30/05/2026
॥জাতীয় সংসদ সদস্য ও
জনগণের প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কিত॥
আপনারা সম্মানিত সংসদ সদস্যগণ, আপনারা খেয়াল করে দেখবেন, কারো কথায় অসন্তুষ্ট না হয়ে, আপনারা এদেশের সংসদ সদস্য নন। আপনারা দেশের জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে সংসদে বসেন না। ফলে সাবধান হয়ে জনসম্মুখে কথা বলা আপনাদের জন্য শ্রেয়।
তারপরও আপনাদের কিভাবে জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে সংসদে আসন গ্রহণ করবেন, করতে পারবেন সেই বিষয়টি পরিষ্কার করেন। আমরা যে দায়িত্ব পালন করার জন্য যে কাজ করতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, সেই সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত না হয়ে, না থেকে জাতীয় সমস্যা নিয়ে কথা বলা অতি সহজ বিষয় নয়। এমন কাজ দেশদ্রোহীতার সামিল অপরাধ।
আপনারা সংবিধান পড়েন ভালো করে। ১৯৭২ এ জারিকৃত সংবিধান অনুসারে আপনারা সংসদ সদস্য নন, কারণ আপনারা জনগণের মালিকানাধীন গণপ্রজাতন্ত্রীক বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধি নন, জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে আসেননি গত চুয়ান্ন বছর ধরে।
আপনারা কতটুকু অসহায় দুর্বল পরাধীনতা স্বীকার করে নিয়ে ৬০ মাস, পাঁচটি বছর কোন কাজই জনগণের জন্য না করে পুতুলের মতো বসে থাকেন সংসদীয় আসনে, ভেবে চিন্তে দেখবেন।
এত বড় লোমহর্ষক ঘটনা ও পরাধীন জাতীয় সংসদ পৃথিবীতে আরো দুচারটি আছে কি না, খোঁজ করে দেখবেন আমাদের জাতীয় স্বার্থে।
আমরা মনে করি বাংলাদেশের শত্রু হয়ে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ এ সংবিধান জারিকৃত হওয়ার মাধ্যমে। সেদিন থেকে এপর্যন্ত যে যেভাবেই বাংলাদেশের সরকার গঠন করেছেন, তারা সকলেই অবাধে অবৈধ সরকার গঠন করে দেশর উপর স্বৈরাচারী স্বেচ্ছাচারিতার শাসন প্রবর্তনের অভিযোগে অভিযুক্ত।
চিন্তা করেন, কেমন দেশে কেমন পরিবেশে আপনারা কাজ করছেন, কথা বলে চলেছেন। আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কতটুকু অনিশ্চিয়তার অন্ধকারে নিমজ্জিত করে নিয়ে দেশের আঠারো কোটি জনগণের কত ধ্বংসাত্মক ক্ষতির কারণ হয়েছেন আমরা রাজনৈতিক মাঠের লোকজন!
Professor Siddique Hossain
চেয়ারম্যান ও পলিটিক্যাল কনসালটেন্ট
নিউক্লিয়াস পার্টি বাংলাদেশ
মে ৩০, ২০২৬
09/03/2026
এক স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ঐতিহাসিক নিউক্লিয়াস
বঙ্গ ও বাংলা এক বিষয় নয়—এই পার্থক্যটি ইতিহাস বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচীন ‘বঙ্গ (Venga)’ ছিল একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক জনপদ, যা মূলত আজকের ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল। অন্যদিকে ‘বাংলা’ হলো অনেক পরে গড়ে ওঠা একটি ভাষা ও সংস্কৃতিনির্ভর বৃহত্তর পরিচয়, যা একাধিক জনপদকে একসূত্রে বেঁধেছে। ইন্দো-আর্য যুগের মহাকাব্য মহাভারত ও ঐতরেয় আরণ্যকের বিবরণ অনুযায়ী, বঙ্গ ছিল আর্যাবর্তের সীমানার বাইরে অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী অঞ্চল, যেখানে আর্যদের প্রভাব তুলনামূলকভাবে দেরিতে পৌঁছায়। এমনকি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে বঙ্গের রাজার স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণও প্রমাণ করে যে বঙ্গ তখন কোনো কেন্দ্রীয় ভারতীয় শাসনের অধীন ছিল না।
প্রাচীনকালে বর্তমান বাংলা অঞ্চল একক রাষ্ট্র ছিল না; বরং এখানে বঙ্গ, পুণ্ড্র, গৌড়, রাঢ়, সমতট ও হরিকেলের মতো একাধিক স্বাধীন বা আধা-স্বাধীন জনপদ বিদ্যমান ছিল। মৌর্য ও গুপ্তদের মতো সাম্রাজ্য উত্তর ও পশ্চিম বাংলার কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করলেও মূল বঙ্গ ও পূর্বাঞ্চল দীর্ঘকাল স্বশাসিত বা করদ রাজ্য হিসেবেই টিকে ছিল। এমনকি সেন যুগেও এসব অঞ্চল একীভূত হলেও তা কোনো সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে ওঠেনি। অর্থাৎ, প্রাচীন ও মধ্যযুগ জুড়ে বঙ্গ কোনো অখণ্ড ভারতীয় রাষ্ট্রের স্থায়ী ও অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না।
এই বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই ভাষা একটি ঐক্যসূত্র তৈরি করে। মাগধী অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত ভাষা ধীরে ধীরে বিভিন্ন জনপদে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় উপাদানের সংমিশ্রণে বাংলা ভাষার আদি রূপ গড়ে ওঠে। চর্যাপদে পাওয়া ‘বাঙালি’ পরিচয় কোনো রাষ্ট্রীয় পরিচয় নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সত্তার প্রকাশ। এই ভাষিক ঐক্যের ওপর ভিত্তি করেই প্রথমবারের মতো একটি সমন্বিত রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে ওঠে সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের শাসনামলে, যখন ‘বাংলা’ নামটি একটি প্রশাসনিক ও সার্বভৌম ভূখণ্ডের পরিচয় লাভ করে।
সুতরাং ইতিহাসের আলোকে বলা যায়, বঙ্গ ছিল প্রায় তিন হাজার বছর পুরোনো এক স্বতন্ত্র ও স্বাধীন ঐতিহাসিক নিউক্লিয়াস, আর বাংলা হলো সেই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের বিস্তৃত রূপ। বাঙালি জাতিসত্তা কোনো কেন্দ্রীয় ভারতীয় রাষ্ট্রের উপহার নয়; বরং এটি দীর্ঘকালীন আঞ্চলিক স্বাতন্ত্র্য, ভাষিক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার ফল।
স্বাধীন হতে স্বাধীন হও
Be Independent To Be Independent
নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ
06/03/2026
জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করায় বাংলাদেশের অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়েছে এবং জনগণ পড়েছে চরম বিপাকে। নেপালের অভ্যুত্থানকারীরা নিজ দেশে সাথে বেইমানি না করায় নেপালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে অভ্যুত্থানকারীদের দলের জয়।
11/02/2026
৫ আগস্ট, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশের জনগণ প্রত্যাশা করেছিল সংবিধানের ৭০ নং এবং ৮ (২) নং ধারা বাতিল করে সাংবিধানিকভাবে জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে কিন্তু সেটি না করে, বিগত অবৈধ নির্বাচনগুলির মত ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ১৩ তম জাতীয় অবৈধ নির্বাচন।
সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
#প্রাইমারি #বাংলাদেশ #কমন
01/02/2026
We are exile in our country
31/01/2026
স্বাধীনতা ভিনালে
ব্যাংক ঋন, টাকা প্রিন্টিং, বিশাল সরকারের অপচয়, সরকারের বেপরোয়া কর্মকর্তা কর্মচারী, ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, ও সুশাসনের খড়া, ছাত্র রাজনীতি, দখলের রাজনীতি ও দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, শিক্ষার প্রতি অবহেলা, দেদারছে বেসরকারিকরণ দেশের সম্পদ ও লুন্ঠন, ব্যাংক ও ঋনের আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক শোষণ শোষক দেশকে আজ দুর্দশাগ্রস্ত শোষিত মানুষের বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়টা বাংলাদেশের জন্য জাতীয় অগ্রগতির রুপরেখা তৈয়ার করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে পারে নাই। সংবিধান যেভাবে যে সব জনপ্রতিনিধিগণ নির্মাণ করেছেন, তা ন্যায্য সঠিক ছিল না। যার জন্য দেশে সুব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, ও সুশাসন কিছুই প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। উপরন্তু সারাদেশ হয়ে উঠেছে চরম নিষ্ঠুর নিকৃষ্টতম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে।
এই অন্তবর্তী সরকার যে পরিমান ঋনের কথা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যদি তা সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তারা বেপরোয়া। এই ঋন গ্রহন করার আগে জাতির কাছ থেকে গণতান্ত্রিক গনভোটের মাধ্যমে অনুমোদন নেয়া ছিল জরুরী ছিল। It is a criminal act, premeditated murder of a country and its people. Literally country is being sold out purely. এটি একটি অপরাধমূলক কাজ, একটি দেশ এবং তার জনগণের পূর্বপরিকল্পিত হত্যা। আক্ষরিক অর্থেই দেশকে সম্পূর্ণরূপে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীন হতে স্বাধীন হও
নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ
31/01/2026
ব্যাংক ঋণ, টাকা প্রিন্টিং, বিশাল সরকারের অপচয়, সরকারের বেপরোয়া কর্মকর্তা কর্মচারি, ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের খড়া, ছাত্র রাজনীতি, দখলের রাজনীতি ও দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র, শিক্ষার প্রতি অবহেলা, দেদারছে বেসরকারিকরণ দেশের সম্পদ ও লুণ্ঠন, ব্যাংক ও ঋণের আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক শোষণ শোষক দেশকে আজ দুর্দশাগ্রস্ত শোষিত মানুষের বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়টা বাংলাদেশের জন্য জাতীয় অগ্রগতির রুপরেখা তৈরি করে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে পারে নাই। সংবিধান যেভাবে যে সব জনপ্রতিনিধিগণ নির্মাণ করেছেন, তা ন্যায্য সঠিক ছিল না। যার জন্য দেশে সুব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন কিছুই প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। উপরন্তু সারাদেশ হয়ে উঠেছে চরম নিষ্ঠুর নিকৃষ্টতম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে।
এই অন্তবর্তী সরকার যে পরিমান ঋণের কথা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে যদি তা সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তারা বেপরোয়া। এই ঋণ গ্রহণ করার আগে জাতির কাছ থেকে গণতান্ত্রিক গনভোটের মাধ্যমে অনুমোদন নেয়া জরুরি ছিল। It is a criminal act, premeditated murder of a country and its people. Literally country is being sold out purely. এটি একটি অপরাধমূলক কাজ, একটি দেশ এবং তার জনগণের পূর্বপরিকল্পিত হত্যা। আক্ষরিক অর্থেই দেশকে সম্পূর্ণরূপে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীন হতে স্বাধীন হও
নিউক্লিয়াস পার্টি, বাংলাদেশ