Law House

Law House Various topics related to law are easily presented to law students & common people who are interested

02/09/2026
 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ 🧍 ধারা ১১৮ (সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য ব্যক্তি...
27/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
🧍 ধারা ১১৮ (সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য ব্যক্তি): সমস্ত ব্যক্তিই সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য, যদি না আদালত মনে করে যে তাদের প্রশ্ন বোঝার অক্ষমতা বা যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেওয়ার অক্ষমতা রয়েছে।

🖐️ ধারা ১১৯ (বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্য): যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম (মুক), তিনি যদি লিখনের মাধ্যমে অথবা ইশারার মাধ্যমে আদালতে তার বক্তব্য প্রকাশ করতে সক্ষম হন, তবে তার সেই লিখন বা ইশারা আদালতের সামনে মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। তবে এই সাক্ষ্য অবশ্যই খোলা আদালতে দিতে হবে।

💍 ধারা ১২০: সমস্ত দেওয়ানি মামলায় স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন। ফৌজদারি মামলায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অভিযুক্তের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন।

👨‍⚖️ ধারা ১২১: আদালতে কর্মরত কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট বিচারিক দায়িত্ব পালন বিষয়গুলি সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে না, যদি না উচ্চতর আদালতের কোনো বিশেষ আদেশ থাকে।

🔒 ধারা ১২৬: কোনো অ্যাডভোকেট, উকিল বা মোকদ্দমা পরিচালনাকারী ব্যক্তিকে তার মক্কেলের সুস্পষ্ট সম্মতি (Express Consent) ছাড়া নিম্নলিখিত বিষয়গুলি আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না।

🛑 ধারা ১৩২: আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় কোনো সাক্ষীকে তার পূর্বে করা অপরাধ বা নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে না, যা তাকে ভবিষ্যতে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে বা জরিমানার দিকে নিয়ে যেতে পারে, তবে যদি আদালত তাকে উত্তর দিতে নির্দেশ দেয়, তবে সেই উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে।

🔢 ধারা ১৩৪: কোনো ঘটনা প্রমাণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। একটি ঘটনার প্রমাণের জন্য যদি আদালত মনে করে যে সাক্ষ্যটি বিশ্বাসযোগ্য (Credible), তবে এক জন সাক্ষীই যথেষ্ট।

🗣️ ধারা ১৩৭: জবানবন্দি, জেরা, পুনঃ-জবানবন্দি যা একটি সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

🗣️ ধারা ১৩৮: জবানবন্দি, জেরা, পুনঃ-জবানবন্দি এর পরীক্ষার ক্রম ও জেরার ক্ষেত্র।

❓ ধারা ১৪১: (ইঙ্গিতমূলক প্রশ্ন), যে প্রশ্ন নিজেই এমনভাবে প্রণয়ন করা যে, তা সাক্ষীর কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত উত্তরটি ইঙ্গিত করে বা নির্দেশ করে, ।
🚫 ধারা ১৪২: নেতৃত্বমূলক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার উপর নিষেধাজ্ঞা, আদালতের অনুমতি ছাড়া, জবানবন্দি বা পুনঃ-জবানবন্দির সময় কোনো ইঙ্গিতমূলক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

🗣️ ধারা ১৪৩: জেরার (Cross-examination) সময় নেতৃত্বমূলক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।

📝 ধারা ১৪৫: জেরার সময় একজন সাক্ষীকে তার পূর্ববর্তী কোনো লিখিত বিবৃতির (যেমন: পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দি, চিঠি, বা ডায়েরি) ভিত্তিতে জেরা করা যেতে পারে, যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ।

⚖️ ধারা ১৪৬: জেরার সময়, সাক্ষীকে বিপরীত পক্ষ সত্যতা যাচাই, পরিচয় ও অবস্থান প্রকাশ সাক্ষীর চরিত্র বা নীতিগত দুর্বলতা এই তিনটি উদ্দেশ্য পূরণের জন্য যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে।

🛑 ১৮৭২ ধারা ১৪৭: জেরার সময় কোনো সাক্ষীকে যে কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা সরাসরি মামলার প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রতিষ্ঠা করে। যদি সেই প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে দোষী সাব্যস্ত (criminate) করতে পারে বা জরিমানার দিকে নিয়ে যেতে পারে, তবুও সাক্ষীকে সেই উত্তর দিতে বাধ্য থাকতে হবে।

🚫 ধারা ১৫১: আদালত কোনো সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা অশোভন (indecent) বা কলঙ্কজনক (scandalous) প্রশ্নগুলি নিষিদ্ধ করতে পারে। তবে, যদি এই প্রশ্নগুলি মামলার মূল বিচার্য ঘটনা (facts in issue) নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তবে আদালত এই ধরনের প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে।

😡 ধারা ১৫৪: (বৈরী সাক্ষী) যে পক্ষ কোনো সাক্ষীকে আদালতে ডেকে আনে, আদালত সেই পক্ষকে সেই সাক্ষীর নিকট এমন প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে, যা বিপরীত পক্ষ জেরার সময় করতে পারত।

👨‍⚖️ ধারা ১৬৫: (বিচারকের ক্ষমতা) মামলার সত্য উদ্ঘাটন করার জন্য, বিচারক যেকোনো সময়ে যেকোনো সাক্ষীকে যেকোনো ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন। একই উদ্দেশ্যে তিনি যেকোনো দলিল তলব করার আদেশও দিতে পারেন, এমনকি যদি সেই প্রশ্ন বা দলিল পক্ষগুলির দ্বারা উত্থাপিত প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক হয়।

🚫 ধারা ১৬৭: যদি কোনো মামলায় ভুলভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ (Admitted) করা হয় বা ভুলভাবে সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবে শুধু সেই কারণে কোনো মামলায় নতুন বিচার বা আদালতের সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করা হবে না।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ⚖️ ধারা ১০১ (প্রমাণের দায়): যে ব্যক্তি ক...
24/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২

⚖️ ধারা ১০১ (প্রমাণের দায়): যে ব্যক্তি কোনো আদালতের কাছে কোনো আইনি অধিকার বা দায় সম্পর্কে রায় চায়, তাকেই সেই অধিকার বা দায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনাগুলি প্রমাণ করতে হবে।

⚖️ ধারা ১০৩ (বিশেষ ঘটনা প্রমাণের দায়): যদি কোনো ব্যক্তি কোনো বিশেষ ঘটনা (Particular Fact) সম্পর্কে আদালতে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে চায়, তবে সেই ঘটনাটি প্রমাণের দায় সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তায়।

⚖️ ধারা ১০৫ (ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়): ফৌজদারি মামলায় যখন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করে যে তার মামলাটি দণ্ডবিধির কোনো সাধারণ ব্যতিক্রমের (General Exception) অধীনে আসে, তখন সেই ব্যতিক্রম প্রমাণের দায় সেই অভিযুক্তের ওপর বর্তায়।

💡 ধারা ১০৬ (বিশেষভাবে জ্ঞাত ঘটনা): যখন কোনো ঘটনা কোনো ব্যক্তির বিশেষ জ্ঞানে (especially within the knowledge) থাকে, তখন সেই ঘটনাটি প্রমাণের দায় সেই ব্যক্তির উপরই বর্তায়।
👨‍👩‍👧‍👦 ধারা ১০৭ (জীবিত থাকার অনুমান): যখন কোনো ব্যক্তিকে জীবিত প্রমাণের প্রশ্ন ওঠে, তখন যদি প্রমাণ করা যায় যে সেই ব্যক্তিটি গত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত ছিল, তবে প্রমাণের দায় সেই ব্যক্তির ওপর বর্তায়, যিনি দাবি করেন যে ব্যক্তিটি মৃত।

💀 ধারা ১০৮: যখন কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর প্রশ্ন ওঠে, এবং যদি প্রমাণ করা যায় যে সেই ব্যক্তিটি সাত বছর ধরে তাদের সম্পর্কে শোনেননি যারা স্বাভাবিকভাবে তার খবর পেতেন, তবে প্রমাণের দায় সেই ব্যক্তির ওপর বর্তায়, যিনি দাবি করেন যে ব্যক্তিটি জীবিত।

👨‍👩‍👧‍👦 ধারা ১১২: যদি কোনো সন্তান তার মা ও বাবার মধ্যে বৈধ বিবাহ বন্ধন চলাকালে জন্ম নেয়, অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্ম নেয় (যদি না মা সেই সময়ের মধ্যে পুনর্বিবাহ করেন), তবে সেই সন্তানকে চূড়ান্তভাবে বৈধ (Conclusive Proof of Legitimacy) বলে গণ্য করা হবে।

🛑 ধারা ১১৫ (এস্টোপেল বা প্রমাণের প্রতিবন্ধক): যখন কোনো ব্যক্তি, তার কাজ বা বিবৃতির মাধ্যমে বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে (Omission), অন্য কোনো ব্যক্তিকে বিশ্বাস করায় যে একটি নির্দিষ্ট ঘটনা সত্য, এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তিটি তার অবস্থার পরিবর্তন করে, তখন সেই প্রথম ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধিকে পরবর্তী সময়ে মামলায় এসে সেই ঘটনাটি মিথ্যা বলে প্রমাণ করতে দেওয়া হবে না।

🏠 ধারা ১১৬: যে ব্যক্তি কারো কাছ থেকে কোনো স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটে (Tenant) হিসেবে বা লাইসেন্সধারী (Licensee) হিসেবে দখল নিয়েছে, সেই ব্যক্তি তার দখলে থাকা অবস্থায় তার ভাড়া বা লাইসেন্সদাতার মালিকানার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ 🗣️ ধারা ৫৯: দলিল বা বৈদ্যুতিন রেকর্ডের ব...
22/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
🗣️ ধারা ৫৯: দলিল বা বৈদ্যুতিন রেকর্ডের বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
👂 ধারা ৬০: মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। নিজের চোখে দেখা, কানে শোনা, এবং ইন্দ্রিয় দ্বারা গন্ধ, স্বাদ, স্পর্শ।

📝 ধারা ৬১: দলিল বা বৈদ্যুতিন রেকর্ডের বিষয়বস্তু অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

📝ধারা ৬২: প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে মূল দলিলটিকে বোঝায় যা আদালতের পরিদর্শনের জন্য পেশ করা হয়। এটিই হলো প্রমাণের সর্বোচ্চ ও নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড।

📄 ধারা ৬৩: মাধ্যমিক সাক্ষ্য এমনভাবে তৈরি করা হয় যা মূল দলিলের বিষয়বস্তু নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিলিপি বা উপস্থাপন করে। মাধ্যমিক সাক্ষ্য হলো প্রাথমিক সাক্ষ্যের (Original Document) পরবর্তী স্তর এবং এটি কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য হয় যখন মূল দলিল আদালতে পেশ করা সম্ভব হয় না।

💻 ধারা ৬৫ক: ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য ধারা ৬৫খ-এর বিধানাবলী অনুসরণ করতে হবে। ক্ষেত্র: এই ধারাটি কেবল ইলেকট্রনিক রেকর্ড (যেমন, ইমেইল, কম্পিউটার ফাইল, ওয়েবসাইট ডেটা, সিডি, পেনড্রাইভের তথ্য) প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

🏛️ ধারা ৭৪: সরকারি দলিল (১. আইনের সার্বভৌম কাজের দলিল: * বাংলাদেশে বা কমনওয়েলথের (পূর্বে ব্রিটিশ) কোনো দেশে বা কোনো বৈদেশিক রাষ্ট্রে সার্বভৌম ক্ষমতার কাজ (Acts) সম্পর্কিত, অথবা * সরকারি দাপ্তরিক কাজ (Official Acts) সম্পর্কিত দলিল। * উদাহরণ: সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন, সরকারি প্রজ্ঞাপন, চুক্তিপত্র বা ঘোষণা। ২. সরকারি দপ্তরের রেকর্ড: * সরকারি কর্মকর্তাদের (লেজিসলেটিভ, জুডিশিয়াল, এক্সিকিউটিভ) দাপ্তরিক কাজের রেকর্ড সম্পর্কিত দলিল। * উদাহরণ: আদালতের রায় ও আদেশ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ভূমি জরিপের রেকর্ড, পুলিশের FIR (First Information Report), বা কোনো সরকারি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট। ৩. সরকারি দপ্তরে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল: * বাংলাদেশে বা কমনওয়েলথের কোনো দেশে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিল (Private Documents)-এর রেকর্ড বা নথিপত্র, যখন সেই রেকর্ডের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সরকারি দপ্তরের ওপর ন্যস্ত থাকে। * উদাহরণ: ভূমি রেজিস্ট্রেশন অফিসে রক্ষিত দলিল বা উইল।)

📜 ধারা ৭৫: বেসরকারি দলিল, সরকারি দলিল হিসেবে সংজ্ঞায়িত নয় এমন সকল দলিলই হলো ব্যক্তিগত দলিল।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২  ধারা ৫৩: ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্ত...
20/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
ধারা ৫৩: ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক। একজন ভালো চরিত্রের ব্যক্তি সেই ধরনের অপরাধ করার সম্ভাবনা কম।
😈 ধারা ৫৪: ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না সেই চরিত্র নিজে একটি বিচার্য ঘটনা হয় বা তা পূর্বে প্রমাণের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত হয়।

📖 ধারা ৫৭: আদালতকে কোনো প্রমাণ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচারিক নোটিশ (Judicial Notice) ১৩ টি গ্রহণ করতে হবে। এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করার প্রয়োজন হয় না।

📝 ধারা ৫৮: যে সকল ঘটনা পক্ষগণ বা তাদের এজেন্টগণ আদালতের শুনানিতে বা বিচারিক কার্যধারার আগে বা চলাকালীন স্বীকার করে নেয়, সেই ঘটনাগুলি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

🗣️ ধারা ৫৯: দলিল বা বৈদ্যুতিন রেকর্ডের বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ • ধারা ৪০ (পূর্ববর্তী রায়): একই বিষয়ে পূ...
18/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
• ধারা ৪০ (পূর্ববর্তী রায়): একই বিষয়ে পূর্ববর্তী রায় পরবর্তী বিচারে বাধা হিসেবে প্রাসঙ্গিক (Res judicata)।
• ধারা ৪১ (চূড়ান্ত প্রমাণ): প্রবেট বা বিবাহ সংক্রান্ত আদালতের চূড়ান্ত রায় চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।
• ধারা ৪৫ (বিশেষজ্ঞের অভিমত): বিজ্ঞান, চারুকলা, হাতের লেখা, ডিজিটাল রেকর্ড বা আঙ্গুলের ছাপ বিষয়ে পারদর্শী ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২🗣️ ধারা ৩১: স্বীকারোক্তি (Admission) চূড়...
17/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-2: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
🗣️ ধারা ৩১: স্বীকারোক্তি (Admission) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে তা প্রমাণের প্রতিবন্ধক হতে পারে।

🗣️ ধারা ৩২: এমন ব্যক্তিদের মৌখিক বা লিখিত বক্তব্যকে প্রাসঙ্গিক বিবেচনা করা হয় যাদের আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থিত করা সম্ভব নয়। মৃত্যু, নিখোঁজ, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, এবং বিলম্ব/খরচ।

🗣️ধারা ৩৩: ৩২-এর স্বীকারোক্তি পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২📝 ধারা ১৭ (স্বীকৃতি): মৌখিক বা লিখিত বিবৃ...
15/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
📝 ধারা ১৭ (স্বীকৃতি): মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা বিচার্য ঘটনার বিষয়ে অনুমানের ইঙ্গিত দেয়।
📝 ধারা ২৪ (ভয়ভীতিতে স্বীকারোক্তি): প্রলোভন বা ভীতির মুখে দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক।
📝 ধারা ২৫ (পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি): পুলিশের নিকট কোনো দোষ স্বীকারোক্তি দিলে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
📝 ধারা ২৬ (ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্বীকারোক্তি): পুলিশ হেফাজতে থাকলেও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দেওয়া স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
📝 ধারা ২৭ (তথ্য উদ্ধার): পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যদি কোনো আলামত উদ্ধার হয়, তবে তথ্যের ততটুকু অংশ প্রাসঙ্গিক।
📝 ধারা ২৮: যদি কোনো অভিযুক্তের দোষ স্বীকারোক্তি ধারা ২৪ অনুযায়ী প্ররোচনা, ভীতি প্রদর্শন, প্রতিশ্রুতি ব্যতীত হয়, তবে সেই দোষ স্বীকারোক্তিটি পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।
📝 ধারা ৩০ (সহ-আসামির স্বীকারোক্তি): নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত একজন সহ-আসামির দোষ স্বীকারোক্তি অন্য আসামির বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারেন।

 # বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ⚖️ ধারা ৮ (প্রাসঙ্গিকতা): অপরাধের উদ্দেশ...
13/04/2026

# বার কাউন্সিল পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা সিরিজ পর্ব-২: সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
⚖️ ধারা ৮ (প্রাসঙ্গিকতা): অপরাধের উদ্দেশ্য (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ সংক্রান্ত ঘটনা প্রাসঙ্গিক। ধারা ৯, ১০, ১১: সনাক্তকরণ (Identification), ষড়যন্ত্র (Conspiracy) ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রাসঙ্গিকতা।
⚖️ ধারা ১০ (ষড়যন্ত্র): ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ব্যক্তিদের সাধারণ অভিপ্রায় সম্পর্কে কোনো বক্তব্য বা কাজ প্রাসঙ্গিক।
⚖️ ধারা ১১ (অ্যালিবাই/অন্যত্র উপস্থিতি): কোনো ঘটনা যদি বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব অসম্ভব করে তোলে তবে তা প্রাসঙ্গিক। যেমন: অপরাধের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকলে তা এই ধারায় প্রাসঙ্গিক।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share