08/07/2024
হযরত আবু দারদা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন যে ব্যাক্তি সকাল সন্ধ্যা (৭) সাত বার কোরিয়া حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَعَلَيْهِ تَوَكَّلْتُوَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ পাঠ করিবে তাহার দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত চিন্তা ভাবনা ও পেরেশানীর জন্য আল্লাহপাকই সমাধানকারী হইয়া যাইবে।
এর গূঢ় রহস্য :
আল্লাহ্পাক এই ছোট্ট আয়াত পাঠকারীর দুনিয়া ও আখেরাতের সকল চিন্তাভাবনার যিম্মাদার হওয়ার এক রহস্য রহিয়াছে। রহস্য এইযে বান্দা ইহাতে আল্লাহ তালাকে মহান আরশের মালিক বলিয়া স্বতুস্ফূর্ত ঘোষণা প্রদান করে। আর আরশে আযীম হইলো জগতকুলের মারকায বা মূল কেন্দ্র , যেই কেন্দ্র হইতে দুনিয়া ও আখেরাতের সকল বিষয়ের ফয়সালা হইয়া থাকে। আর বান্দা যখন আল্লাহ তালাকে মহান আরশের মালিক বলিয়া স্বতুস্ফূর্ত ঘোষণা কোরিয়া তাহার সঙ্গে সম্পর্ক কোরিয়া লয় তখন সে মহান আরশের মালিক আল্লাহতালার আশ্রয় প্রাপ্ত হইয়া যায়। এমত অবস্থায় সমস্ত চিন্তা ভাবনা ও পেরেশানীর জন্য আল্লাহপাকই তাহার সমাধানকারী হইয়া যায়।
ইবনে নাজ্জার তাহার স্বরচিত ইতিহাস গ্রন্থে হজরত হোসাইন (রাঃ) বরাতে লিখিয়াছেন, যে ব্যাক্তি সকাল বেলা হাসবিয়াল্লাহ (পূর্ণ ) সাতবার পাঠ করিবে, সে ঐদিন এবং ঐ রাতে কোনোও প্রকার বাঁচাইনি ও মুসিবতে পতিত হইবেনা এবং পানিতেও ডুবিবেনা।
la ilaha illa hu
21/08/2023
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,
কেয়ামতের দিন সর্ব প্রথম নামাজের হিসাব লওয়া হবে।
যদি উহা উত্তম ও পরিপূর্ণ পাওয়া যায়, তবে তাহার অন্যান্য আমলও সঠিক বলিয়া গণ্য হইবে।
আর যদি উহা খারাপ হয় তবে তাহার অন্যান্য আমলও খারাপ বলিয়া গণ্য হইবে।
30/09/2022
হজরত মালেক বিন ইয়াসার (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যাক্তি সকাল বেলা ৩বার আউযুবিল্লাহিস ছামি ইল আলিমিমিনাস সাইতনির রাজিম পাঠকরিয়া সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত একবার পাঠ করে, আল্লাহতালা তাহার জন্য সত্তর হাজার ফেরেস্তাকে নিযুক্ত করেন যাহারা সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাহার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিতে থাকিবে। এমন কি সেই দিনে যদি তাহার মৃত্যু হইয়া যায়, তা হইলে সে শহীদের মর্যাদা লাভ করিবে।
অনুরূপ ভাবে যে ব্যাক্তি সন্ধ্যা বেলা উক্ত নিয়মে এই আমল করিবে আল্লাহতালা তাহার জন্য সত্তর হাজার ফেরেস্তাকে নিযুক্ত করেন যাহারা সন্ধ্যা হইতে সকাল পর্যন্ত তাহার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিতে থাকিবে। এমন কি সেই রাত্রে যদি তাহার মৃত্যু হইয়া যায়, তা হইলে সে শহীদের মর্যাদা লাভ করিবে।
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত বাংলা উচ্চারণ সহ যেভাবে পড়তে হবে।
আউযুবিল্লাহিস সামী ইল আলীমি মিনাস সাই তোনির রাজীম।
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ
“হুআল্লাহুল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লা হু, আলিমুল গয়বি ওয়াশ শাহাদাতী হুওয়ার রাহমানুর রাহীম।
هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ
হুআল্লাহুল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লা হু। আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল ম্যু মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। ছুব হানাল্লাহী আম্মা ইউশরিকুন।
هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْأَسْمَاء الْحُسْنَى يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
আল্লাহতালা আমাদের সইবেক এই আয়াত গুলো সকাল সন্ধ্যা নিয়মিত ভাবে আমল করার তৌফিক দান করুক।