ওয়াকফ: ওয়াকফর নিয়ম গুলো জেনে নেওয়া যাক।।
ওয়াকফর وقف এর পরিচয়
আভিধানিক অর্থ : থেমে যাওয়া।
পারিভাষিক অর্থ : তিলাওয়াতের মাঝে আয়াত শেষ হওয়ার আগে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে থেমে যাওয়া।
ওয়াক্বফ দুই প্রকার
১. ما يوقف به (মা ইউক্বফু বিহি)।
২. مايوقف وعليه (মা ইউক্বফু আলাইহি)।
১. ما يوقف به (মা ইউক্বফু বিহি): হচ্ছে যবর, যের, পেশ, তানবিন, তাশদীদ ইত্যাদি থাকলে কিভাবে ওয়াকফ করবে তাকে বলা হয়।
আর তা আমরা ছয় ভাবে চিনব:
১. ওয়াক্ফ এর সময় যদি শেষ হরফে যবর, যের, পেশ, দুই যের, দুই পেশ,খারা যের, উল্টা পেশ হয় তাহলে সাকিন করে পড়তে হবে।
২. ওয়াকফ এর সময় যদি শেষ হরফে ة হয় তাহলে ه এর উচ্চারণ করতে হবে।
৩. ওয়াকফ এর সময় যদি শেষ হরফে দুই যবর থাকলে এক যবর বাদ দিয়ে এক আলিফ টেনে পড়তে হবে।
৪. ওয়াকফ এর সময় যদি শেষ হরফে খাড়া যবর, মাদের হরফ ও সাকিন থাকে তাহলে যেভাবে আছে সেভাবেই পড়তে হবে।
৫. ওয়াকফ এর সময় যদি শেষ হরফে আলিফে মাকসুরা ( الف المقصوره ) হয় তাহলে এক আলিফ টেনে পড়তে হবে।
৬. ওয়াকফ এর সময় যদি শেষ হরফে তাশদীদ থাকে তাহলে ৩ নিয়মে পড়তে হবে।
(ক) শেষ হরফে যদি কলকলার হরফ থাকে এবং তার উপর তাশদীদ থাকে তাহলে সর্বোচ্চ কলকলা করে ওয়াকফ করতে হবে।
(খ) শেষ হরফে যদি তাশদীদ ওয়ালা মিম ও নুন থাকে তাহলে গুন্নাহ করে ওয়াকফ করতে হবে।
(গ) শেষ হরফে যদি অন্য কোন হরফ থাকে তাহলে শেষ হারফের সিফাতের মাঝে কিছুটা সময়ের সাথে ওয়াকফ করতে হবে।
এছাড়া এই ওয়াকফ কে কিছু শর্তসাপেক্ষে ইশমাম এবং রাউম করেও পড়া যায়।
(তার আলোচনা অন্য আরেকটি পোস্ট এ করা হবে ইনশাআল্লাহ।)
২. مايوقف وعليه (মা ইউক্বফু আলাইহি): অর্থের সাথে সম্পৃক্ত ওয়াকফ কে বলা হয়। এই ওয়াক্বফ চার ধরনের :
১, تام (তাম) ২, كافي (কাফী) ৩, حسن ( হাসান)
৪, قبيح ( ক্ববীহ)
▪️১)تام (তাম ) تام বলা হয় এমন জায়গায় ওয়াকফ করা যেখানে ওয়াকফ করলে পূর্ণাঙ্গ অর্থ বুঝায়। এবং তার পরের শব্দের সাথে অর্থগত শব্দগত কোন সম্পর্ক থাকে না।
আবার দুই প্রকার। ক) وقف تام مقيد বা وقت الازم
যা م চিহ্ন দিয়ে বুঝানো হয়ে থাকে। এখানে অবশ্যই থামতে হয়। না হলে অর্থের পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
খ) وقف تام غير مقيد বা وقف اولى এখানে থামা উত্তম। তবে না থামলে অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায় না। এর চিহ্ন হচ্ছে قلۓ
(ক্বিলা)
▪️২) وقف كافي অর্থাৎ এমন জায়গায়
Online Quran Academy
সত্যি সব সময় সুন্দর
আস্সালামুআলাইকুম Online Quran Academy পক্ষ থেকে সবাইকে অভিনন্দন। এই একাডেমির পক্ষ থেকে মহিলা এবং বাচ্ছাদের জন্য রয়েছে ঘরে বসে কোরআন সহীহ্ করে শিখার সুবর্ণ সুযোগ । আমাদের যে যে কোর্স গুলো থাকছে ♣ তাজবীদ ও কায়দা ♣ ৩০ তম পারা নাজেরা ♣ সুরা মুলক হিফজ ♠ যে যেই কোর্সে ভর্তি হতে ইচ্ছুক কোর্স নাম লিখে ভর্তি কনফার্ম করবেন। সব কোর্সের জন্য আলাদা ব্যাচ হবে।
♠ বাচ্ছাদের জন্য আলাদা ব্যাচের ব্যবস্হা আছে
♠কোন আপু একা পড়তে চাইলে একা পড়ার ব্যবস্হা আছে । এখন আমরা জানব কোর্সগুলো কেন করব - ♥♥♥ তাজবীদ কি? বিশুদ্ধ ভাবে কোরআন পড়ার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই হরফ উচ্চারণ বা মাখরাজ, মাদ্ব, গুন্নাহ, ছাড়া ও আরো অনেক নিয়ম জানতে হয় । তাজবীদ কোর্সের মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমরা এসব নিয়ম জানতে পারব ও সহীহ্ করে কোরআন শিখতে পারব। ♥♥♥ তাজবীদ কেন জানা প্রয়োজন ?
তাজবীদ জানা না থাকলে আপনার কোরআন পড়া ভুল হবে, তখন দেখা যাবে আপনার ভুল উচ্চারনের কারনে আপনি গোনাহগার হবেন এবং কিছু কিছু জায়গায় আপনার মনের অজান্তে শির্ক হয়ে যাবে কারন আপনি তো হরফ উচ্চারন যেটা যেখান থেকে করার কথা সেটা সহীহ্ করে করতে পারছেন না,
ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ্ করে কোরআন শিখার তৌফিক দিন। ♥♥♥ নাজেরা কোর্স : যারা তাজবীদের নিয়ম সহীহ্ করে পারেন কিন্তু সুরা দেখে দেখে পড়তে গেলে সমস্যা হয় তাদের জন্য এই কোর্স। এই কোর্স করে আপনি দ্রুত কোরআন পড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ♥♥♥ হিফজ : যারা সুরা মুলক মুখস্ত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka