শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

Share

আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন বিষয়ে জানতে পেজটিকে ফলো করুন ও আমাদের সাথেই থাকুন Standwithmycountry 🇧🇩

12/05/2026

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে বিশাল এক মসজিদ।
এটি আমেরিকার বড় বড় মসজিদ সমূহের মধ্য থেকে একটি।
জুমুআর দিন মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে খুতবা দিচ্ছেন এক খতীব।
হালকা পাতলা শ্মশ্রু মন্ডিত এক তরুণ। শ্রোতারা তন্ময় হয়ে ...তাঁর কথা শুনছে।
ইংরেজি সাহিত্যে অপূর্ব দক্ষতা এই তরুণের। শুধু সাহিত্য মানই নয় বরং যেভাবে তাঁর কথার মাঝে পাওয়া যায় সুগভীর জ্ঞানের নির্দশন, ঠিক তেমনি ভাবে তথ্য ও যুক্তি প্রমাণে মেশানো এক অভিনব উপস্থাপনা। তিনি হলেন এই একবিংশ শতাব্দীর মহান দায়ী, মুজাহিদ, শহীদুদ দাওয়াহ শাইখ আনোয়ার বিন নাসীর আল-আওলাকী (রহঃ)।

একদিন রাত্রিবেলা মুজাহিদীনগণ নিজ নিজ ক্যাম্পে ছিলেন,
হঠাৎ শুনতে পেলেন কানফাটা আওয়াজ, জমিন থরথর করে কেঁপে উঠল, যেন পুরো শহরে ভূমিকম্প হলো।

সবাই চিন্তিত হয়ে পড়লেন, কেননা তখন শাইখ ক্যামপের বাহিরে সফরে ছিলেন।
ফজরের নামাজের পর হঠাৎ শাইখ সেখানে উপস্থিত হলেন, তাঁর চেহারায় মুচকি হাসি।
তারঁ হাসি দেখে বুঝতে পারলেন যে, এই আক্রমণের লক্ষ্য তিনিই ছিলেন। কিন্তু শত্রুরা ব্যর্থ হয়।

ঘটনাটি ছিল-
শাইখসহ কয়েকজন মুজাহিদ গাড়িতে করে সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন।
হঠাৎ করে তাঁরা ভীষণ বিষ্ফোরণের আওয়াজ শুনতে পেলেন, যাতে শাইখের গাড়ির কাঁচ ভেঙ্গে গেলো।

শাইখ ভাবতে লাগলেন হয়তো তারঁ গাড়ির উপরই এ্যাটাক হয়েছে। তিনি আদেশ দিলেন গাড়ি দ্রুত চালাতে যাতে বিপদসংকুল স্থান তাড়াতাড়ি পার হওয়া যায়।
সকলেই গাড়ি দ্রুত চালানোর কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। শাইখ তাঁর ড্রাইভারকে আদেশ দেন জনপদ থেকে দূরে ফাঁকা স্থান দিয়ে গাড়ি চালানোর জন্য, যাতে মুসলমানদের জান-মালের কোন ক্ষতি না হয়।

অতঃপর তাঁরা একটি উপত্যকার দিকে রওনা করেন যেখানে ঘন গাছপালা ছিল। ড্রাইভার গাড়ি থামায়। সকলে গাড়ি থেকে বের হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। মার্কিন ড্রোন গাড়ির উপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। গাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়।
শাইখ এবং তাঁর সাথীগণ একটি পাহাড়ী ঢালে অবস্থান নেন।

সবচেয়ে আশ্চযের্র বিষয় হলো এই ভয়ানক লোমহর্ষক পরিস্থিতিতে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন এবং ফজর পর্যন্ত ঘুমান। এটা আল্লাহর আয়াতেরই বাস্তব প্রমাণ।আল্লাহ বলেনঃ“তারপর তিনি তোমাদের উপর দুশ্চিন্তার পর নাযিল করলেন প্রশান্ত তন্দ্রা” (সূরা আলে ইমরান,)

শাইখকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল- “আপনি কিভাবে ঘুমালেন অথচ ডো্রন আপনার মাথার উপর ছিল?

শাইখ বলেন, “জানি না কিভাবে, তবে তন্দ্রা অনুভব করছিলাম, ফলে ঘুমিয়ে পড়ি।”

শাইখকে জিজ্ঞাসা করা হলো, “কয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল?” শাইখ বললেন, “প্রায় ১০ থেকে ১১টি।” শাইখকে তাঁর এক প্রিয় ব্যক্তি গোপনে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “শাইখ! এই আক্রমণের সময় আপনার অনুভূতি কেমন ছিল?” শাইখ জবাব দিলেন, “আমি আমার ধারণার চেয়ে অনেক সহজ অনুভব করেছি। তোমার হয়তো প্রথমে কিছুটা ভয় লাগবে, অতঃপর আল্লাহ তাআলা তোমার উপর সাকিনা (প্রশান্তি) নাযিল করবেন।”

এরপর তিনি বললেন, “এবার ১১টি ক্ষেপনাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে, কিন্তু এরপর হয়তো প্রথমটিই তার লক্ষ্যস্থির করে ফেলবে।”
আসলেই তার কথা সত্যি হলো। এর কিছুদিন পর শাইখের উপর ড্রোন আক্রমণ হয়,ড্রোন তার প্রথম চেষ্টাতেই লক্ষ্যস্থির করে ফেলে। শাইখ শাহাদাতের কোলে ঢলে পড়েন। পরিসমাপ্তি ঘটে ইলম, দাওয়াত, বিপ্লব ও বিদ্রোহে মিশ্রিত একটি জীবনের।
আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
--------

তিনি নিউ মেক্সিকোতে জন্মগ্রহন করেন।
তাঁর বাবা-মা ইয়েমেনী, সেখানেই তিনি ১১ বছর জীবন যাপন করেন এবং প্রাথমিক ইসলামিক শিক্ষা গ্রহন করেন। তিনি কলোরডো, ক্যালিফর্নিয়া এবং পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ডি.সি. তে ইমাম হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন।

সেখানে তিনি দার আল-হিজরাহ ইসলামিক সেন্টার এর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির মুসলিম আলেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কলোরাডো ইউনিভার্সিটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বি, এস করেন এবং সান ডিয়াগো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে এডুকেশন লিডারশিপের উপর এম.এ করেন এবং জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট এ ডক্টরেট করার সময় তাঁর উপর আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এছাড়াও তাঁর তিনটি সর্বোচ্চ ইসনাদে কুরআন আবৃত্তি করার, ৬টি হাদীসগ্রন্থ থেকে বর্ণনা করার এবং কুরআন, কুরআনের বিজ্ঞান, হাদীস, হাদীমের বিজ্ঞান, তাফসির, ফিকহ, উসুলে ফিকহ এবং আরবী ভাষার উপর দক্ষতা রয়েছে।

কোরআন তিলাওয়াতও ছিল সুমধুর।
তিলাওয়াতের উপর তিনি স্বীকৃতি সনদও লাভ করেছিলেন। তাফসীরের বিষয়ে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় তাফসীর ছিল ইবনে কাসীর ও সাইয়্যেদ কুতুব (রহঃ) এর তাফসীর ফি যিলালিল করুআন। হাদীসের প্রতিও ছিল তাঁর অত্যধিক আগ্রহ। তিনি সহীহ বুখারীর দরস নেওয়ার জন্যে ইয়েমেন সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সফর করেন এবং হাদীসের উপর উচ্চতর সনদ লাভ করেন। ইলমে ফিকহে তাঁর ডক্টরেট ছিল ফিকহে শাফেয়ীর উপর।

তাঁর জীবনের একটি অন্যতম অধ্যায় হলো - দাওয়াহ তথা আল্লাহর দিকে আহবান। তিনি ইংরেজি ও আরবী উভয় ভাষায় খুতবা দিতেন। তাঁর ভাষা ছিল হৃদয়স্পর্শী। বয়ানের প্রভাব ছিল অত্যন্ত ব্যাপক। পশ্চিমা বিশ্বের শত শত যুবক তার বয়ানে প্রভাবিত হয়ে নিজেদের জীবন বদলে ফেলেছে। যাদের রাত কাটতো নারী ও মদ নিয়ে, গভীর রাতে আজ তাদের ঘর থেকে ভেসে আসে তিলওয়াতের সুর। দুনিয়াপ্রেমী এই যুবকগুলো আজ শাহাদাত পিয়াসী।
তারা বদলে ফেলেছে নিজেদেরকে এবং বদলাতে চায় সারা পৃথিবীকে।
©


11/05/2026

যতটুকু ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছে কিছুটা তাঁর চেয়ে কিছু কম প্রদর্শন করুন,
কারন আপনার রুঢ়তায় মানুষ আপনার থেকে দুরত্ব কামনা করে।❌




Mst Rabeya Basri

10/05/2026

If Life is a book,
My mother-in-low and
Father-in-low is my favorite Chapter!💜

Saleha Begum
عبد الحق جليم الدين




শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

08/05/2026
08/05/2026

কাল যেই মুহুর্তে রফিক হুজুরের দ্বিতীয় বিয়ের কাহিনী সমালোচিত হচ্ছিল সেই মুহূর্তে আমি বাড়ি ফেরার পথে বাসে একজন সাধারন হুজুরকে কিছু টাকা সদকা করছি।
ক্যাশ বেশি ছিল না, থাকলে আরো দিতাম।

মূলত লোকটাকে একদম নতুন দেখছি। পোশাকে মোটামুটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, চেহারায় নূরানী একটা ভাব।

বাসে উঠেই উনি অন্য সব সাহায্যপ্রার্থীদের তুলনায় সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী ভঙ্গিতে বলতে লাগলেন "ভাই-বোনেরা আমি জিরো পয়েন্ট মসজিদের ইমাম, আমার বেতন খুবই কম।
এই অবস্থায় আমার স্ত্রীর প্রাইভেট পার্টে টিউমার ধরা পরেছে, চিকিৎসা করার সামর্থ্য নেই। ওর কষ্ট আমি সহ্য করতে পারছি না তাই আপনাদের কাছে হাত পাততে বাধ্য হলাম। যে যা পারেন আমাকে একটু সহযোগিতা করুন প্লিজ"

সত্যি বলতে তখন আমার মসজিদ কমিটি এবং রাষ্ট্রীয় অবহেলায় একজন ইমামের জীবন কতটা লাঞ্ছিত হচ্ছে সেই চিন্তা মাথায় ঘুরছিলো।

ফোন খুলে দেখি এক হুজুরের প্রথম স্ত্রী সন্তান সম্ভাবা তাই হালালভাবে *** করার জন্য আরেকটা বিয়ে করছে।
এই শুধু দশ মাসের চাহিদার জন্য আরেকটা বিয়ে এটা স্রেফ ভন্ডামি।

যেকোনো নারী, আর সচেতন পুরুষরা শুনলেই বিতৃষ্ণা প্রকাশ করবে আর ওনার প্রথম স্ত্রী তো কোনোভাবেই সহ্য করতে পারছে না, সেটাও আবার দোষ বলতেছে বামন।

নারীরা স্বামীর ভাগ কাউকে দিতে চায়নি কোনোদিনই।

সবচেয়ে বেশি অবাক হইছি দেশের একপ্রান্তে একজন হুজুর প্রথম স্ত্রীর মনকে চৌচির করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘরে আনছে বাসনা পূরণ করতে

ঠিক আরেক প্রান্তে ইমাম হয়ে, আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে মানুষের কাছে হাত পাতছে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য।

কারণ তার ঐ একটা মানুষের জন্যই সমস্ত মায়া জন্মে গেছে, সে আর ভাবতে পারে নাই এটা রোগা,ড্যামেজ; একে ফেলে অন্য একজনকে বিয়ে করে আমার ইচ্ছা মিটাই ‌।
©


07/05/2026

ইহা শেষ জা মা না।
য খ ন কিছু মানুষের مقتضي الحال এর sence ও Common humanity থাকবেনা।




শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

07/05/2026

The two best teacher's of my life,

Father in low and mother in law!

اظهار رابعة ❤️




Saleha Begum
عبد الحق جليم الدين
শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

07/05/2026


একটি মর্মান্তিক ঘটনা 😢😢
একজন মোবাইল ফোনের মালিক নারী আত্মহত্যার কারণে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর পর, বোনটি মৃত বোনের ফোনটি নিজের কাছে রেখে দেন। কিছুদিন পর চার্জিং পোর্ট ঠিক করার জন্য ফোনটি সার্ভিসিংয়ে দেওয়া হয়।
সেখানেই আসে ভয়ংকর চমক।
ফোনটি খোলার পর টেকনিশিয়ানরা ভেতরে জাদুর বস্তু খুঁজে পান।
আর সেই ফোনটি তিনি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তাঁর এক বান্ধবীর কাছ থেকে।
আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক। ☝️
উপহারের মাধ্যমে জাদু
এটি জাদুকর ও প্রতারকদের নোংরামির এক নতুন রূপ।
তাই অত্যন্ত সতর্ক থাকুন।
একজন মুমিনের উচিত সব বিষয়ে সচেতন, বুদ্ধিমান ও সতর্ক থাকা।
আল্লাহ তাআলা সবাইকে হেফাজত করুন এবং সব অনিষ্ট থেকে রক্ষা করুন।

সংগৃহীত

06/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❤️




শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

03/05/2026

মহৎ উদ্যোগ।
আল্লাহ কবুল করুন আমীন ❤️




শায়েখ আব্দুল হক মহিলা মাদ্রাসা মেইন ক্যাম্পাস

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


সাইনবোর্ড, নিউ টাউন আবাসিক এলাকা, মাহমুদ নগর, সরুলিয়া, ডেমরা, ঢাকা।
Dhaka