Exam Preparation Helpline

Exam Preparation Helpline

Share

It's a scholarship based page. you can find all bank, board ,Upobitti, foundation scholarship updates

21/04/2026

৬৪% বাস ভাড়া বাড়ানো মগের মুল্লুকেই সম্ভব!

অবশেষে বাস মালিক সমিতির দাবি মোতাবেক,
দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ৬৪% বাড়ানো হচ্ছে।
এখন আসেন কিছু বিষয় বিশ্লেষণ করি,

২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ১১৪ টাকা লিটার হলে তখন বাস ভাড়া বাড়ানো হয়।
তারপর ২০২৩-২৪ সালে ধাপে ধাপে
ডিজেলের দাম ১০৯-১০৪ টাকা লিটার হয়।

চলতি বছর ডিজেলের দাম ছিল প্রতি লিটার
১০০ টাকা।
অথচ ২০২২ সালের বাড়ানো বাস ভাড়া
আর কমানো হয় নাই বা ডিজেলের
দাম কমার সাথে সমন্বয় করা হয় নাই।

তাহলে হিসাব দাঁড়ায় ২০২২ সালে ডিজেল ১১৪
টাকা লিটার হলে যে বাস ভাড়া নির্ধারণ করা
হয়েছিল তা এখনো চলমান।
বর্তমানে ডিজেলের লিটারে ১ টাকা দাম
বাড়ায় বাস ভাড়া ৬৪% বাড়ানোর প্রস্তাব
গৃহীত হয় কীভাবে?

২০২২ সালের নির্ধারিত বাস ভাড়াকে ভিত্তি ধরে
আরেকটা হিসাব করা যায়,
ধরুন একটা বাস ৩০০ কিঃমিঃ রাস্তা পারি
দিতে ডিজেল কনজিউম করে ৭৫ লিটার,
(৩০০÷৪ অর্থাৎ মাইলেজ ৪ কিমি ধরে)
তাহলে যাত্রীর কাছে ভাড়া বাবদ বেশি নিতে পারে
ঐ প্রতি লিটারের ১ টাকা বাড়তি দামের জন্য,
মানে ৭৫ টাকা বাড়তি দামের জন্য।

আপনি যদি ২০২২ সালের নির্ধারিত ভাড়াকে
অস্বীকার করেন তবুও ৬৪% ভাড়া বাড়ানো
অযৌক্তিক ও মগের মুল্লুক হবে।
কীভাবে?

যদি একটা বাস প্রতি লিটার ডিজেলে ৪ কিমি
পথ পারি দেয় তাহলে ৩০০ কিমি রাস্তায়
পারি দিতে ডিজেল লাগে ৭৫ লিটার।
পূর্বের দাম ধরে (৭৫×১০০)= ৭৫০০ টাকা
যদি ঐ বাসের যাত্রী হয় ৪২ জন এবং জন প্রতি ভাড়া হয় ৭০০ টাকা তাহলে মোট ভাড়া আদায় হয়
(৭০০×৪২)= ২৯,৪০০ টাকা।

এখন নতুন ডিজেলের দামে হিসেব করি,
(৭৫×১১৫)=৮৬২৫ টাকার ডিজেল লাগবে।
নতুন দামের কারণে যদি ভাড়া ৬৪% বাড়ে
তাহলে ঐ ৭০০ টাকার ভাড়া হয়
(৭০০+৬৪%)=১১৪৮ টাকা।

তাহলে ৪২ সিটে ভাড়া আদায় হবে
(১১৪৮×৪২)=৪৮,২১৬ টাকা।

তাহলে সামারি দাঁড়ায় ডিজেল খরচ বাড়বে
(৮৬২৫-৭৫০০)= ১১২৫ টাকা

নতুন ও পুরাতন ভাড়ার পার্থক্য হবে
(৪৮২১৬-২৯৪০০)= ১৮৮১৬ টাকা

তাহলে ডিজেলের দাম বাড়ায় বাসের খরচ বাড়লো
১১২৫ টাকা
আর যাত্রীদের ভাড়া বাড়লো ১৮৮১৬ টাকা

অথচ ঐ রুটে যাত্রীর ভাড়া বেশি দেয়ার কথা
(১১২৫÷৪২)= ২৬.৮ টাকা
অথচ ভাড়া বাড়বে ৪৪৮/৪৫০ টাকা।

জণগণের চামড়া তুলে জোচ্চুরি আর কতকাল?

05/12/2025

৫ টাকা দিয়ে প্রিন্ট করে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টাঙিয়ে দেন।

04/12/2025

🎉 দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শুরু হলো…
📢 এইচএসসি ২০২৩ (সেকেন্ড টাইমার) ও এইচএসসি ২০২৪ প্রথম বর্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য মেগা শিক্ষাবৃত্তি!

💰 খুব সহজেই আবেদন করে পেতে পারেন ১০,০০০ টাকা ভর্তি সহায়তা।

🎓 স্নাতক (পাস/অনার্স) ও সমমান শ্রেণিতে
২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজ/মাদ্রাসাসহ সমমান পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত বা অধ্যয়নরত
অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি নিশ্চিতকরণে অনলাইন আবেদন গ্রহণ চলছে।

21/09/2025

সোনালী ব্যাংক শিক্ষাবৃত্তি ২০২৪ প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনের লিংক নিচে দেওয়া হল
https://www.sonalibank.com.bd/csr/index.php

29/08/2025

আসলে এ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হাস্যকর কিছু আন্দোলনের মাত্রা বহুগুণ বেড়েছে। আনসারদের পুলিশ বা সৈনিক হওয়ার আন্দোলন, ফেল করা এসএসসি/এইচএসসি ছাত্রদের অটো প্রমোশনের আবদার, আর এর সঙ্গে সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে ডিপ্লোমাদের গ্র্যাজুয়েট ‘প্রকৌশলী’ হওয়ার খায়েশ।

17/08/2025

ব্রেকিং নিউজ!
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান—অবশেষে প্রকাশিত হলো শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন-এর শিক্ষাবৃত্তির সার্কুলার! 🎓

📌 মূল তথ্যসমূহ:

🏛️ আয়োজক: শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন

🎯 উদ্দেশ্য: মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সহায়তা

📅 আবেদন করার শেষ তারিখ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

🌐 অফিসিয়াল লিংক: ওয়েব সাইটে গেলে পাবেন

✨ সুযোগ হাতছাড়া করবেন না—এটাই আপনার শিক্ষাজীবনে বড় সহায়ক হতে পারে!

14/07/2025

‎২০২৫ সালের দাখিল/এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষাবৃত্তি দিবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক

‎🔹 আবেদনের যোগ্যতা :

‎▪️ সিটি কর্পোরেশন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে ২০২৫ সালের দাখিল/এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় ন্যুনতম জিপিএ-৫.০০ পেতে হবে।

‎▪️ জেলা শহর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে ২০২৫ সালের দাখিল/এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় ন্যুনতম জিপিএ-৫.০০ পেতে হবে।

‎▪️ গ্রামীণ/অনগ্রসর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে ২০২৫ সালের দাখিল/এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় ন্যুনতম জিপিএ-৪.৮৩ পেতে হবে।

‎🔸 বৃত্তির মেয়াদ : আলিম/এইচএসসি/সমমানের শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন ২ বছর।

‎🛑 শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণ :

‎★ মাসিক বৃত্তি : ২৫০০ টাকা (দুই হাজার পাঁচশত টাকা)

‎★ বাৎসরিক এককালীন বৃত্তি :

‎* পাঠ্য উপকরণের জন্য : ২৫০০ টাকা (দুই হাজার পাঁচশত টাকা)

‎* পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য : ১০০০ টাকা (একহাজার টাকা)

‎⚫ এই শিক্ষাবৃত্তির সর্বমোট ৯০ শতাংশ বৃত্তি গ্রামীণ/অনগ্রসর এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য
‎নির্ধারিত থাকবে।

‎🔵 এই শিক্ষাবৃত্তির শতকরা ৫০ ভাগ ছাত্রদের জন্য এবং শতকরা ৫০ ভাগ ছাত্রীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

‎🔶 আবেদনের সর্বশেষ তারিখ : ৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখ।

‎🔷 আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :

‎* আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবির স্ক্যান কপি

‎* আবেদনকারীর পিতা ও মাতার পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবির স্ক্যান কপি

‎* দাখিল/এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার নম্বরপত্র এবং প্রশংসাপত্রের স্ক্যান কপি

‎🌐 যারা যারা সঠিক নিয়মে আবেদন করতে পারেন না বা বিভিন্ন কারণে আবেদন করার বিষয়টি বুঝছেন না, তারা চাইলে আমাদের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করে নিতে পারেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আপনাদের আবেদন ফরম পূরণ করে দেবো। এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করব আপনারা যাতে এই বৃত্তির জন্য যোগ্য হন।

যোগাযোগ: Exam Preparation Helpline প্রেসের ইনবক্সে বৃত্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবেদন ফরম পূরণ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামান্য কিছু পারিশ্রমিক প্রযোজ্য হবে।

Photos from Exam Preparation Helpline's post 09/07/2025
13/06/2025

ঈদের দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা হলো।

ভোর ৬টায় ইমার্জেন্সিতে গিয়েছি একজন রোগী নিয়ে। গেট থেকে টিকিট কেটে রোগীকে ভেতরে নিতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু সে হাঁটতে পারছেন না। আশেপাশে খুঁজেও কোনো ট্রলি বা হুইলচেয়ার পাচ্ছিলাম না। কিছুটা দূরে কয়েকটা হুইলচেয়ার চোখে পড়লো। সেখানে গিয়ে দেখলাম কয়েকজন মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন। তারা বললেন, “এই চেয়ারগুলো ব্যক্তিগত, হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগী পরিবহনের কোনো ব্যবস্থা নেই।” আমার তো দরকার, তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে ভাড়া করলাম এবং ইমার্জেন্সি গেট থেকে শিশু বিভাগের ২১২ নম্বর রুমে নিয়ে গেলাম।

পথে দেখি দেয়ালে বড় করে লেখা—“দালালদের ধরিয়ে দিন।” কিন্তু নিচে দেওয়া অভিযোগ করার নম্বরটি সুন্দর করে রঙ মাখা। ইমার্জেন্সিতে ঢুকতেই চিকিৎসা শুরু হলো। ডাক্তার প্রথম দেখাতেই কিছু টেস্ট লাগবে বলে লিখে দিলেন এবং বলে দিলেন, “হাসপাতালের ল্যাবে সময় লাগবে, হয়তো পাবেন না ঠিকমতো। এই যে এখানে লোক আছে, ওনাকে দেন। উনি ব্লাড নিয়ে যাবেন, রিপোর্টও দিয়ে যাবেন।”
ডাক্তারের কথা ফেলাও যায় না। তাই সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাব-সহকারী (দালাল) কে টেস্টগুলোর টাকা দিলাম। সে অবশ্য ‘ভালো লোক’—ভাংতি না থাকায় ১০০ টাকা কম নিয়েছিল। হিমোগ্লোবিন জানা খুব জরুরি, তাই ডাক্তার বলে দিলেন যেনো তাকে ফোনে আগেই রিপোর্টের পয়েন্ট জানিয়ে দেয়। যদিও সেই রিপোর্ট সে রেডি করে দিল সকাল ১০টার সময়, যখন আমরা রিলিজ নিচ্ছি।

এর আগেই ডাক্তার বলে দেন, রোগীর ব্লাড লাগবে—৩ ব্যাগ ব্লাড ম্যানেজ করতে হবে তখনই। তখন সকাল ৬:৩০। ঈদের দিন সকাল হওয়ায় আশপাশে কাউকে পাচ্ছি না। গেলাম ব্লাড ব্যাংকে। ব্লাড ব্যাংকের লোকজনও ইমার্জেন্সিতে উপস্থিত—তারা জানেন রোগীদের জরুরি প্রয়োজন, তাই সেখানেই সার্ভিস দিচ্ছেন। যদিও ব্লাড আনতে যেতে হলো হাসপাতাল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে, চাঁনখারপুল রোডের এক পুরোনো বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায়।

এর মাঝে ডাক্তার কিছু ওষুধ লিখে দিলেন, যেগুলো পাওয়া যাবে শুধু ইমার্জেন্সি গেটের বাইরে। রোগীর সঙ্গে ৩-৪ জন লোক না নিয়ে আসার কারণে আমাদের দুঃখ হচ্ছিল। রোগীর মা ছিলেন তার পাশে, আর আমি ছুটছিলাম ওষুধ আনতে। নার্স রাগ করে চিৎকার করছেন—“ওষুধ আনতে এতো দেরি কেনো? ব্লাড এখনো আনলেন না কেনো?” অথচ ব্লাড ক্রস-ম্যাচিং করতেই তো কমপক্ষে ৩০ মিনিট লাগেই।

ব্লাড লিখেছেন ৩ ব্যাগ। কিনতে গিয়ে জানলাম—এই ব্লাড ব্যবহার না হলেও ফেরত নেয়া হবে না অর্থাৎ তারা টাকা ফেরত দিবেন না। তবে ৫ দিনের জন্য সংরক্ষণ করবেন আমাদের নামে, ফ্রিতে! এক মহৎ উদারতা! ৫ দিনের মধ্যে না নিলে সেটা আর আমাদের থাকবে না।
আমাদের দরকার ছিল ১ ব্যাগ, বাকিটা ৩০ মিনিটের মধ্যে আবার ব্লাড ব্যাংকে রেখে আসতে হবে, নাহয় সেটা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কি আর করা রেখে আসলাম গিয়ে। চেয়েছিলাম অন্য কাওকে দান করে দিবো, তবে কাওকে আর পাইনি দেয়ার জন্য। এতোদিনে হয়তো সেটা তারা অন্য কারো কাছে বিক্রিও করে দিয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে রোগীকে শিফট করা হলো অপারেশন থিয়েটারে। প্রাথমিক কাজ শেষ হতে না হতেই আয়া আর নার্স এসে দরকষাকষি শুরু করলেন—“বকশিশ দিতে হবে ভালোভাবে, নইলে আমরা কাজ করবো না।” আমি ছুটছি তাদের দিয়ে দেওয়া ওষুধ আনতে আর তারা রোগীকে OT-র বেডে রেখে দরকষাকষি করছেন।
৫০০ টাকা দিতে চাইলে রাজি হলেন না। শেষমেশ ১৫০০ টাকা নিয়ে খুশি হয়ে তারা কাজটা করে রোগীকে বেডে শিফট করলেন।

ঢাকা মেডিকেলের অবস্থা অনেকেই জানেন। বারান্দায় পর্যন্ত রোগী থাকে। যে বেড পেলাম, তার পাশেই ছাদ থেকে পানি চুইয়ে পড়ছে। ময়লার কথা না-ই বা বললাম। যে আয়াটি আছে, তার বয়স এমন যে এক পা কবরে। তিনি কুঁজো হয়ে ময়লা পরিষ্কার করছেন। এ শরীরে পরিচ্ছন্নতা আর কতটা সম্ভব?

এভাবেই ঈদের দিনের সকালটা, ফজরের পর থেকে দুপুর ১১:৩০ পর্যন্ত, কেটেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রিলিজ দেওয়ার সময় তারা কিছু ওষুধ ছোট্ট একটা কাগজে লিখে দিয়ে বললেন, “বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নেবেন।” আমরা হাসিমুখে বললাম, “আচ্ছা,” এবং ফিরে এলাম।
ফিরে আসার সময় হুইলচেয়ার না পেয়ে রোগীকে হেঁটেই নামিয়ে আনতে হলো।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Management Department, Dhaka University
Dhaka