জমি/প্লট/ফ্লাট/ফ্লাটের শেয়ার ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন, কারন সমুহ নিম্নরুপ.....
👉 জমিতে কোন ঝামেলা আছে।
👉 শক্তিশালী দালাল ও প্রতারক চক্র জরিত আছে।
👉 দালালের জন্য ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন না।
👉 ব্যাংক একাউন্ট নম্বর না দিলে, অর্থ হাত বদল হয়ে "ঝামেলার ঝুকি" আছে।
👉 বিক্রয়ের নামে আপনার টাকা হাতিয়ে নিবে।
👉 ৫-১০ বছর হয়রানি পেরেশানির পরে হয়তো টাকা ফেরত পাবেন বা কোন দিনই ফেরত পাবেন না।
🔥 আপনি ক্রয় করিতে বাধ্য নন কিন্তু বিক্রেতা বিক্রয় করিতে বাধ্য;তাই "দালালি ও প্রতারণা রোধে" ভুমির বায়োডাটা অনুযায়ী সকল কাগজ পত্রের আপডেট স্পষ্ট ফটোকপি, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত, লেনদেনের জন্য "ব্যাংক একাউন্ট", ভুমি মালিককে মোবাইল নম্বর ইত্যাদি....ভুমি মালিকের "বক্তব্য লিখিত আকারে" টিপ সই সহ নিজে সংগ্রহ করুন।
🔥 আপনার লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তির, সঠিক বিনিয়োগের নিরাপত্তার জন্য, ভুমি মালিককে নিয়ে কয়েকজন সনামধন্য বিজ্ঞ সিভিল আইনজীবীর কাছে যান, আইনজীবি ভুমি মালিককে কাগজ পত্র ও বিভিন্ন তথ্যের জন্য জেরা করবেন। এরপরে সার্টিফাইড কপি ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে "মালিকানার সত্যতা" যাচাই-বাছাই করে, আপনাকে "নির্ভেজাল" ভুমি ক্রয়ে সহায়তা করবেন।
🔥বায়না রেজিষ্ট্রেশন, দখল প্রাপ্তি, লেনদেন, ভুমি রেজিষ্ট্রেশন, খাজনা,খারিজ, খাজনা দাখিল, ভোগদখল ইত্যাদি বিষয়ে আপনার আইনজীবীকে অবসর সময়ে পদে পদে অবহিত করে উনার দিক নির্দেশনা মত কাজ করুন,নিরাপদ থাকুন।
গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে পেজে ফলো করে পাশে থাকুন।
ূমি_আইন_পেইজে_লাইক_দিয়ে_সাথেই_থাকুন
#ভূমি_বিষয়ের_সকল_সমস্যার_সমাধান
#নামজারি
03/08/2023
প্রথিতযশা আইনজ্ঞ ও কোলকাতা হাইকোর্ট এর প্রথম মুসলিম বিচারপতি সৈয়দ আমীর আলীর ৯৬-তম প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করি।
সৈয়দ আমির আলী (জন্ম: ৬ই এপ্রিল, ১৮৪৯- মৃত্যু: ৩রা আগস্ট, ১৯২৮) ছিলেন একজন ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ যিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন একাধারে একজন আইনজ্ঞ, সমাজ সংস্কারক এবং লেখক। তিনি ইসলামের ইতিহাস নিয়ে কয়েকটি বিখ্যাত বই লিখেছিলেন। তার বইগুলোর মধ্যে অন্যতম হল দ্যা স্পিরিট অফ ইসলাম। এই বইটিই পরবর্তীকালে ব্রিটিশ রাজের সময় ভারতের আইনে মুসলিম আইন প্রবর্তন করার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল। সৈয়দ আমীর আলী অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। উনিশ শতকের আশির দশকে তিনি ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক জাগরণের উদ্যোক্তা ছিলেন।
প্রখ্যাত ইসলামের ইতিহাস ও সমাজ বিষয়ক লেখক সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল উড়িষ্যার কর্ণাটকে জন্মগ্রহণ করেন।
আমীর আলী হুগলি কলেজিয়েট স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষা লাভ শুরু করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৮৬৭ সালে স্নাতক ও ১৮৬৮ সালে ইতিহাসে সম্মানসহ এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৮৬৯ সালে এল.এল.বি ডিগ্রি নেয়ার পর কলকাতায় আইন ব্যবসা শুরু করেন। এল.এল.বি সমাপ্ত হওয়ার পর ব্রিটেনে পড়াশুনার জন্য আমীর আলী সরকারি বৃত্তি পান। লন্ডনে প্রথমবার বসবাসের সময় (১৮৬৯ থেকে ১৮৭৩) তিনি আইন ব্যবসায় যোগ দেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারমূলক কর্মকান্ডে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েন। আমীর আলী চীফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট (১৮৭৯) থেকে কলকাতা হাইকোর্টের জজ (১৮৯০-১৯০৪) পদে উন্নীত হয়েছিলেন।
তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ দি স্পিরিট অব ইসলাম, যার প্রাথমিক শিরোনাম ছিল 'এ ক্রিটিকাল একজামিনেশন অব দি লাইফ অ্যান্ড টিচিংস অব মোহাম্মদ' ১৮৭৩ সালে প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করেন। ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন। এটিকে তিনি ভারতের অন্যান্য প্রদেশসমূহের শাখাগুলি অধিভুক্তির পর সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন নামে নতুন নামকরণ করেন। পঁচিশ বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ছিলেন তিনি।
১৮৮৪ সালে লন্ডনে একেশ্বরবাদী চার্চে ইসাবেল ইডা কনস্ট্যামকে বিয়ে করেন।
১৯০৮ সালে তিনি মুসলিম লীগের লন্ডন শাখা প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর সভাপতি হন। মুসলমাদের জন্য আলাদা নির্বাচকমন্ডলীর জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন, যা ১৯০৯ সালে মেনে নেয়া হয়।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থে ইসলামের স্বর্ণযুগের প্রশংসা করা হয়েছে এবং উপনিবেশবাদ ও পাশ্চাত্যায়নের ফলে উদ্ভূত কতিপয় পরিবর্তনের সঙ্গে মুসলমানের আপোস করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকারের বিষয়ে প্রগতিশীল মনোভাব তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় অবদানসমূহের অন্যতম।
সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ সালের ৩ আগস্ট ইংল্যান্ডে মারা যান। মারা যাওয়ার পর সন্তানেরা তাঁর নির্দেশানুযায়ী ব্যক্তিগত সব কাগজপত্র নষ্ট করে ফেলেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
বাড়ী ১২ রোড ৩৩ সেক্টর ৭ উত্তরা ঢাকা ০১৭১১৯২১৪১৬
Dhaka
3100