ইসলামে একাধিক বিবাহ: বাস্তবতা, শর্ত ও ভুল ধারণা
আজকের সমাজে “একাধিক বিবাহ” (বহুবিবাহ) বিষয়টি নিয়ে অনেক আলোচনা, সমালোচনা ও ভুল বোঝাবুঝি রয়েছে। কেউ এটাকে নিছক ভোগের সুযোগ মনে করেন, আবার কেউ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন। অথচ ইসলাম এ বিষয়ে দিয়েছে একটি সুষম, দায়িত্বশীল ও শর্তসাপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি।
🔹 কোরআনের মূল নির্দেশনা
আল্লাহ তাআলা বলেন—
فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً (সূরা আন-নিসা ৪:৩)
অর্থ: “তোমরা দুই, তিন বা চারজন পর্যন্ত বিবাহ করতে পারো; কিন্তু যদি আশঙ্কা কর যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তবে একজনই যথেষ্ট।”
👉 এখানেই ইসলামের ভারসাম্য স্পষ্ট—
অনুমতি আছে, কিন্তু শর্ত হলো ন্যায়বিচার।
🔹 ন্যায়বিচার—সবচেয়ে বড় শর্ত
ইসলামে একাধিক বিবাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে—
✔️ স্ত্রীদের মধ্যে সময় বণ্টন
✔️ আর্থিক দায়িত্ব
✔️ অধিকার আদায়
এগুলোতে সমতা বজায় রাখতে না পারলে একাধিক বিবাহ উৎসাহিত নয়, বরং নিরুৎসাহিত।
🔹 হাদিসের কঠোর সতর্কতা
রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যার একাধিক স্ত্রী আছে এবং সে অন্যায়ভাবে একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়ে, কিয়ামতের দিন সে একপাশ বেঁকে অবস্থায় উঠবে।”
(সুনান আবু দাউদ, তিরমিজি)
👉 অর্থাৎ, এখানে শুধু অনুমতি নয়—কঠিন জবাবদিহিতার বার্তাও রয়েছে।
🔹 ফযীলত নাকি অনুমতি?
অনেকে মনে করেন, একাধিক বিবাহ করাই যেন বিশেষ কোনো ফযীলত।
📌 বাস্তবতা হলো—
- ইসলাম এটাকে ফরজ বা সুন্নত মুয়াক্কাদা হিসেবে নির্ধারণ করেনি
- বরং এটি একটি প্রয়োজনভিত্তিক অনুমতি (রুখসত)
✔️ ফযীলত তখনই, যখন
- আপনি ন্যায় বজায় রাখেন
- দায়িত্ব পালন করেন
- কারো প্রতি অন্যায় করেন না
🔹 কেন এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে?
ইসলাম একটি বাস্তবমুখী ধর্ম। সমাজের বিভিন্ন পরিস্থিতি—
যেমন: বিধবা নারী, এতিম পরিবার, সামাজিক ভারসাম্য—
এসব বিবেচনায় এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে সমস্যার একটি হালাল সমাধান থাকে।
🔹 মূল বার্তা কী?
ইসলাম কখনোই অবাধ ভোগবাদ শেখায় না। বরং—
👉 সংযম
👉 দায়িত্ব
👉 ন্যায়বিচার
👉 এবং জবাবদিহিতা
এই চারটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে একাধিক বিবাহের অনুমতি।
---
শেষ কথা:
একাধিক বিবাহ ইসলামে আছে—কিন্তু সেটি কোনো খেলাচ্ছলে নেওয়ার বিষয় নয়। এটি একটি ভারী দায়িত্ব, কঠিন পরীক্ষা এবং বড় আমানত।
তাই সঠিক বোঝাপড়া হোক—
অনুভূতির নয়, বরং ইলম ও তাকওয়ার আলোকে।
#ইসলাম #বিবাহ #শরীয়াহ #দাম্পত্য_জীবন
Deen Sikkha Academy
কুরআন শিখুন, জীবনকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করুন।
আকিকা ও ওলিমা: ইবাদত বনাম সামাজিক বোঝা
আকিকা ও ওলিমা—ইসলামি শরীয়তে অত্যন্ত বরকতময় ও আনন্দের দুটি ইবাদত। সন্তান জন্মের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ আকিকা করা এবং বিয়ের পর খুশিতে খাওয়ানো (ওলিমা) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ। কিন্তু বর্তমান সমাজে এই ইবাদতগুলোকে আমরা এমন এক 'সামাজিক প্রথা' ও 'কুসংস্কারে' রূপ দিয়েছি যে, এখন এই অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেলে মানুষ আনন্দিত হওয়ার বদলে মনে মনে ভয় পায়।
১. ইবাদত যখন লৌকিকতা
ইসলামের বিধান: ওলিমা বা আকিকা হওয়া উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ ও অনাড়ম্বর। রাসুলুল্লাহ (সা.) হযরত আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.)-কে বলেছিলেন, "একটি ছাগল দিয়ে হলেও ওলিমা করো।" (বুখারি: ২০৪৯)।
বর্তমান প্রথা: এখন অনুষ্ঠান মানেই কয়েক পদের রাজকীয় খাবার, আলোকসজ্জা আর অহেতুক আভিজাত্য প্রদর্শন। সামর্থ্য না থাকলেও মানুষ ঋণ করে বা জমি বিক্রি করে ধুমধাম করে অনুষ্ঠান করছে, যা মূলত লৌকিকতা বা ‘রিয়া’ (প্রদর্শনপ্রীতি), যা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
২. উপহারের নামে ‘জরিমানা’ ও ‘বিনিময় প্রথা’
ইসলামের বিধান: উপহার হওয়া উচিত স্বেচ্ছায় এবং সামর্থ্যের মধ্যে। হাদিসে এসেছে, "তোমরা পরস্পর উপহার দাও, এতে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।" (মুয়াত্তা ইমাম মালিক)।
বর্তমান প্রথা: উপহার এখন বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাওয়াত পাওয়া মানেই বড় কোনো গিফট বা বড় অংকের টাকা দিতে হবে—এমন একটি অলিখিত নিয়ম সমাজ তৈরি করে রেখেছে। অনেকেই টাকার হিসেব রাখার জন্য লোক বসিয়ে রাখেন। এটি হাদিয়া নয়, বরং এক প্রকার ‘সামাজিক চাদাবাজি’। যার কারণে নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত মানুষ দাওয়াত খেতে যেতে ভয় পায়।
৩. গরীবের অনুপস্থিতি
ইসলামের বিধান: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সেই ওয়ালিমার খাবার নিকৃষ্টতম খাবার, যাতে কেবল ধনীদের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং গরীবদের বর্জন করা হয়।" (মুসলিম: ১৪৩২)।
বর্তমান প্রথা: এখনকার অনুষ্ঠানগুলো কেবল আত্মীয়-স্বজন আর উচ্চবিত্তদের মিলনমেলা। অথচ এই অনুষ্ঠানে গরীবদের হক সবচেয়ে বেশি ছিল।
আমাদের করণীয়:
আসুন, ইবাদতকে ইবাদত হিসেবেই পালন করি, সামাজিক প্রতিযোগিতা হিসেবে নয়।
আকিকা: সন্তানকে নেক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দোয়া চেয়ে সাধারণভাবেই করা যায়।
ওলিমা: এটি মূলত আনন্দ ভাগাভাগির জন্য, আভিজাত্য প্রদর্শনের জন্য নয়।
দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষকে সংকটে ফেলবেন না, আর উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু করবেন না। ইসলাম সহজ, একে কঠিন করবেন না।
আল্লাহ আমাদের লোকদেখানো ইবাদত থেকে হেফাজত করুন এবং সুন্নাহর সঠিক পথে চলার তৌফিক দিন। আমিন। (কপি)
#আকিকা #ওলিমা #সুন্নাহ #সামাজিক_সচেতনতা #ইসলামি_জীবনবিধানআকিকা
Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
🌾 নীরবতার ভাষা 🌾
তোমার সব শব্দ সকলের জন্য ব্যয় করো না।
কিছু কথা নীরব রাখো,
চুপ থেকে দেখো —
কে তোমাকে শব্দ ছাড়াই বুঝতে পারে।
কারণ বোঝাপড়ার গভীরতা কখনও কথায় নয়,
নীরব দৃষ্টিতেই তার প্রকাশ ঘটে।
﴿وَقَالَ الشَّيْطَانُ لَمَّا قُضِيَ الْأَمْرُ إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُّمْ لِي ۖ فَلَا تَلُومُونِي وَلُومُوا أَنفُسَكُم ۖ مَّا أَنَا بِمُصْرِخِكُمْ وَمَا أَنتُم بِمُصْرِخِيَّ ۖ إِنِّي كَفَرْتُ بِمَا أَشْرَكْتُمُونِ مِن قَبْلُ ۗ إِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ﴾
---
বাংলা তরজমা
"আর যখন কাজ শেষ হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে: নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদেরকে সত্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর আমি তোমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তা ভঙ্গ করেছি। আর আমার তো তোমাদের ওপর কোনো কর্তৃত্ব ছিল না— শুধু আমি তোমাদেরকে আহ্বান করেছিলাম, আর তোমরা আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং আমাকে দোষারোপ করো না, বরং নিজেদেরকেই দোষ দাও। আমি তো তোমাদের সাহায্য করতে পারব না, আর তোমরাও আমার সাহায্যকারী নও। আমি তো পূর্বেই তোমাদের শিরক করার সাথে সম্পর্ক অস্বীকার করছি। নিশ্চয়ই যালিমদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।" (সুরা ইবরাহীম ১৪:২২)
---
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
কিয়ামতের ময়দানে যখন আল্লাহ্র চূড়ান্ত ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান তার অনুসারীদের উদ্দেশে এই ঘোষণা দেবে।
সে বলবে: "আল্লাহ্র প্রতিশ্রুতি ছিল সত্য, কিন্তু আমি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তোমাদের ধোঁকা দিয়েছি।"
শয়তান স্বীকার করবে: "আমার কোনো জোর-জবরদস্তি করার ক্ষমতা ছিল না, শুধু আহ্বান করেছি, আর তোমরা নিজেরাই তা গ্রহণ করেছ।"
এরপর সে ঘোষণা দেবে: "আজ আমি তোমাদের সাহায্য করতে পারব না, আর তোমরাও আমাকে সাহায্য করতে পারবে না।"
শয়তান স্পষ্ট জানিয়ে দেবে যে সে তাদের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।
মূল শিক্ষা হলো: মানুষ তার নিজের কাজের জন্য নিজেই দায়ী। শয়তান কেবল প্রলোভন দেয়, বাধ্য করে না।
23/08/2025
أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۖ مَا يَكُونُ مِنْ نَجْوَىٰ ثَلَاثَةٍ إِلَّا هُوَ رَابِعُهُمْ وَلَا خَمْسَةٍ إِلَّا هُوَ سَادِسُهُمْ وَلَا أَدْنَىٰ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْثَرَ إِلَّا هُوَ مَعَهُمْ أَيْنَ مَا كَانُوا ۖ ثُمَّ يُنَبِّئُهُمْ بِمَا عَمِلُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۚ إِنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
---
সরল বাংলা তরজমা:
“তুমি কি দেখ না, আকাশসমূহে ও জমিনে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন? তিনজন গোপন পরামর্শ করলে তিনি তাদের চতুর্থজন হন, পাঁচজন করলে তিনি তাদের ষষ্ঠজন হন। তারা যত কম বা বেশি লোকেই গোপন পরামর্শ করুক না কেন, তিনি সর্বদা তাদের সাথে থাকেন। তারপর কিয়ামতের দিনে তিনি তাদের জানিয়ে দেবেন তারা কী করেছিল। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু সম্যক জানেন।”
---
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
🔹 এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মানুষের কোনো গোপন আলাপ, ষড়যন্ত্র, পরামর্শ বা পরিকল্পনা তাঁর অগোচরে হয় না।
🔹 আল্লাহ সর্বত্র বিদ্যমান তাঁর জ্ঞানে ও অবগতিতে (علم الله محيط بكل شيء)।
🔹 এ আয়াত মানুষকে সতর্ক করে দেয় — গোপনে যে কথাই বলা হোক, তা কিয়ামতের দিন প্রকাশ করা হবে।
🔹 ফলে মুমিনের উচিত, নিজের পরামর্শ, আলোচনা ও গোপন আলাপ এমন হওয়া, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
সততা ও অসততার মুখোশ: সমাজের তিন প্রকার চরিত্র
সমাজে আমরা নানান ধরনের মানুষের সঙ্গে মিশে চলি। তাদের চিন্তা, মূল্যবোধ, আচরণ—সবই একে অন্যের থেকে আলাদা। কিন্তু একটি দিক আছে যা মানুষকে সত্যিকারের বড় করে তোলে, আর তা হলো সততা। কিন্তু এই সততার চর্চায়ও মানুষ তিন ধরনের রূপ নেয়, যারা আমাদের সামাজিক কাঠামোকে নানা দিকে ঠেলে দেয়।
প্রথম শ্রেণির মানুষ হচ্ছেন তারা, যারা নিজে কষ্টে থেকেও সততার উপর অটল থাকেন। জীবনের শত প্রতিকূলতা, অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক অবমূল্যায়ন—কিছুই তাদের নীতির জায়গা থেকে সরাতে পারে না। এমনকি, শুধু নিজের সততা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন, তারা অন্যকেও সৎ রাখার চেষ্টা করেন। তারা কর্মক্ষেত্রে, পরিবারে, সমাজে সৎ আদর্শের বীজ বপন করেন। তাঁদের চোখে সততা শুধুই একটা ব্যক্তিগত গুণ নয়, বরং একটি দায়িত্ব—যা তাঁকে সমাজের প্রতি পালন করতে হয়। এই মানুষগুলো সত্যিকারের নায়ক, যাদের কথা হয়তো ইতিহাস লেখে না, কিন্তু সমাজ টিকে থাকে তাদেরই কাঁধে ভর করে।
দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষ নিজে সৎ থাকার চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য কেউ অসৎ হল কি না, তা নিয়ে ভাবেন না। তারা নিজের পথেই হাঁটেন। কারো ভুল দেখলেও মুখ খোলেন না, কারো দুর্নীতির খবর জানলেও প্রতিবাদ করেন না। তাঁদের এই নির্লিপ্ততা হয়তো কারো চোখে "নিজের কাজ নিয়ে থাকা" বলে মনে হয়, কিন্তু সমাজ গড়ার লড়াইয়ে এটি একধরনের নিঃসঙ্গ আত্মরক্ষা। এর ফলে অসৎ মানুষগুলো আরও দুঃসাহস পায়, কারণ তারা জানে, প্রতিবাদ নেই মানেই সম্মতি।
তৃতীয় শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বিপজ্জনক। তারা নিজেরাও অসৎ, আবার অন্যদেরকেও অসৎ বানাতে চান। নিজের ভুলকে ঢাকতে গিয়ে তারা সদা অন্যের উপর ত্রুটি খোঁজে। তারা মুখে নীতিকথা বলেন, মঞ্চে সততার বুলি আওড়ান, অন্যের পাপগুণের বিচারক সাজেন—কিন্তু অন্তরে তারা ধূর্ততা লুকিয়ে রাখেন। এরা সমাজে একধরনের ভণ্ডতার সংস্কৃতি তৈরি করেন, যেখানে সত্যকে আড়াল করে মিথ্যার উপর ন্যায়বোধের নাটক চালানো হয়। এদের মুখোশ খুলতে পারাটাই আজকের বড় চ্যালেঞ্জ।
এই তিন শ্রেণির মানুষ যখন একসাথে সমাজে অবস্থান করে, তখন একটা অদ্ভুত দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। সততার আদর্শ ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়ে, নির্লিপ্ত সততার চর্চা হয়ে পড়ে নীরব পরাজয়, আর মুখোশধারী অসততার জয়জয়কার ঘটে।
তবে আমরা চাইলে চিত্রটা পাল্টাতে পারি। প্রথম শ্রেণির মানুষদের শক্তি জোগাতে হবে, দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষদের সচেতন করতে হবে, আর তৃতীয় শ্রেণির মানুষদের মুখোশ টেনে নামাতে হবে। কারণ, সততা শুধু নিজে বাঁচলেই চলে না, তার অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে চারপাশকেও সৎ রাখতে হয়।
23/06/2025
এক ফোঁটা জলরাস্তায় কাঁপে তেলের দুনিয়া – হরমুজ প্রণালী"
দেখতে ছোট, কিন্তু ক্ষমতায় বিশাল—এই হল হরমুজ প্রণালী।
বিশ্বের মোট ২০% এর বেশি তেল এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এক পাশে ইরান, অন্য পাশে আরব আমিরাত ও ওমান—এ যেন তেলের পথের গলা!
⛽ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রতিদিন প্রায় ২ কোটির বেশি ব্যারেল তেল যায় এই পথ দিয়ে
সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, কাতার—সবাই নির্ভর করে এই পথের উপর
এই পথ বন্ধ মানেই বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া ও বাজারে বিপর্যয়
🛡️ আর সমস্যা কোথায়?
ইরান মাঝেমধ্যে হুমকি দেয় এই পথ বন্ধ করে দেবে
যুক্তরাষ্ট্র এখানে যুদ্ধজাহাজ রাখে
তাই এটি শুধু তেলের রাস্তা না, বরং যুদ্ধ ও রাজনীতির হটস্পট
🌍 এতেই বোঝা যায়, পৃথিবীর অনেক বড় যুদ্ধ পানি বা জমি নয়, বরং তেলের পথ নিয়েই হতে পারে।
23/06/2025
TSMC না থাকলে আপনার ফোন, গাড়ি, এমনকি AI সবই অচল!
আমরা প্রায় সবাই অ্যাপল, স্যামসাং, টেসলা, এনভিডিয়া বা ChatGPT-র মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কিন্তু জানেন কি—এই সব প্রযুক্তির পেছনে কাজ করে একটি মাত্র কোম্পানি, যার নাম TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company)।
এই কোম্পানিটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরি করে। মোবাইল, কম্পিউটার, গাড়ি, রোবট, রকেট—সবকিছুই আজ চিপ ছাড়া অচল।
আর সেই চিপ বানানোর ক্ষমতা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি যার আছে, সেটাই হলো TSMC।
💥 চমকের ব্যাপার হলো:
▪️ এই কোম্পানির বিকল্প এই মুহূর্তে দুনিয়ায় নেই।
▪️ এমনকি আমেরিকা, চীন, ইউরোপ—সবাই নির্ভরশীল এই কোম্পানির উপর।
▪️ AI, মিলিটারি টেকনোলজি, ইন্টারনেট—সব কিছুই থেমে যাবে যদি এই কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায়।
🔐 তাই TSMC শুধু কোম্পানি নয়, এটা পৃথিবীর প্রযুক্তির হৃৎপিণ্ড।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1212
Opening Hours
| Monday | 06:00 - 22:30 |
| Tuesday | 06:00 - 22:30 |
| Wednesday | 06:00 - 22:30 |
| Thursday | 06:00 - 22:30 |
| Friday | 09:00 - 22:30 |
| Saturday | 06:00 - 22:30 |
| Sunday | 06:00 - 22:30 |