14/03/2023
উচ্চিংড়ে বা ঘুর্ঘরে পোকা ইংরেজি: cicadas হল হেমিপ্টেরা পতঙ্গ বর্গের সাইকাডোইডি পর্বের বড় একটি গোত্র। এই গোত্রটিকে ইংরেজিতে ট্রু বাগ বা আসল পোকা নামেও জানা যায়। এরা Auchenorrhyncha'র উপবর্গের, এবং ছোট ঝাপ দেওয়া পতঙ্গেও আছে যেমন লিফহফার এবং ফ্রগহফার। অস্ট্রেলিয়ায় এটি টেটিগারকটিডা'য় ভাগ হয়েছে দুটি প্রজাতিতে এবং সাইকাডিডায় সারা পৃথিবীর ১৩০০ প্রজাতি আছে। এছাড়াও আরো প্রজাতি রয়েছে।উচ্চিংড়ের প্রধান চোখ জোড়া মাথার দুপাশে অবস্থিত, ছোট এ্যান্টেনা এবং সামনে পাখা আছে। তারা বিশেষভাবে উচ্চ শব্দে গান করে থাকে। এটি stridulation কারণে হয় না, বরং তাদের ড্রামের মত tymbal গুলো দ্রুতির ফলে এই শব্দ হয়। এদের সবচেয়ে পুরনো ফসিল Cicadomorpha দেখা গেছে আপার পারমিয়ান পিরিয়ডে। এদের গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চল থকে শুরু করে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়। এরা সাধারণত গাছে বাস করে, গাছের রস খায় এবং বাকলের ফাটলে ডিম পাড়ে। বেশিরভাগ উচ্চিংড়ে লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে, তারা শত্রুদের চোখ এড়াতে রাতে গান গায়। পিরিয়ডিক উচ্চিংড়ে'রা তাদের জীবনের বেশির ভাগ সময়ই লুকিয়ে থাকে। এরা উঠে আসে শুধুমাত্র ১৩ বা ১৭ বছর (মৌলিক নম্বর)পরে। এর ফলে তাদের খাদকেরা না খেয়ে থাকে এবং তারা যখন উঠে আসে তখন বিশাল পরিমানে এক সঙ্গে উঠে, যার ফলে তাদের বেচে থাকা খাদকরা তৃপ্তি করে খেতে পারে। বার্ষিক উচ্চিংড়েরা প্রতি বছর উঠে আসে। এরা ১ থেকে ৯ বা তার বেশি বছর বাচে। যদিও এসব উচ্চিংড়েরা জীবন চক্রের বেশিরভাগ লার্ভা হিসেবে মাটির নিচে কাটায়। পূর্নাঙ্গ পোকা হবার পর এরা মাটির উপর উঠে আসে ও খোলস পরিবর্তন করে।
10/03/2023
All of these are insects.
10/03/2023
আজ অনুষ্ঠিত MBBS ভর্তি পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশের সমাধান।
10/03/2023
বৃত্তি পেলে আমার থেকে তোমরা কি চাও?
-স্যার,হেলিকপ্টারে ঘুরতে চাই।
আচ্ছা,যদি সবাই বৃত্তি পাও তবে হেলিকপ্টারে ঘুরানো হবে।
সত্য সত্যই,৭৮ জনই বৃত্তি পেয়েছে।স্কুল,কলেজে,কোচিং এ কেউ যদি এরকম হাওয়াই টাইপ স্টেটমেন্ট দিয়ে ফেসে যায় তবে কূটকৌশলে তা মিষ্টির রিপ্লেসে এরিয়ে যায়।অবশ্য এ এরিয়ে যাওয়াতে দোষের কিছু নেই।কিন্তু কেউ যদি সত্যিই সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে?হেলিকপ্টার ভাড়া করে ৭৮ টা স্কুল পড়ুয়া স্টুডেন্টকেই ঘুরিয়ে দেখায় পুরো শহর?!!
সিরাজগঞ্জের শাহজাহাদপুরের একটা স্কুলের প্রিন্সিপাল স্যার বৃত্তিপ্রাপ্ত সবাইকে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে হেলিকপ্টারে উঠিয়ে সিরাজগঞ্জ ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন।
ব্রেইন এবং হার্টের দূরত্ব ১৫ ইঞ্চির মত।অধিকাংশই শুধু ব্রেইনে ইনফো দেন কিন্তু আর ১৫ ইঞ্চি দূরত্ব পাড়ি দিয়ে হৃদয়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষকদের সংখ্যা কমই থাকে।
ছোটোবেলায় কয়েকটা লাইন পড়েছিলাম,বাদশাহ আলমগীরের ভাষায়
"পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরন
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিলো না'ক কেনো সে চরন,ব্যাথা পাই এ মনে"
কিছু শিক্ষক এমনই।স্কুল,কলেজ,ভার্সিটির গন্ডিতে ছেড়ে আসার পরও জীবনের সর্বত্র আড্ডা জুড়ে তাদের বন্দনার দরুন বারবারই তাদের মনে পরে।
©️সাব্বির হোসাইন সাগর
10/03/2023
চোয়ালহীন ব্যক্তি
১৮৮০ সালের ১২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভ্যানিয়া রাজ্যের পিটসবার্গে তাঁর জন্ম । নাম এবিনেজার ম্যাকবার্নি বায়ার্স যিনি এবিন বায়ার্স নামে বেশি পরিচিত । সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে তাই পড়াশোনায় কমতি হয়নি । আমেরিকার বড় ও বিখ্যাত সব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন । সম্পদের অভাব ছিল না তাই চাকরি বাদ দিয়ে গলফ খেলায় মন দেন । ১৯০৬ সালে তিনি আমেরিকার অপেশাদার গলফ প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতেন । বাবা আলেকজান্ডার বায়ার্স ছেলে তাঁদের 'বায়ার্স কোম্পানি' এর চেয়ারম্যান বানিয়ে দেন ।
সুখী জীবনের এই সুখ বেশি সময় টিকলো না । ১৯২৭ সালের নভেম্বর মাসে তিনি ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন । প্রথম শ্রেণির টিকিট । দোতলা বিছানা । উপরে তার জায়গা । সেখানে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন । ট্রেন আকস্মিক ঝাঁকুনি খেলে তিনি সেখান থেকে সোজা নিচে ট্রেনের মেঝেতে পড়ে যান । বাম হাতের উপর পড়েছিলেন । তাই বাম হাতে প্রচণ্ড ব্যথা হয় । ব্যথা নিয়েই কোনো রকমে ঘুমিয়ে পড়েন । কয়েক ঘণ্টা পর ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছালে তিনি পারিবারিক চিকিৎসক সি. সি. ময়ারের কাছে গেলেন । পরীক্ষায় হাড় ভাঙা ধরা পড়েনি । ডাক্তার থাকে ব্যথানাশক হিসেবে সে সময়ে উৎপাদিত ও জনপ্রিয় ঔষধ 'র্যাডিথর' লিখে দিলেন । বিশের দশকে কথিত ডাক্তার উইলিয়াম জে. ব্যালি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ব্যথানাশক ঔষধ হিসেবে র্যাডিথর তৈরি করেছিলেন ।
প্রথম ডাক্তারের পরামর্শ মতো র্যাডিথর তরল খেতে থাকলেন । ব্যথা কমে অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল, সাথে শরীরে অতিরিক্ত শক্তি পাচ্ছিলেন এমন মনে হচ্ছিল । র্যাডিথর তরলের সেবন যত করেন তার মন-দেহ তত প্রফুল্ল হচ্ছিল এবং নিজেকে তত সুস্থ মনে করছিলেন । তারপর ডাক্তারের পরামর্শ বাদ দিয়ে ইচ্ছামতো র্যাডিথর খাওয়া শুরু করলেন । পরিমাণ দিনে এক চামচ থেকে তিন বোতলে গিয়ে ঠেকে । এতটা নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে ১৯২৭ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত তিন বছরে ১৪০০ বোতল র্যাডিথর খেয়ে ফেলেন । এরপরই ঘটে অভূতপূর্ব ঘটনা ।
গায়ের চামড়া ফেটে ফেটে খুলে পড়তে থাকে । তাঁর নিচের চোয়াল আলগা হয়ে যায় যেন ছোঁয়া দিলেই খুলে পড়বে । তারপর মাথার খুলি ফেটে ফেটে গর্ত হয়ে মস্তিষ্ক দেখা দিতে শুরু করে । ১৯৩১ সালে এবিনের নিচের চোয়াল অস্ত্রোপচার করে অপসারণ করা হয় । কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যু হয় । এর কারণ কী ? র্যাডিথর নামক তরল আসলে রেডিয়াম, মেসোথোরিয়াম ও পরিস্রুত পানির মিশ্রণ । এককথায় তেজস্ক্রিয় পানি । রেডিয়াম তেজস্ক্রিয়তার শিকার হয়েছেন তিনি । কথিত ডাক্তার উইলিয়াম জে. ব্যালি কোনো প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার নন । তাঁর বানানো র্যাডিথর তারও প্রাণ হরণ করেছেন ।
১৮৯৬ সালে পিয়েরে কিউরি ও ম্যারি কিউরি রেডিয়াম ও তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন । যদিও মানুষ তখনও জানতো না যে রেডিয়াম কতটা তেজস্ক্রিয় । এবিনের মরদেহ সীসা (Lead) দিয়ে বন্ধ করা কফিনে বন্দি করে কবরস্থ করা হয়েছে যেন তাঁর শরীর থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে না পড়ে । রেডিয়ামের অর্ধায়ু ১৬০০ বছর । মানে ৫ গ্রাম রেডিয়াম তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে ২.৫ গ্রাম হতে ১৬০০ বছর লাগবে । সেখান থেকে তারও অর্ধেক হতে আরও ১৬০০ বছর লাগবে । এবিনের শরীরে কী পরিমাণ রেডিয়াম গেছে তা তো বোঝাই যাচ্ছে ।
মানুষের ব্যবহার্য জিনিসে দ্যুতি তৈরি করতে রেডিয়ামের ব্যবহার অনেক পুরোনো তবে তেজস্ক্রিয়তার কারণে সত্তরের দশক থেকে রেডিয়ামের ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেছে ।
10/03/2023
আজ অনুষ্ঠিত MBBS ভর্তি পরীক্ষার English অংশের সমাধান।
..........
.........
10/03/2023
চ্যাটজিপিটি বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে। পাস করেছে অনেক জটিল পরীক্ষা৷ কিন্তু বাংলাদেশে চাকরিপ্রার্থীদের জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা বিসিএস পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটি কি পাস করতে পারবে? এটা জানার উদ্দেশ্যে একটি রিসার্চ বেইসড প্রজেক্ট হাতে নেয় সায়েন্স বী টিম।
প্রায় ১ মাসের পূর্বপরিকল্পনা, ৭ দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং টিম মেম্বারদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মত চ্যাটজিপিটির মত একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রোগ্রামের সাহায্যে পূর্ণাঙ্গ একটি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়। যেখানে ২০০ নাম্বারের মধ্যে ১৩০ পেয়ে বিসিএস এর প্রিলিমিনারিতে পাস করে চ্যাটজিপিটি৷
কীভাবে আমরা পরীক্ষা নিলাম, কোন অংশে কত পেল, কারা ছিল এর পিছনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে (↓) রিপোর্টটি পড়ুন!