University Admission bd

University Admission bd

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from University Admission bd, Education, Dhaka.

07/03/2026
Photos from University Admission bd's post 14/10/2024

➡️অরজিনাল চাঁদপুর ইলিশের চোখ নষ্ট হবে না এবং চোখের রঙ কালো সবুজ টা হলো মিষ্টি পানির ইলিশ✅
আর লবণ পানির ইলিশ চোখ দারে লাল থাকবে চোখ নষ্ট হয়ে যাবে।❌
খুব সহজে ইলিশ চিনার উপায়

12/10/2024

শারদীয় শুভেচ্ছা সহ নিরন্তর শুভকামনা

16/09/2024

চব্বিশের আন্দোলনে শহিদ:

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়:

১. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ০২
২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ০০
৩. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: ০০
৪. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: ০০
৫. বুয়েট: ০০
৬. কুয়েট: ০০
৭. চুয়েট: ০০
৮. রুয়েট: ০০
৯. ডুয়েট: ০০
১০. বাকৃবি: ০০
১১. বেগম রোকেয়া: ১
১২. বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: ১
১৩. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়: ১
১৪. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় - ১
১৫. BUP: ২
১৭. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: ২
১৮.শাবিপ্রবি: ১
১৯. MIST: ২
২০. শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: ১

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়:

১. নর্দান: ৫
২. সাউথ ইস্ট: ৪
৩. মানারাত: ২
৪. ড্যাফোডিল: ২
৫. প্রিমিয়ার, চট্টগ্রাম: ২
৬. ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল: ২
৭. আইইউটি: ১
৮. আইইউবি: ১
৯. ইস্ট ওয়েস্ট: ১
১০. নর্থ সাউথ: ১
১১. বরেন্দ্র, রাজশাহী: ১
১২. ইউসিটি, চট্টগ্রাম: ১
১৩. প্রাইম এশিয়া: ১
১৪. সিটি ইউনিভার্সিটি: ১
১৫. সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি: ১
১৬. আশুলিয়া সিটি ইউনিভার্সিটি: ১
১৭. ইউডিএ: ১
১৮. বিইউবিটি: ১
১৯. সিসিএন ইউএসটি: ১
(সংগৃহিত)

11/05/2024

ময়মনসিংহ শহরে মসূয়ার জমিদার হরিকিশোরের বাড়ি। হরিকিশোর ছিলেন উকিল, তিনি এই ভূসম্পত্তি প্রচুর বাড়িয়ে জমিদারি ক্রয় করেন এবং রায়চৌধুরী উপাধি লাভ করেন।জমিদারি তত্ত্বাবধানে এবং আদালতের কাজে হরিকিশোরকে প্রায়ই ময়মনসিংহ আসতে হতো। সামনের রাস্তাটির নামও হরিকিশোর রায় রোড।

এ বাড়িতে থেকেই ১৮৭৪-৭৫ নাগাদ তার পালক পুত্র উপেন্দ্রকিশোর পড়তেন ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে। গুপি-গাইন-বাঘা-বাইন, টুনটুনির বই উপেন্দ্রকিশোরের লেখা বিখ্যাত সাহিত্য। আর উপেন্দকিশোর হলেন সুকুমার রায়ের পিতা ও সত্যজিৎ রায়ের পিতামহ।

ছবি: তাসনুভা হাসান

01/04/2024

যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।

১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।

২. সব সময় মাস্ক পরবেন।

৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।

৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।

৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।

৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।

৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।

৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।

৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।

১০. দেখতে একেবারে হুজুর, দেখে মনে হবে মৃত্যুর পরে ১০ হাজার ফেরেশতা ওনাকে গার্ডও বনা দেবে এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।

১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।

১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন

১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।

সংগৃহীত

22/03/2024

২৪ তম বিসিএস ক্যাডার (শিক্ষা)। গিলবার্ট রেমা। অত্যন্ত সহজ সরল সাধারণ একজন মানুষ। সৎ মানুষ, শিক্ষক মানুষ। বলা চলে ছা’পোষা জীবনে সন্তানাদি প্রতিপালনে বেতনের টাকা খরচ করেন। দরিদ্র কৃষক সন্তান হওয়ায় ছোট থেকেই কষ্ট করে লেখাপড়া করেছেন। হয়েছেন বিসিএস ক্যাডার। সততার জন্য ময়মনসিংহ শহরে বসতবাড়ি করার সামর্থ না থাকায় সামান্য সঞ্চয় আর বাকীটা ব্যাংক ঋণে একখন্ড জমি কিনেছেন ময়মনসিংহ শহর থেকে দূরে অজপাড়াগা রঘুরামপুর পল্লীতে।বসতজমি ক্রয়ের পর কর্মব্যস্ততা এবং উল্টো পথ থাকায় জমি দেখভালের জন্য যাওয়া হয়নি উনার, প্রয়োজনবোধও করেননি।
গিলবার্ট রেমার বর্তমান কর্মস্থল গুরুদয়াল সরকারী কলেজ, কিশোরগঞ্জ। জন্মস্থান সাপমারীকান্দা গ্রাম, হালুয়াঘাট উপজেলা, ময়মনসিংহ। বর্তমান ঠিকানা রাজিবপুর গ্রাম, ধোবাউড়া উপজেলা, ময়মনসিংহ। মোবাইল নাম্বার ০১৮২৯-৭৫৫৭২৬।

গিলবার্ট রেমা “গারো” জাতিগোষ্ঠীর সরকারী চাকুরীজীবী উচ্চশিক্ষিত মানুষ। জমি কিনেছেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামে।দরিদ্র গৃহহীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পেশাল এ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে বরাদ্দকৃত একটি গৃহ তার জমিতে রয়েছে। উনি তা আদৌ জানতেন না। জানা সম্ভব ছিলো না। এর জন্য আবেদনও তিনি করেননি, আবেদন করার কারণও নেই। আনন্দ টিভিতে প্রচারের পর গিলবার্ট রেমা প্রথম জানতে পারেন তার জমিতে একটি সরকারের দানকৃত গৃহস্থাপনা রয়েছে।

“স্বাধীনতা পদক ২০২৪” পুরস্কারের সমাজসেবা ক্যাটাগরিতে ৮ নং ক্রমিকে তালিকাভূক্ত অরন্য চিরানকে এরজন্য দায়ী করলেন বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডার গিলবার্ট রেমা। সমতল অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জাতীয় সমাজিক সংগঠন “ ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েন” কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান বিপুল হাজং-কে মুঠোফোনে অরন্য চিরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেন ২৪তম বিসিএস শিক্ষা কর্মকর্তা গিলবার্ট রেমা। জানতে চান ধুরন্ধর অরন্য চিরানের কাছে তার জমিতে সরকারী গৃহ নির্মাণের কারন, কিন্তু নানা অজুহাতে সহজ সরল গিলবার্ট রেমার প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছে ধুরন্ধর অরন্য চিরান।

এভাবেই বিস্তর অভিযোগের পাহাড় জমে আছে দৃশ্যত সরল বস্তুত ধুরন্ধর অরন্য চিরানের বিরুদ্ধে। এবার তার কুনজর পড়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতীক “স্বাধীনতা পদক ২০২৪” এর দিকে।
----------------------
রাষ্ট্রীয় মর্যাদা সুরক্ষা , জনস্বার্থ এবং সম্মতিতে কথোপকথন প্রকাশ করা হলো।

21/03/2024

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত অরণ্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের দালাল! | Nagorik TV

21/03/2024

“স্বাধীনতা পদক ২০২৪” এ সমাজসেবায় তালিকাভূক্ত অরন্য চিরানের সাক্ষাৎকারই দূর্ণীতি করার একটি প্রমান। উচ্চতরমহল কারা ? জাতি জানতে চায়।

19/03/2024

লেখক ও কলামিস্ট সঞ্জীব দ্রং ভোরের কাগজকে বলেন, অতি সম্মানের ও মর্যাদার স্বাধীনতা পদক দেয়ার মধ্যে একটি প্রক্রিয়াগত সমস্যা আছে। তাহলো এই পুরষ্কারের জন্য আবেদন করতে হয়। প্রকৃত সম্মানীয় ব্যক্তিদের অনেকেই আবেদন করেন না। কখনো করবেনও না। আদিবাসীদের কাউকে যদি এই পদক দিতে হয়, অনেক যোগ্য ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ব্যক্তিকে দেয়া উচিত। বীর বিক্রম বা বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারাও আছেন। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে পরিষ্কার হবে যে, অরন্য চিরান কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় এই পুরষ্কারের যোগ্য নন। তার পদকপ্রাপ্তির খবরে আমাদের সমাজ স্তম্ভিত হয়ে গেছে।

15/03/2024

“স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪” এ “অরণ্য চিরান” তালিকাভূক্ত হওয়ায় ক্ষুদ্ধ আদিবাসী জনগণ
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
দৈনিক সন্ধ্যাবানী//জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ// আজ তারিখ-১৫ মার্চ, ২০২৪ শুক্রবার স্বারক নং-০৪.০০.০০০০.৬১১.২৩.০০২.২৪.৫৩ এ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে “স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪” প্রদানের জন্য ১০ জন ব্যক্তির নামের তালিকা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত তালিকার ৮ নং ক্রমিকে সমাজসেবা/জনসেবায় অবদানের জন্য “অরন্য চিরান” এর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়। অরন্য চিরান একজন ময়মনসিংহ জেলার “গারো” ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের ব্যক্তি। ফলে অরন্য চিরানের জন্মস্থান ময়মনসিংহ জেলার “স্বাধীনতা পুরস্কারের তালিকায় অন্তর্র্ভূক্ত হওয়ার খবরে আশ্চর্যান্নিœত হয়ে পড়ে এবং সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতি ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

জানা যায়, অরন্য চিরান “সারা” নামক এনজিও-তে এমনজিও কর্মী হিসেবে কাজ করে। ট্রাইবাল য়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান সুবাস চন্দ্র বর্মন বলেন, “জানতে পারলাম সমাজসেবা/জনসেবায় অবদানের জন্য ৮ নং ক্রমিকে “অরন্য চিরান” এর নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অরন্য চিরান ব্যক্তিগতভাবে আমার পরিচিত জন। সে একজন চাকুরীজীবী এন.জি.ও কর্মী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী “গারো” জাতিগোষ্ঠীর ব্যক্তি। নিজ জাতিগোষ্ঠী “গারো” বা বাঙালী সমাজে অরন্য চিরানের বিশেষ কোন অবদান আছে বলে আমাদের জানা নাই। “অরন্য চিরান” এই ময়মনসিংহ এলাকায় বা বাংলাদেশে বিশেষ কোন জনহিতকর প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন নাই যা সমাজ পরিবর্তনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। বরং অরন্য চিরানের বিরুদ্ধে সমাজে নানা দূর্নীতি ও অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্তি¡ক বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে চরম সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হিসেবে “অরন্য চিরান” বিশেষভাবে পরিচিত জন। অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের জন্য তাকে অত্র সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ”

জানা যায়, অরন্য চিরান ময়মনসিংহ সদরে মোকদ্দমাধীন অবৈধ পদ-পদবী ব্যবহার করে পরিচয় দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পেশাল এ্যাফেয়ার বিভাগ থেকে বরাদ্দকৃত “গৃহহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য গৃহ প্রকল্প-২০২৩’ উচ্চপদস্থ ও উচ্চবেতনের তিনজন এন.জি.ও কর্মকর্তা, ২ জন পিএইচডিধারী ব্যক্তি ও ১জন বিসিএস ক্যাডার (শিক্ষা) সক্ষম ও ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিবর্গকে অনৈতিকভাবে গৃহ বরাদ্দে সুপারিশ ও সহযোগিতা করা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্পেশাল এ্যাফেয়ার হতে ময়মনসিংহ সদরে “ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহায়তা প্রকল্প-২০২৩” বিতরনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে অর্থ আদায় সহ দীর্ঘদিন যাবৎ নানা অভিযোগ অরন্য চিরানের বিরুদ্ধে রয়েছে। “অরন্য চিরান” সমতল অঞ্চলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বৃহত্তম জাতীয় সামাজিক সংগঠন ‘ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির কোন নির্বাচিত বা পদধারী নন। সে সমাজ বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত থেকে ময়মনসিংহে অত্র সংগঠনের সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নবনির্মিত অফিসভবন উদ্বোধন ও হস্তান্তহীন অবস্থায় অপদখল করে মামলার স্বীকার হন। ফলে উক্ত নবনির্মিত ভবন অদ্যাবধি উদ্বোধন বা হস্তান্তর সম্ভব হয় নাই। ‘অরন্য চিরান’ ‘ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’ সংগঠনে সাংগঠনিক বিরোধ সৃষ্টি করে বেআইনী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়লে “অরন্য চিরান” এর বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বিগত ১৮/১১/২০২১ খ্রিঃ তারিখে ১৮২/২১ নং ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। মাননীয় আদালতের উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে ‘অরন্য চিরান’ এর বিরুদ্ধে উক্ত আদালতে ৫/২২ নং আদালত অবমাননার মোকদ্দমা হয়, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। জানা যায়, তার পরিবারের কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে নাই। তাছাড়া অরন্য চিরানের এমন একটিও সামাজিক বা সমাজসেবামূলক বিশেষ অবদান নেই যার জন্য দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পেতে পারে।

সুবাস চন্দ্র বর্মন আরও বলেন, “প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বেসামরিক পুরস্কার “স্বাধীনতা পুরষ্কার-২০২৪” দ্বারা এহেন বিতর্কিত আইন অমান্যকারী সাম্প্রদায়িক মননের ব্যক্তি “অরন্য চিরান” ভূষিত হলে তা “স্বাধীনতা পুরষ্কার” এর মানকেই খাটো করবে না, বরং মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শকে কলঙ্কিত করা সহ দেশের জনগনের সাথে প্রতারণা করা হবে বলে আমরা মনে করি। সেজন্য এই বিষয়ে সরকারের দ্রুত তদন্তপূর্বক “স্বাধীনতা পুরষ্কার-২০২৪” তালিকা পুণঃ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন । অন্যথায় মুক্তিযদ্ধের চেতনার আদর্শে বিশ্বাসী সচেতন নাগরিক হিসেবে লজ্জিত হওয়া ছাড়া আমাদের অন্য কোন গত্যান্তর থাকবে না।”

স্বাধীনতা পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে। এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তির পাশাপাশি জাতীয় জীবনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনন্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্র্রতিষ্ঠানসমূহকেও এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।

(কপিপোস্ট)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
1000