দ্বীন শিখি ও শিখাই

দ্বীন শিখি ও শিখাই This page is an Islamic religious education page. It will be the only means of Ramadan, Salat, Hajj, Jakat and the rules of Islam. Which will handle. M***i, Rakib

প্রিয় নবীজি ﷺ এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে; তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়...
06/09/2026

প্রিয় নবীজি ﷺ এর রওজা মোবারকের পাশ থেকে চারজন পুলিশ এক যুবককে আটক করে; তারা কোনো কথা না বলেই সাথে সাথে যুবকটির পেছনে দড়ি দিয়ে তার দু'হাত বেঁধে ফেলে। যুবকটি পুলিশদের জিজ্ঞেস করতে লাগলো তোমাদের কী হয়েছে; আমিতো চোরও নই, ডাকাতও নই, তাহলে আমার সাথে এমন আচরণ করছ কেন?!

দূর থেকে একজন বয়স্ক মুরব্বী পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করছিলেন। তখন তিনি কাছে এসে পুলিশদের বললেন, "আমি এই যুবককে চিনি।"
পুলিশরা তাকে বললো: আপনি তাকে কীভাবে চিনেন?
মুরব্বী বললেন: আমি তাকে দেখি সে সবসময় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর রওজার সামনে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে, বসে-বসে দুরূদ পড়ে, সালাম দেয়, কান্নাকাটিও করে। তোমরা তাকে গ্রেফতার করেছ কেন, সে কি চোর?

যুবকটি ছিলো আলবেনিয়ার নাগরিক, বয়স ৩৫ অথবা ৩৬ হবে। তার মাথা ভর্তি ঘাড় বাবরি চুলে আর মুখ ভর্তি হালকা দাড়িতে।

পুলিশ বললো: না, সে চোর নয়। এই যুবক আলবেনিয়ার অধিবাসী, সে মদিনায় ছয় বছর ধরে বসবাস করছে অথচ এখানে তার কোনো বসবাসের কাগজপত্র নেই। আমরা তাকে ধরে আলবেনিয়ায় পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছি ছয় বছর যাবৎ কিন্তু প্রতিবারই তাকে ধরার পর সে আমাদের থেকে পালিয়ে যায়। আমরা তাকে প্রতিবারই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ থেকে ধরি। এবারও তাই হলো। তাকে এবার পাওয়া মাত্রই সাথে সাথে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় ছিল না!

মুরব্বী পুলিশদের বললেন: এখন তোমরা তাকে নিয়ে কী করবে?
তারা বললো: রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ করবো। আমরা তাকে এখন ধরে নিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দিবো এবং তারপর সে আলবেনিয়ায়।.....

যুবকটি তখন কাঁদছিল আর ভাবছিল এবার মনে হয় তাকে সত্যি সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ ছেড়ে যেতে হবে! রাসূলের স্মৃতি বিজড়িত মদীনা শহর ছেড়ে যেতে হবে! কিছুক্ষণ ভেবে যুবকটি পুলিশদের বলতে লাগলো: দেখুন ভাই, আমি এখানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কারো সাথে প্রতারণা করি না। আমি এখানে এসেছি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসার টানে, এছাড়া অন্য কোনো দুনিয়াবি উদ্দেশ্য আমার নেই।

পুলিশরা বললো: না, এটা গ্রহণযোগ্য কথা নয়, আপনাকে অবশ্যই দেশে ফিরে যেতে হবে। বহিরাগতদের রাষ্ট্রীয় আইনে এখানে থাকার সুযোগ নেই।

পুলিশরা যুবককে নিয়ে মসজিদে নববী থেকে বের হয়ে গেলো। যুবক পথিমধ্যে তাদের বললেন: আমার একটি শেষ অনুরোধ রাখবেন? পুলিশরা তার অনুরোধ শুনলো এবং সুযোগ দিল।

যুবকটি তখন সবুজ গম্বুজের দিকে তাকিয়ে আবেগতাড়িত কণ্ঠে বললো:
هل هكذا كان الإتفاق بينن؟!
"ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের মধ্যে চুক্তিটা কি এমন হয়েছিল!
হে রাসূল! আপনার প্রতিবেশী হবো, তাই আমি আমার দোকান, ব্যবসা, মা-বাবাকে ছেড়ে এখানে এসেছি কিন্তু তারা আমাকে আর থাকতে দিচ্ছে না। এই কথা বলতে বলতে যুবক মাটিতে লুটিয়ে পড়লো।

পুলিশরা বলেছে: আমরা ভাবলাম, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে, সে জ্ঞান হারানোর ভান করছে , হয়তো আবার পালানোর পাঁয়তারা করছে।

পুলিশ সদস্যরা কিছুক্ষণ পর যুবককে মাটি থেকে টেনে উঠালো, দেখল সে সত্যিই অচেতন, মুখে পানি ঢেলে দিলেও যুবক আর নড়ছে না। তাদের মধ্যে একজন বললো: তার হয়তো স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এক্ষুনি অ্যাম্বুলেন্স আনো। অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল এবং যুবককে হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল, ডাক্তার তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বললেন: আরো দেড় ঘণ্টা আগে যুবক এই পৃথিবী থেকে চলে গেছে, সে বেঁচে নেই।

পুলিশ সদস্যরা তখন কান্নায় ভেঙে পড়েছিল এবং বলছিল: আল্লাহর শপথ, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসার নমুনা অনুভব করতে পারিনি।

এরপর গোসল ও জানাযা শেষে যুবককে অ্যাম্বুলেন্সে করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।

আলবেনিয়ার পথে রওনা দেওয়া যুবক, জান্নাতুল বাকিতে চলে গেলেন। রেখে গেলেন পৃথিবীবাসীর জন্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভালোবাসার অনুপম উপমা।

~ আরবি থেকে অনূদিত।
~ সংগ্রহী লেখা পোস্ট✍️

18/08/2026

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا جَمِيعَ ذُنُوبِنَا، مَا عَلِمْنَا مِنْهَا وَمَا لَمْ نَعْلَمْ، سِرَّهَا وَعَلَانِيَتَهَا، صَغِيرَهَا وَكَبِيرَهَا.

اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ تَوْبَتَنَا، وَاغْفِرْ خَطَايَانَا وَتَقْصِيرَنَا، وَوَفِّقْنَا لِسُلُوكِ صِرَاطِكَ الْمُسْتَقِيمِ، وَطَهِّرْ قُلُوبَنَا، وَارْزُقْنَا حُسْنَ الْخَاتِمَةِ وَالْمَوْتَ عَلَى الْإِيمَانِ.

آمِينَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ

17/08/2026

আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম।
একদিন মা আয়েশা (রাঃ) রাসূল ﷺ এর সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।'
রাসূল ﷺ আয়েশা রা.-এর জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ! আয়েশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করে দাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাহও মাফ করে দাও।"
রাসূল ﷺ এর দোয়া শুনে হযরত আয়েশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে?'
হযরত আয়েশা রা. বললেন, 'কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!'
আমাদের প্রিয় নবী হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, 'আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।'
যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন, সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ।
একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?'
রাসূল ﷺ বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।'
রাসূল ﷺ আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে মিস করেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আমরা কতোটুকু মিস করি প্রিয় নবীজীকে? কেঁদেছি ক'ফোটা চোখের জল ফেলে? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি?
রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরি হয়নি। মিম্বর তৈরি হলে পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন, সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ কে মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে।
রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেন নি। এরপর একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ কে স্বপ্নে দেখলেন।
রাসূল ﷺ হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার?"
ছয় বছর পর কোন একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মদীনায় সবাই আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন, রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে হযরত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল, রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি।শেষ কবে আমরা আমাদের প্রিয় নবীজীর জন্য কেঁদেছি?
কবে? কবে?? কবে???

07/08/2026

যখন দোয়া বদলে দেয় জীবন | পর্ব–০৫

সামনে যখন কোনো পথ থাকে না

কখনো কখনো জীবন আমাদের এমন এক জায়গায় এনে দাঁড় করায়, যেখানে পেছনে ফিরে যাওয়ার পথ নেই, অথচ সামনে এগিয়ে যাওয়ারও কোনো রাস্তা চোখে পড়ে না।
চারপাশে শুধু ভয়, অনিশ্চয়তা আর অসহায়ত্ব।
মনে হয়,
“এবার বুঝি সত্যিই শেষ!”
কিন্তু মনে রাখবেন, মানুষের চোখে পথ শেষ হয়ে যাওয়া আর আল্লাহর পক্ষ থেকে পথ শেষ হয়ে যাওয়া এক কথা নয়।
হযরত মূসা (আ.)-এর জীবনে এমনই এক ভয়াবহ মুহূর্ত এসেছিল।
একদিকে পেছন থেকে ধেয়ে আসছে ফিরআউনের বিশাল বাহিনী।
সামনে বিশাল সমুদ্র।
সঙ্গে থাকা মানুষগুলো আতঙ্কিত।
তারা বলল,
“আমরা তো ধরা পড়ে গেলাম!”
মানুষের হিসাব অনুযায়ী কথাটি ভুল ছিল না।
পেছনে শত্রু।
সামনে সমুদ্র।
বাঁচার কোনো দৃশ্যমান পথ নেই।
কিন্তু মূসা (আ.) মানুষের হিসাব দিয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্ত মাপেননি।
তিনি বলেছিলেন,
“কখনোই নয়! নিশ্চয়ই আমার রব আমার সঙ্গে আছেন; তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।”
সূরা আশ-শু‘আরা, ২৬:৬২
কী অসাধারণ বিশ্বাস!
সমুদ্র তখনও বিভক্ত হয়নি।
কোনো রাস্তা তখনও তৈরি হয়নি।
বিপদও তখনও পেছনে ধেয়ে আসছে।
তবুও মূসা (আ.) বললেন,
“আমার রব আমার সঙ্গে আছেন।”
তারপর আল্লাহর নির্দেশ এলো।
মূসা (আ.) তাঁর লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত করলেন।
আর আল্লাহর হুকুমে সমুদ্র বিভক্ত হয়ে গেল।
যেখানে কিছুক্ষণ আগেও ছিল অতিক্রম-অসম্ভব এক সমুদ্র, সেখানেই তৈরি হলো চলার পথ।
এটাই আল্লাহর কুদরত।
আপনি যে জায়গাটাকে বলছেন,
“এখানে তো কোনো পথ নেই,”
আল্লাহ চাইলে সেখানেই বলতে পারেন,
“এখান দিয়েই এগিয়ে যাও।”
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“জেনে রাখো, যা তোমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে, তা তোমাকে এড়িয়ে যেতে পারে না; আর যা তোমার জন্য নির্ধারিত হয়নি, তা তুমি কখনোই অর্জন করতে পারবে না।”
জামে তিরমিজি, হাদিস: ২৫১১
তাই জীবনের কঠিন সময়ে আমাদের কাজ পথের শেষ দেখে হতাশ হয়ে যাওয়া নয়।
আমাদের কাজ হলো,
চেষ্টা করা, দোয়া করা, সবর করা।
আর আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা।
হয়তো আজ আপনার সামনে কোনো সমুদ্র দাঁড়িয়ে আছে।
কারও সেই সমুদ্র ঋণের বোঝা।
কারও ব্যবসার লোকসান।
কারও চাকরি হারানোর ভয়।
কারও ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক।
কারও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা।
কারও দীর্ঘদিনের অপেক্ষা।
আবার কারও সমুদ্র এমন এক সমস্যা, যার কথা সে কাউকেই বলতে পারে না।
আপনি হয়তো অনেক হিসাব করে দেখেছেন,
“এখান থেকে আর বের হওয়ার কোনো রাস্তা নেই।”
কিন্তু আপনি শুধু আপনার সামনে থাকা সমুদ্রটুকুই দেখছেন।
আল্লাহ দেখছেন সমুদ্রের ওপারের পথ।
তাই আজ যদি আপনার জীবনেও মনে হয়,
“আমি আর পারছি না, সামনে কোনো রাস্তা নেই,”
তাহলে একটু থামুন।
দুই হাত তুলে বলুন,
“হে আল্লাহ, আমি পথ দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু আপনি পথ দেখেন। আমি পারছি না। কিন্তু আপনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আপনি আমার জন্য এমন একটি পথ খুলে দিন, যে পথের কথা আমি কল্পনাও করতে পারিনি।”
মনে রাখবেন,
আল্লাহ সবসময় ঝড় থামিয়ে দেন না।
সবসময় সমস্যা সরিয়ে দেন না।
সবসময় সমুদ্র শুকিয়ে দেন না।
কখনো কখনো তিনি শুধু বলেন,
“এগিয়ে যাও।”
আর আপনি যখন তাঁর ওপর ভরসা করে এক পা বাড়ান, তখনই হয়তো আপনার জন্য তৈরি হতে থাকে সেই পথ, যেটা কিছুক্ষণ আগেও অসম্ভব মনে হচ্ছিল।
তাই আপনার সামনে যদি আজ কোনো সমুদ্র দাঁড়িয়েও থাকে, দোয়া করতে ভুলবেন না।
কারণ আপনি সমুদ্রের গভীরতা দেখছেন,
আর আল্লাহ দেখছেন তার ওপারের পথ।

হয়তো আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় পথটি তৈরি হওয়ার অপেক্ষায় আছে ঠিক সেই জায়গাতেই, যেখানে আপনি আজ কোনো পথই দেখতে পাচ্ছেন না। তাই দোয়া থামাবেন না। ভরসা হারাবেন না।

#যখনদোয়াবদলেদেয়জীবন

04/08/2026

তাহাজ্জুদ ও ফজর একসাথে আদায় করা ব্যক্তির দোয়া ধনুকের তীরের মতো আল্লাহ কবুল করেন!
আলহামদুলিল্লাহ! 🖤🤲

17/07/2026
দাফন করাটা জরুরী, মাটি কি শুকনো নাকি ভেজা এটা দেখার বিষয় না, মানুষ নামের লাশটা এখন বোঝা হয়ে গেছে- যত দ্রুত সম্ভব লাশ ন...
13/07/2026

দাফন করাটা জরুরী, মাটি কি শুকনো নাকি ভেজা এটা দেখার বিষয় না, মানুষ নামের লাশটা এখন বোঝা হয়ে গেছে- যত দ্রুত সম্ভব লাশ নামের মানুষটাকে কবরস্থ করতেই হবে।

লাশ হওয়ার আগেই আপনি আপনার রবকে রাজি রাখুন!

দুনিয়ার মানুষকে রাজি রাখাতে কোন সফলতা নাই! এরা দিনশেষে আপনাকে দ্রুত কবরস্থ করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে।
প্রকৃত সফলতা মহান আল্লাহ তায়ালাকে রাজি রাখার মধ্যেই।
এই কথাটা যত দ্রুত সময়ের মধ্যে বুঝতে পারবো ; ততই কল্যাণ আমার / আপনার জন্য ।

অতএব প্রতিটি কাজে এবং কথায় আপনার রবকে স্বরণ করুন, তার প্রদর্শিত পথেই চলুন। কবরকে স্বরণে বরণে রাখুন -

02/07/2026

কাফনে যতই আতর লাগাও, ক'ব'র তখনই সুবাস ছড়াবে যখন তোমার আমল ভালো হবে।🖤

27/05/2026

যত্নে রাখো নিজেকে, সময় দাও নিজেকে, কারণ তোমার প্রথম প্রয়োজন তুমি নিজেই!🖤

সবাইকে ঈদ মোবারাক

তিন কাপড়ের পুরুষ বিদায়,পাঁচ কাপড়ে নারী, অল্পদিনের দুনিয়াতে কিসের এত বাহাদুরি, দিন ফুরাইলে মাটির তলে  দিতে হবে বাড়ি,
18/05/2026

তিন কাপড়ের পুরুষ বিদায়,
পাঁচ কাপড়ে নারী,
অল্পদিনের দুনিয়াতে কিসের এত বাহাদুরি,
দিন ফুরাইলে মাটির তলে দিতে হবে বাড়ি,

Address

Dhaka
Dhaka

Telephone

+8801950042314

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীন শিখি ও শিখাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share