ALL Rounder Classroom For humanity

ALL Rounder Classroom For humanity Classroom For Humanity

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে কতজন হিন্দু সম্প্রদায়ের ? আপু একটু বেশি আবেগী হয়ে গোমূত্র ও গোবর বেশি পরিমাণে ভক্ষণ করেছ...
19/09/2026

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে কতজন হিন্দু সম্প্রদায়ের ?
আপু একটু বেশি আবেগী হয়ে গোমূত্র ও গোবর বেশি পরিমাণে ভক্ষণ করেছেন মনে হচ্ছে ....

❤️ কখনো হেরেও জিতে যাওয়া যায়। ২০১০ সালে চীনের ঝেং-কাই ম্যারাথনে জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিলেন কেনিয়ার দৌড়বিদ জ্যাকুলিন নিয়...
18/09/2026

❤️ কখনো হেরেও জিতে যাওয়া যায়। ২০১০ সালে চীনের ঝেং-কাই ম্যারাথনে জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিলেন কেনিয়ার দৌড়বিদ জ্যাকুলিন নিয়েতিপেই কিপলিমো। দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর তার নজরে পড়ে অন্য এক প্রতিযোগী, যিনি পানি নেওয়ার সময় সমস্যায় পড়ছিলেন।
ওই চীনা দৌড়বিদের দুই হাতই ছিল না। ফলে পানি পানের স্টেশনগুলোতে নিজে থেকে পানি নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল।

কিপলিমো তখন একটি সিদ্ধান্ত নেন। নিজের গতি ধরে রেখে জয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বদলে তিনি ওই দৌড়বিদের পাশে থেকে দৌড়াতে শুরু করেন। পরবর্তী প্রতিটি পানির স্টেশনে তাকে পানি খেতে সাহায্য করেন।

কিপলিমোর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ কিলোমিটার থেকে ৩৮ কিলোমিটার পর্যন্ত তিনি ওই প্রতিযোগীর পাশেই ছিলেন এবং প্রতিটি স্টেশনে পানি তুলে দেন।

এই সাহায্যের মূল্যও দিতে হয়েছিল তাকে। গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি প্রথম হতে পারেননি, দ্বিতীয় হয়ে দৌড় শেষ করেন। একই সঙ্গে হাতছাড়া হয় বিজয়ীর জন্য নির্ধারিত ১০ হাজার ডলারের পুরস্কার।

পরে কিপলিমো জানান, তিনি জানতেন অন্য প্রতিযোগীকে সাহায্য করলে নিজের জয়ের সম্ভাবনা কমে যাবে। তবুও এমন একজন মানুষকে অসহায় অবস্থায় ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না।

ম্যারাথনে তিনি প্রথম হননি। কিন্তু তার সেই সিদ্ধান্ত খেলাধুলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে অন্য ধরনের এক জয়ের জন্য, যেখানে ফিনিশ লাইনের চেয়ে একজন সহযাত্রীর প্রয়োজনকে বড় করে দেখা হয়েছিল।

❤️ কখনো হেরেও জিতে যাওয়া যায়। ২০১০ সালে চীনের ঝেং-কাই ম্যারাথনে জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিলেন কেনিয়ার দৌড়বিদ জ্যাকুলিন নিয়েতিপেই কিপলিমো। দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর তার নজরে পড়ে অন্য এক প্রতিযোগী, যিনি পানি নেওয়ার সময় সমস্যায় পড়ছিলেন।

সারাদেশে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, যতগুলা হিন্দু ছেলে মুসলিম মেয়েদের সাথে প্রতারণা করেছে, তাদের অধিকাংশই খতনা করা ছিল। তারা...
17/09/2026

সারাদেশে গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, যতগুলা হিন্দু
ছেলে মুসলিম মেয়েদের সাথে প্রতারণা করেছে,

তাদের অধিকাংশই খতনা করা ছিল। তারা ভুয়া ভোটার আইডি,ভুয়া ঠিকানা, ভুয়া মুসলিম ফেসবুক আইডি ব্যবহার করেছিলো।

অনেক মুসলিম মেয়ে বছরের পর বছর একসাথে সংসার করার পরেও সে জানতো না, সে হিন্দু।

সুতরাং কাউকে বিয়ে করার আগে
ছেলের বাবা মা, গ্রামের বাড়ি পরিক্ষা করে নেন।

একটা ভুল সারাজীবনের কান্না।

জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মরিয়ম নামে সাত বছরের এক শিশুর ম র দে হ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রথম...
14/09/2026

জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মরিয়ম নামে সাত বছরের এক শিশুর ম র দে হ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রথম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধ**ণের পর হ ত্যা করা হয়। পরে ম র দে হ গু ম করার উদ্দেশ্যে একটি বসতঘরের মেঝেতে মা/টি/চা/পা দিয়ে রাখা হয়েছিল।

নি/হ/ত মরিয়ম উপজেলার চরলোটাবর এলাকার বাহাদুর মণ্ডলের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর মরিয়ম নি/খোঁ/জ হয়। বিদ্যালয়ের ছুটি শেষে অন্য শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। প্রথমে স্বজনেরা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন। পরিচিতজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে শিশুটির বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জামিনুর নামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করে। জানা যায়, বিদ্যালয়ের কাছেই তার বসতবাড়ি। পরে তাকে
আ/ট/ক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাতে চরলোটাবর এলাকায় জামিনুরের বসতঘরে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় মরিয়মের
ম/র/দে/হ উদ্ধার করা হয়। পরে ম/র/দে/হ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

রোববার বিকেলে জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা জানান, প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধ**ণের পর হ ত্যা এবং ম/র/দে/হ গু/মের উদ্দেশ্যে মা/টিচাপা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হ ত্যা মা/ম/লা করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ঘটনায় আটক জামিনুরকে গ্রে প্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা এবং হ ত্যার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কেউ জড়িত ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

একটি শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হওয়া এবং কয়েক দিন পর বসতঘরের মেঝেতে মা টিচাপা অবস্থায় ম র দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মরিয়মের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নেমে এসেছে শো্ কের ছায়া।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুরো বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। শিশুটিকে কীভাবে ওই ব্যক্তির বাড়িতে নেওয়া হয়েছিল, হ ত্যার সঠিক কারণ কী এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিল কি না—এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।


লা' থি মেরে বের করে দেওয়া একটা ব্যর্থ দ্বীপ মাত্র ৩০ বছরের মধ্যে আজ পৃথিবীর ধনী দেশ!🖤১৯৬৫ সাল। সিঙ্গাপুর যখন মালয়েশিয়া থ...
13/09/2026

লা' থি মেরে বের করে দেওয়া একটা ব্যর্থ দ্বীপ মাত্র ৩০ বছরের মধ্যে আজ পৃথিবীর ধনী দেশ!🖤

১৯৬৫ সাল। সিঙ্গাপুর যখন মালয়েশিয়া থেকে আলাদা হতে বাধ্য হয়, তখন এটি কোনো দেশই ছিলো না ছিলো এক টুকরো কাদামাটি আর বস্তিতে ভরা দ্বীপ। না ছিলো প্রাকৃতিক সম্পদ, না ছিলো খাবার পানি। তখনমালয়েশিয়া থেকে পানি কিনে আনতে হতো। চারদিকে ছিল সীমাহীন দুর্নীতি, গ্যাং কালচার, দারিদ্র্য আর চরম বেকারত্ব।

ঐদিন জাতীয় টেলিভিশনে সংবাদ সম্মেলনের সময় লি কুয়ান ইউ কেঁদে ফেলেন। তিনি সেদিন বলেছিলেন,
​"আমার সমগ্র প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে আমি দুটি ভূখণ্ডের একীকরণে বিশ্বাস করেছি... কিন্তু এখন আমি, সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করছি যে আজ থেকে সিঙ্গাপুর একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন জাতি।"
​তিনি কান্নাকে দুর্বলতায় রূপ নিতে দেননি। সংবাদ সম্মেলনের পরদিনই তিনি নিশ্চিত করেন যে সিঙ্গাপুর কারও অনুদান বা দয়ার ওপর বাঁচবে না, বরং নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হতে হবে।

সিঙ্গাপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে লি কুয়ান ইউ 'Anti-Corruption Bureau' (CPIB)-কে সীমাহীন ক্ষমতা দেন। তৎকালীন সিঙ্গাপুরের জাতীয় উন্নয়ন মন্ত্রী তেন চিয়াং ওয়ান ছিলেন লি কুয়ান ইউয়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সহযোদ্ধা। ১৯৮৬ সালে তাঁর বিরুদ্ধে মাত্র দুটি ঘু- ষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

​লি কুয়ান ইউ তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও কোনো সহানুভূতি দেখাননি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেন। বন্ধুকে বাঁচাতে তিনি একটি কলমও তুলেননি। তদন্ত শুরু হতেই সেই মন্ত্রী অপমানে ও অনুশোচনায় আত্মহ** করেন। আত্মহ***র আগে তিনি লি কুয়ান ইউকে একটি চিঠিতে লিখে যান, "স্বচ্ছ সমাজ গড়ে তোলার জন্য আপনার যে লড়াই, সেখানে আমার এই ভুলের ক্ষমা নেই।"
লি কুয়ান ইউ প্রমাণ করেছিলেন, দেশ ও সততার প্রশ্নে নিজের ছায়াকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

কোনো সরকারি অফিসারের যদি আয়ের চেয়ে বেশি গাড়ি-বাড়ি বা সম্পদ দেখা যেত, লি কুয়ান ইউ-এর আইন বলত, "তুমি দুর্নীতিবাজ, এখন কোর্টে এসে প্রমাণ করো তুমি সৎ। অর্থাৎ, সরকার কিছু প্রমাণ করবে না, অফিসার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারলে সোজা জেল!

কিছু ঘটনা বলি.......!
উই টুন বু তিনি ছিলেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং লি কুয়ান ইউ-এর পিপলস অ্যাকশন পার্টির একজন প্রভাবশালী নেতা। ইন্দোনেশিয়া সফরের সময় একজন ব্যবসায়ী তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে বিনামূল্যে এয়ার টিকিট দেন এবং একটি বাংলো উপহার দেন। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে লি কুয়ান ইউ তাকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেন।

​তান কিয়াং চিয়োং তৎকালীন সংসদ সদস্য ও শ্রমিক ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতা এনটিইউসি-র তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। লি কুয়ান ইউ ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্ট জারি রাখেন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০১৫ সালে তিনি আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়।

দেশ চালাতে গিয়ে নিজের রক্তের ভাই বা প্রাণের বন্ধুকেও ছাড় দেননি লি কুয়ান। তার মেসেজ ছিলো ক্লিয়ার, দুর্নীতি করলে ছাড় নাই, সে মন্ত্রী হোক আর রাজাই হোক।

প্রেসিডেন্ট লি কুয়ান জানতে, দেশ চালাতে গিয়ে শুধু নীতিবাক্য দিয়ে পেট ভরে না। তাই তিনি সরকারি অফিসার ও মন্ত্রীদের বেতন একলাফে করপোরেট সিইও-দের লেভেলে বাড়িয়ে দিলেন!
তাঁর বিখ্যাত একটা উক্তি ছিল, "আপনি যদি কম বেতন দিয়ে ভাবেন সৎ লোক পাবেন, তবে ভুল ভাবছেন। কম বেতন দিলে সিস্টেমে বানর আসবে, যোগ্য মানুষ আসবে না।"
ফলাফল, বিশ্বের সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট ব্রেনগুলো সরকারি চাকরিতে যোগ দিলো, ঘুষ নেওয়ার চিন্তাই কেউ করলো না!

​মালয়েশিয়া যখন-তখন পানি বন্ধের হুমকি দিতো। লি কুয়ান ইউ ড্রেন ও বর্জ্যের পানিকে হাই-টেক প্রযুক্তিতে রিফাইন করে ১০০% মিনারেল ওয়াটারের চেয়েও বিশুদ্ধ বানিয়ে ফেললেন। প্রতিবেশীদের ব্ল্যাকমেইল করার অপশন এক ঝটকায় শেষ।

গ্যাং কালচার বন্ধের জন্য তিনি সবাইকে সরকারি ফ্ল্যাট দিলেন, কিন্তু নিয়ম করে দিলেন একই বিল্ডিংয়ে চীনা, মালয়ী আর ভারতীয়দের একসাথে থাকতে হবে। আলাদা কোনো বস্তি বা গ্যাং বানাতে দেওয়া হয়নি। সবাই এক ছাদের নিচে বড় হলো, জাতপাত আর দাঙ্গা চিরতরে গায়েব!

এই ঘটনাগুলো থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। দুর্নীতি দমন শুরু করতে হয় ওপরের লেভেল থেকে, সাধারণ জনগণকে হেনস্থা করে নয়।পেটে ক্ষুধা রেখে আর কম বেতন দিয়ে কারও থেকে ১০০% সততা আশা করা বোকামি।
​আজ ১৯৬৫ সালের সেই মশার কামড় খাওয়া, বস্তিতে ভরা সিঙ্গাপুর পৃথিবীর অন্যতম ধনী, নিরাপদ আর ১০০% দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র!
​ইচ্ছা আর লিডারশিপ কঠোর হলে একটা কাদামাটির টুকরাকেও যে স্বর্ণে রূপান্তর করা যায়, লি কুয়ান ইউ তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। 🖤

লেখা ~ Diary of She

10/09/2026



08/09/2026





নলছিটিতে মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ৩৫ হাজার টাকায় কিডনি বিক্রি করতে ক্লিনিকেমায়ের চুরি যাওয়া ৩১ হাজার টাকা মেয়ে নিয়ে...
07/09/2026

নলছিটিতে মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ৩৫ হাজার টাকায় কিডনি বিক্রি করতে ক্লিনিকে

মায়ের চুরি যাওয়া ৩১ হাজার টাকা মেয়ে নিয়েছে সন্দেহে গরম খুনতি দিয়ে হাতে ছ্যাঁকা দেওয়ার পরও আজকের মধ্যে টাকা না দিলে পুনঃরায় ছ্যাঁকা দেওয়ার হুমকিতে।

মেয়েটি ভয়ে টাকার জন্য ক্লিনিকে কিডনি বিক্রি করতে গেছে।
মমতাময়ই মা আজ সন্তান কে এমন করে তা হলে সন্তান কার কাছে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকবে।

📚 SSC সাধারণ গণিত — সকল গুরুত্বপূর্ণ সূত্র একসাথে! 🧮✨গণিতের সূত্র মনে রাখতে সমস্যা হচ্ছে? 😰তাহলে এই পোস্টটি Save করে রাখ...
04/09/2026

📚 SSC সাধারণ গণিত — সকল গুরুত্বপূর্ণ সূত্র একসাথে! 🧮✨

গণিতের সূত্র মনে রাখতে সমস্যা হচ্ছে? 😰
তাহলে এই পোস্টটি Save করে রাখুন এবং প্রয়োজনের সময় বারবার দেখে নিন। ❤️

📌 SSC সাধারণ গণিত বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো অধ্যায়ভিত্তিক একসাথে সাজানো হয়েছে—
✅ বীজগাণিতিক সূত্র
✅ সূচক ও লগারিদম
✅ সমীকরণ
✅ অনুপাত ও সমানুপাত
✅ লাভ-ক্ষতি
✅ শতকরা
✅ পরিমিতি
✅ জ্যামিতি
✅ ত্রিকোণমিতি
✅ পরিসংখ্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ সূত্র

🎯 SSC পরীক্ষার প্রস্তুতিতে এই সূত্র নোটটি হতে পারে আপনার দ্রুত Revision-এর সঙ্গী।

👉 পোস্টটি Save করুন, বন্ধুদের সাথে Share করুন এবং SSC পরীক্ষার্থী বন্ধুদের Tag করুন।
❤️ ভালো লাগলে Page-টি Follow করে পাশে থাকুন।

িত #সাধারণগণিত #গণিতসূত্র #গণিতভীতি_দূর_হোক

কুখ্যাত জেনারেল জিয়া কোন রিমান্ড ছাড়া নিজ মুখে ১,৩৩৮ জনকে নিজ হাতে হত্যার কথা শিকার করেছে। এই জল্লাদ গুলি করার আগে যমটুপ...
04/09/2026

কুখ্যাত জেনারেল জিয়া কোন রিমান্ড ছাড়া নিজ মুখে ১,৩৩৮ জনকে নিজ হাতে হত্যার কথা শিকার করেছে। এই জল্লাদ গুলি করার আগে যমটুপি খুলে নিতো। তাকে একবার নৌকার মাঝি জিজ্ঞাসা করেছিল, স্যার টুপি খুলেন কেন, তার উত্তর ছিল মাথায় ঠিকঠাক জায়গায় গুলি না লাগলে মরতে সময় লাগে অনেক্ষণ। খুব কাছ থেকে গুলি করলে মগজ আর রক্ত ছিটে এসে হাতে লাগতো। সেজন্য জিয়া নৌকায় বালিশ রাখতে বলতো। বালিশে মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করতো।পিশাচ জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়া এক র‍্যাব অফিসার বলেছেন— একবার তাকে তার সিনিয়র ফোন করে বললো জিয়াউল আহসান আসবে, নৌকা রেডি রাখতে। নৌকায় ৩ জন তরুণকে উঠিয়ে সে নিয়ে গেলো নদিতে। তারপর জিয়া তাকে বললো মাথায় শুট করতে। এই র‍্যাব অফিসার তাদেরকে চেনেনা, অপরাধী কিনা জানে না, এই বলে গুলি করতে অস্বীকার করে। তখন জিয়া তাদের প্রথম জনকে মাথায় গুলি করে। শরীরের সাথে ইটের বস্তা বেধে পেট কেটে নদীতে ফেলে দেয়। ২য় জনকে ইনজেকশন পুশ করে, সে তাৎক্ষণিক মারা যায়। তাকেও সেইম কায়দায় পেট কেটে নদিতে ফেলে দেয়। ৩য় জনকে গুলি করে হত্যা করে। এবং পেট কেটে শরীরে ইটের বস্তা বেধে তারপর নদীতে ফেলে দেয়। জিয়া সাধারণত খুন করতো মাঝ নদীতে। যেন কোনো প্রমান না থাকে। একইভাবে সকলের পেট কেটে ইটের বস্তা বেধে দিতো শরীরের সাথে। যেন লাশ ভেসে না উঠে। জিয়া শুধু বেসামরিক মানুষকেই গুম খুন করেনি। সামরিক অফিসারদেরকেও গুম খুন করেছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর প্রত্যক্ষ সাক্ষী অনেক অফিসারকেই গুম করে খুন করেছে সে।পিলখানা হত্যাকান্ডের তদন্তকারীরা একজন প্রত্যক্ষদর্শী অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুঁজছিলেন, তখন জিয়া তাদেরকে বলেছিল— “ওকে খুঁজতেসেন কেন? ওকে খুঁজবেন না, ও সুন্দরবনে মাছের পেটে আছে। ওকে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হইছে।” যখন তারে জিজ্ঞাসা করা হলো কেন এই কাজ করেছে সে। তার উত্তর ছিল “নাম্বার ওয়ানের (হাসিনা) আদেশেই করা হয়েছে।”জেনারেল জিয়াউল হক্ব পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একজন সিরিয়াল কিলার যে নিজ হাতে ১ হাজার মানুষকে খুন করেছে। সঠিকভাবে বললে সংখ্যাটা ১০২৭ জন। বিশ্বের অন্যতম ভয়ানক সিরিয়াল কিলার হিসেবে যার কুখ্যাতি রয়েছে, কলম্বিয়ার পেদ্রো লোপেজের খুনের সংখ্যা হইলো ২০০ জন। যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত কিলার H.H HOLMES খুন করেছিল ২০০ জনকে। তবে আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মিলেছে মাত্র ২৭ জনের। অন্যদিকে বাংলাদেশের জেনারেল জিয়াউল আহসান একাই খুন করেছে ১০২৭ জনকে। ক্যাম ইউ ইমাজিন?? পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত নাম্বার ওয়ান সিরিয়াল কিলার হইলো এই দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসে থাকা জেনারেল জিয়া। এই খুন করেছে আপনার আমার পয়সায় কেনা লিথেল উইপেন, ভেইকেল, আর সমরাস্ত্র ব্যবহার করে। আজ সংবাদে দেখলাম জিয়া তদন্তকারীদের প্রশ্নের বিপরীতে বলেছে “নো গিল্টি” অর্থাৎ এতগুলো খুন করেও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। জিয়া বরাবরেই মতোই আদালতে আসতো হাসিমুখে, করতো ঔদ্ধত্য আচরণ। এবং এমন একজন সিরিয়াল কিলারের কোনো হ্যান্ডকাফ কিংবা ডান্ডাবেরি ছিল না। এই প্রথম তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, সরকার এই খুনীদের বিচার করে দেশবাসীকে সস্তি দেবেন। অন্যথায় এই জিয়ারা একদিন মুক্তি পেয়ে তারেক রহমানকেও খুন করতে এক সেকেন্ড ভাববে না। কেউ যদি পারেন উইকিপিডিয়ায় সিরিয়াল কিলারদের তালিকাটা আপডেট করে দিয়েন। সেখানে ১ নাম্বারে জিয়ার অন্য, ২য় নাম্বারে ওসি প্রদিপ (টেকনাফে কর্তব্যরত অবস্থায় ২২ মাসে ২০৪ খুন) এর নাম বসায়ে দিয়েন। জিয়াউলের খুনের ফিরিস্তি!কারা নিরাপত্তা দবে…..?????

Address

Road :01, Sector: 10, Uttara
Dhaka

Telephone

+8801676530026

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALL Rounder Classroom For humanity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ALL Rounder Classroom For humanity:

Shortcuts

Share