09/12/2022
মোঃ সামসুর রহমান স্যার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের আস্থার প্রতীক ও আইডিইবি'র ধারাবাহিক উন্নয়নের ধারক ও বাহক ❤️❤️❤️
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from National Polytechnic Institute-NPI, Educational consultant, Tejturi Bazar Road, Dhaka.
09/12/2022
মোঃ সামসুর রহমান স্যার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের আস্থার প্রতীক ও আইডিইবি'র ধারাবাহিক উন্নয়নের ধারক ও বাহক ❤️❤️❤️
02/12/2022
#আইডিইবির_অগ্রযাত্রা_ও_নির্বাচন_২২
১৯৬৭ সালে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে প্রিপারেটরি কোর্সে ভর্তি হয়ে কতিপয় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এইচএসসি পাশ ছাত্রদের হাতে লাঞ্চিত হবার প্রতিবাদে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে মাত্র চার জনের একটি প্রতিবাদ সভা হয়, যাকে বলা হয় আইডিইবি সৃষ্টির #ভিত্তি বা . সেই চার জনের সর্বকনিষ্ঠজন ছিলেন সে সময় ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র একেএমএ হামিদ স্যার। ১৯৫১, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৪, ১৯৬৭ইং অনেক সংগ্রাম অনেক ছড়াই উতরাই পেরিয়ে ১৯৭০ সালের ৮ নভেম্বর ঐক্যবদ্ধ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাণের সংগঠন আইডিইবি'র জন্ম। প্রথম নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন #একেএমএ_হামিদ এবং আজও তিনি সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বলতে গেলে মাঝখানে কয়েক বছর ছাড়া ১৯৬৭ থেকে ২০২২,-৫৫ বছর একেএমএ হামিদ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সুখ দুঃখের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ঐ দীর্ঘ সময় অনেকেই আইডিইবিতে এসেছেন আবার ব্যক্তিগত হিসাব মিলাতে ছেড়ে চলেও গেছেন। একা একেএমএ হামিদ স্যার নিঃস্বার্থ ভাবে নিজেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন প্রথম থেকে অদ্যাবধি।
১৯৭০ সালে আইডিইবি'র জন্মের পর ১৯৭৮ সালে রাজপথে রক্ত দিয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ একেএমএ হামিদ স্যারের নেতৃত্বে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদমর্যাদা এবং ৩৩% প্রমোশন কোটা আদায় করে। হামিদ স্যার সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগণ ১৯৮০ সালে উচ্চ শিক্ষার অধিকার আদায় করে। হামিদ স্যারের নেতৃত্বে ১৯৮২ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ 'চাটার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এক্ট' নামের কালো আইন এবং ১৯৮৬-৮৭ সালে 'হাইয়ার ডিপ্লোমা' নামের ষড়যন্ত্র মুলক ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স প্রতিহত করে। একেএমএ হামিদ স্যারের নেতৃত্বে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা এবং ১০ম গ্রেড অর্জন করে। হামিদ স্যারের নেতৃত্বে কাফনের কাপড় পরে ১৯৯৭ সালে 'ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ' নামের কাশিমবাজার কুঠি প্রতিহত করা হয়। একই ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালে ডিপ্লোমা আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারদের দাবিয়ে রাখার লক্ষ্যে গঠিত 'স্থপতি পরিষদ' আইন প্রতিহত হত করা হয়। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মান উন্নয়ন এবং সরকারি চাকুরীতে দশম গ্রেডকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ২০০১ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মেয়াদ চার বছরে উন্নীত করা হয় একেএমএ হামিদ স্যারের নেতৃত্বে সংগ্রাম করে। একেএমএ হামিদ স্যারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে ১৬০/এ কাকরাইলে ২৫ তলা ভিত্তির ওপর স্বপ্নের আইডিইবি ভবন ৫ তলা পর্যন্ত নির্মিত হয়।
ঐ সময় ভবনের ফ্লোর এবং হল ভাড়া থেকে আইডিইবি'র আয় আসতে থাকে। ভবনের টাকা দেখে ২০০৪ সালে অর্থলোভী, স্বার্থান্বেষী একটি মহল অস্ত্রের মুখে একেএমএ হামিদ স্যার এবং তাঁর অনুসারীদের আইডিইবি ছাড়তে বাধ্য করে এবং ২০১০ পর্যন্ত এ-ই গোষ্ঠী আইডিইবি'র দখল রাখে। ২০০৪ থেকে ২০১০ ঐ সাত বছরে আইডিবি'র সমস্ত অর্জন একে একে ধুলোয় মিশে যায়। ২০১১ সালে সদস্যদের সরাসরি ভোটে একেএমএ হামিদ এবং শামসুর রহমান স্যার আইডিইবি'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১২ সালের প্রথম দিকে আইডিইবি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নজরে আসে ২০০৮ সালে রাজউকের একটি গেজেটে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সুপারভাইজার আখ্যা দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। একেএমএ হামিদ স্যারের এর নেতৃত্বে আন্দোলন করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ ওই গেজেট সংশোধন এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে উপ-সহকারী প্রকৌশল হিসাবে নিয়োগ দিতে সমর্থ হয়। ২০১১ থেকে হামিদ শামসুর রহমান স্যারের ডায়নামিক লিডারশীপ এর কারণে আইডিইবি ক্রমান্বয়ে সকল হারানো গৌরব উদ্ধার করে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সহ অনেক কিছু আইডিইবি'র পরামর্শ মতো পরিবর্তন করা হয়েছে। NSDC, NSDA , a2i সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এবং সংস্থায় সরকারের সাথে আইডিইবি যৌথভাবে কাজ করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ওয়াসা, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, পিজিসিবি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে আইডিইবিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠা কালিন দর্শন অনুযায়ী রাষ্ট্র এবং জনগণের কল্যাণে আইডিইবি সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আইডিইবি'র যারা জন্মকালীন শত্রু তারা আইডিইবি'র উত্থান এবং অগ্রযাত্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আইডিইবি'র বিরুদ্ধে সৃষ্টি লগ্ন থেকে নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। দুঃখের বিষয় এই ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে কতিপয় পথভ্রষ্ট ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হাত মিলিয়েছে। তারা বিগত তিন চার বছর যাবৎ বর্তমান নির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা রটনা করে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র অব্যাহতভাবে করে যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সংস্থায় নামে-বেনামে আইডিইবি'র বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম চিঠিপত্র এবং মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করছে। আইডিবিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে গোপনে বা প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের একটি অংশ আইডিইবি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নানা ধরনের পেশী শক্তির শরণাপন্ন হচ্ছে এবং প্রদর্শন করার চেষ্টা করছে। আইডিইবি বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের কল্যাণে ঐ সকল ব্যক্তিগণ অতীতে কোন অবদান রাখেনি। বিগত ৩/৪ বছর ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগন বিএনবিসি-২০২০ এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সকে তিন বছরে নামিয়ে আনার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল-মিটিং এবং অবস্থান ধর্মঘট করেছে। তারা কেউই কোন একটি মিটিং, মিছিল বা সভা-সমাবেশে একদিনের জন্যও আসেনি। অথচ ওই ব্যক্তিগণ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতাদের বিরুদ্ধে নানাবিধ ব্যর্থতার অভিযোগ আনছেন। তাদের যদি প্রশ্ন করা হয় করোনা মহামারীর মধ্যে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে তাতে তাদের কেউ এক মিনিটের জন্য উপস্থিত ছিল কিনা-তারা কি জবাব দিবেন? বরং তাদের কেউ কেউ ডিজি টেকনিক্যাল এর কাছে চিঠি দিয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সকে তিন বছর করার পক্ষে সাফাই গেয়েছে। অথচ যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে চার বছরের কোর্স বহাল রেখেছে এবং বিএনবিসির বিতর্কিত ধারা পরিবর্তনে সরকারকে সম্মত করাতে সমর্থ হয়েছে, যাদের কারণে সমাজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের আকাশচুম্বি সম্মান, তাদের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ আনছেন। এটি হাস্যকর নয় কি? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগন এই সমাজের সবচেয়ে সচেতন গুষ্টি। তারা কখনো মরিচীকার পিছনে ছুটে না বা ভুল সিদ্ধান্ত নেয় না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ২০২৩-২০২৫ টার্মের নির্বাচনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীগণ কমিউনিটির প্রকৃত বন্ধু এবং শত্রুকে চিহ্নিত করে সঠিক সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিবেন। জয় হোক সকল ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর।
ইনশাআল্লাহ আমরা পূর্ণাঙ্গ প্যানেল জয় লাভ করব 🎉❤️
16/08/2022
15/02/2022
সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য ।
10/02/2022
SAE/SO
BWDB
সরাসরি লিখিত পরিক্ষা
10/02/2022
মিডটার্ম পরীক্ষার সময় সূচি