05/01/2026
প্রকৃত মৎস্য উদ্যোক্তা
মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শ সেবা বার্তা।
05/01/2026
19/10/2025
পুকুরে ফাইটোপ্লাংকটন/অ্যালগাল ব্লুম (সবুজ শৈবালের প্রাদুরভাব) হলে করণীয় :
১। প্রথমত, বাইরের কোন সোর্স থেকে পুকুরে গৃহস্থলির ব্যবহার্য পানি/ গবাদি পশুর ওয়েস্টেজ অথবা অন্য কোন নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য আসা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে।
২। দ্বিতীয়ত, খড়ের দড়ি পেঁচিয়ে পুকুরের দুই পাশ থেকে টেনে শ্যাওলা গুলো যতদূর সম্ভব তুলে ফেলতে হবে।
৩। শতাংশ প্রতি পাঁচটি সিলভার কার্প এবং পাঁচটি থাই সরপুটি ছেড়ে দিতে হবে ।
৪। Planktona শতাংশ প্রতি ১৫ মিলি অথবা phitonil ৩০ গ্রাম প্রতি শতাংশ হারে যেকোনো একটি পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে ।
৫। পানির গভীরতা ১ থেকে দেড় ফুট বৃদ্ধি করতে হবে।
কনটেন্ট কপিরাইট
প্রকৃত মৎস্য উদ্যোক্তা
18/10/2025
কার্প ফ্যাটেনিং:
১। প্রথমত বড় ভালো জাতের সুস্থ্য মাছ মজুদ করতে হবে (৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি +)
২। মাসিক চুন (৩০০ গ্রাম/শতাংশ)/জিওলাইট, লবণ (২০০ গ্রাম/ শতাংশ) , গ্যাসনিল (২ গ্রাম/শতাংশ) ১ বার এবং pond care প্রোবায়টিক্স (০.৫০ গ্রাম/শতাংশ ৪ গুন পরিমাণ চিটাগুড়ের সাথে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে) প্রতি ১৫ দিন পর পর মাসে ২ বার ডোজ দিতে হবে।
৩। শুরুতেই সরফেরল (Sorpherol) প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৩ গ্রাম হারে ১৫ দিন মাছ কে খাওয়াইতে হবে, এত করে মাছের লিভার রোগ ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হবে।
৪। সরফেরল ১৫ দিন খাওয়ানোর পরেই রেপিড গ্র (Rapid Grow) প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৫ গ্রাম হারে প্রয়োগ করতে হবে। এটি ব্যবহারের ফলে মাছের খাবারের রুচি কমে যাবে।
৫। খাবারের রুচি ঠিক রাখার জন্য এবং প্রয়োগকৃত খাবারের যথার্থ ব্যবহার (FCR) নিশ্চিত করার জন্য রেপিড গ্র খাওয়ানোর সাথে সাথে প্রতি কেজি খাবারের সাথে ২-৩ গ্রাম হারে বায়োজাইম (Biozyme) প্রয়োগ করতে হবে। এটি সপ্তাহে ছয় দিন দিতে হয়, একদিন বন্ধ থাকবে।
৬। এসবের পাশাপাশি যেকোনো একটি ভালো মানের কোম্পানির খাবার (সিপি, কোয়ালিটি, আস্থা, নারিশ) মাছের বডি ওয়েটের ২.৫% হারে সপ্তাহে ছয় দিন দিতে হবে।
**সাথে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের জন্য এ্যারেটর এর ব্যবস্থা করতে পারলে উত্তম ফলাফল পাওয়া যাবে।
*** এভাবে ছয় মাস খাওয়ালে বড় সাইজের মাছ উৎপাদন করা যাবে।
…........................ .......
কপিরাইট
প্রকৃত মৎস্য উদ্যোক্তা
18/10/2025
শীতকালে পুকুরের মাসিক যত্ন:
আসন্ন শীতকাল উপলক্ষে পুকুরের মাসিক ভিত্তিতে যত্ন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ব প্রস্তুতি না নিলে সাধারণত মাছে উকুন এবং জীবাণুর আক্রমণ হয়ে লাল দাগ চলে আসে। এতে করে মৎস্য উদ্যোক্তাগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য আমরা যারা মাছ চাষ করি, আমাদের প্রত্যেকের উচিত অন্তত শীতের পাঁচ মাস পুকুরের মাসিক যত্ন ঠিকভাবে নেওয়া।
পুকুরের মাসিক যত্ন:-
১। উকুননাশক প্রয়োগ: প্রতি মাসের শুরুতে মাসিক ভিত্তিতে একবার উকুননাশক (ভারকিল ভেট অথবা অন্য যে কোন ভালো কোম্পানির উকুননাশক) ১ গ্রাম/ফুট গভীরতা/ শতাংশ হারে পানিতে গুলিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে পুকুরে।
২। জীবাণুনাশক প্রয়োগ: উপননাশক প্রয়োগের পরের দিন মাসিক ভিত্তিতে একবার ডাক্তারি পটাশ (পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট) অথবা micronil শতাংশ প্রতি ৬ গ্রাম পানিতে গুলিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে পুকুরে।
৩। ডাক্তারি পটাশ ছিটানোর পরের দিন শতাংশ প্রতি ৩০০ গ্রাম চুন ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রৌদ্রজ্জ্বল আবহাওয়াতে সমস্ত পুকুর ছিটাতে হবে মাসে একবার।
৪। চুন প্রয়োগের দিন দুপুরের পরে শতাংশ প্রতি ২০০ গ্রাম লবণ পুকুরে ছিটায় দিতে হবে। মাসে একবার।
৫। সম্ভব হলে লবণ প্রয়োগের পরের দিন শতাংশ প্রতি ২ গ্রাম করে অ্যামোনিয়া গ্যাসদূরীকারক Gasonil ভেজা বালির সাথে মিশিয়ে হররা টানার পর পুকুরে প্রতি মাসে একবার ছিটিয়ে দিতে হবে।
৬। শীতকালে খাবারের পরিমাণ গ্রীষ্মকালের তুলনায় তিন ভাগের দুই ভাগ অথবা অর্ধেক হারে দিতে হবে। সম্ভব হলে প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৩ গ্রাম করে ভিটামিন সি (Turbo C) মিশিয়ে মাছকে মাসে অন্তত সাত দিন খাওয়াতে হবে। এতে করে মাছের রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
উপরোক্ত ছয়টি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে উত্তম। সবগুলো অনুসরণ করা সম্ভব না হলে অন্তত ২-৫ নং ধাপ অনুসরণ করে মাছ চাষে রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব ।
আর্টিকেল স্বত্বাধিকার
প্রকৃত মৎস্য উদ্যোক্তা
16/10/2025
06/10/2025
Beauty of Hill
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
University Of Dhaka
Dhaka