চলো শিখি - Let's Learn

চলো শিখি - Let's Learn

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from চলো শিখি - Let's Learn, Education, Dhaka.

Never discourage anyone who continually makes progress, no matter how slow.
- Plato

Contact us to advertise or promote your business.

📩 [email protected]
📱 +09638231186

Tiktok # Telegram # Instagram # Youtube #WA

Search - /CholoShikhi_LetsLearn

19/05/2026
11/05/2026

08/05/2026

হৃদয়ে জাগো কবি— পঁচিশে বৈশাখ ও এক আলোকবর্তিকার গল্প

​"তুমি নির্মল করো মঙ্গল করে মলিন মর্ম মুছায়ে..."
​আজ পঁচিশে বৈশাখ। বাঙালির আবেগ, মনন আর সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ— বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী। ১৮৬১ সালের এই দিনে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে যে রবি উদিত হয়েছিল, তার রশ্মি আজও আমাদের প্রতিদিনের রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে সমানভাবে মিশে আছে।

​কেন রবীন্দ্রনাথ আজও আমাদের প্রতিটি ক্ষণের সঙ্গী?
​রবীন্দ্রনাথ কেবল একজন কবি নন; তিনি আমাদের একাকীত্বের স্বজন, আমাদের বিরহের ভাষা আর আমাদের প্রতিবাদের সাহস।
​প্রেমে ও বিরহে: আমাদের প্রথম প্রেমে পড়ার সেই শিহরণ কিংবা বিচ্ছেদের নীল বেদনা— সবটাই কি আমরা রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়া কল্পনা করতে পারি? কবির ভাষায়, "আমার সকল দুঃখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করব নিবেদন..."
​প্রকৃতির ক্যানভাসে: বর্ষার প্রথম কদম ফুল দেখে কিংবা শরতের সাদা মেঘের ভেলা দেখে যখন মন আনচান করে, তখন রবীন্দ্রনাথের গানই হয় আমাদের প্রাণের ভাষা।
​সংগ্রামে ও মুক্তিতে: বাঙালির জাতীয়তাবাদ থেকে শুরু করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা— সবখানেই তিনি প্রাসঙ্গিক। আমাদের জাতীয় সংগীত থেকে শুরু করে শান্তিনিকেতনের বিশ্বজনীনতা, তিনি আমাদের শিখিয়েছেন উদার হতে।

​রবীন্দ্রনাথ: এক আধুনিক দ্রষ্টা
​অনেকে মনে করেন রবীন্দ্রনাথ মানেই কেবল আভিজাত্য বা রোমান্টিকতা। কিন্তু তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের চেয়েও অনেক বেশি আধুনিক। তাঁর পল্লী উন্নয়ন ভাবনা, শিক্ষার প্রসার (শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতন) এবং পরিবেশ সচেতনতা আজও আমাদের জন্য মডেল হতে পারে।

​আমাদের প্রাত্যহিকতায় রবি
​আজকের এই যান্ত্রিক যুগে, যখন আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ইন্টারনেটের ভিড়ে নিজেদের হারিয়ে ফেলছি, তখন রবীন্দ্র-সাহিত্য আমাদের ফিরিয়ে আনে মাটির কাছাকাছি। তাঁর ছোটগল্পের সেই 'পোস্টমাস্টার' বা 'কাবুলিওয়ালা' আজও আমাদের চোখের কোণে জল আনে।
​"মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক।"
​হ্যাঁ কবি, আপনি আমাদেরই লোক। আপনি আছেন আমাদের ভোরের শুভ্রতায়, দুপুরের অলসতায়, বিকেলের আড্ডায় আর গভীর রাতের নির্জনতায়।
​আপনার এই শুভ জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা। শত বছর আগে আপনি যে গান লিখেছিলেন, তা আজও আমাদের হৃদস্পন্দনের মতো জীবন্ত। আমাদের আনন্দ-বেদনার চিরন্তন সাথী হয়ে আপনি বেঁচে থাকুন বাঙালির মননে, প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
​শুভ রবীন্দ্রজয়ন্তী! 🌸✨
​ #বিশ্বকবি #রবীন্দ্রনাথঠাকুর #২৫শেবৈশাখ #বাঙালিরসংস্কৃতি #রবীন্দ্রজয়ন্তী

02/05/2026

গুপ্ত আর সুপ্ত এর মধ্যে পার্থক্য কী?

01/05/2026

মহান মে দিবস: শ্রমিকের জয়গান ✊🚩
​আজ ১লা মে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের রক্তঝরা সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন। ১৮৮৬ সালের এই দিনে শিকাগোর হে মার্কেটে শ্রমিকেরা তাদের ন্যায্য অধিকার—আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টার দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
​তাদের সেই আত্মত্যাগ আজ বিশ্বজুড়ে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের প্রতীক। সভ্যতার কারিগর যারা, সেই প্রতিটি মেহনতি মানুষের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও সালাম।
​আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক:
​শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষা করা।
​ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা।
​কাজের নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা।
​পৃথিবীর সকল শ্রমজীবী মানুষের জয় হোক। সবাইকে মহান মে দিবসের শুভেচ্ছা! ❤️
​ #মে_দিবস #শ্রমিকের_অধিকার

30/04/2026

অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা।
সাথে করে মোমবাতি নিতে ভুলবেন না যেন।

Photos from চলো শিখি - Let's Learn's post 30/04/2026

সুমেরীয় সভ্যতা হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম সুসংগঠিত সভ্যতা, যা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ অংশে (বর্তমান ইরাক) আজ থেকে প্রায় ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ বছর আগে বিকশিত হয়েছিল। একে আধুনিক মানব সভ্যতার ভিত্তি বলা হয়।
​নিচে সুমেরীয় সভ্যতার প্রধান দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
​১. ভৌগোলিক অবস্থান ও নগররাষ্ট্র
​সুমেরীয়রা মূলত দজলা ও ফোরাত নদীর মোহনার কাছাকাছি উর্বর পলিমাটিতে বসবাস শুরু করে। তারা কোনো কেন্দ্রীয় রাজতন্ত্রের বদলে ছোট ছোট নগররাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
​বিখ্যাত শহর: উর (Ur), উরুক (Uruk), লাগাশ (Lagash) এবং নিপ্পুর (Nippur)।
​প্রতিটি শহরের কেন্দ্রে একটি বড় ধর্মীয় উপাসনালয় বা জিগুরাত থাকত।
​২. লিখন পদ্ধতি: কিউনিফর্ম (Cuneiform)
​সুমেরীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান হলো লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার। শুরুতে তারা ছবির মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করত, যা পরে কিউনিফর্ম নামক কীলকাকৃতির বর্ণমালায় রূপ নেয়।
তারা নরম কাদার চাকতিতে নলখাগড়া বা বিশেষ কাঠি দিয়ে লিখে রোদে শুকিয়ে তথ্য সংরক্ষণ করত। মূলত ব্যবসা ও প্রশাসনিক হিসাব রাখার জন্য এটি ব্যবহৃত হতো।

৩. কৃষি ও সেচ ব্যবস্থা
বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় সুমেরীয়রা কৃষিকাজে অভাবনীয় উন্নতি করেছিল।
তারা নদী থেকে খাল খনন করে কৃত্রিম সেচ ব্যবস্থা তৈরি করে।
তারাই প্রথম কাঠের লাঙল ব্যবহার করে চাষাবাদ শুরু করে।
৪. বিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদান
আধুনিক গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনেক কিছুর শুরু তাদের হাত ধরে:
চাকা আবিষ্কার: মাটির পাত্র তৈরি এবং যাতায়াতের জন্য তারাই প্রথম চাকা ব্যবহার করে।
সময় গণনা: তারা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রি এবং সময়কে ৬০ মিনিটের এককে ভাগ করেছিল (সেক্সাজেসিমাল পদ্ধতি), যা আমরা আজও অনুসরণ করি।
পঞ্জিকা: চন্দ্রভিত্তিক ক্যালেন্ডার উদ্ভাবন করে তারা বছরকে ১২ মাসে ভাগ করেছিল।

৫. ধর্ম ও স্থাপত্য
সুমেরীয়রা বহুদেববাদী ছিল। তারা বিশ্বাস করত দেবতারা শহরের অধিপতি।
জিগুরাত: তারা ইট দিয়ে বিশাল উঁচু পিরামিড সদৃশ মন্দির তৈরি করত। এগুলো কেবল উপাসনালয় নয়, বরং শহরের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করত।

৬. গিলগামেশ মহাকাব্য (Epic of Gilgamesh)
সুমেরীয়দের মাধ্যমেই পৃথিবীর প্রথম লিখিত সাহিত্য বা মহাকাব্য 'গিলগামেশ' সৃষ্টি হয়। এতে রাজা গিলগামেশের বীরত্ব ও অমরত্ব সন্ধানের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে, যেখানে প্রলয়ংকারী বন্যার বর্ণনাও পাওয়া যায়।
সুমেরীয়দের এই উদ্ভাবনগুলোই পরবর্তীকালের ব্যবিলনীয় ও অ্যাসিরীয় সভ্যতার পথ প্রশস্ত করেছিল। এই সভ্যতার পতন মূলত অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ এবং লবণের প্রভাবে উর্বরতা কমে যাওয়ার কারণে ঘটেছিল।

সুমেরীয়দের জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং শ্রমবিভাজন ভিত্তিক। কৃষি প্রধান এই সমাজব্যবস্থায় মানুষ তাদের দক্ষতা অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল।
সুমেরীয় জীবনযাত্রার প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সামাজিক স্তরবিন্যাস
সুমেরীয় সমাজ মূলত তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল:
উচ্চ শ্রেণি: এই স্তরে ছিলেন পুরোহিত, রাজা এবং সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তারা শহরের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়িতে বাস করতেন।
মধ্যবিত্ত শ্রেণি: বণিক, কারিগর, লেখক (Scribes) এবং চিকিৎসকরা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করতেন।
নিম্ন শ্রেণি: সমাজের অধিকাংশ মানুষ ছিল কৃষক এবং শ্রমিক। এছাড়া যুদ্ধবন্দি বা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্রীতদাস হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন ছিল।
২. আহার ও খাদ্যভ্যাস
নদী তীরবর্তী উর্বর জমি হওয়ার কারণে তাদের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য ছিল:
প্রধান খাবার: যব (Barley) ছিল তাদের প্রধান শস্য। তারা যব দিয়ে রুটি এবং এক ধরনের পানীয় (বিয়ার) তৈরি করত।
অন্যান্য: তারা ডাল, মটরশুঁটি, পিঁয়াজ, রসুন এবং খেজুর উৎপাদন করত। এছাড়া মাছ ছিল তাদের প্রোটিনের প্রধান উৎস।
৩. পোশাক-পরিচ্ছদ ও সাজসজ্জা
জলবায়ুর কারণে তারা সাধারণত হালকা পোশাক পরত:
পুরুষ: প্রথম দিকে তারা ভেড়ার চামড়া বা উলের তৈরি স্কার্ট (Kaunakes) পরত। পরবর্তীতে লম্বা চাদরের মতো পোশাকের প্রচলন হয়।
নারী: নারীরা এক কাঁধ খোলা রেখে লম্বা আলখেল্লা জাতীয় পোশাক পরতেন। উচ্চবিত্ত নারীরা সোনা ও মূল্যবান পাথরের গয়না এবং মাথায় মুকুট ব্যবহার করতেন।
৪. বাসস্থান ও নগর জীবন
সুমেরীয়রা মূলত রোদে পোড়ানো কাদা-মাটির ইটের তৈরি বাড়িতে বাস করত।
শহরগুলো ছিল প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।
উচ্চবিত্তদের বাড়িতে একাধিক ঘর এবং মাঝখানে একটি খোলা আঙিনা থাকত।
সাধারণ মানুষের ঘরগুলো ছিল ছোট এবং ঘনবসতিপূর্ণ।
৫. বিনোদন ও সংস্কৃতি
কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তারা অবসর সময় কাটাত:
সংগীত: তারা হার্প (Harp) এবং বাঁশি জাতীয় বাদ্যযন্ত্র বাজাতে জানত। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নাচ ও গানের বিশেষ গুরুত্ব ছিল।
বোর্ড গেম: প্রত্নতাত্ত্বিক খননে 'দ্য রয়্যাল গেম অফ উর' (The Royal Game of Ur) নামক একটি প্রাচীন বোর্ড গেম পাওয়া গেছে, যা তারা খুব পছন্দ করত।
৬. শিক্ষা ও লিখন
সুমেরীয় সমাজে শিক্ষার ব্যাপক কদর ছিল।
শুধুমাত্র ধনিক শ্রেণির ছেলেরাই স্কুলে (যাকে 'এ-দুবা' বলা হতো) গিয়ে কিউনিফর্ম লিখন পদ্ধতি শিখত।
লেখকদের (Scribes) সমাজে খুব সম্মানের চোখে দেখা হতো, কারণ তারা রাষ্ট্রের হিসাব এবং ধর্মীয় বাণী লিপিবদ্ধ করতেন।

এমন সব পোষ্টটি ফলো দিয়ে রাখুন, ধন্যবাদ।

29/04/2026

#​মেসোপটেমীয়_সভ্যতা (Mesopotamian Civilization)
​"মেসোপটেমিয়া" একটি গ্রিক শব্দ, যার অর্থ "দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ"। বর্তমান ইরাক, সিরিয়ার একাংশ এবং তুরস্কের কিছু অংশ নিয়ে এই সভ্যতা বিস্তৃত ছিল। দজলা (Tigris) ও ফোরাত (Euphrates) নদীর তীরে এই উর্বর ভূমিতেই মানব ইতিহাসের প্রথম শহরগুলো গড়ে ওঠে।
​এই সভ্যতার চারটি প্রধান পর্যায়:
​মেসোপটেমিয়া মূলত চারটি আলাদা সংস্কৃতির সমন্বয়ে গঠিত ছিল:
১. সুমেরীয় সভ্যতা: লিখন পদ্ধতি এবং চাকা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: রাজা হাম্মুরাবি এবং তাঁর কঠোর আইনবিধির জন্য পরিচিত।
৩. অ্যাসিরীয় সভ্যতা: সামরিক শক্তি এবং উন্নত যুদ্ধকৌশলের জন্য পরিচিত।
৪. ক্যালডীয় সভ্যতা: সম্রাট নেবুচাঁদনেজার এবং ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যানের জন্য বিখ্যাত।
​মেসোপটেমীয় সভ্যতার শ্রেষ্ঠ অবদানসমূহ:
​কিউনিফর্ম (Cuneiform): এটি বিশ্বের প্রাচীনতম লিখন পদ্ধতি। তারা মাটির চাকতিতে বিশেষ কলম দিয়ে কীলকাকৃতির চিহ্ন এঁকে লিখত।
​চাকা আবিষ্কার: যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনের জন্য চাকার ব্যবহার প্রথম এখানেই শুরু হয়।
​বিজ্ঞানে অবদান: তারা সময় গণনার জন্য ষাটক পদ্ধতি (Sexagesimal system) উদ্ভাবন করে, যেখান থেকে আজকের ৬০ মিনিটে ১ ঘণ্টা এবং বৃত্তের ৩৬০ ডিগ্রির ধারণা এসেছে।
​জিগুরাত (Ziggurat): তারা দেবতাদের উপাসনার জন্য উঁচু পিরামিড সদৃশ মন্দির তৈরি করত, যাকে 'জিগুরাত' বলা হয়।
​আইন প্রণয়ন: রাজা হাম্মুরাবি অপরাধের শাস্তি নির্ধারণে বিশ্বের প্রথম লিখিত আইনবিধি (Code of Hammurabi) প্রণয়ন করেন।

​আপনি কি এই সভ্যতার পর্যায়গুলো নিয়ে জানতে চান?
যেমন—তাদের শাসনব্যবস্থা বা প্রাচীন শহরের কাঠামো সম্পর্কে।

তাহলে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
1238