16/07/2023
Mother's Lap Daycare and preschool
Daycare and preschool
16/07/2023
24/05/2023
তিন থেকে চার বছর বয়সের শিশুরা যেকোনো কিছু ধরতে, ছুঁতে, গন্ধ নিতে, শুনতে ও স্বাদ নিতে চায়। ওরা সব সময় নতুন কিছু শিখতে চায়। এই বয়সেই আমরা শিশুদের আগ্রাসী আচরণ করতে দেখি। শিশুদের এই আগ্রাসী আচরণ মানসিক এবং আচরণগত বিকাশের একটি সাধারণ অংশ। প্রায় সব শিশু ভীষণভাবে আবেগতাড়িত হয়ে চিৎকার করে, লাথি মারে বা আঘাত করে। তবে সাধারণত শিশুরা তাদের চারপাশের পরিবেশে আগ্রাসী আচরণ করতে দেখলে নিজেরাও আগ্রাসী আচরণ করতে শেখে।
শিশুরা এগুলো কেন করে? কারণ, তাদের উদ্বেগ বা হতাশাগুলো মোকাবিলা করতে অসুবিধা হয়। অনেক সময় বড়দের মতো করে নিজেদের অনুভূতির কথাগুলো বলতে না পারলেও শিশুরা আগ্রাসী আচরণ করে। আরও কিছু কারণ আছে, তবে শিশুর আচরণের যেকোনো অস্বাভাবিকতায় একজন মনোচিকিৎসাবিদের কাছে গেলে আচরণ সম্পর্কে আরও চমৎকার বিশ্লেষণ জানতে পারা যায়।
শিশুর এই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে মোকাবিলা করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন শিশু আগ্রাসী আচরণ করলে তাৎক্ষণিকভাবেই বোঝাতে হবে যে তার এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরে কোনো সময় বুঝিয়ে বলার জন্য কখনোই অপেক্ষা করা উচিত নয়। শিশুকে কখনোই আঘাত করা বা মারধর করা উচিত হবে না। শিশুকে দেখাতে হবে যে অভিভাবক হিসেবে আমরা কীভাবে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করি। যেমন ‘আজ আমি নীল রঙের একটা জামা পরতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জামাটা ময়লা। আমাকে অন্য একটা জামা পরতে হচ্ছে।’ একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ, আগ্রাসী আচরণের বেলায় শিশুরা যাতে সব সময় একই প্রতিক্রিয়া দেখতে পায়। কখনো মন ভালো বলে কিছুই বললাম না, আবার মেজাজ খারাপ তাই আঘাত করলাম; এমনটা করা উচিত নয়। আরও একটি বিষয় হলো শিশু যেন মনে না করে যে এই ভালো আচরণ সে কেবল অভিভাবকের ক্ষেত্রেই করবে। কারণ, বন্ধু বা অন্য কারও সঙ্গেও এ ধরনের আচরণ করা একেবারেই সঠিক নয়। অর্থাৎ, আচরণের বেলায় একটা সাধারণ নিয়ম থাকতে হবে।
আগ্রাসী আচরণের পর শিশু অনেকটা শান্ত হলে তার সঙ্গে সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আস্তে আস্তে কথা বলতে হবে। বোঝার চেষ্টা করতে হবে কেন সে এ রকম করেছিল। তার মনের পুরো অবস্থাটি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে। শিশুর সঙ্গে কথা বলেই তাকে বোঝাতে হবে যে কোনো কারণে সে রেগে যেতেই পারে, তবে রাগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কাউকে সে কখনোই আঘাত করতে পারে না। তবে এ বিষয়ে শিশু কথা বলতে না চাইলে কখনো জোর করা ঠিক হবে না, বরং গল্পের ছলে এ বিষয়ে কথা বলা যেতে পারে বা বিষয়ভিত্তিক কোনো গল্প পড়ে শোনানো যেতে পারে।
শিশুকে তার দায়িত্বের জায়গাগুলোও বুঝিয়ে বলতে হবে। যদি সে কারও খেলনা ছুড়ে ফেলে, তাহলে তাকে খেলনা তুলতে শেখাতে হবে। তাকে দুঃখ প্রকাশ করার জন্যও বলতে হবে। তাকে আরেকজনের মনের অবস্থা সম্পর্কেও বুঝতে শেখাতে হবে। কাউকে আঘাত করলে সে ব্যথা পায়, এই বোধ তার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। তবে শিশু একটু বড় না হওয়া পর্যন্ত কখনোই তার প্রতিবারের আগ্রাসী আচরণের জন্য সত্যিকার অর্থে দুঃখ প্রকাশ করার অভ্যাস আশা করা ঠিক হবে না।
শিশুর আগ্রাসী আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত টিভি দেখা, ভিডিও গেমস খেলা, মোবাইলে সময় কাটানো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। টেকনোলজির সঙ্গে কাটানো অতিরিক্ত সময় কমিয়ে আনতে শিশুকে খেলায় মনোযোগী করে তুলতে হবে। সময় নিয়ে শিশুর সঙ্গে খেলতে হবে। খেলাধুলার আনন্দ বোঝাতে হবে। টেকনোলজির বাইরে যে চমৎকার একটা জগৎ আছে, তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। তাকে কৌতূহলী করে তুলতে হবে। খেলার ধরনে নিত্য পরিবর্তন আনতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি খেলাধুলার পাশাপাশি শিশুর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। তবে চারপাশ ভুলে শুধু বই পড়ার অভ্যাসও ঠিক নয়! কারণ, কল্পনার চাইতে আমাদের বাস্তব জগৎ টিকে থাকার ক্ষেত্রে বেশ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
শিশুর চারপাশের পরিবেশকেও শিশুবান্ধব রাখা চাই। অভিভাবকেরা যদি নিজেরাই টেকনোলজির প্রতি আসক্ত থাকেন, তাহলে শিশুদের ক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা মুশকিল হবে। টেলিভিশন দেখার সময় শিশুদের সামনে আগ্রাসী চ্যানেল বা সিনেমা দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে। আমি নিজে ৮ বছর বয়সের থেকে কম বয়সী শিশুদের জন্য স্পাইডারম্যান সিনেমা উপযুক্ত বলে মনে করি না। তা ছাড়া সিনেমাটি ১৩ বা কম বয়সী শিশুদের জন্য উপযুক্ত নয়, এমনটাই নির্মাতারা বলেছেন। কাজেই বয়স উপযোগী সিনেমাই শিশুদের সামনে বা সঙ্গে নিয়ে দেখা উচিত। বিভিন্ন গবেষণা বলে যে প্রাক-শৈশব পর্যায়ে আগ্রাসী সিনেমার প্রতি আসক্তি থাকলে পরবর্তী সময়ে সাবালক হলে এর একটা নেতিবাচক প্রভাব থাকে।
আগ্রাসী আচরণ মোকাবিলার ক্ষেত্রে ‘টাইম আউট’, এই কনসেপ্ট বেশ ভালো। বাড়িতে এই প্রয়াস চালু করা যেতে পারে। আসলে মূল বিষয়টি হলো ‘সময়’। সন্তানকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া। সময় না দিলে সন্তানকে বোঝা বা বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ, সন্তান তার কথাই শুনতে চাইবে, মানতে চাইবে, যাকে সে সবচেয়ে আপন বা কাছের মানুষ বলে মনে করে। এই কাছের মানুষটি যদি অভিভাবক হয়, তাহলেই সবচেয়ে ভালো হয়, তা–ই নয় কি? আর একটা বিষয় সবচেয়ে জরুরি, তা হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বজায় রাখা। সন্তানের সুন্দর বেড়ে ওঠার জন্য ‘টেবিল টক’ যেমন কার্যকরী, ঠিক তেমনি স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে ‘বেডরুম টক’ থাকাই ভালো। কারণ, সুন্দর পরিবেশ মানেই সুন্দর আচরণ।
ফারহানা মান্নান : শিশু বিষায়ক লেখক
শিশুর মানসিক বিকাশ হচ্ছে তো!!
প্রায় সব মা–বাবাই সাধারণত বেশি নজর দেন শিশু কবে হামাগুড়ি দিল, কখন হাঁটতে পারল, কখন কথা বলা শিখতে পারল—এসবের ওপর। এগুলো নিশ্চয় শিশুর বিকাশ, তবে তা শারীরিক বিকাশ।
মায়ের গর্ভ থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত প্রারম্ভিক বিকাশ শেষে শৈশব, কৈশোর, বয়ঃসন্ধিকাল পেরিয়ে সে হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ মানুষ। এর প্রতিটি পর্যায়ে শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তনও ঘটে। এভাবে ক্রমান্বয়ে দক্ষ ওঠাইকেই শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ বলা হয়।
শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন গর্ভকালীন মায়ের যত্ন, মায়ের পুষ্টি ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা, প্রথম ছয় মাস মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করা, এরপরে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিকর সুষম খাবার দেওয়া। যেসব শিশু ঘন ঘন অসুস্থ হয়, পুষ্টি কম পায়, তাদের সমবয়সের অন্য বাচ্চাদের তুলনায় বিকাশ ধীরে হতে পারে।
অন্যদিকে মানসিক বিকাশ সুস্থ-স্বাভাবিক করার জন্য বাবা-মাসহ চারপাশের মানুষের আচরণ আর শিশুর পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে হবে। অস্বাভাবিক পরিবেশ সুস্থ মানসিক শিশু উপহার দিতে পারে না। আর ইতিবাচক মানসিক বিকাশ অর্থবহ করে তুলতে হবে ছোটবেলা থেকেই। নিয়মিত ব্যায়াম, শারীরিক খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক উভয়কেই ত্বরান্বিত করে।
শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে বিলম্ব হচ্ছে কি না, তা কীভাবে বুঝবেন—
১ম মাসে
শিশুর মাথা একদিকে ফিরিয়ে চিত হয়ে শোয়া। হঠাৎ আওয়াজে চমকে যায় বা শরীর স্থির হয়ে যায়। হাতের মুঠো বন্ধ করে থাকে। বাচ্চার হাতের তালুতে কিছু ছোঁয়ালে সেটা ধরার চেষ্টা করে।
২-৩ মাসে
নিজের মাথা স্থির করতে শিখে। চোখের দৃষ্টি কোনো জিনিসের ওপর স্থির করতে পারে। চিত হয়ে শুয়ে বাচ্চা দুই হাত-পা সমানভাবে নাড়ে। তার নড়াচড়া ঝাঁকুনি দিয়ে বা অসংবদ্ধ হয় না। কান্নার আওয়াজ ছাড়াও বাচ্চা মুখ দিয়ে নানা রকম আওয়াজ করে। শিশুটি তার মাকে চিনতে পারে এবং তার গলার আওয়াজে সাড়া দেয়।
৬ মাসে
আশপাশে শব্দ শুনলে মাথা ঘোরায়। চিত থেকে উপুড় বা উপুড় থেকে চিত হতে পারে। ঠেকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসতে পারে। শিশুকে উঁচু করে ধরলে পায়ে কিছু ভার নিতে পারে। উপুড় হয়ে শুয়ে হাত-পা ছড়িয়ে নিজের শরীরের ভার নিতে পারে।
৯ মাসে
কোনো অবলম্বন বা ঠেকা ছাড়া কিছু না ধরে বসতে পারে। হাঁটু ও হাতের ওপর ভর করে হামাগুড়ি দিতে পারে।
১২ মাস
বাচ্চা ঠেলে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ‘মামা’ বলতে শুরু করে। আসবাব ধরে বাচ্চা হাঁটতে পারে।
১৮ মাস
সাহায্য ছাড়াই একটা গ্লাস ধরতে পারে এবং তার থেকে পানি পান করতে পারে। সাহায্য ছাড়াই হাঁটতে পারে। দু-একটা শব্দ বলতে পারে। নিজে নিজে খেতে পারে।
২ বছরে
পায়জামা ধরনের কিছু জামাকাপড় খুলে ফেলতে পারে। না পড়েই দৌড়াতে পারে। ছবির বইয়ের ছবিতে বাচ্চা আনন্দিত হয়। বাচ্চা কী চায় বলতে পারে। অন্যদের বলা কথা বাচ্চা নকল করতে শুরু করে। তার শরীরের কিছু কিছু অংশ চেনাতে পারে।
৩ বছরে
হাত তুলে কাঁধের ওপর থেকে বল ছুড়তে, সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, যেমন ‘তুমি ছেলে, না মেয়ে?’ অন্তত একটা রঙের নাম বলতে পারে।
৪ বছরে
সাইকেলে প্যাডেল করতে পারে, বইয়ে, পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনের ছবির নাম বলতে পারে।
৫ বছরে
তার জামাকাপড়ের বোতাম লাগাতে, অন্তত তিনটি রঙের নাম বলতে পারে। পা বদল করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারে।
বিকাশের স্তরগুলোর মধ্যে কয়েকটি যদি শিশুর মধ্যে প্রকাশ না পায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণভাবে এই দক্ষতাগুলোর মধ্যে ২৫ শতাংশ প্রকাশ না পেলে বা দেখা না গেলে শিশুর বিকাশে বিলম্ব হচ্ছে বলা হয়।
লেখা :সংগৃহীত
14/05/2023
আসসালামুয়ালাইকুম, নারী ক্ষমতায়নের যুগে, কর্মস্থলে ব্যস্ত মা তার প্রিয় সন্তানটির জন্য একটি সুন্দর এবং সুস্থ পরিবেশ খুঁজেন। যেখানে তিনি তার প্রিয় সন্তানটিকে রেখে নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে থাকতে পারেন।অনেক ক্ষেত্রে দেখা, সন্তানের দেখাশোনার জন্য লোকবল না থাকার কারণে তার চাকুরী ত্যাগ করতে হয়।বাবা-মায়ের প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে এবং বাচ্চাদের সুরক্ষিত শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে, ইংরেজিতে জন্য এবংসৃজনশীল কাজে দক্ষতা অর্জন জন্য আমরা বিশেষ খেয়াল রাখি। আমরা যে সকল সেবা প্রদান সেবা করি:
♦️Full Day Care Service
♦️Half Day Care Service
♦️Food Service
♦️Pre-Schooling
♦️After School Service
ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের সকল বাচ্চাদের সেবা প্রদান করা হয়। শিশু বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ,শিশুর বয়স অনুযায়ী খেলার মাধ্যম প্রদান করা হয়। শিশুদের সৃজনশীল বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা হয়।
শিশুকে সকল প্রকার ডিভাইস মোবাইল এবং টিভি এগুলো থেকে দূরে রাখা হয়।
শিশুর মানসিক যত্ন এবং সংবেদনশীল যত্নের ক্ষেত্রে বিশেষ খেয়াল রাখা হয়।
যোগাযোগ :
Mother's Lap daycare and preschool
মোবাইল :০১৯৩০৫০৬৩৫৭
ছবি সংগ্রহীত :
আগামী July 2023 থেকে Open হচ্ছে আমাদের Preschool and Childcare Centre...
৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের থাকার এবং খাবারের সুব্যবস্থা সহ থাকছে সার সারবক্ষনিক CC tv camera এর সুব্যাবস্থা ।
আমাদের Service গুলোতে থাকছে
👩👦👦 intensive Infant care
👩👦👦 Preparation for School Admission
👩👧👦 After School care
👩👧👧 Play Room with motor skill learning for proper growing
👩👦 Singing ; poem recitation and drawing Class
সময়: সকাল 8:00 থেকে সন্ধ্যা 6:00 টা পর্যন্ত
Location: Mirpur-12 Pallabi. Dhaka
যোগাযোগ: 01930-506357
আগামী July থেকে Open হচ্ছে আমাদের Preschool and Childcare Centre...
৬ মাস থেকে ৫বছর বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের থাকার এবং খাবারের সুব্যবস্থা সহ থাকছে সার্বক্ষণিক CC camera সুব্যবস্থা।
আমাদের Service গুলোতে থাকছে 👇
👶 intensive Infant care
👶 Preparation for School Admission
👶 After School care
👶 Play Room with motor skill learning for proper growing
👶 Singing and drawing Class
সময়: সকাল 8:00 থেকে সন্ধ্যা 6:00 টা পর্যন্ত
Location: Mirpur -12, Pallabi,Dhaka
যোগাযোগ: +880 1930-506357
Or Inbox for any inquiry
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Mirpur Pallabi
Dhaka
1216