অক্ষর - Akkhor

অক্ষর - Akkhor

Share

Your education is in our best interest.

08/11/2025
16/10/2025

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাসের হার
৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ

15/10/2025

Never Give Up
Stay Tuned with অক্ষর - Akkhor

14/10/2025

with অক্ষর - Akkhor

12/08/2025

এক দেশ, দুই নীতি" (One Country, Two Systems) একটি সাংবিধানিক নীতি যা হংকং এবং ম্যাকাও-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, হংকং ও ম্যাকাও চীনের অংশ হওয়া সত্ত্বেও, তারা তাদের নিজস্ব পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে পারবে, যা চীনের মূল ভূখণ্ডের সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে ভিন্ন।
"এক দেশ, দুই নীতি" এর মূল ধারণা হলো:
এক দেশ:
চীন একটি ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র এবং হংকং ও ম্যাকাও চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
দুই নীতি:
হংকং ও ম্যাকাও তাদের নিজস্ব পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা, স্বতন্ত্র আইন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রা এবং সীমিত স্বায়ত্তশাসন (কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা ব্যতীত) বজায় রাখতে পারবে।
এই নীতিটি মূলত হংকং এবং ম্যাকাওকে তাদের প্রাক্তন পশ্চিমা শাসকদের কাছ থেকে চীনের হাতে হস্তান্তরের সময় প্রণয়ন করা হয়েছিল।
১৯৯৭ সালে হংকং এবং ১৯৯৯ সালে ম্যাকাও চীনের কাছে হস্তান্তরিত হওয়ার পর এই নীতি কার্যকর হয়।
এই নীতিটি ৫০ বছরের জন্য কার্যকর থাকার কথা ছিল, অর্থাৎ হংকংয়ের জন্য ২০৪৭ সাল পর্যন্ত এবং ম্যাকাওয়ের জন্য ২০৪৯ সাল পর্যন্ত।
বর্তমানে, হংকং এবং ম্যাকাও চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসাবে শাসিত হচ্ছে এবং তারা তাদের নিজস্ব আইন, মুদ্রা, শুল্ক ব্যবস্থা, এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।


#বিসিএস






08/08/2025

ইসরাইলকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ছিল তুরস্ক। ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে তুরস্ক ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
মিশর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম আরব রাষ্ট্র ছিল, তবে তারা ১৯৪৯ সালে নয়, বরং ১৯৭৯ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পর ইসরায়েলের সাথে শান্তি চুক্তি করে এবং স্বীকৃতি দেয়।


#বিসিএস






07/08/2025

দিনেমার" শব্দটি ডেনমার্কের অধিবাসীদের বোঝায়। সাধারণভাবে, দিনেমার বলতে ডেনমার্কের নাগরিক বা ডেনমার্কের সাথে সম্পর্কিত মানুষদের বোঝানো হয়। এছাড়াও, এটি ডেনমার্কের ভাষা, সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদেরও বোঝাতে পারে।
আরও বিস্তারিতভাবে, "দিনেমার" শব্দটি দ্বারা:
ডেনমার্কের নাগরিক:
যারা ডেনমার্কের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন বা ডেনমার্কের বাসিন্দা, তাদের দিনেমার বলা হয়।
ডেনিশ জাতিসত্তা:
যারা ডেনিশ জাতিসত্তার অন্তর্ভুক্ত, তাদেরও দিনেমার বলা হয়। এটি কেবল জন্মসূত্রে ডেনিশ নাগরিকত্ব নয়, বরং একটি জাতিগত পরিচয়ও বটে।
ডেনমার্কের ভাষা ও সংস্কৃতি:
যারা ডেনিশ ভাষা ও সংস্কৃতিতে নিজেদের পরিচিত মনে করেন, তাদেরও দিনেমার হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
দিনেমার শব্দটি দিয়ে অতীতে ডেনমার্কের উপনিবেশ এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরও বোঝানো হতো।
সুতরাং, "দিনেমার" শব্দটি একটি বহুমাত্রিক শব্দ যা ডেনমার্কের সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হয়।


#বিসিএস






05/08/2025

বাবরি মসজিদ ছিল একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা, যা ১৫২৮ সালে মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে তার সেনাপতি মীর বাকী অযোধ্যায় নির্মাণ করেন। এটি একটি মন্দির কাঠামোর উপর নির্মিত হয়েছিল বলে দাবি করা হয় এবং ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী কর্তৃক এটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এই ঘটনা ভারতে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করে এবং এটি রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

নির্মাণ ও বিতর্ক:
নির্মাণ:
মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮-২৯ (৯৩৫ হিজরি) সালে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন।
স্থান:
এটি উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় রামকোট পাহাড়ের উপর অবস্থিত ছিল।
বিতর্কিত ইতিহাস:
হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো দাবি করে যে, মসজিদটি ভগবান রামের জন্মস্থানে একটি মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল, যা দীর্ঘকাল ধরে একটি বিতর্কিত বিষয় ছিল।
মসজিদ ধ্বংস:
ঘটনা:
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর হাজার হাজার হিন্দু কর্মী বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দেয়।
প্রভাব:
এই ঘটনার পর ভারতে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে অনেক মানুষ মারা যায়।
পরবর্তী ঘটনা:
রাম মন্দির:
मस्जिद ধ্বংস হওয়ার ৩২ বছর পর, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ওই স্থানে একটি রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং পরে এর উদ্বোধন হয়।
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব:
এই বিতর্কিত ঘটনাটি ভারতের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যা আজও দেশটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়।


#বিসিএস






04/08/2025

সুয়েজ খাল আফ্রিকা এবং এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করে, যা ইউরোপ থেকে এশিয়ার সমুদ্রপথে দূরত্বকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে।

লোহিত সাগর:
এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এবং আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জলভাগ।
এর উত্তরে সুয়েজ উপসাগর এবং সিনাই উপদ্বীপ অবস্থিত।
সুয়েজ খাল:
এটি মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি সমুদ্র-পৃষ্ঠের জলপথ।
এই খালটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত করে, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে একটি প্রধান বাণিজ্য পথ হিসেবে কাজ করে।
১৮৬৯ সালে এটি চালু হয় এবং এর মাধ্যমে ইউরোপ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রপথে দূরত্ব কমে যায়।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের পথ, যা বিশ্বের বাণিজ্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পরিচালনা করে।
২০১৫ সালে এই খালটিকে আধুনিক জাহাজ চলাচলের সুবিধার জন্য আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।


#বিসিএস






02/08/2025

সিনাগগ শব্দটি গ্রীক উৎপত্তি ( সিনেজিন , "একত্রিত করা") এবং এর অর্থ "সমাবেশের স্থান"। ইহুদি শব্দ শুল (জার্মান শুলে থেকে, "স্কুল") সিনাগগকে বোঝাতেও ব্যবহৃত হয় এবং আধুনিক সময়ে মন্দির শব্দটি কিছু সংস্কার ও রক্ষণশীল মণ্ডলীর মধ্যে প্রচলিত।সিনাগগ (Synagogue) হলো ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উপাসনালয় বা উপাসনালয় কেন্দ্র। এটি ইহুদিদের প্রার্থনা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন এবং কমিউনিটির অন্যান্য কার্যকলাপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।
সিনাগগের মূল বৈশিষ্ট্য:
প্রার্থনা ও ধর্মীয় সেবা:
সিনাগগগুলো ইহুদিদের ধর্মীয় সেবা ও প্রার্থনার স্থান, যেখানে বিবাহ, বার ও ব্যাট মিৎজভার মতো বিশেষ অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেয়।
শিক্ষা ও সমাজ:
এটি শুধু উপাসনালয়ই নয়, একটি শিক্ষাকেন্দ্র এবং কমিউনিটি সেন্টার হিসেবেও কাজ করে, যেখানে ইহুদিরা একত্রিত হয় এবং পড়াশোনা করে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
সিনাগগগুলো ইহুদি ধর্ম ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এটি 'বেইথ নেসেট' (সমবেত হওয়ার ঘর) নামেও পরিচিত, যা ইহুদি ধর্মের ঘনিষ্ঠ সম্প্রদায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


#বিসিএস






01/08/2025

বৌদ্ধধর্ম সিদ্ধার্থ গৌতম (বুদ্ধ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন ধর্ম যা ভারত থেকে শুরু হয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্য এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রসারে সম্রাট অশোকের অবদান অনস্বীকার্য, যিনি ধর্ম প্রচারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করেছিলেন এবং তার সাম্রাজ্যের মাধ্যমে এই ধর্মকে আরও বিস্তৃত করেন। বৌদ্ধধর্মের প্রচার-প্রসারে সিল্ক রোড একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যার মাধ্যমে বণিক কাফেলা ও ভিক্ষুরা ধর্ম প্রচারের জন্য দূর-দূরান্তে ভ্রমণ করতেন।
বৌদ্ধধর্ম প্রসারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
সম্রাট অশোকের ভূমিকা:
অশোক নিজের ধর্মীয় ভ্রমণ বন্ধ করে সর্বপ্রাণীর কল্যাণে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ করেন, যা তার রাজ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে ধর্মের প্রসারে সহায়ক হয়েছিল।
বাণিজ্যিক পথের ব্যবহার:
বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ও বণিকরা সিল্ক রোড ধরে ভ্রমণ করার সময় ধর্ম প্রচার করতেন, যা মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধধর্মের বিস্তারে সাহায্য করে।
মহাযান বৌদ্ধধর্মের বিস্তার:
মহাযান বৌদ্ধধর্মের নমনীয়তা ও বর্ণপ্রথা প্রত্যাখ্যান করার নীতি একে এশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে।
বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তার:
বৌদ্ধধর্ম প্রথমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, তারপর মধ্য এশিয়া এবং পরবর্তীতে চীন ও পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশ ও ভারতেও পাল রাজবংশের আমলে বৌদ্ধধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে, যেখানে মঠ নির্মাণ এবং ধর্মীয় আলোচনার প্রচলন ছিল।
নীতি ও শিক্ষা:
বৌদ্ধধর্মের বর্ণপ্রথা প্রত্যাখ্যান এবং "মধ্যম পথের" শিক্ষা এটিকে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে গৃহীত হতে সাহায্য করেছে।


#বিসিএস





Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Panthapath UTC Tower Level 19
Dhaka
1205