কুরআনের সাথে নিষ্ঠা সহকারে সময় কাটানো মানেই, প্রশান্তি! সুবহানআল্লাহ! আপনি ভুলে যাবেন আপনার জীবনেও আরো দশজনের মত সমস্যা, দুঃখ রয়েছে। মানুষ প্রিয়জনের সান্নিধ্যে কষ্ট ভুলে যায়- কুরআনের সান্নিধ্যের চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে?
With the Quran
An-najat quran moktob and madrasa
Our effort is to reach the light of Quran all over the world
আমাদের পেইজে হাফেজা, আলেমা এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ উসতাযার মাধ্যমে পর্দার সহিত শুদ্ধরুপে কোরআন শিক্ষা দেয়া হয়।আমাদের কোর্স সমূহ :-
- সুরা মুলক হিফজ কোর্স
- সুরা ইয়াসিন হিফজ কোর্স
- সুরা কাহাফ হিফজ কোর্স
- সুরা রহমান হিফজ কোর্স
- ৩০তম পারা / আমপারা হিফজ কোর্স
- সহীহ কোরআন / নাজেরা কোর্স
- সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ কোর্স
- কোরআন তরজমা কোর্স
কোর্সগুলো মূলত শিশু এবং মহিলাদের জন্য প্রযোজ্য। ক
গুনাহমুক্ত অন্তর নিয়ে ইলম চর্চা করতে হয়...
হিফজের জন্য ঠান্ডা মাথা লাগে। দৃঢ় সংকল্প লাগে। সবাই করছে তাই আমিও একটু করে দেখি- এভাবে হয়না। এত বড় একটা সফরে যাওয়ার জন্য সত্যিই অনেক বড় কারণ থাকতে হবে। যেই কারণ এত বড় যে কষ্ট হলেও সেই সফরে মন লেগে থাকবে।
কারো যখন জরুরি মিটিং থাকে, ঝড় বৃষ্টির মাঝে সে যেতে চেষ্টা করে। অন্য শহরে হলেও। আর যখন বের হওয়াটা শুধুই "একটু ঘুরে আসি"র কারণে ছিল, সামান্য অসুবিধায় সেটা সহজেই ক্যানসেল করা হয়।
সেরকমই, হিফজ আমাদের জীবনে কতোটা "জরুরি", সেটার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। নির্ভর করে কতটুকু অসুবিধায় আমরা টিকে থাকবো, অথবা ঝরে পড়বো!©️
13/09/2025
আমার জান্নাতি বোনের এক অলৌকিক ঘটনা!
ছবিতে আমার ভাগিনা হাফেজ মুহা. তাহসীন। আমার বড় আপুর ছোট ছেলে। মাত্র ১ বছরে গত পরশু দিন হিফজ শেষ করেছে। আলহামদুলিল্লাহ।
আমার বড় বোন তাহসিনের হিফজ পড়া নিয়ে খুব দুঃশ্চিন্তা করতেন। কারণ, তার গলার আওয়াজ একটু জোরে পড়লে ভেঙে যায়। এজন্য আমার ভগ্নিপতি হিফজ পড়াতে চাননি। কিন্তু সে তার মায়ের আশায় ও নিজের ইচ্ছায় হিফয শুরু করেছে এবং মাত্র ১ বছরে শেষ করেছে। সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
তার হিফজ শেষ হওয়ার কথা শুনে আমরা সকলে যেমন যারপরনাই খুশি হয়েছি, তেমনি তার মায়ের কথা মনে পড়ে শত আফসোস করেছি। বড় বোন থাকলে আজ কত যে খুশি হতেন তার কোনো ইয়ত্তা নেই। আর মাত্র মাস খানেকের জন্য বোন আমার এ খুশিটা দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমাকে আজকে এক অলৌকিক বিষয়ের সাক্ষী বানালেন।
সেটি হল, আজকে বাদ ফজর আমি বাসায় গিয়ে দেখি আমার মা জায়নামাজে বসে বসে কি যেনো ভাবছেন। আমি মা বলে ডাক দিলে তিনি চমকে উঠে তাকালেন। বললাম মা! কি নিয়ে এতো ভাবছেন? মা ছলছল নয়নে বললেন, আজকে স্বপ্নে আমার আয়শাকে এতো হাসিখুশি দেখেছি যা আর কখনো দেখিনি। বললাম, কি দেখেছেন একটু খুলে বলুন। তিনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতে লাগলেন,
তাহসিনের হিফজ শেষ হওয়ার পর থেকে আমি খুব বে-চাইন ছিলাম এই জন্য যে, যদি আমার মেয়েটাকে জানাতে পারতাম তার কলিজার ধন হিফয শেষ করেছে, তাহলে সে কতইনা খুশি হতো! আল্লাহর কি মহিমা; আজকে তাকে স্বপ্নে দেখলাম। সে তার নিজ বাড়িতে কি হাসিখুশি। আমি তাকে বললাম, আয়শা, তাহসিন তো হিফজ শেষ করেছে। এটা শুনে সে এক গাল হাসি দিয়ে বলল, আলহামদুলিল্লাহ, সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। কি বলেন মা, সত্যি? মা বললেন, সত্যি। এরপর মা আরো বলেছেন, আমি তো ওমরা করতে যাবো দোয়া করিস। এটা শুনে আপু মন খারাপ করে ফেলেছেন। আমার মা বললেন, তোর জামাই তোর জন্য ওমরা ও হজ্জ করবে। এটা শুনে নাকি তিনি বিশ্বাস করতে চাননি! পরে মা কসম দিয়ে বলার পর আবারো খুশী হয়ে গেছেন। মুখ ভরা হাসি দিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরলেন। (ভগ্নিপতি সত্যিই আরো আগে উনার জন্য ওমরা করার নিয়ত করেছেন।) এভাবে হাসিখুশির মধ্যে মায়ের স্বপ্নটা ভেঙে গেল! মা ঘুম থেকে উঠে ঘড়ি চেক করে দেখেন রাত সাড়ে তিনটা। মা আমাকে বলেন, এতটা ক্লিয়ার স্বপ্ন দেখবো আমি কল্পনাও করতে পারিনি। সবই আল্লাহর কুদরত। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তার রূহকে শান্তিতে রাখুন।
মায়ের কথা গুলো শুনতে শুনতে চোখটা ঝাপসা হয়ে গেছে! ছলছল নয়নে মা-ছেলে মিলে কিছুক্ষণ আমার জান্নাতি বোনের বিভিন্ন গুনাবলি নিয়ে স্মৃতিচারণ করলাম।
আল্লাহ আমার ভাগিনা ভাগনিদের দ্বীনের সহীহ বুঝ দান করুন। তাদেরকে তাদের মায়ের নাজাতের ওসীলা হিসেবে কবূল করুন। আমার বোনকে জান্নাতুল ফেরদাউসের আ'লা মাকাম নসীব করুন।
copy post
কিছু রিভিশন পদ্ধতি- ৫
প্রতি দিন এক জুয দেখে পড়া, এরপর এক জুয মুখস্থ থেকে পড়া।
এটি আগের পদ্ধতির মতোই, তবে এখানে প্রতিদিন শুধু একটি জুয দেখে পড়া হয় এবং আগের দিনের জুযটি মুখস্থ থেকে পড়া হয়। এটি ধীর ও স্থিরভাবে কিন্তু ধারাবাহিকভাবে রিভিশনের একটি কার্যকর উপায়। উদাহরণস্বরূপ:
১ম দিন – ২ নম্বর জুয দেখে পড়া; ১ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
২য় দিন – ৩ নম্বর জুয দেখে পড়া; ২ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৩য় দিন – ৪ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৩ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৪র্থ দিন – ৫ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৪ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৫ম দিন – ৬ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৫ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৬ষ্ঠ দিন – ৭ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৬ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৭ম দিন – ৮ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৭ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৮ম দিন – ৯ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৮ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৯ম দিন – ১০ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৯ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
১০ম দিন – ১১ নম্বর জুয দেখে পড়া; ১০ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
(বিভিন্ন লেখা থেকে অনুবাদ করা)
এদিক-সেদিক ছোটাছুটি না করে কুরআনকে যথার্থভাবে আঁকড়ে ধরো। কারণ, কুরআন হচ্ছে আমাদের জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সান্ত্বনা ও স্বস্তি লাভের একমাত্র স্থান। যে এর ওপর আমল করবে তার সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাবে পৃথিবীর সব ধরনের জ্ঞানভান্ডার। তাকে অবহিত করা হবে শ্রেষ্ঠ উম্মত বলে। যাদের উদ্দেশ্য মানুষকে অসৎপথ থেকে সৎপথে নিয়ে আসা।
বই : কুরআন অনুধাবন : পদ্ধতি ও সতর্কতা, ১৪৬
কিছু রিভিশন পদ্ধতি- ৪
প্রতিদিন ১ থেকে ৩ জুয দেখে পড়া এবং ১ জুয মুখস্থ থেকে পড়া।
এটি ফজরের পর কিংবা ঘুমানোর আগে করা যায়। আপনি চাইলে এতে অডিও শুনে পড়াও যুক্ত করতে পারেন। মূল ধারণা হলো—প্রতিদিন ১ থেকে ৩ জুয দেখে পড়বেন, কিন্তু সেটার মান বজায় রেখে, দ্রুত পড়ে শেষ করার মতো নয়। তারপর এর যেকোনো একটি জুয বা অন্য কোনো জুয মুখস্থ থেকে পড়বেন। উদাহরণস্বরূপ:
১ম দিন – ১, ২ ও ৩ নম্বর জুয দেখে পড়া; ১ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
২য় দিন – ২, ৩ ও ৪ নম্বর জুয দেখে পড়া; ২ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৩য় দিন – ৩, ৪ ও ৫ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৩ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৪র্থ দিন – ৪, ৫ ও ৬ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৪ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৫ম দিন – ৫, ৬ ও ৭ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৫ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৬ষ্ঠ দিন – ৬, ৭ ও ৮ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৬ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৭ম দিন – ৭, ৮ ও ৯ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৭ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৮ম দিন – ৮, ৯ ও ১০ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৮ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
৯ম দিন – ৯, ১০ ও ১১ নম্বর জুয দেখে পড়া; ৯ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
১০ম দিন – ১০, ১১ ও ১২ নম্বর জুয দেখে পড়া; ১০ নম্বর জুয মুখস্থ থেকে।
(বিভিন্ন লেখা থেকে অনুবাদ করা)
কিছু রিভিশন পদ্ধতি- ৩
আওয়াজ করে পড়ুন, আঙুল দিয়ে মার্ক করে, মুসহাফের দিকে তাকিয়ে পড়ুন, এরপর মুখস্থ থেকে পড়ুন।
এটি আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি। এতে একাধিক ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়, যা স্মরণক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। স্পর্শ (আঙুল দিয়ে), দৃষ্টিশক্তি এবং শ্রবণশক্তি—এই তিনটি একসাথে ব্যবহারের ফলে আপনি আরও ভালোভাবে রিভিশন করতে পারবেন।
পদ্ধতিটি খুব সহজ। আপনি যতটুকু রিভিশন করতে চান তা ঠিক করুন, তারপর জোরে জোরে পড়া শুরু করুন—দৃষ্টি যেন অন্য কোথাও না যায়। প্রতি লাইনে আঙুল রেখে পড়ুন। এরপর মুখস্থ থেকে পড়ুন। যেখানেই ভুল হয় বা আটকে যান, তা আপনি নিজে লিখে রাখতে পারেন, অথবা যিনি শুনছেন, তিনি তা নোট করে রাখতে পারেন।
(বিভিন্ন লেখা থেকে অনুবাদ করা)
প্রতিদিন রাতের তাহাজ্জুদ।
প্রতিদিন সকালে সালাতুদ দুহা।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় সূরা আল-ওয়াকিয়াহ।
প্রতিদিন যতবার ইচ্ছা ইস্তেগফার ও দরুদ শরীফ।
তারপর দেখুন কীভাবে আপনার জীবন বদলে যেতে থাকে,
আর আল্লাহ কীভাবে একে একে আপনার দোয়াগুলো কবুল করতে থাকেন। ইন শা আল্লাহ।©️
কিছু রিভিশন পদ্ধতি - ২
সর্বোত্তম রিভিশন পদ্ধতির একটা হলো সালাতের মাধ্যমে রিভিশন দেয়া।
সহজতার জন্য দোয়া ও সালাতের আশ্রয় নিন, তারপর আপনি যা মুখস্থ করেছেন তার মধ্য থেকে পড়ুন সালাতে, সূরা আল ফাতিহার পর।
এটি শুধু মুখস্থ করা অংশ হৃদয়ে দৃঢ় করে তাইই না, সালাতে মনোযোগও বৃদ্ধি করে।
(বিভিন্ন লেখা থেকে অনুবাদ করা)
কিছু রিভিশন পদ্ধতি -১
ফজরের সময় বা এর পরপরই একসাথে বেশি পরিমাণে পুনরাবৃত্তি করা- এটি খুব পরিচিত একটি রিভিশন পদ্ধতি। অনেকেই দিনের শুরুতে ফাঁকা সময়টাকে কাজে লাগিয়ে রিভিশন করেন, যাতে সারাদিন আর সেটা নিয়ে ভাবতে না হয়। একে "একসাথে বেশি পরিমাণে পড়া" বলা হয়, কারণ তখন যতটুকু সম্ভব, বেশি করে পড়া হয়। তবে শুধু পরিমাণ নয়, মানও গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কতটুকু পড়লেন, সেটার নির্দিষ্ট পরিমাণ নিয়ে ভাবার দরকার নেই—একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব মানসম্মত রিভিশন করে যান। আপনি এক চতুর্থাংশ, অর্ধেক, এক জুয, দুই, তিন বা পাঁচ জুয পর্যন্ত পড়তে পারেন—পরিমাণ বড় কথা নয়।
(বিভিন্ন লেখা থেকে অনুবাদ করা)
31/07/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka