বান্দাকে যখন সমস্যা বলতে যাই তখন আমার কথা যেনো শেষ ই হয়না!
আর আল্লাহকে যখন সমস্যা বলতে যাই তখন আমার কথা শেষ হয়ে যায়। মুখে দুয়া আসেনা। তাহলে বলুন আসল সাহায্যকারী হিসেবে কাকে গ্রহণ করেছি?
~ As Saabiquun
Khidmatul Muslimin - UAP
আল্লাহর রহমতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিজেদের আত্নশুদ্ধির পাশাপাশি মানবতার সামগ্রিক কল্যানে
গুনাহ থেকে বেঁচে থাকলেই আল্লাহওয়ালা বা বুযুর্গ হওয়া সম্ভব। কিন্তু মানুষ হওয়া এবং মনুষ্যত্বের পূর্ণতা অর্জন করা ভিন্ন বিষয়।
কেউ হয়তো গুনাহ করে না, ইবাদতে লিপ্ত থাকে, তবুও তার আচার-আচরণে সৌন্দর্য ও শালীনতার অভাব দেখা যায়। যেমন—
• বাথরুম থেকে এসে ভেজা হাতে অন্যের সাথে মুসাফাহ করা,
• পান খেয়ে এদিক-সেদিক পানের পিক ফেলা,
• সাদামাটা চলাফেরার নামে অগোছালো ও অসুন্দর ভঙ্গিতে হাঁটা,
• লোকালয়ে ইস্তেন্জার পর হাঁটতে হাঁটতে পেশাব পরিষ্কার করা,
• গলায় পায়জামার ফিতা ঝুলিয়ে চলাফেরা করা—
এসব কারণে হয়তো গুনাহ হয় না, বুযুর্গতাতেও কোনো ঘাটতি হয় না, কিন্তু মনুষ্যত্ব তখনো পূর্ণতা পায় না।
এ কারণেই হযরত মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব (দামাত বারকাতুহুম) প্রায়ই বলেন—
“আল্লাহওয়ালা হওয়া সহজ, কিন্তু মানুষ হওয়া কঠিন।”
শ্রুতি-লিখন: মুহাম্মদ আশেকে এলাহী
তারিখ: ১১ আগস্ট ২০২৫
সময়: বাদ ফজর, সকাল ৭:২০ মিনিট
একবার রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁদছিলেন। আল্লাহ তায়ালা হাবিবের কান্না দেখে জিবরাঈলকে পাঠালেন। জিবরাঈল এলেন। বললেন: মুহাম্মদ! কী হয়েছে আপনার? কেন কাঁদছেন?
রাসূল কী বললেন জানেন? না। কোনো কষ্টের কথা বলেননি। শুধু বললেন: আমার উম্মতকে আল্লাহ শাস্তি দেবেন এই ভয়ে কাঁদছি।
সায়্যিদুনা ঈসা আলাইহিস সালামও আল্লাহকে বলেছিলেন:
اِنۡ تُعَذِّبۡهُمۡ فَاِنَّهُمۡ عِبَادُكَ ۚ وَ اِنۡ تَغۡفِرۡ لَهُمۡ فَاِنَّكَ اَنۡتَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَكِیۡمُ
মাওলা গো! যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন তবে তারা আপনারই বান্দা। আর তাদেরকে যদি ক্ষমা করেন তবে নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।
আমিও কাঁদছি আমার উম্মতের জন্য। জিবরাঈলের কাছে উম্মতের দরদে সিক্ত নবী কাঁদছেন। আহা! এই লেখা লিখতেও চোখ ঝাপসা হয়ে যায় বার বার।
আল্লাহ তায়ালা তো আরহামুর রাহিমীন। তিনি বললেন কী জানেন!
إنا سنرضيك في أمتك ولا نسوؤك
জিবরাঈল! তুমি আমার মুহাম্মাদকে বলো আমি তোমার উম্মতের ব্যাপারে তোমার উপর রাজী হয়েই রবো এবং তোমাকে কষ্ট দেবো না।
হায় আল্লাহ! উম্মত বানিয়ে নাও তোমার হাবিবের যে উম্মতের জন্য তোমার হাবিব চৌদ্দশত বছর আগে মুবারক চোখের আঁসু ফেলেছেন। জীবন কুরবান হয়ে যাক মুহাম্মাদের ইজ্জতের উপর!
©️ Ammarul Haque
অনেক সময় রিয়ার ওয়াসওয়াসা আসে। নিয়ত লোক-দেখানো না, কিন্তু *আমল শুরু করলে রিয়ার ভাব আসে। তখন কী করতে হবে?*
থানভী রাহ. বলেছেন, তখন তুমি *সেই কাজটা বেশি বেশি কর।* করতে করতে একসময় তোমার আমলটা থেকে যাবে, রিয়ার ভাবটা চলে যাবে।
যে কাজ মানুষের সামনে করলে রিয়া আসে, সেই কাজটা মানুষের সামনে বেশি বেশি করতে হবে। পরে একসময় দেখা যাবে, কাজটা করার সময় ‘মানুষ দেখুক’ এই ভাবটা আর আসবে না। এটা চিকিৎসা। খুবই মুফীদ ও উপকারী চিকিৎসা। এভাবে করতে থাকলে কাজের আদত ও অভ্যাস হয়ে যাবে। কোনো কাজ আদতে পরিণত হয়ে গেলে তখন আর রিয়া থাকে না।
[ মাসিক আল কাউসার ]
*[সংগৃহীত]*
"যৌবনকালটা বরফখন্ডের ন্যয়, যা ধীরে ধীরে গলে শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিটা মুহুর্ত দামী, সময় থাকতে কাজে লাগাই।"
মুফতী দিলাওয়ার হুসাইন (দা. বা.)
06/08/2025
# #
06/08/2025
"আল্লাহ কারো ওপর রাগ করলে খাবার বন্ধ করেন না, বরং শুধু সেজদা দেওয়ার তাওফিক ছিনিয়ে নেন!"
— হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)
*দোয়া এক অপূর্ব বিনিয়োগ।*
মূলধন হারানোর কোনও আশংকা নেই। হয় কবুল হবে। না হয় কোনও বিপদ দূর হবে। নয়তো সওয়াব হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।
✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Green Road
Dhaka