16/03/2025
Platypus/প্লাটিপাস: একটি অভূতপূর্ব প্রাণী!
One of the most fascinating as well as bizarre animal from the Subphylum Vertebrata is the Platypus; Class - Mammalia, Subclass - Prototheria, Order - Monotremata. Unlike other mammals, Platypus lays eggs and has a duck-like beak, characteristic from the previous Class - Aves.
Not just that, Platypus also stole characteristics from its Phylum's other Orders such as Rodentia and Carnivora, like Beaver's tail to Otter's legs. It's also venomous, a signature feature from the Reptilians.
One of the odd thing about Platypus is that they have Mammary Glands like any other mammals but they lack ni***es, these glands produce milk which oozes from their skin pores. They uses a single duct for Renal, Reproductive and Digestive system, how odd can you be!
The Platypus has 10 sets of S*x Chromosomes whereas Human has only 2. The fur of these evolutionary animal glows under Ultraviolet light. The way of preying, even more so!
LearnCyte LearnQ
PC: Britannica ( Google )
17/11/2024
উদ্ভিদের স্বরূপ ও মূল:
উদ্ভিদের স্বরূপ বলতে মূলত কান্ডের প্রকৃতি বুঝায় যার মাধ্যমে উদ্ভিদকে কয়েকটি শ্রেণীতে পৃথক করা হয়েছে। প্রায় সকল দেশেই প্রত্যেক স্বরূপের উদ্ভিদ পাওয়া যায় এবং প্রত্যেক নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো হলো_
১. বীরুৎ/Herb,
২. গুল্ম/Shrub,
৩. বৃক্ষ/Tree.
বীরুৎ উদ্ভিদকুলের কান্ডটি নরম কিন্তু অকাষ্ঠল থাকে তথা ফাঁপা থাকে সাধারণত। এদের মূল হচ্ছে গুচ্ছমূল এবং বর্ষজীবী হয়। যেমন, ধান ও দুর্বাঘাস।
গুল্ম অনেকটা ঝোপজাতীয় উদ্ভিদ কিন্তু একক গুঁড়িবিহীন, এরা কাষ্ঠল ও বহুবর্ষজীবী। এদের কচি কান্ড সবুজ ও ক্লোরোফিলবিশিষ্ট, পত্ররন্ধ থাকে বলে এদের কান্ডে প্রস্বেদনও সম্পন্ন হয়। যেমন, জবা ও গোলাপ ফুল।
বৃক্ষের মূল সাধারণত প্রধানমূল ও একক কান্ডবিশিষ্ট কাষ্ঠল উদ্ভিদ, এদের মূলকে সঞ্চয়ী মূলও বলা হয়। প্রধানমূল বিশিষ্ট বৃক্ষ হচ্ছে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। আম, জাম, লিঁচু এধরণের উদ্ভিদ।
LearnCyte LearnQ
23/06/2024
তড়িৎবিশ্লেষ্য ও তড়িৎবিশ্লেষণ
তড়িৎবিশ্লেষণ/Electrolysis: গলিত তড়িৎবিশ্লেষ্য বা তদ্রুপ উপযুক্ত দ্রাবকের মধ্যে তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থকে দ্রবীভূত করে উক্ত দ্রবণেই প্রয়োজনীয় বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করে পদার্থ থেকে সৃষ্ট আয়নগুলো তাদের নির্দিষ্ট তড়িৎদ্বারে প্রবাহিত হয় এবং ইলেকট্রনীয় জারণ বিজারণ (Redox) বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পদার্থ উৎপন্ন করে, এই প্রক্রিয়াটিকে তড়িৎবিশ্লেষণ বলা হয়।
তড়িৎবিশ্লেষণ সম্পর্কে ইংরেজ বিজ্ঞানী Michael Faraday যুগান্তকারী দুটি সূত্র প্রদান করেন যা Law of Electrolysis নামে পরিচিত। সূত্র দুটি হলো_
1. Faraday's First Law of Electrolysis: The amount of chemical change (or the mass of an element deposited or liberated) is directly proportional to the quantity of electricity that passes through the electrolytes.
2. Faraday's Second Law of Electrolysis: The amounts of different substances deposited or liberated by the same quantity of electricity are proportional to their equivalent weights.
05/06/2024
Gauss's Law
স্থির তড়িৎ বিদ্যায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র হচ্ছে গাউস ( অথবা গস) এর সূত্র, মূলত একটি মৌলিক সূত্র যা কি না তড়িৎ চৌম্বক তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করে। সূত্রটি এমন যে,
"কোনো তড়িৎক্ষেত্রে বদ্ধ কল্পিত তলের তড়িৎ ফ্লাক্সের এবং শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতার গুণ হবে ঐ তল দ্বারা আবদ্ধ মোট তড়িৎ আধানের সমান।"
গাউসের সূত্রে ব্যবহৃত কল্পিত তলটি হচ্ছে গাউসীয় তল যা কোনো একটি আধানের চারদিকে কল্পিত বদ্ধ তলকে বুঝায় এবং যেকোনো আকৃতির হতে পারে। এছাড়া তড়িৎ ক্ষেত্রে তল কল্পনা করলে তড়িৎ ফ্লাক্স সংশ্লিষ্ট থাকে বিধায় এই সূত্রে তড়িৎ ফ্লাক্স একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাংশ।
তড়িৎ ফ্লাক্সঃ কোনো তলের ক্ষেত্রফল ও ঐ তলের লম্ব বরাবর তড়িৎক্ষেত্রের উপাংশের গুনফলকেই ঐ তলের সাথে সংশ্লিষ্ট Electric Flux বলা হয়।
তাহলে,
তড়িৎ ফ্লাক্স, φ = E.S = EScosθ.
PC: Science Facts.
29/05/2024
Tissue Systems
সাধারণভাবে একই ধরণের শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদনকারী এক বা একাধিক টিস্যু মিলে যে তন্ত্র গঠিত হয়, সেটিই Tissue System.
এই টিস্যুতন্ত্র মূলত তিন ধরণের_
1. Dermal Tissue System,
2. Ground Tissue System,
3. Vascular Tissue System
আমরা ত্বকীয় তথা Dermal এবং পরিবহন তথা Vascular Tissue System নিয়ে অনেকটাই অবগত কিন্তু Ground Tissue System নিয়ে ততটা অবগত নই যদিও উদ্ভিদের মোট দেহাংশের অধিকাংশই এই তন্ত্রের মধ্যে পড়ে। ত্বকীয় টিস্যুতন্ত্র উদ্ভিদের বাহিরে ত্বকীয় আবরণ তৈরী এবং পরিবহন টিস্যু অভ্যন্তরে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আদান প্রদানে ব্যবহৃত হয়, অপরদিকে Ground Tissue System এই দুইটি তন্ত্রের বাইরের সকল কিছুর সমষ্টি। সহজে বলতে গেলে, বাইরের ত্বক ও ভেতরের কেন্দ্রীয় অংশ ব্যতীত পুরোটাই হচ্ছে এই Ground Tissue System (কেন্দ্রের আবার অনেক অংশে এই তন্ত্রের কোষসমষ্টি রয়েছে).
এই মধ্যবর্তী অঞ্চলগুলোতে প্রধানত তিন ধরণের কোষ পাওয়া যায় যা উদ্ভিদের মাংসল অংশ গঠন করে_
1. Parenchyma Cells,
2. Cholenchyma Cells,
3. Sclerenchyma Cells
এছাড়া, পাতার Mesophyll Tissue ও এই তন্ত্রেরই এক বিশেষ ধরণের টিস্যু যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত।
PC: Science Facts
26/05/2024
Iodimetry and Iodometry
আয়োডিমিতি জারণ বিজারণ বিক্রিয়া: এটি একটি টাইট্রেশন পদ্ধতি মাত্র যার মাধ্যমে জানা ঘনমাত্রার আয়োডিন (I2) দ্রবণ দ্বারা জারণ বিজারণ ঘটিয়ে বিজারক পদার্থের ঘনমাত্রা ও পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।
যেহেতু আয়োডিন দ্রবণের ঘনমাত্রা জানা থাকে তাই আয়োডিন দ্রবণ এখানে প্রমাণ দ্রবণ এবং অপর বিক্রিয়ক পদার্থকে জারিত করে বলে বিক্রিয়া পাত্রে জারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণস্বরূপ -: সোডিয়াম থায়োসালফেট এর দ্রবণ দ্বারা প্রমাণ আয়োডিন দ্রবণকে টাইট্রেশন করা ও বিজারক পদার্থের পরিমাণ নির্ণয় করা।
আয়োডোমিতি জারণ বিজারণ বিক্রিয়া: এটিও টাইট্রেশন পদ্ধতি তবে এখানে আয়োডিন দ্রবণ প্রমাণ দ্রবণ হিসেবে কাজ করে না বরং কোনো বিক্রিয়কের সাথে জারণ বিজারণ ঘটিয়ে উৎপন্ন আয়োডিনকে উপযুক্ত কোনো বিজারক দ্রব্য দ্বারা টাইট্রেশন করা হয় এবং আয়োডিনের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ -: তুঁতের দ্রবণে পটাশিয়াম আয়োডাইড যোগ করলে আয়োডিন মুক্ত হলে, সেই মুক্ত আয়োডিনকে প্রমাণ সোডিয়াম থায়োসালফেট দ্বারা টাইট্রেশন করা হয় এবং আয়োডিনের পরিমাণ নির্ণয় করা যায়।
Suggestions: Google
22/05/2024
Banking of Roads
গাড়ী বা সাইকেল চালানোর সময় আমাদের প্রায়শই রাস্তায় বাঁক ঘুরতে হয়, সোজা অবস্থায় যদি এই বাঁক ঘুরা হয় তাহলে যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। মূলত বাকঁ ঘুরার সময় গাড়ীর কেন্দ্রবিমুখী বলের মান কেন্দ্রমুখী বলের চেয়ে কম থাকে বিধায়, গাড়ী বাহিরের দিকে উল্টে পড়ে। এরূপ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষার জন্য বাঁকের ভেতরের দিকে একটু ঢালু করে বাঁক তৈরী করতে দেখা যায়, একেই রাস্তার ব্যাংকিং বলা হয় যার মাধ্যমে গাড়ীটি সামান্য কাত হলে কেন্দ্রমুখী বলের যোগান হয়ে যায়।
সমতল রাস্তায় এটা নিয়ে বেশি ভাবতে হয় না কারণ, সেক্ষেত্রে গাড়ীর চাকা ও মাটির মধ্যে ক্রিয়াশীল ঘর্ষণ বল সেই কেন্দ্রমুখী বলের যোগান দেয় বলে কেন্দ্রবিমুখী বলের সাথে তা নাকচ হয়ে যায়।
ব্যাংকিং এর জন্য দুটি সূত্র ভালোভাবে বুঝলেই যথেষ্ট_
1. θ যদি ব্যাংকিং কোণ তথা হেলে পড়ার কোণ হয়ে থাকে তবে,
Banking, tanθ = (v^2/rg)
যেখানে,
v = গাড়ীর সর্বোচ্চ নিরাপদ গতিবেগ,
r = বাঁকের ব্যাসার্ধ,
g = অভিকর্ষজ ত্বরণ
2. θ যদি ব্যাংকিং কোণ হয়ে থাকে তবে,
Banking, sinθ =(h/d)
যেখানে,
h = রাস্তার দু'পাশে উচ্চতার পার্থক্য,
d = রাস্তার প্রশস্ততা।
PC: Google
12/05/2024
Glycogenesis & Gluconeogenesis
Glycogenesis: এটি মূলত একটি জৈব রাসায়নিক পলিমারকরণ প্রক্রিয়া বলা যেতে পারে যা যকৃতে সংঘটিত হয়। রক্তে যখন Glucose এর মাত্রা বেড়ে যায় তখন অগ্ন্যাশয় β কোষ থেকে Insulin নামক হরমোন ক্ষরণ করে যা রক্তের মাধ্যমে যকৃতে পৌছালে, যকৃত এই প্রক্রিয়ায় Haxose ( প্রধানত Glucose) থেকে Glycogen সংশ্লেষ করা শুরু করে এবং সেই Glycogen কে Hepatocyte (যকৃতের সঞ্চয়ী কোষ) এ জমা রাখে।
Gluconeogenesis: এটিও একটি জৈব রাসায়নিক পলিমারকরণ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে Glycogen সংশ্লেষিত হয় তবে শর্করাজাতীয় খাদ্যবস্তু থেকে নয় বরং অশর্করাজাতীয় খাদ্যবস্তু থেকে, যেমন স্নেহ বা আমিষ। রক্তে Glucose এর ঘাটতি থাকলে অগ্ন্যাশয় α কোষ থেকে Glucagon নামক হরমোন ক্ষরণ করে যা রক্তের মাধ্যমে যকৃতে পৌছালে, যকৃত এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন আমিষ ( Amino Acid), স্নেহ (Glycerol) বা অশর্করাজাতীয় উপাদান থেকে প্রথমে Glucose এ রূপান্তরিত করে এবং পরে Glycogen এ পরিণত করে।
উল্লেখ্য, Glycogenesis বা Gluconeogenesis এই উভয় প্রক্রিয়া দুটি যকৃতে ঘটলেও অগ্ন্যাশয় একটি প্রধান ভূমিকা রাখে কারণ অগ্ন্যাশয় এর α ও β কোষ থেকে নির্গত যথাক্রমে Glucagon ও Insulin Hormone এর উপস্থিতিতেই প্রক্রিয়া দুটি সম্পন্ন হয়। এখন এই দু'ধরণের কোষ আবার Somatostatin Hormone ব্যতীত উদ্দীপ্ত হয় না যা আবার অগ্ন্যাশয়েরই δ কোষ ক্ষরণ করে। তাই যকৃতের সঞ্চয়ী বা বিপাকীয় কাজে অগ্ন্যাশয় প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে!
16/02/2023
LearnQ started sharing Personal Questions, go check it out 🤗
04/01/2023
প্রতিটি প্রাণীকে বা উদ্ভিদকে শনাক্তকরণ করা চাট্টিখানি কথা নয়! কথাটি বর্তমান সময়ে একেবারে প্রযোজ্য যা শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যা সামান্য পড়লেই বুঝা যায়। কিন্তু এই শ্রেণীবিন্যাস ই বা কি? এটা পড়া কি আদৌ এতোটাই কঠিন? কিভাবে এতসকল জীবের এতসব বৈশিষ্ট্য মনে রাখা যায় 🤔
শ্রেণীবিন্যাস এ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় কোন একটা প্রাণীর বৈশিষ্ট্য মনে রাখা নিয়ে বা কোন একটা পর্বের বা শ্রেণীর বৈশিষ্ট্য মনে রাখার ব্যাপারে। কিভাবে এতগুলো বৈশিষ্ট্য মনে রাখা যাবে? কোনোটার সাথে কোনোটা আবার গুলিয়ে ফেলি কি না? মাথায় যে আরও কত আবিজাবি আসে সেটা আর না ই বলি!
তাহলে চলো সাধারণ কিছু Tips জেনে নেই যে কিভাবে আমরা বৈশিষ্ট্য গুলো মনে রাখতে পারি_
১. কখনই বৈশিষ্ট্য গুলো একাধারে পড়বে না, এটার মাধ্যমে তুমি সেগুলাতে অনীহা এবং ইচ্ছাশক্তি হ্রাস করছো। না বুঝে কখনই তুলনা করবে না, ব্যতিক্রম এর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ জেনে করা যাবে।
২. যেকোন পর্ব বা শ্রেণীর কতিপয় সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে, মূলত সেগুলোকে আগেই চিহ্নিত করে সেই Topic টি আগে পড়ে ফেলা। ধরো, সিলোমের কথা যেখানে সিলোমবিহীন, প্রকৃত ও অপ্রকৃত সিলোম নিয়ে পূর্বেই ধারণা রেখে দিবে এবং সেখানে চিহ্নিত করবে কোনটা কোন পর্বের জন্য। এরকম আরও রয়েছে প্রতিসাম্যতা, নটোকর্ড, খণ্ডায়ন ইত্যাদি।
৩. কোন একটা পর্বের যে নামটা সেটার উৎপত্তি থেকেই যে শব্দার্থক আসে সেটাতেই কয়েকটা বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় যেমন "Porifera" শব্দটি Porus ও "Ferre" হতে আগত যার অর্থ যথাক্রমে "ছিদ্র" এবং "বহন করা", অতএব, পরিফেরা পর্বের প্রাণীরা ছিদ্র বহন করে। সুতরাং প্রত্যেকটা নামের পেছনে রয়েছে বিশদ কারণ! এরকমভাবে প্রতিটি পর্বের এবং শ্রেণীর জেনে নিবে।
৪. প্রতিটি পর্বের এবং শ্রেণীর প্রাণীর রয়েছে এক বা দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এগুলোর সংখ্যা খুব কম এবং চাইলেই কয়েকবার পড়ার মাধ্যমে মনে রাখা যেতে পারে। যেমন, পরিফেরা পর্বের প্রাণীদেরকে নিশ্চল বলে কারণ এরা সারাজীবন কোন অবলম্বন আকঁড়ে ধরে রাখে।
৫. তোমরা যেই বৈশিষ্ট্যই পড়ো না কেন চিত্রের মাধ্যমে তার ই একটি নমুনা প্রাণী দিয়ে বৈশিষ্ট্যগুলো বুঝে ও দেখে মিলিয়ে নিবে। এককথায়, উদাহরণ দিতেই হবে, আর কেউ যদি উদাহরণে আরও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বলে তাহলে তো কোন কথাই নেই! যেমন, তেলাপোকা (Periplaneta americana) - য় Haemocoel (হিমোসিল) থাকে।
Stay Safe and Best Regards!
P.C: Google Search
03/01/2023
A lot is coming, stay tuned!
Updates on every Sunday & Wednesday.
Stay safe and best regards!