Quranic knowledge

Quranic knowledge

Share

কোরানিক ফিলোসফি নিয়ে কাজ করে; নূতনের সন্ধানে।

11/03/2024

اهلا سهلا شهر رمضان🌙

14/08/2023

তোমার চলে যাওয়াতে আমার কোন কষ্ট নেই,
কিন্তু তোমাকে আর কখনো কোরআনের ময়দানে দেখতে পাবনা এই ভাবনাটা আমাকে অনেক কষ্ট দিচ্ছে🥲🥲🥲

30/03/2023

হাদীসের আলোকে...
Made by Quranic knowledge

29/03/2023
03/03/2023

"কুরআন: বাইবেল ও বেদ কোনটি সকলের জন্য উন্মুক্ত"

ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম, ধরা যাক হিন্দু কিংবা খ্রীষ্টিয়ান - এর একটা গোড়ার দিক ছিল এই ধর্মগুলো সকল শ্রেণির মানুষের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। বিশেষ করে মধ্যযুগে কোন সাধারণ মানুষের জন্য খ্রিষ্টান ধর্ম পাঠে ছিল নানান বিধিনিষেধ। এই ব্যাপারে আপনারা ইউরোপের ইতিহাস পড়লেই জানতে পারবেন। খ্রীষ্টিয়ান ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ একমাত্র পাদ্রীরা পড়তে ও ব্যাখ্যা করতে পারতো। এই প্রথার পরিণামে সৃষ্টি হয় প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন; যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন "লুথার"। ফলে খ্রিষ্টান ধর্ম দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়, একটা ক্যাথলিক অন্যটা প্রোটেস্ট্যান্ট।
অন্যদিকে ভারতীয় উপমহাদেশে আর্য ধর্মের ছিল ব্যাপক প্রতাপ। প্রাচীন আর্য ধর্মই বর্তমান হিন্দু ধর্ম। এই ধর্মের পবিত্র গ্রন্থও পাঠ এবং ব্যাখ্যা করতে পারতো কেবল ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা। সাধারণের কোনো অধিকার ছিলনা ধর্মীয় কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে। শুধু তাই নয়, নিম্নবর্গীয় কোনো হিন্দুর জন্য বেদ স্পর্শ করা অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ ছিল। এমনকি সাধারণ কোনো মানুষ ব্রাহ্মণের বাড়িতে যাওয়ার অধিকার ছিল না।
কিন্তু মুসলিমদের পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন এই সকল অভিযোগের উর্ধ্বে। এই কোরআনের বিস্তার ঘটেছে সাধারণ মানুষ তথা আরবের যাযাবর বেদুইনদের দ্বারা। যে বেলাল ছিল একজন ক্রীতদাস, সমাজে যার ছিল না কোনো অধিকার। সে বেলাল কোরআন ধারণ করে হয়েছে জগৎ বিখ্যাত। এই কোরআন একমাত্র গ্রন্থ যা সমাজের সকল মানুষ পাঠ করতে পারে, করতে পারে ইজতেহাদ বা গবেষণা।
যেমন কোরআন বলছে,

اَلَّذِیۡنَ اٰتَیۡنٰہُمُ الۡکِتٰبَ یَتۡلُوۡنَہٗ حَقَّ تِلَاوَتِہٖ ؕ اُولٰٓئِکَ یُؤۡمِنُوۡنَ بِہٖ ؕ وَ مَنۡ یَّکۡفُرۡ بِہٖ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ .
"যাদেরকে আমি কিতাব দিয়েছি, তারা তা পাঠ করে যথার্থভাবে। তারাই তার প্রতি ঈমান আনে। আর যে তা অস্বীকার করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।"
(সূরা বাকারা - ১২১)
এভাবে যুগেযুগে লক্ষ কোটি মানুষ এই মহান কিতাবের সান্নিধ্যে এসে হয়েছে হেদায়াত প্রাপ্ত। ফকির থেকে বাদশা, আলেম থেকে মূর্খ, মুসলিম থেকে অমুসলিম সকল শ্রেণির মানুষের কাছে এই কিতাব ছিল সমানভাবে প্রযোজ্য। নিরপেক্ষভাবে যারাই এ কিতাব পাঠ করেছে তারাই পেয়েছে মুক্তির বার্তা।
লিখেছেন:- Quranic Knowledge; এডমিন প্যানেল
[আপনাদের আগ্রহ পেলে আরো বিস্তারিত লিখবো ইনশাল্লাহ]

15/02/2023

জীবনে চলার পথে আমাদের বিভিন্ন বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। আর এ বাধা বিপত্তিকে কেন্দ্র করে আমরা অনেকেই খেদ ও হতাশার বেড়াজালে নিমজ্জিত হই। তখন দেখা যায় মানসিক বেদনা জীবনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ কষ্টকে নিবারনের জন্য আমরা অনেকেই সিগারেটের ধোঁয়ায় প্রশান্তি খুঁজি। কেউবা হারাম রিলেশনের দিকে পা বাড়ায় কষ্টকে ঘুচানোর জন্য। এমনকি কেউ কেউ মনে করে তখন তাঁর এ জীবন মৃত্যুর চেয়েও কষ্টকর বিধায় এখন আত্মহত্যায় শ্রেয়। এমনি ভাবেই তুচ্ছ যন্ত্রণা থেকে নিষ্কৃতি পেতে খুব সহজেই আমরা মহা কষ্টকে আলিঙ্গন করে নিচ্ছি।
*
এভাবেই আমরা প্রতিনিয়ত ভুলের মধ্যে শান্তি খুঁজে চলছি। তবে একটিবারও ভাবছি না যে এ কাজগুলা আদেও শান্তি দিচ্ছে, নাকি আরো অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে!! মুলত এগুলা এক প্রকার অ্যালোপ্যাথি ঔষুধের মত। যা উপরে কিছুটা প্রশান্তির বাতাস দিলেও, ভেতরে ঠিক উল্টটায় করছে।
*
এখন প্রশ্নের বিষয় তাহলে আসল প্রশান্তি কিসে? কি এমন করলে এই অশান্ত জীবন শান্ত হবে।
এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করছেন,
الَّذِينَ ءَامَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ.
{যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়’}–(সূরা রাদ -২৮)

অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহর যিকির তথা কুরআন তেলাওয়াত , নফল ইবাদত এবং দু'আ ও মুনাজাত ইত্যাদি একজন ঈমানদারের মনের খোরাক। যা ব্যতিরেকে একজন ঈমানদার সারাক্ষণ অস্থির থাকেন।
তো সাময়িক এ অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে সবচেয়ে উত্তম পন্থা হলো গভীর রজনীতে যখন সারা পৃথিবী ঘুমে আচ্ছন্ন। তখন পবিত্র আত্মা নিয়ে দুরাকাত নামাযের মাধ্যমে মহামহিম মনিবের নিকট নিজের অমূল্যবান চোখের পানি সপে দিয়ে নিজের অব্যক্ত কথা গুলো যদি ব্যক্ত করা যায়। তখন কি যে এক প্রশান্তি লাভ করা যায়, তা যা দিয়েই বর্ণনা করি বা যে ভাবেই বর্ণনা করি না কেন একটু হলে ও অপূর্ণ থেকে যায়।

লিখেছেন...
'Quranic knowledge’- এর অ্যাডমিন প্যানেল।

(শেয়ার করে পাশে থাকুন)

19/12/2022

[ বিবর্তনবাদ ও আস্তিক্যবাদ: তর্ক-বিতর্ক]
১.
দর্শন শাস্ত্রে বিবর্তনবাদ ও সৃষ্টিবাদ একটি আলোচিত বয়ান। সৃষ্টিবাদ আল্লাহ বা স্রষ্টার অস্তিত্বকে স্বীকার করলেও বিবর্তনবাদীরা স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। ইংরেজি evolution শব্দের প্রতিশব্দ হলো বিবর্তনবাদ। এর শাব্দিক অর্থ হল বিকশিত করা। বিবর্তনবাদ যুক্তি হলো এই মহাবিশ্ব কোনো ভাবে কোনো স্রষ্টার সৃষ্টি নয়, এটা ধারাবাহিক পরিবর্তনের ফল। যেমন বিবর্তনবাদী দার্শনিক ল্যাপ্লেসি বলেন, একটা সময় ছিলো যখন মহাশূন্যে শুধু নীহারিকা ছাড়া কিছুই ছিল না, নীহারিকার এই জ্বলন্ত গ্যাস তাপ বিকিরণ করতে করতে এক পর্যায়ে ঘনীভূত পিণ্ডের সৃষ্টি করে।এই পিন্ডগুলোই নক্ষত্র, সূর্যও এমন একটি নক্ষত্র। মহাকর্ষের নিয়ম অনুযায়ী একসময় এই নক্ষত্রের কিছু কিছু অংশ তার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং সেগুলো তার চার পাশে ঘুরতে থাকে। সূর্য থেকে বিচ্ছিন্ন অংশগুলো হচ্ছে আজকে আমাদের সব পরিচিত গ্রহ। আমরা যে পৃথিবীতে বাস করছি সেই পৃথিবীর উৎপত্তিও এভাবে হয়েছে। তাহলে পৃথিবীতে জীবের সৃষ্টি হলো কিভাবে? এ প্রশ্নের উত্তরে ল্যাপ্লেস বলেন, আস্তে আস্তে পৃথিবী শীতল হয়ে আসলে এখানে পানি ও বায়ুর জন্ম হয়।পানি , বায়ু সৃষ্টি হলে সাধারণভাবে এখানে জড় ও জীবের সৃষ্টি হয়। তাই দেখা যাচ্ছে ল্যাপ্লেসের এই মতবাদে স্রষ্টার কোনো স্থান নেই। তার মতে এই মহাবিশ্ব এভাবে আপনা আপনিই বিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
২.
এখন আমাদের যুক্তিতে আসা যাক। বিবর্তনবাদী দার্শনিকগণ তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের যুক্তি দিয়ে থাকেন, হার্বার্ট স্পেন্সার বলেন, ঐক্যবিধান, পৃথকীকরণ, ও নিয়ন্ত্রণের দ্বারা বিবর্তন হয়ে থাকে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের সকল কিছু একটা ঐক্যবদ্ধ নিয়ম দ্বারা বাঁধা, এটা একটা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে। কেননা যদি এটা নিয়ম দ্বারা পরিচালিত না হতো তাহলে বিশৃঙ্খল জগৎ থেকে কখনোই শৃঙ্খল অবস্থায় আসতে পারতো না। এখন কথা হলো তাহলে নিয়মের প্রবর্তক কে? নিয়ম আছে যেহেতু সেহেতু নিশ্চয় এটা কেউ না কেউ তৈরি করেছে। কেননা জগতে আপনা আপনি কোনো কিছু হয় না, উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় আমরা যখন কোনো গাছ থেকে একটা ফল পড়তে দেখি তখন বলি নিশ্চয় কেউ গাছটি ঝাকিয়েছে অথবা বাতাসে ফলটি পড়েছে। অর্থাৎ ফল পড়ার পেছনে একটা কারণ নিশ্চয় থাকবে।সে কিছু দেখুক বা না দেখুক সে এটাই ধারণা করবে ফলটি কোনো কারণ ছাড়া পড়েনি। জগতের সকল কাজের পেছনে এরকম কারণ বিদ্যমান, বিজ্ঞান যাকে বলে কার্যকারণ সম্পর্ক(CASUALTY)। এখন মূল বিষয়টি হচ্ছে এই কারণটি ধরতে মানুষ কতটা সক্ষম?
৩.
একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি ক্লিয়ার হবে বলে আশা করছি। ধরা যাক একটা পুকুরের পানিতে একজন বালক একটা ঢিল ছুড়ে মারলো ফলে পানির মধ্যে কম্পন সৃষ্টি হলো, এখন পানির মধ্যে থাকা মাছগুলো শুধু এটুকুই জানে যে পানি কম্পিত হয়েছে, তারা হয়তবা কল্পনা করবে এটা আপনা আপনিই হয়েছে। কেননা পুকুরে থেকে তার পুকুরের বাইরের খবর নেওয়ার ক্ষমতা নেই, তার বুদ্ধি ও জগতের ব্যাপারে ধারণা সীমাবদ্ধ। মানুষের ব্যাপারও ঠিক তেমনই, মানুষ জগতের অতি ক্ষুদ্র একটি জীব ( মহাবিশ্বের তুলনায় একবার নিজেকে কল্পনা করে দেখুন ), সে একটি উৎসুক প্রাণী অজানাকে জানতে চায়। কিন্তু তার জানার সীমানা ঠিক পুকুরে আবদ্ধ ব্যাঙের মতোই, তার জ্ঞান কল্পনায় আর হাইপো থিসিসে সীমাবদ্ধ। সে ইচ্ছা করলেও প্রকৃত সত্যটা জানতে পারে না যেমনটা পুকুরের ব্যাঙ জানতে পারে না। তাই দার্শনিকদের এই সমস্ত তত্ত্বই ধারণা নির্ভর, তারা নিজেদের ইন্টিউশনের উপর নির্ভর করে জ্ঞান অর্জন করে থাকে। সুতরাং তাদের মতবাদকে প্রকৃত সত্য বলে ধরে নেওয়া বোকামি।
পরিশেষে একজন দার্শনিক হার্বার্ট স্পেন্সারের একটি উক্তি দিয়ে শেষ করবো। স্পেন্সার মূলত বিবর্তনবাদী দার্শনিক ছিলেন কিন্তু তিনি স্রষ্টার অস্তিত্বকে স্বীকার করে নিয়েছেন , তিনি বলেন “ এক অজ্ঞাত সত্তাই বিবর্তনের মূল”। এই অজ্ঞাত সত্তাকেই আমরা বলছি আল্লাহ্।

লিখেছেন...
'Quranic knowledge’- এর অ্যাডমিন প্যানেল।
#তথ্যসূত্র :
১. দর্শনের কথা – ড . আবদুল বারী
২. দর্শনের রূপরেখা –ড. আব্দুল মতিন
বি:দ্র – যেহেতু এটা একটা অ্যাকাডেমিক আলাপ সে'জন্য ভাষায় কিছুটা জটিলতা রয়েছে, আমরা সর্বোচ্চ সহজ করে পোস্ট করার চেষ্টা করবো, ইনশা'ল্লাহ।
[শেয়ার করে পাশে থাকুন।]

19/12/2022

আজ আমাদের পেজ থাকে "বিবর্তনবাদ" নিয়ে লেখাটি পোস্ট করা হবে ইনশা'ল্লাহ। লেখাটি যেহেতু 'একাডেমিক' আলাপ তাই এর ভাষা একটু জটিল হওয়ার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। উক্ত লেখা আপনারা শেয়ার দিয়ে দ্বীনি কাজে অঞ্জাম দিবেন আশা করছি।

29/11/2022

শীঘ্রই ইনশা'ল্লাহ ' বিবর্তনবাদ ' নিয়ে একটা লেখা হাজির করবো। সাথেই থাকুন।

17/10/2022

নাস্তিকদের একটি কমন প্রশ্ন হলো "আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছেন?"
নিহিলিস্টরা (নাস্তিক) এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির বিষয়ে বলে থাকেন 'যে এই নভ-মন্ডল, ভূ-মণ্ডল আপনা আপনিই সৃষ্টি হয়েছে, আর পেছনে কোনো মহৎ স্রষ্টা নেই।' আমরা তাদের এই কনসেপ্টের উপর বিশ্বাস না করে একই কনসেপ্ট দিয়ে স্রষ্টার সৃষ্টির ব্যাপারে তাদেরকে কাউন্টার দিতে পারি। কিভাবে? আমরাও বললাম, তোমরা যেহেতু বলছো সৃষ্টি জগৎ আপনা আপনিই সৃষ্টি হয়েছে আমরাও বলছি আল্লাহও আপনা আপনি সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের বক্তব্য হলো যে পৃথিবীতে একটি মাত্রই সত্তা আছে যিনি কেবলই সৃষ্টিকর্তা তবে তিনি সৃষ্টি নন। অবিশ্বাসীদের বক্তব্য জাস্ট একটা থিওরী ফ্যাক্ট না, অথচ আমাদেরটা ফ্যাক্ট। (যেমন ডারউইনের বিবর্তনবাদকে (evolution) পশ্চিমা অধিকাংশ বিজ্ঞানীই স্বীকার করেন না) তাছাড়া আমাদের হাতে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে। আমাদের প্রমাণের প্রধান রেফারেন্স হলো কোরআন, যায় 80% বৈজ্ঞানিক তত্ত্বই ফ্যাক্ট বলে গৃহীত হয়েছে। (বাকিগুলো প্রমাণের অপেক্ষায়)
কোরআন আল্লাহর ব্যাপারে বলছে ," নিশ্চয় তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন "(সূরা ইউনুস -৪) অর্থাৎ সৃষ্টি বলতে আদতে যা বোঝায় আল্লাহর তার বাইরে, কেননা তিনি নিজেই যদি সৃষ্টির সূচনা করেন তাহলে তিনি সৃষ্ট নন। অর্থাৎ আল্লাহ এমন এক শক্তি যাকে কখনো সৃষ্টি করা হয়নি, অথচ তিনিই সকল সৃষ্টির সূচনা করেছেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka University , Dhaka-1000
Dhaka
25800