আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
আপনার সন্তানকে ঘরে বসে যত্ন সহকারে কুরআন পড়াতে চান তাহলে এখনই যোগাযোগ করুন অনলাইন কোরআন শিক্ষা একাডেমিতে
যোগাযোগ: 01985840369
এসো অনলাইনে কোরআন শিখি
আমি হাফেজ মুহাম্মাদ ইলিয়াস আহমাদ,
01/04/2024
আসসালামু আলাইকুম
সকলকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা
18/10/2023
ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ নিয়ে কোরআন ও হাদিসে কী আছে?
অসংখ্য নবী-রাসুলের পূণ্যভূমি ফিলিস্তিন। কোরআনের ভাষায় এ অঞ্চলের নাম বিলাদ আশ-শাম। বর্তমানের সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও পূর্ণ ফিলিস্তিন ভূখণ্ড প্রাচীন মুলকে শামের অন্তর্ভুক্ত।

ফিলিস্তিন মুসলমানদের কাছে সবসময়ই মর্যাদার, গুরুত্বের ও ভালোবাসার। ফাইল ছবি
মুফতি আবদুল্লাহ তামিম
৬ মিনিটে পড়ুন
আল্লাহ তাআলা এ পূণ্যভূমিতে অসংখ্য নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন। সেখানে রয়েছে পৃথিবীর তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ আল-আকসা। সেজন্য ফিলিস্তিন মুসলমানদের কাছে সবসময়ই মর্যাদার, গুরুত্বের ও ভালোবাসার। এ ভূমির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইসলামি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
কোরআনে ফিলিস্তিন ভূমির কথা
মুসলমানের প্রথম কিবলা মসজিদুল আকসা। পবিত্র কোরআনে মসজিদুল আকসা ও ফিলিস্তিনের কথা বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে। মসজিদুল আকসা ও তার আশপাশের অঞ্চলকে বরকতময় ভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মহাগ্রন্থ আল কোরআনে।
আল্লাহ বলেন,
পরম পবিত্র ও মহিমাময় তিনি, যিনি নিজ বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, যার পরিবেশ আমি করেছিলাম বরকতময়, তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (সুরা: বনি ইসরাঈল, আয়াত: ১)
ইসলামের নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.) জেরুসালেমে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করছিলেন। কাবা নির্মাণের চল্লিশ বছর পর (খ্রিষ্টপূর্ব ২১৭০) তিনি এটিকে আরও সম্প্রসারণ করেন। যা পরবর্তীকালে ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’ নামে পরিচিত হয়। এরপর (খ্রিষ্টপূর্ব ১০০৪) আল্লাহর নবী হযরত সুলাইমান (আ.) জিনদের মাধ্যমে এটিকে আরো সম্প্রসারণ করেন। ঐতিহাসিকদের মতে, ফিলিস্তিন এলাকার শাসক ছিলেন তিনি।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন,
আর আমি সুলাইমানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্যে গলিত তামার এক ঝরণা প্রবাহিত করেছিলাম। কতক জিন তার সামনে কাজ করত তার পালনকর্তার আদেশে। তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করবে, আমি জ্বলন্ত অগ্নির-শাস্তি আস্বাদন করাব।
(সুরা: সাবা, আয়াত: ১২)
আল্লাহর নবী হযরত সুলাইমান (আ.) কে আল্লাহ পৃথিবীতে বিশেষ রাজত্ব দান করেছিলেন। তার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ফিলিস্তিন নামক কল্যাণ রাষ্ট্রের। আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেন,
সুলাইমানের বশীভূত করে দিয়েছিলাম উদ্দাম বায়ুকে; তা তার আদেশক্রমে প্রবাহিত হতো সে দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ রেখেছি। আর প্রত্যেক বিষয় সম্পর্কে আমিই সম্যক অবগত।
(সুরা: আম্বিয়াহ, আয়াত : ৮১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়, আল্লাহ তোমাদের জন্য যে পবিত্র ভূমি নির্দিষ্ট করেছেন তাতে তোমরা প্রবেশ করো এবং পিছপা হয়ো না। হলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ (সুরা মায়িদাহ, আয়াত : ২১)
আল্লাহ ফিলিস্তিন ও তার কাছাকাছি অঞ্চলে অসংখ্য নবী ও রাসুল পাঠিয়েছেন। একাধিক নবী এই পবিত্র ভূমিতে আশ্রয় লাভ করেছিলেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন,
আমি তাকে ও লুতকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলাম সে দেশে, যেখানে আমি কল্যাণ রেখেছি বিশ্ববাসীর জন্য। (সুরা: আম্বিয়া, আয়াত: ৭১)
বেশির ভাগ মুফাসসিরের মতে, আয়াতে ফিলিস্তিন ভূমির কথা বলা হয়েছে। অন্যদের মতে, শাম বা সিরিয়ার কথা বলা হয়েছে।
যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিন অসহায় ও নিরাশ্রয় মানুষের আশ্রয় ভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে ইউরোপ আমেরিকা থেকে বিতাড়িত অনেক মানুষের আশ্রয়স্থল ফিলিস্তিন। ইসরাইলের যেসব অধিবাসী আদি ফিলিস্তিনিদের অবৈধভাবে উচ্ছেদ করছে তারাও বিভিন্ন দেশ থেকে এসে আশ্রয় নিয়েছিল ফিলিস্তিনের পূণ্যভূমিতে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন,
যে সম্প্রদায়কে দুর্বল গণ্য করা হতো তাদের আমি আমার কল্যাণপ্রাপ্ত রাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিমের উত্তরাধিকারী করি। (সুরা: আরাফ, আয়াত: ১৩৭)
মুফাসসিররা বলেন, এ আয়াতে ফিলিস্তিন ও প্রাচীন শামের কথা বলা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা হলো মুসলিমদের প্রথম কিবলা। যার দিকে মুখ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবিরা ১০ বছর নামাজ আদায় করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তুমি যেখান থেকে বাহির হওনা কেন মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরাও এবং তোমরা যেখানেই থাকো না কেন ওর দিকে মুখ ফিরাবে।’( সূরা বাকারা, ১৫০)
হাদিসে ফিলিস্তিন ভূমির কথা
ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ মজসিদুল হারাম। তারপরে মসজিদে নববী। এরপরের স্থানে আছে সুশোভিত প্রাচীনতম জেরুসালেম শহরে অবস্থিত মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ মসজিদুল আকসা।
হযরত আবু জর গিফারি রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! দুনিয়াতে প্রথম কোন মসজিদটি নির্মিত হয়েছে? তিনি বলেন, মসজিদুল হারাম। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কোনটি? প্রতিউত্তরে তিনি বললেন, তারপর হলো মসজিদুল আকসা। এরপর আমি জানতে চাইলাম যে, উভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত বছরের? তিনি বললেন চল্লিশ বছরের ব্যবধান। (সহিহ বুখারি: ৩১১৫)
বিশুদ্ধ হাদিসের গ্রন্থ বোখারি ও মুসলিমে হযরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘(ইবাদতের উদ্দেশ্যে) তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী) ও মসজিদুল আকসা।’ (মুসলিম: হাদিস ৮২৭)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
যখন সুলাইমান ইবনু দাউদ বায়তুল মাকদিসের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয়ের প্রার্থনা করলেন। তার মতো শাসনক্ষমতা এবং এমন রাজত্ব, যা তারপরে কাউকে প্রদান করা হবে না ও সালাত আদায়ের একনিষ্ঠ মনে উক্ত মসজিদে আগমনকারীর পাপ মোচন করে তার জন্মের দিনের মতো নিষ্পাপ করার প্রার্থনা করেছেন।
হযরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের একটি দল সত্যের ওপর বিজয়ী থাকবে। শত্রুর মনে পরাক্রমশালী থাকবে। দুর্ভিক্ষ ছাড়া কোনো বিরোধী পক্ষ তাদের কিছুই করতে পারবে না। আল্লাহর আদেশ তথা কেয়ামত পর্যন্ত তারা এমনই থাকবে। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, তারা কোথায় থাকবেন? রাসুল (সা.) বললেন, ‘তারা বায়তুল মাকদিস এবং তার আশপাশে থাকবেন।’ (মুসনাদে আহমদ: ২১২৮৬)
ফিলিস্তিনে হাশরের ময়দান হবে। হযরত মায়মুনা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের বায়তুল মাকদিস সম্পর্কে কিছু বলুন! রাসুল (সা.) বললেন, ‘বায়তুল মাকদিস হলো হাশরের ময়দান। পুনরুত্থানের জায়গা। তোমরা তাতে গিয়ে সালাত আদায় করো। কেননা, তাতে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা অন্যান্য মসজিদে এক হাজার সালাত আদায়ের সওয়াব পাওয়া যায়।
হজরত মায়মুনা (রা.) বললেন, যে ব্যক্তি মসজিদুল আকসাতে গমনের শক্তি-সামর্থ্য রাখেন না তার ব্যাপারে আপনার কী অভিমত?’ তিনি বললেন, ‘সে যেন তার জন্য জ্বালানি তেল হাদিয়া হিসেবে প্রেরণ করে। কেননা যে বায়তুল মাকদিসের জন্য হাদিয়া প্রেরণ করে, সে তাতে নামাজ আদায়কারী ব্যক্তির মতো সওয়াব লাভ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস ২৬৩৪৩)
হাদিসে ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধের কথা
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামত সংগঠিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলমানরা ইয়াহুদি সম্প্রদায়ের সাথে লড়াই না করবে। মুসলমানরা তাদেরকে হত্যা করবে। ফলে তারা পাথর বা বৃক্ষের আড়ালে আত্মগোপন করবে। তখন পাথর বা গাছ বলবে, হে মুসলিম, হে আল্লাহর বান্দা! এই তো ইয়াহুদি আমার পশ্চাতে। এসো, তাকে হত্যা কর। কিন্তু ’গারকাদ’ গাছ এ কথা বলবে না। কারণ এ হচ্ছে ইয়াহুদিদের গাছ। (মুসলিম, হাদিস ৭০৭৫)
বিশ্বের একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল। বর্তমানে তারা ফিলিস্তিনের মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধরত। ইসরাইল-ফিলিস্তিনের সংঘাত গড়িয়েছে পঞ্চম দিনে। এরই মধ্যে উভয় পক্ষে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। বহু বছর ধরেই অমীমাংসিত এক সংঘাতে লিপ্ত ইসরাইল ও ফিলিস্তিন। তবে নিরীহ ফিলিস্তিনিরা বরাবরই নির্যাতিত। প্রতিনিয়তই তাদের দখল হয়ে যাওয়া জমিতে ইসরাইলিরা গড়ে তুলছে অবৈধ স্থাপনা।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ১৯২০ থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে ইউরোপ থেকে দলে দলে ইহুদিরা ফিলিস্তিনে যেতে শুরু করেন। ইউরোপে ইহুদি নিপীড়ন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভয়ংকর ইহুদি নিধনযজ্ঞের পর সেখান থেকে পালিয়ে তারা নতুন এক মাতৃভূমির স্বপ্ন দেখছিল। আর সেই স্বপ্ন ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখলের মধ্যদিয়ে বাস্তবে রূপ দেয় তারা।
এতেই ক্ষান্ত হয়নি ইসরাইল। নিজেদের আগ্রাসন টিকিয়ে রাখতে দীর্ঘ ৭৫ বছর ধরে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর চালিয়ে যাচ্ছে নির্যাতন। ইহুদি রাষ্ট্র গড়তে একের পর এক প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের। তবে রাসুল (সা.) এর ভবিষ্যদ্বাণী হচ্ছে, কিয়ামতের আগে অবশ্যই এই ইহুদি জাতি মুসলিমদের হাতে পরাজিত হবে।
14/10/2023
কোরআন শরিফ সহিহ-শুদ্ধকরণ প্রত্যেক মুসলমানের মৌলিক দায়িত্ব
প্রত্যেক নর-নারীর ওপর কোরআনে কারিম এতটুকু সহিহ-শুদ্ধ করে পড়া ফরজে আইন যার দ্বারা অর্থ পরিবর্তন হয় না। অর্থ পরিবর্তন হয় এমন ভুল পড়ার দ্বারা নামাজ নষ্ট হয়ে যায়।
অতএব কমপক্ষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য যে সূরাগুলোর প্রয়োজন, সেগুলোকে শুদ্ধ করে নেওয়া আবশ্যক, অন্যথায় সে গুনাহগার হবে।
হজরত আলী (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তোমরা প্রত্যেকেই এমনভাবে কোরআন পড়, যেভাবে তোমাদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে যেভাবে কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন এবং পরবর্তী উম্মতকে সাহাবারা যেভাবে শিক্ষা দিয়েছেন সেই পরম্পরায় যেভাবে শুদ্ধভাবে কোরআন পড়ার রীতি চলে আসছে, সেভাবে কোরআন পড়তে হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক হরফ স্বীয় মাখরাজ থেকে সিফাতে লাজেমাসহ উচ্চারণকরতঃ মদ-গুন্নাহ আদায় করে পড়তে হবে।
তাই আমরা নিয়ে এসেছি আপনাদের সুবিধার জন্য অনলাইন কুরআন শিক্ষা।
যাতে করে সকলেই ঘরে বসে শিখতে পারেন সকলকে অনলি ওয়ান সুন্দরভাবে তাজবিদ সহ পড়ানো হয় অভিজ্ঞ ওস্তাদ ধারা।
যাদের সুরা কেরাত ও নামাজ শুদ্ধ হচ্ছে না ।
তারা আর দেরি না করে আজও আমাদের অনলাইন কুরআন শিক্ষা ক্লাস শুরু করুন।
যোগাযোগ: 01985840369 whatsapp _ imo
10/10/2023
💟কোরআন শুদ্ধ না হলে নামাজও শুদ্ধ হয় না 💟
নামাজ ভঙ্গের কারণ ১৯টি। তন্মধ্যে অন্যতম একটি হলো- নামাজে সূরা-কেরাত অশুদ্ধভাবে পড়া।
এর দ্বারা নামাজ ভেঙে যায়। এ কারণে সূরা ফাতেহা এবং কমপক্ষে ৪টি সূরা অথবা ছোট ছোট ১২টি আয়াত এবং নামাজ শুরুর তাকবির আল্লাহু আকবার থেকে শুরু করে নামাজ শেষের আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহতুল্লাহ পর্যন্ত এবং সহিহ-শুদ্ধভাবে কোরআনে কারিম শিক্ষা করা প্রত্যেক ঈমানদার নারী-পুরুষের জন্য ফরজ।
তাই আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম অন্যরকম একটি প্ল্যাটফর্ম ।
আপনারাঘরে বসে সরাসরি অভিজ্ঞ উস্তাদের কাছে কোরআন শিখুন!! অনলাইন, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমো ভিডিও কলের মাধ্যমে চমৎকার পদ্ধতিতে পড়ানো হয়।
📖প্রত্যেককে আলাদা প্রাইভেটভাবে (ONE TO ONE) পড়ানো হয়।
📖আপনার সন্তানকে পরম যত্নে কোরআন পড়ানো হবে।
📗 উস্তাদের সঙ্গে কথা বলতে কল করুনঃ
+8801736404002 (
01985840369 ইমো) whatsapp
আপনার নম্বরটিও মেসেজ করতে পারেন। আমাদের সম্মানিত উস্তাদ আপনাকে কল দিয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন। ইনশাআল্লাহ---
08/10/2023
আমি জানি যে আমার কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ নেই। তার মানে আমার সলাত ও ঠিক নেই!
এই চিন্তা মাথায় না রেখে তাও কীভাবে আমি কসমেটিক, বিভিন্ন কোর্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স, ফ্রিল্যান্সিং কোর্স,কলেজ- ভার্সিটি এসবের পিছনে লেগেই আছি?
অন্তর কাঁপে না ?
হঠাৎ কেয়ামতের দিন চলে আসলে কী হবে? ভাবার সময় এসেছে কি?
♥️এসো অনলাইনে কুরআন শিখি এই পেইজ❤️
এর পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই কোরআন শিক্ষা বিষয়ক অনলাইন ভিত্তিক একটি ফ্রী ব্যাসিক ক্লাস শুরু হতে যাচ্ছে। জুম এপসের মাধ্যমে ক্লাস করানো হবে। ক্লাসটি সম্পূর্ণ ফ্রি তে করানো হবে। অনেকেই কোরআন শিখেছেন কিন্তু ভুলে গেছেন, উচ্চারনে ভুল হয়। আপনাদের জন্য ব্যাসিক ক্লাসটি খুবই জরুরী।আপনারা যারা ক্লাসটি করতে চান তারা আমার সাথে যোগাযোগ করুন💜
দেহের রোগের ঔষধ ফার্মেসিতে
থাকলেও,
মনের রোগের ঔষধ একমাত্র আল
কোরানেই আছে আছে।
আলহামদুলিল্লাহ----
06/10/2023
মুসলিম শিশু-কিশোরদের সর্বপ্রথম কোরআনের পাঠদান করা উচিত। কোরআনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করলে শিশুর জীবন বরকতময় হবে, সে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করবে। তা ছাড়া অভিজ্ঞতা বলে, শৈশবে শিশুরা অন্য বিষয়ের পাঠ গ্রহণ করতে না পারলেও তারা কোরআন রপ্ত করতে পারে। শৈশবই কোরআন শেখার সর্বোত্তম সময়।
05/10/2023
কোরআন তেলাওয়াত একটি লাভজনক ব্যবসা
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত আল্লাহর সঙ্গে একটি লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্ন ব্যবসায় লাভ এবং ক্ষতি দু’টিরই সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এখানে লাভ ছাড়া কোনো প্রকার ক্ষতির আশঙ্কা নেই। এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, নামাজ কায়েম করে এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা আশা করে, যাতে কখনও লোকসান হবে না।’
কোরআন তেলাওয়াত একটি লাভজনক ব্যবসা
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত আল্লাহর সঙ্গে একটি লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্ন ব্যবসায় লাভ এবং ক্ষতি দু’টিরই সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এখানে লাভ ছাড়া কোনো প্রকার ক্ষতির আশঙ্কা নেই। এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, নামাজ কায়েম করে এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা আশা করে, যাতে কখনও লোকসান হবে না।’
04/10/2023
ঘরে বসে সরাসরি অভিজ্ঞ উস্তাদের কাছে কোরআন শিখুন!! অনলাইন, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমো ভিডিও কলের মাধ্যমে চমৎকার পদ্ধতিতে পড়ানো হয়।
📖প্রত্যেককে আলাদা প্রাইভেটভাবে (ONE TO ONE) পড়ানো হয়।
📖আপনার সন্তানকে পরম যত্নে কোরআন পড়ানো হবে।
📗 উস্তাদের সঙ্গে কথা বলতে কল করুনঃ
+8801736404002 (হোয়াটসঅ্যাপ ) 01985840369 ইমো)
আপনার নম্বরটিও মেসেজ করতে পারেন। আমাদের সম্মানিত উস্তাদ আপনাকে কল দিয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দিবেন।
📗 শিখতে কতদিন লাগবে?
মিনিমাম ৪ মাস থেকে ১ বছর।
কোরআন শেখার পর চাকরি, ব্যবসা বা পড়াশুনার পাশাপাশি হাফেজ ও আলেম হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
📗 ক্লাস এর সময় কখন?
আপনার সুবিধাজনক যেকোনো সময়ে ক্লাস টাইম নির্ধারণ করে নিতে পারেন।
📗 ক্লাস কীভাবে নেওয়া হবে?
আপনার সুবিধামত হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, Zoom বা google meet এর মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হবে।
📗 ভর্তি ফি ও মাসিক বেতন কত?
ভর্তি ফি ৫০০টাকা এবং মাসিক বেতন ৩০০০টাকা।
📗 ভর্তি হবো কীভাবে?
এক. অনলাইনে এই ( নাম্বারে যোগাযোগের মাধ্যমে,01736404002 whatsapp) অথবা এই নাম্বারে (01985840369বিকাশ পার্সোনাল) ৫১০টাকা সেন্ড মানি করে পেইজে ম্যাসেজ দিলে ভর্তি কনফার্ম করে নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
🖋️ ভর্তি হওয়ার পূর্বে একটি ফ্রি ক্লাস করতে চাই!
দয়া করে মেসেজ করুন অথবা উপরে উল্লেখিত উস্তাদের নম্বরে কল করুন।
🖋️ কারা শিখতে পারবে?
৬ বছরের বাচ্চা থেকে যেকোন বয়সের যুবক-বৃদ্ধ অনলাইনে কোরআন শিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
ঠিকানা: অনলাইন কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র, বাসা-৫১, রোড-১১, ডিআইটি প্রজেক্ট, বাড্ডা, ঢাকা-১২১২
যোগাযোগ : 01736404002, হোয়াটসঅ্যাপ) 01985840369, ইমু রয়েছে)
03/10/2023
বাচ্চা থেকে বয়স্ক!
অনলাইনে কুরআন শিখতে আগ্রহী কেউ আছেন?
থাকলে অবশ্যই সরাসরি ইনবক্সে মেসেজ করুন।
অথবা কল করুন: 01985840369 whatsapp + imo
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
DIT Project, Merul Badda
Dhaka
1212