16/05/2025
ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন এখানে দেওয়া নাম্বারে..
নোট : আমাদের পেজে যোগাযোগ করে লাভ নাই
It's not Official Page. This page Direct by Ex students of DCINCI
16/05/2025
ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন এখানে দেওয়া নাম্বারে..
নোট : আমাদের পেজে যোগাযোগ করে লাভ নাই
11/04/2025
Annual sports 2k25
23/03/2025
নতুন রেজিস্ট্রার্ড নার্সদের জন্য শুভকামনা💐
অনেকেই গাইডলাইন চায়। কাওকে কোনো উপদেশ না বরং নিজের আড়াই বছরের ক্যারিয়ারের আলোকে কিছু এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করি।
★ফোর্থ ইয়ার ফাইনালের সময় সবাই যখন পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত আমি তখন সিভি নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করি। নিজের সিভি নিজেই তৈরি করি। ফ্রেশার হিসেবে যেহেতু তেমন কোনো এক্সপেরিয়েন্স ছিল না তাই ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস, রিসার্চ এবং মাইক্রোটিচিং জব এক্সপেরিয়েন্স হিসেবে সিভিতে অ্যাড করি। সিভিতে অপ্রয়োজনীয় ইনফরমেশন অ্যাড করে বড় না করে প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন অ্যাড করতে হবে। এইচআরদের এত সময় নাই বড় সিভি পড়ে দেখার। আর যেহেতু কোথাও প্রিন্টেড কপি দিতে হলে তার খরচের ব্যাপার থাকে তাই আমি সবসময়ই আমার সিভি ২ পৃষ্ঠায় রাখতে চেয়েছি। রিসেন্টলি এক্সপেরিয়েন্সের জন্য সিভি ৩ পৃষ্ঠার মতো হয়েছে। চেষ্টা করি সিভি নিয়মিত আপডেট করার।
★রেফারেন্স নইলে এক্সপেরিয়েন্স যেকোনো একটা চাকরির ক্ষেত্রে লাগবেই বলে আমার মনে হয়েছিল। আমার যেহেতু রেফারেন্স নাই, তাই আমি এক্সপেরিয়েন্স গেইন করার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলাম। ক্যারিয়ারের শুরুটা রেফারেন্স ছাড়া খুব কম মানুষেরই বড় প্রতিষ্ঠানে হয়। তাই বড় প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে ছোট প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এক্সপেরিয়েন্সড হওয়ার দিকে আমি বেশি মনোযোগী ছিলাম।
★ফাইনাল পরীক্ষার পর থেকেই আমি চাকরি করি। মানিকগঞ্জের ছোট হসপিটালে খুব সামান্য বেতনে চাকরি শুরু করি। ফিনানশিয়ালি ইন্ডিপেন্ডেন্ট হওয়াটা আমার জন্য ইম্পরট্যান্ট ছিল। আর যখন একটা মানুষ ফিনানশিয়ালি ইন্ডিপেন্ডেন্ট হয় তখন তার বিভিন্ন দিক থেকে মানসিক প্রেশারও অনেকটা কমে যায়।
★কম বেতন+ছোট হসপিটাল+নন ডিপ্লোমাদের সাথে কাজ করতাম বলে অনেকেই অনেক কথা বলেছে। কিন্তু আমার মাথায় ছিল এটাকে আমি আমার ইনভেস্টমেন্ট বলে ধরে নিচ্ছি।
★স্যালারি কম বলে আমি রিফিউজ করলেও এমপ্লোয়াররা কাওকে না কাওকে তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী নিয়ে নিবেই। মাঝে আমি বেকার বসে থাকব আর কি। তাই আমি ছোট প্রতিষ্ঠানে কম স্যালারিতে কাজ করার পাশাপাশি বেটার অপরচুনিটি খোঁজার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী ছিলাম। এতে বেকারত্ব বা নিজের খরচ চালানোর জন্য পরিবারে টাকা চাওয়ার মতো চাপে থাকতে হতো না।
★ঢাকার বাইরে তুলনামূলক চাকরি পাওয়াটা ইজি আর লিভিং কস্টও কম। মানিকগঞ্জ আর নারায়নগঞ্জে চাকরির এক্সপেরিয়েন্স এদিক থেকে আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
★ক্যারিয়ারের শুরুর দেড় বছর আমি বলার মতো স্যালারির চাকরি করি নাই। মূলত আসগর আলী হসপিটালে যাওয়ার পর মানুষের কাছে বলার মতো স্যালারিতে চাকরি শুরু করি। নারায়ণগঞ্জে এনআইসিইউতে কম বেতনে যেই পরিশ্রম আমাদের করা লাগতো তাতে অনেক সময় নিজের ওপরই বিরক্তি এসে যেতো। কিন্তু এটা ইনভেস্টমেন্ট বলে নিজেকে স্বান্তনা দিতাম। আলহামদুলিল্লাহ আমার সেই ইনভেস্টমেন্টের সুফল আমি পরবর্তীতে পেয়েছি আর এখনও পাচ্ছি।
★ভালো পরিবেশ হলে যেকোনো স্যালারিতে কাজ করার মতো মানসিকতা ছিল বলেই সেই শুরু থেকে মাত্র ১ মাসের জন্য বেকার ছিলাম তা-ও সেটা সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায়।
আর নন ডিপ্লোমা/নন নার্সিংদের সাথে কাজ করলেও কাজের ধরন এবং খুবই সামান্য জ্ঞানে সবসময়ই প্রমাণ দিয়েছি যে আমি একজন সার্টিফাইড নার্স। আচার-আচরন, কাজের ধরনেই মূলত একটা মানুষের যোগ্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়। আর আমি আমার যোগ্যতাকে কখনো প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সুযোগ দিই নাই আলহামদুলিল্লাহ।
★ইন্টারভিউ কল পাওয়ার পর এটেন্ড করি নাই এমনটা খুব কমই হয়েছে। আমি মনে করি প্রতিটা ইন্টারভিউ থেকে কিছু না কিছু শিখার আছে। তাই যতদুরই হোক আমি ম্যানেজ করে ইন্টারভিউ এটেন্ড করতে যেতাম। নাইট ডিউটি করে নারায়নগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম ইন্টারভিউ দিতে গেছি। ডিউটি করে ১ দিনের ছুটি নিয়ে কক্সবাজার যেয়ে ইন্টারভিউ দিয়ে আবার এসে ডিউটি করেছি। এতে করে আমার ইন্টারভিউ ভীতিও কমেছে আর অনেক নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। (ইন্টারভিউ দিতে আমার মজা লাগে। স্যালারি নেগোসিয়েশন করতে আরও বেশি মজা লাগে😂)
★বিডিজবস থেকে ইন্টারভিউ কল পাওয়া যায়। আমার জীবনে আমি মোটামুটি ২৫ টা ইন্টারভিউ কলের ১৬-১৭ টার মতোই পেয়েছি বিডিজবস থেকে (যেসব ইন্টারভিউ এটেন্ড করেছি তার লিস্ট এবং এক্সপেরিয়েন্সও আমি নোট করে রেখেছি)। বিডিজবস একাউন্টও ফোর্থ ইয়ার ফাইনালের সময়ই খুলেছি এবং নিয়মিত আপডেট করতাম। তবে ঠিক কতগুলো এপ্লাই করার পর আমি এতগুলো ইন্টারভিউ কল পেয়েছি তার হিসাব আমার কাছে নাই😑
★কর্পোরেট বা বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মতো ফ্লেক্সের আর কিছু নাই, বলে অনেকেই মনে করে। কিন্তু আমি তা মনে করি না। কর্পোরেট ছাড়াও অনেক হসপিটালই ভালো স্যালারি অফার করে। কিন্তু সিভিতে একবার কর্পোরেট অ্যাড হয়ে গেলে অন্যান্য জায়গার ইন্টারভিউ কল পাওয়ার পসেবিলিটি কমে যায় বলে আমার মনে হয়😑
★ক্যারিয়ার নিয়ে আমি অনেক রিস্ক নিয়েছি। তাই পরিবার, কাছের মানুষেরও কম কথা আমাকে শুনতে হয় নাই। আমার রিস্কগুলোকে আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে ইনভেস্টমেন্ট বলে ধরতাম। আল্লাহর রহমতে আমার রিস্কগুলো থেকে আমি সবসময়ই ভালো আউটকাম পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।
★আমার বাংলাদেশে সরকারি চাকরি করার ইচ্ছা নাই। আর প্রাইভেটেই যেহেতু করব তাই ভালো জায়গাতেই করব বলে আমি ঘনঘন জব প্লেস শিফট করি। ভালো পরিবেশ এবং সম্মানি হলে পরিশ্রমের দিকটা আমি মাথায় রাখি না। নতুন নতুন জায়গায় কাজ করাটা আমার কাছে ভালো লাগে।
★কারও যদি সুযোগ এবং সামর্থ থাকে তাহলে তার অবশ্যই দেশের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। যেকোনো চাকরি থেকে মানুষের মূলত 'সম্মান এবং সম্মানী' এই ২ টাই আশা থাকে। বাংলাদেশের ৯৫% জবেই এর কোনোটাই পাওয়া যায় বলে আমার মনে হয় না। তাই সুযোগ থাকলে নিজেকে যোগ্য করে উড়াল দেওয়া উচিত✈️
'নার্সিং পাশ করলেই চাকরি নিশ্চিত' এই কথাটা বর্তমান সময়ে একটা স্ক্যাম ছাড়া আর কিছুই না। উপদেশ দেওয়া আমার পছন্দ না। আমি কাওকে কখনোই ডিরেক্টলি কিছু করতে বলি না। কেউ সাজেশন চাইলে আমি শুধু তার সামনে সুবিধা/অসুবিধাগুলো তুলে ধরি যার ডিসিশন সে নিজেই নেয়। আমি আমার ক্যারিয়ার জার্নি শেয়ার করলাম। এখন ডিসিশন অবশ্যই যার যার তার তার।
আমি কখনো কারও কথায় ডিসিশন নিই না, ইনফ্লুয়েন্স হই না। পরের থেকে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে নিজের ঘরের পান্তাও আমার ভালো মনে হয়। তাই নিজের ডিসিশন নিজেই নিই। এর জন্য অনেক ধরনের কথা এবং কনসিকোয়েন্স আমাকে ফেস করতে হয়। ওসবও আলহামদুলিল্লাহ মানিয়ে নিই।
জীবন আমার, ডিসিশন আমার তাই কনসিকোয়েন্সও আমাকে ভোগ করতে হবে আমি এই নীতিতে বিশ্বাসী🥰
collected
যুক্ত থাকুন, যুক্ত করুন।
চাকরির বাজারে, রেজাল্টের চেয়ে স্কিল সেটের গুরুত্ব বেশি।
তুমি যদি কম্পিউটারে খুব দ্রুত টাইপ করতে পারো—সেটা একটা স্কিল। ইউনিভার্সিটি কিন্তু তোমাকে এটা শিখায়নি। কিন্তু চাকরিতে এটাই গুরুত্বপূর্ণ।
তুমি যদি ভালো ই-মেইল লিখতে পারো—সেটা একটা স্কিল। তোমার ডিপার্টমেন্টে কি এই বিষয়ক কোর্স ছিলো? —ছিলো না। কিন্তু চাকরিতে এটা গুরুত্বপূর্ণ।
তোমার যদি কমিউনিকেশন স্কিল থাকে তাহলে তোমার চাকরি পাওয়া সহজ হবে। ইউনিভার্সিটি কিন্তু তোমাকে এটা শেখাবেনা।
তুমি যদি ভালো প্রেজেন্ট করতে পারো, তাহলে তোমার চাকরি পাওয়া সহজ হবে।
তোমার যদি কুইক লার্নিং এবিলিটি থাকে, তাহলে চাকরিতে তোমার প্রমোশন সহজ হবে। তোমার যদি টিম ওয়ার্ক এবিলিটি থাকে, প্রবলেম সলভিং এবিলিটি থাকে তাহলে চাকরিতে ক্যারিয়ার দ্রুত গ্রো করবে। এই স্কিলগুলো কিন্তু ইউনিভার্সিটিতে শেখানো হয় না।
এমন বহু স্কিল আছে, যেটা ইউনিভার্সিটি তোমাকে শেখাবে না। চাকরির বাজারের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ-পরিক্রমার সমন্বয় খুবই কম।
সুতরাং তুমি যদি শুধুমাত্র রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে চাকরির জন্য অপেক্ষা করো, তাহলে সে অপেক্ষা দীর্ঘ হবে।
তোমাকে স্কিল সেট ডিভেলপ করতে হবে। সে দায়িত্ব তোমার নিজেরই। এই প্রতিযোগিতার বাজারে স্কিল সেট ছাড়া শুধুমাত্র রেজাল্ট দিয়ে খুব বেশিদূর যাওয়া যায় না।
এটা প্রুভেন!👌
Happy New year 2k25
22/09/2024
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালক এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও রেজিস্ট্রার পদ থেকে নন-নার্স প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের অপসারণপূর্বক উক্ত পদগুলোতে নার্সদের পদায়নের ১ দফা দাবিতে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান
DCINCI
14/09/2024
নার্সিং পেশা ও নার্স কর্মকর্তাদের নিয়ে কটূক্তি করায় মহাপরিচালক মাকসুরা নুর সহ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের সকল নন-নার্সিং প্রশাসন ক্যাডারদের অপসারণ এবং উচ্চ শিক্ষিত, দক্ষ, ও অভিজ্ঞ নার্সদের পদায়নের দাবীতে
মানব বন্ধন।
08/09/2024
আমাদের কলেজ এর বিএসসি ইন নার্সিং দ্বিতীয় বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ক্লিনিকেল প্লেসমেন্ট।🇧🇩👌
আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া
বি এস সি ইন নার্সিং ১ম বর্ষ,২য় বর্ষ
এবং ৩য় বর্ষের
সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা। 😊
05/06/2024
Annual Sports 2k24 DCINCI 😍
আসছে লিচুর সময় তবে ভয় দেখানো উদ্দেশ্য নয়, সচেতনতাই মুল উদ্দেশ্য।
২০১৪ সালে ভারতের মুজাফফরপুরের ২টি হাসপাতালে জ্বর,বমি,খিচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এরকম সমস্যা নিয়ে ৩৯০ জন রোগী ভর্তি হয়,এরমধ্যে ১২২ জন মারা যায়।
গবেষণায় দেখা যায় তারা শিশু কিশোর এবং প্রত্যেকেই লিচু খেয়েছিল।
কারণ হিসেবে দেখানো হয়-
১) লিচুতে থাকা Hypoglycin A and methylenecyclopropylglycine (MCPG) টক্সিন Acute Encephalitis Syndrome করে।এরফলে জ্বর।,বমি,খিচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
২) এই টক্সিন খুব দ্রুত রক্তের গ্লুকোজকে কমিয়ে দিয়ে Hypoglycemia করে।
বাঁচার উপায় ঃ
১) অপরিপক্ক লিচু খাওয়া যাবে না।
২) পরিমিত পরিমাণে পরিপক্ক লিচু খেতে হবে।
৩)খালি পেটে পরিপক্ব বা অপরিপক্ক লিচু খাওয়া নিষেধ।
৪)রাতে লিচু খেলে চিনি জাতীয় কিছু খেয়ে ঘুমাবেন।
বিঃদ্রঃ লিচু বাচ্চাদের বেশ প্রিয় একটি ফল,আর বাচ্চাদেরই সমস্যা বেশি হয়। তাই অভিভাবকদের সচেতনতা জরুরি।
Dr. Asaduzzaman
MBBS (RMC).