30/12/2025
ছবিতে যে প্রাণীটিকে দেখছেন সেটি কোনো সিংহ বা বাঘ নয়। এটি হচ্ছে Liger। লাইগার মূলত পুরুষ সিংহ এবং মেয়ে বাঘের মিলনের ফলে জন্মগ্রহণ করে। তবে liger এর বিপরিত হচ্ছে Tigon। অর্থাৎ পুরুষ বাঘ এবং মেয়ে সিংহের মিলনে Tigon এর জন্ম হয়।
Liger কে আপনি বলতে পারেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিড়াল। লাইগার সিংহ বা বাঘ থেকেও অনেক বড় হয়।
বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১০০টির মত লাইগার আছে। তবে লাইগার এর মত অত্যন্ত বিরল প্রাণী দেখতে আপনাকে অন্য কোথাও যেতে হবেনা। খুলনার বনবিলাস চিড়িয়াখানায় একটি লাইগার সংরক্ষিত আছে। লাইগারটিকে পা'চা!র করার সময় বিজিবি এটিকে উদ্ধার করেছিল।
26/12/2025
এই ছবিটি কোমা ও ব্রেন ডেথের (মস্তিষ্ক-মৃত্যু) মধ্যে পার্থক্যটি সুন্দর ভাবে তুলে ধরে। এই দুই অবস্থার মধ্যে একটি পার্থক্য আছে , সেটি হলো পুনরুদ্ধারযোগ্যতা বা রিভার্সিবিলিটি।
কোমা অবস্থায়, এখনো স্নায়বিক জীবন বিদ্যমান থাকে।
ব্রেন ডেথে, মস্তিষ্কের জীবন আর থাকে না।
কোমায় মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় থাকে, ধ্বংস হয় না। আলো নিভে থাকে, কিন্তু তারের সংযোগ অক্ষত থাকে।
কোমায় যা থাকে:
• EEG-তে বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ
• মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ
• ব্রেনস্টেম রিফ্লেক্স সংরক্ষিত থাকে (চোখের মণি বা কর্নিয়াল রিফ্লেক্স)
• অন্য কোনো বাধা না থাকলে স্বতঃস্ফূর্ত শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে
রোগী সাড়া দেয় না বা যোগাযোগ করতে পারে না, কিন্তু মস্তিষ্ক গঠনগতভাবে জীবিত থাকে। কারণের চিকিৎসা করা গেলে সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হতে পারে।
এবার ব্রেন ডেথের দিকে তাকান।
এখানে কোনো রক্তসঞ্চালন নেই, কোনো বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ নেই, কোনো রিফ্লেক্স নেই, শ্বাস নেওয়ার কোনো সাইন ও নেই।
তারের সংযোগই আর নেই। আলো জ্বালানোর মতো কেউ অবশিষ্ট নেই।
ব্রেন ডেথ হলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সম্পূর্ণ ও অপরিবর্তনীয় ব্যর্থতা।
এটি গভীর কোমা নয়, ঘুম নয়, বা চরম অচেতন অবস্থাও নয়।
এটি ক্লিনিক্যাল, নিউরোলজিক্যাল এবং আইনি মৃত্যু।
যন্ত্রের সাহায্যে হৃদস্পন্দন চলতে পারে, ভেন্টিলেশনে বুক ওঠানামা করতে পারে—কিন্তু মস্তিষ্ক আর কোনো কাজ করে না।
একবার ব্রেন ডেথ নিশ্চিত হলে, সেই সময়টিকেই মৃত্যুর সময় হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
তারপর থেকে কেবল অঙ্গ সংরক্ষণই সম্ভব হতে পারে।
18/12/2025
৯-৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক কৈশরেই পরে থাকে। অনেকে মনে করেন ১৮ বছরে মস্তিষ্ক 'ম্যাচিওর' হয়ে যায়, তা আসলে ভুল।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর।
৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত।
৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত।
৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে।
৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে।
তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
17/12/2025
যৌথ উদ্যোগে চাঁদে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা চীন ও রাশিয়া।
ভবিষ্যতে চাঁদে মানব বসতি স্থাপনে দরকার হবে বিদ্যুৎ। বাড়াতে হবে ইন্টারনেটের গতি, কাভারেজ ও স্যাটেলাইট সংখ্যা। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সৌর প্যানেল সমাধান নয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের বিকল্প নেই।
মস্কোর 'নিউক্লিয়ার স্পেস এনার্জি' দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ২০৩৩-৩৫ সালের মধ্যে চাঁদে যৌথ উদ্যোগে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে চীন এবং রাশিয়া। ৫ই মার্চ রয়টার্সকে এই তথ্য জানান রাশিয়ার সাবেক উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউরি বরিসভ।
15/11/2025
শেয়ার করে রাখুন....
সময় করে পড়ুন....
Apiculture = মৌমাছি পালন বিজ্ঞান
Aviculture = পাখি পালন বিজ্ঞান
Sericulture = রেশম চাষ বিজ্ঞান
Horticulture = উদ্যান পালন বিদ্যা
Pearl Culture = মুক্তা চাষ
Herbal = ভেষজ
Pesticide / Insecticide = কীটনাশন
Piscicultre = মাছ চাষ বিজ্ঞান
Flora = উদ্ভিদকূল
Fauna = প্রাণিকুল
Entomology = কীটপতংগ সম্পর্কিত বিদ্যা
Genetics = জ়ীনত্ত্ব বা বংশগতি সম্পর্কিত বিদ্যা
Physiology = শরীরবিদ্যা
Evolution = বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা
Microbiology = অণুজীববিদ্যা
Anthropology = নৃ-বিজ্ঞান
Anatomy = শারীর বিদ্যা
Ecology = বাস্তুবিদ্যা
Geology = ভূতত্ত্ববিদ্যা
Ophthalmology = চক্ষুবিজ্ঞান
Dermatology = চর্মরোগ বিজ্ঞান
Neurology = স্নায়ুবিজ্ঞান
Nephrology =রেচনতন্ত্রবিজ্ঞান
15/11/2025
সূর্যের আলোতে কোন ভিটামিন থাকে??
06/11/2025
বাংলাদেশের প্রথম নারী গবেষক হিসেবে মারজানা আক্তার জাতিসংঘের ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ ২০২৫ প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মধ্য থেকে মাত্র ১০ জন তরুণী গবেষক এই মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের এই মেধাবী গবেষক।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পোলট্রিতে Chicken Infectious Anemia Virus (CIAV) সনাক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশের ভাইরোলজি গবেষণায় যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
কুমিল্লার মেয়ে মারজানা আক্তারের পড়াশোনা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগে। স্নাতকোত্তর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিতে।
অভিনন্দন মারজানা আক্তারকে!
04/11/2025
কোন ভিটামিন কোন জায়গায় ম্যাজিক হিসেবে কাজ করে
ZINC — পুরুষের সি-মেনের গোল্ড ফুয়েল
টেস্টোস্টেরন বাড়ায়
স্পার্মের মান ভালো রাখে
সময় আগে বী-র্যপাত কমায়
রাতে ১ টা করে খেতে পারেন ৩ মাস।
Vitamin A — ত্বকের রক্ষাকবচ
Acne কমায়
ত্বক উজ্জ্বল রাখে
Night vision ভালো করে
গাজর,লাল শাক খেতে পারেন ।
Vitamin E — চুলের বডিগার্ড
Hair fall কমায়
Scalp circulation বাড়ায়
চুলে প্রাকৃতিক glow আনে
এটা ২০০ এমজি ৪০০ এমজি পাওয়া যায়
বয়স কম হলে ২০০mg night খেতে পারেন
olive oil তেলের সাথে মিশিয়ে চুল দাড়িতে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হবে
সাথে বায়োটিন ৫০০০ যোগ করুন।
Vitamin D — হাড়ের হিরো
Calcium absorb করতে সাহায্য করে
হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে
Mood boost করে
Iron + B12 — Energy engine
রক্ত বাড়ায়
ক্লান্তি দূর করে
ব্রেইন ফোকাস বাড়ায়
Magnesium + Selenium — Bedroom Booster
Muscle relax করে
Libido বাড়ায়
Anxiety কমায়
Smart Tip:
ত্বক, চুল আর যৌ-নস্বাস্থ্য একসাথে ভালো রাখতে চাইলে
রোজ ১টা multivitamin
রোদে ১৫ মিনিট
পরিমিত খাবার
আর পূর্ণ ঘুম
দোআ ,সদকা করুন গোপন গোনাহ জিরো হলে আপনি হিরো হবেন।
আপনি কোন কোন ভিটামিন খেয়েছেন??
29/10/2025
চা পাতায় কোন ভিটামিন আছে?
A/B/C/D
26/10/2025
কাঠঠোকরার জিহ্বা সৃষ্টিকর্তার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি। এর জিভ শুধু লম্বাই নয়, বরং এতটাই লম্বা যে তা ঠোঁট ছাড়িয়ে মাথার ভেতর ঢুকে, খুলি ঘুরে, এমনকি চোখের পাশ দিয়ে ঘুরে আবার বের হয়।
এই অদ্ভুত গঠন শুধু গাছের গভীরে লুকিয়ে থাকা পোকা খুঁজে বের করার জন্য নয়, এটা কাঠঠোকরার জন্য একধরনের প্রাকৃতিক শক-অ্যাবজর্বার হিসেবেও কাজ করে।
কাঠঠোকরা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২০ বার গাছের গায়ে ঠোকরায়। এই ভয়ংকর ধাক্কা মাথায় গিয়ে লাগার কথা, কিন্তু তার জিভের বিশেষ গঠন, যাকে বলা হয় হায়োইড অ্যাপারাটাস, এই ধাক্কা মাথায় সঠিকভাবে ছড়িয়ে দেয়, ফলে তার মস্তিষ্ক রক্ষা পায়।
মানুষ এমন ঠোকর খেলে মস্তিষ্কে ভয়ানক আঘাত পেত, কিন্তু কাঠঠোকরা এই অভাবনীয় উপায়ে নিজের মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে।
- সংগৃহীত।