😇
Akmal Quran আকমাল কুরআন
Peace be upon you | আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
11/03/2025
হে মুমিনগণ হেফাজত কর এবং সতর্ক হও। Highlight
জালিমদের উপর রহম করা
মাজলুমদের উপর জুলুম করার সমান
😑😑😑
তুমি আসলে কে?
তোমার পরিচয় কি?
তুমি কি বাঙালি নাকি মুসলিম?
তোমার কি ভয় নেই তোমাকে যে মরতে হবে!
তুমি তো চিরো অমর নও, নও তুমি হিন্দু।
কেন তুমি করছো এসব বুক কাপেনা না তোমার একবিন্দু!!!
হে জালিম ঘরের সন্তানেরা কেনো তুমি এতো হিংস্র?
দেখোনি তুমি যারা ছিলো তোমার মত তারা হয়েছে নির্বংশ।
হে জাতি তোমরা কেন ধরে নিচ্ছ এগুলোর পরবে না কোন প্রভাব!!
বিবেক যদি তোমার হয় জাগ্রত তাহলে ছেড়ে দাও তোমার বদ স্বভাব।
#ওয়াদ্দুহা
#ফিরে_এসো_তোমার_রবের_দিকে❤️
19/12/2023
হযরত আদম (আঃ) এর জীবনি -২য় পর্ব
শ্রেষ্ঠ মানুষেরা-[ পর্ব ২] আদম (আঃ) সাথে সে দিন কি হয়ে ছিল বেহেশতের মধ্যে//Baseera media ্লাহ_কেন_তাদেরকে_দুনিয়াতে_পাঠিয়ে_দিলেন
19/12/2023
হযরত আদম (আঃ) এর জীবনি -১ম পর্ব
আমরা যারা আমাদের নবী করিমগণের জীবনি না জানি তাদের উদ্দেশ্যে সকলের মাঝে প্রচারের জন্য এবং জানার জন্য আমার নিজের দেখা এই- শ্রেষ্ঠ মানুষেরা- খুবই সহজ মাধ্যম। তবে এখানকার সব জিনিসই যে সত্য হবে তা কিন্তু নয়। কিছু ভূল ভ্রান্তি থাকা স্বাভাবিক তবে আপনার মস্তিষ্কে যেটাকে ভুল বলবে সেটা যদি সম্ভব হয় নিজেই ক্লিয়ার হওয়ার চেষ্টা করবেন আমাদের আল-কোরআন থেকে। অন্যথায় আমাদের দেশের আলেমরা আপনাকে জানতে বাধা প্রদান করবেন যে কোন মাধ্যমে- যেমন- এখন না পরে, নামাজ শেষে, তুমি নামাজই ঠিক করে পরো না, তুমি তো সিগারেট খাও, জুম্মার নামাজ ছাড়া তোমাকে তো দেখাই যায় না- আগে নামাজ পড়, তোমার অজু নেই অজু করে এসো ইত্যাদি। ভাইয়েরা/বোনেরা আমি বিশ্বাস করি আমাদের নবী করিমগণের সম্পর্কে
জানা থাকলে আমাদের নামাজ পড়তে উৎসাহ মিলবে। নামাজে আনন্দ পাবো। সঠিকভাবে পথ নির্বাচন করতে পারবো। আমাদের ধর্মের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। তাই বলি আপনাদের আমার সকলের জানা প্রয়োজন।
তাই নিজেও জানুন এবং শেয়ার করে অন্যদেরকেও জানার সুযোগ করে দিবেন।
শ্রেষ্ঠ মানুষেরা - [পর্ব ১] - আদম (আঃ) ১ প্রথমে, আল্লাহ্ ছিলেন - আল্লাহ্ ব্যাতিত আর কোন কিছুর অস্তিত্ব ছিল না। এমন কোন মুহুর্ত ছিল না, যখন তিনি ছিলেন না। তিন...
আসুন নতুন বছর উপলক্ষ্যে আল্লাহর কাছে চাই। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম করুনাময় অসীম দয়ালু। তিনি ক্ষমাশীল ও মেহেরবান। যা চাওয়ার আছে আল্লাহর কাছে চাই- এবং আল্লাহ তা’য়ালার রহমতের দরিয়ায় সব লুফে নেই। কারণ আল্লাহ তার বান্দাদের খুশি করতে চান।
অতএব, তার থেকে কিছু পেতে হলে আমাদের অবশ্যই তার দেওয়া ফরজ আদায় করতে হবে এবং তার পক্ষ থেকে আসা বান্দাদের জন্য নেয়ামত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দেখানো পথে চলতে হবে- পরিশেষে আল্লাহর নেয়ামত আমাদের জন্য ফরজ হয়ে যাবে যার জন্য আমরা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।
আল্লাহ বলেন : “তােমরা আমাকে ডাক, আমি তােমাদের ডাকে সাড়া দিব। ” তিন আরও বলেন : “যারা অহংকারবশত আমার ইবাদত থেকে বিমুখ থাকে, তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে” (৪০: ৬০)
সূরা- বাকারা
আয়াত- ১৬-১৭
১৬- তারা সে সমস্ত লোক, যারা হেদায়েতের বিনিময় গোমরাহী খরিদ করে। বস্তত তারা তাদের এ ব্যবসায় লাভবান হতে পারেনি এবং হেদায়েত ও লাভ করতে পারেনি।
১৭- তাদের অবস্থা সে ব্যক্তির মত, যে লোক কোথাও আগুন জ্বালালো এবং তার চারিদিককার সবকিছুকে যখন আগুন স্পষ্ট করে তুললো, ঠিক এমনি সময় আল্লাহ তার চারদিকের আলোকে উঠিয়ে নিলেন। এবং তাদেরকে অন্ধকারে ছেড়ে দিলেন। ফলে তারা কিছুই দেখতে পারে না।
নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বান্দাদের জন্য হেদায়েত স্বরূপ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে নেয়ামত প্রদান করে থাকেন। এবং বার বার নেয়ামত বর্ষিত করেন যাতে করে আমরা বান্দারা তার দিকে ফিরে আসি। অথচ আমরা তার দিক থেকে প্রস্থান করি। নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞানি। অতএব, আমরা আগুন জ্বালানো বন্ধ করি, যদি আগুন জ্বালিয়েও থাকি তবে যেন তওবা করি এবং আল্লাহর নিকটস্থ হই। আল্লাহ দয়াময় পরম দয়ালু, আল্লাহ রহমানুর রহিম, রহমতদাতা। একবার যদি আল্লাহ আমাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তবে ফিরে আসা খুব কঠিন। কেননা- আমরা যখন আগুন জ্বালিয়ে সেটাকে অন্যান্যদের সামনে স্পষ্ট করার চেষ্টা করবো- এমনি সময় আল্লাহ আমাদের জন্য হেদায়েতের পথ বন্ধ করে দিবেন। জেনে শুনে আমরা আগুনে পা-দিবো। যা আমাদের নির্বোধ করে দিয়েছে তা থেকে আমরা নিজেদের বিরত রাখতে পারবো না। তাই ভুল করে তাতে সিল মোহর লাগানোর পূর্বেই ভুল স্বীকার করে নেই। তাতেই আমাদের মঙ্গল।
আমার বাবা-মা মারা যাচ্ছেন আমি একজনকে বাঁচাতে পারবো। এবং আমি মাকে বাঁচালাম। কিন্তু যখন শুনবেন। এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে এবং যে ব্যক্তি পরিকল্পনাকারী সে আপনার কাছেই। সেই মুহুর্তে আপনার কি করা উচিত ? চিন্তা- করছেন? শুনেন কোন সন্তানি তার বাবা-মায়ের মৃত্যু কামনা করে না এবং মৃত্যুর স্বাক্ষী তো কখনোই হবে না। অতএব দ্রুত গতিতে কোন চিন্তা ছাড়াই লোকটাকে হত্যার চেষ্টা করা হবে। আপনি যদি আপনার আম্মুর মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে একজনকে হত্যার চেষ্টা করতে পারেন তবে জেনে রাখ তুমি ফিরেছ আল্লাহর পথে- কিন্তু তুমি যদি তা দেখেও চুপ করে বসে থাকো!! স্বাগতম তোমাকে জাহান্নামিদের সঙ্গে। নিশ্চয়ই কেউ কারোর প্রিয়জিনিসের মায়ায় প্রতিশোধ নিতে ভুলি না। তবে আল্লাহ যিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা, রিযিকদাতা, জিনি শত শত গুণাহের পরও তার বান্দাদের মাফ করে দেন- তার জন্য আমাদের কর্তব্য নয় যে তার প্রতি অনুগত থাকা? তার প্রতি সিজদাহ করা? তাকে অন্য কিছুর সাথে শরিক না করা? এতে তো আপনারই মঙ্গল- এবং আপনারই জন্য আল্লাহ রেখেছেন অসংখ্য নাজ নিয়ামত। সুতরাং নির্বোধদের কাছ থেকে বিরত থাকো এবং নিজেকেও বিরত রাখ। আল্লাহ যা প্রদান করেন তা থেকেই ব্যয় করো তা থেকেই শুকরিয়া আদায় করো। কারণ নিয়ামত প্রদানের পথ আল্লাহ ভালো জানেন।
পরিচ্ছেদঃ ২৪৩৩
৪৭০৫। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জিহাদে অংশ নিতাম; কিন্তু আমাদের কোন কিছু ছিল না। সুতরাং আমরা রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বললাম, আমরা কী খাসি হয়ে যাব? তিনি আমাদেরকে খাসি হতে নিষেধ করলেন এবং কোন মহিলার সাথে একখানা কাপড়ের বিনিময়ে হলেও শাদী করার অনুমতি দিলেন এবং আমাদেরকে এই আয়াত পাঠ করে শোনালেনঃ হে মু’মিনগণ! আল্লাহ যে পবিত্র জিনিসগুলো তোমাদের জন্য হালাল করেছেন তোমরা তা হারাম করো না এবং সীমালংঘন করো না। আল্লাহ সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না।
আসবাগ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বললাম, ইয়া রাসূলল্লাহ! আমি একজন যুবক। আমার ভয় হয় যে, আমার দ্বারা না জানি কোন গুনাহর কাজ সংঘটিত হয়ে যায়; অথচ আমার শাদী করার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ নেই। এই কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ রইলেন। আমি আমার প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলাম। তিনি চুপ রইলেন। আমি আবারও অনুরূপভাবে বললাম। তিনি চুপ থাকলেন। আবারও অনুরূপভাবে বললে তিনি উত্তর করলেন, হে আবূ হুরায়রা! যা কিছু তোমার ভাগ্যে আছে, তা লেখার পর কলমের কালি শুকিয়ে গেছে। তুমি খাসি হও বা না হও, তাতে কিছু আসে যায় না। [১]
باب مَا يُكْرَهُ مِنَ التَّبَتُّلِ وَالْخِصَاءِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ كُنَّا نَغْزُو مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَيْسَ لَنَا شَىْءٌ فَقُلْنَا أَلاَ نَسْتَخْصِي فَنَهَانَا عَنْ ذَلِكَ ثُمَّ رَخَّصَ لَنَا أَنْ نَنْكِحَ الْمَرْأَةَ بِالثَّوْبِ، ثُمَّ قَرَأَ عَلَيْنَا (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلاَ تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ).
وَقَالَ أَصْبَغُ أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي رَجُلٌ شَابٌّ وَأَنَا أَخَافُ عَلَى نَفْسِي الْعَنَتَ وَلاَ أَجِدُ مَا أَتَزَوَّجُ بِهِ النِّسَاءَ، فَسَكَتَ عَنِّي، ثُمَّ قُلْتُ مِثْلَ ذَلِكَ، فَسَكَتَ عَنِّي ثُمَّ قُلْتُ مِثْلَ ذَلِكَ، فَسَكَتَ عَنِّي ثُمَّ قُلْتُ مِثْلَ ذَلِكَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا أَبَا هُرَيْرَةَ جَفَّ الْقَلَمُ بِمَا أَنْتَ لاَقٍ، فَاخْتَصِ عَلَى ذَلِكَ أَوْ ذَرْ ".
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن إسماعيل، عن قيس، قال قال عبد الله كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وليس لنا شىء فقلنا ألا نستخصي فنهانا عن ذلك ثم رخص لنا أن ننكح المرأة بالثوب، ثم قرأ علينا (يا أيها الذين آمنوا لا تحرموا طيبات ما أحل الله لكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين). وقال أصبغ أخبرني ابن وهب، عن يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال قلت يا رسول الله إني رجل شاب وأنا أخاف على نفسي العنت ولا أجد ما أتزوج به النساء، فسكت عني، ثم قلت مثل ذلك، فسكت عني ثم قلت مثل ذلك، فسكت عني ثم قلت مثل ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا أبا هريرة جف القلم بما أنت لاق، فاختص على ذلك أو ذر ".
[১] খাসি হও বা না হও তোমার ভাগ্যে যা আছে, তা অবশ্যই ঘটবে। সুতরাং খাসি হওয়ার দরকার নেই।
(অতিরিক্ত বক্তব্য আকমাল কুরআন এর পেইজ এর প্রচারকারী )
অর্থাৎ তোমার বিবাহ জরুরী হলে- শাদী গ্রহণ করে ফেলো। সমাজের ফিতনা ও নারীদের ফিতনা থেকে বিরত রাখতে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বংশ বিস্তার কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ বংশ বিস্তারকারী বিবাহিত নারী/পুরুষকে পছন্দ করেন। তোমরা তোমাদের বংশ বিস্তার নিয়ে চিন্তিত হয়ো না কারণ আল্লাহ একমাত্র রিজিক দাতা। তিনি সর্বোৎকৃষ্ট জ্ঞানী পরম করুনাময়। অতএব তোমরা বিবাহ করো কু-কর্ম থেকে বিরত থাকো এবং বংশ বিস্তার কর আল্লাহর বিধান অনুযায়ী দিন পালন কর। কারণ তিনি একমাত্র ইবাদতের যোগ্য। সুতরাং বংশ বিস্তারের মাধ্যমে তোমরা এক ও অদ্বিতীয় খোদার ইবাদত কর। তার সাথে কোন প্রকার শরীক করিও না। নিশ্চয়ই তিনি শাস্তিদানে অপ্রতিরোধ্য।
কোথাও বেশি বললে বা ফরয/সুন্নাত এর বাহিরে কিছু বলে থাকলে জানাবেন। অযথা তর্ক লিপ্ত হওয়া নিশ্চয়ই বেয়াদবী বা বোকাদের লক্ষণ।
আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।
আসসালামু আলাইকুম।
সহিহ বুখারী হতে কিছু হাদীস বর্তমানে যা আমাদের সাথে প্রতিনিয়ত ঘটে আসছে। আসুন সরল পথে অধিষ্ঠিত হই এবং আল্লাহর বিধি বিধান মেনে চলি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ফিরে আসা ব্যক্তিকে স্বাগতম জানান এবং তাদের জন্য রেখেছেন অসীম সুখ ও শান্তি। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বোৎকৃষ্ট জ্ঞানী।
পরিচ্ছেদঃ ১৫২৮. তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক বা মাযলুম
২২৮১। উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে জালিম হোক অথবা মাজলুম (অর্থাৎ জালিম ভাইকে জুলুম থেকে বিরত রাখবে এবং মাজলুম ভাইকে জালিমের হাত থেকে রক্ষা করবে)।
باب أَعِنْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَنَسٍ، وَحُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، سَمِعَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا ".
পরিচ্ছেদঃ ১৫২৮.
২২৮২। মুসাদ্দাদ (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালিম হোক অথবা মাজলুম। তিনি (আনাস) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মাজলুমকে সাহায্য করব, তা তো বুঝলাম। কিন্তু জালিমকে কি করে সাহায্য করব? তিনি বললেন, তুমি তার হাত ধরে তাকে বিরত রাখবে (অর্থাৎ তাকে যুলুম করতে দিবে না)।
باب أَعِنْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا ". قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا نَنْصُرُهُ مَظْلُومًا، فَكَيْفَ نَنْصُرُهُ ظَالِمًا قَالَ " تَأْخُذُ فَوْقَ يَدَيْهِ ".
পরিচ্ছেদঃ ১৫২৯. মাজলুমকে সাহায্য করা
২২৮৩। সাঈদ ইবনু রাবী (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাতটি বিষয়ে আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তারপর তিনি উল্লেখ করেলেন, পীড়িতের খোঁজখবর নেওয়া, জানাযার অনুসরণ করা, হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ্ বলা, সালামের জওয়াব দেওয়া, মাজলুমকে সাহায্য করা, আহবানকারীর প্রতি সাড়া দেওয়া, কসমকারীকে দায়িত্ব মুক্ত করা।
باب نَصْرِ الْمَظْلُومِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَشْعَثِ بْنِ سُلَيْمٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ سُوَيْدٍ، سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِسَبْعٍ، وَنَهَانَا عَنْ سَبْعٍ. فَذَكَرَ عِيَادَةَ الْمَرِيضِ، وَاتِّبَاعَ الْجَنَائِزِ، وَتَشْمِيتَ الْعَاطِسِ، وَرَدَّ السَّلاَمِ، وَنَصْرَ الْمَظْلُومِ، وَإِجَابَةَ الدَّاعِي، وَإِبْرَارَ الْمُقْسِمِ.
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩৩. মাযলুমের ফরিয়াদকে ভয় করা এবং তা থেকে বেঁচে থাকা
২২৮৬। ইয়াহ্ইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুআয (রাঃ) কে ইয়মানে পাঠান এবং তাকে বলেন, মাজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না।
باب الاِتِّقَاءِ وَالْحَذَرِ مِنْ دَعْوَةِ الْمَظْلُومِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَكِّيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ، فَقَالَ " اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ، فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ ".
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩৭. যে ব্যক্তি কারো জমির কিছু অংশ যুল্ম করে নিয়ে নেয় তার গুনাহ
২২৯০। আবূল ইয়ামান (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যাক্তি কারো জমির অংশ জুলুম করে কেড়ে নেয়, কিয়ামতের দিন এর সাত তবক যমীন তার গলায় লটকিয়ে দেওয়া হবে।
باب إِثْمِ مَنْ ظَلَمَ شَيْئًا مِنَ الأَرْضِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي طَلْحَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ زَيْدٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ ظَلَمَ مِنَ الأَرْضِ شَيْئًا طُوِّقَهُ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ ".
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩৯. মহান আল্লাহ্র বাণী- প্রকৃত পক্ষে সে কিন্তু অতি ঝগড়াটে (২:২০৪)
২২৯৫। আবূ আসিম (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট সেই লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত, যে অতি ঝগড়াটে।
باب قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ}
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ أَبْغَضَ الرِّجَالِ إِلَى اللَّهِ الأَلَدُّ الْخَصِمُ ".
পরিচ্ছেদঃ ১৫৪১. ঝগড়া করার সময় অশ্লীল ভাষা ব্যবহার
২২৯৭। বিশর ইবনু খালিদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে, সে মুনাফিক অথবা যার মধ্যে, এ চারটি স্বভাবের কোন একটা থাকে, তার মধ্যেও মুনাফিকীর একটি স্বভাব থাকে, যে পর্যন্ত না সে তা পরিত্যাগ করে। (১) সে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, (২) যখন ওয়াদা করে ভঙ্গ করে (৩) যখন চুক্তি করে তা লংঘন করে (৪) যখন ঝগড়া করে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে।
باب إِذَا خَاصَمَ فَجَرَ
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ مُنَافِقًا، أَوْ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنْ أَرْبَعَةٍ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفَاقِ، حَتَّى يَدَعَهَا إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا عَاهَدَ غَدَرَ، وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ ".
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Mirpur/12
Dhaka
1216