11/04/2023
মাদারবোর্ডের বায়োস (Bios) কী?
BIOS এর পুরো নাম হল Basic Input-output System। BIOS সর্বপ্রথম ডেভেলপ করেন Gary Kildall (1974)। Gary Kildall CP/M অপারেটিং সিস্টেমের সহিত প্রথম BIOS ডেভেলপ করেন।
BIOS আসলে কী?
BIOS অর্থাৎ বেসিক ইনপুট আউটপুট সিস্টেম হল মাদারবোর্ড এর উপর সংযুক্ত একটি ROM chip, BIOS আপনার কম্পিউটারের কিছু বেশ সাধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।
BIOS এর মধ্যে যেগুলি থাকে:
BIOS এর মধ্যে বেশ কিছু ইনস্ট্রাকশন Pre-load করা থাকে। যেই ইনস্ট্রাকশন গুলির সাহায্যে BIOS বুঝতে পারে কিভাবে সে কম্পিউটার স্টার্ট এর সময় Basic হার্ডওয়ার গুলিকে নিয়ন্ত্রণ করবে। এছাড়াও BIOS তার মধ্যে স্টোর থাকা ইনস্ট্রাকশন এর মাধ্যমে প্রতিবার যখন কম্পিউটার স্টার্ট হয় তখন সব হার্ডওয়ার গুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে নাকি চেক করে।
BIOS এর কাজ:
BIOS এর প্রধানত চারটি কাজ থাকে যেগুলি হল:
Boot-strap Loader:
যখন কম্পিউটার স্টার্ট হয় তখন BIOS অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল লোকেশন Fetch করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে RAM এর মধ্যে লোড করে এবং কন্ট্রোল করে।
Post Checking:
কম্পিউটার Reboot হওয়ার পর BIOS সমস্ত হার্ডওয়ার কে চেক করে এবং দেখে সেইগুলি নির্দিষ্ট নিয়মে স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে কিনা। যদি কোনো হার্ডওয়ার সঠিক ভাবে কাজ না করে তাহলে BIOS ওই তথ্য User কে প্রদান করে ডিসপ্লে বা বিপ সাউন্ড এর মাধ্যমে।
BIOS Drivers Control:
বেশ কিছু Low-level drivers যেইগুলো আপনার সিস্টেমের সাধারণ কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে, সেইগুলি BIOS নিয়ন্ত্রণ করে।
System Setup:
BIOS এর মাধ্যমে আপনি কোনো অ্যাপ্লিকেশন Configure করতে পারেন। এছাড়াও কোন অপারেটিং সিস্টেম আপনি ব্যাবহার করবেন সেটিও নির্দিষ্ট করতে পারেন। এছাড়া এডমিন পাসওয়ার্ড, এডমিন আইডি ইত্যাদি Configure করতে পারেন।
09/04/2023
Xiaomi 13 Ultra লঞ্চের দিনক্ষণ ফাঁস, শাওমির সবচেয়ে অত্যাধুনিক ফোন কবে আসছে জানুন
চলতি মাসেই বহু প্রতীক্ষিত Xiaomi 13 Ultra লঞ্চ হতে চলেছে। এটি স্ট্যান্ডার্ড, প্রো এবং লাইট মডেল সমন্বিত Xiaomi 13 সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক ফ্ল্যাগশিপ ফোন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। যদিও সংস্থার তরফে Ultra ভ্যারিয়েন্টের লঞ্চের তারিখ অফিশিয়ালি হয়নি। তবে চীনের একটি অনলাইন রিটেলার অ্যাপ থেকে লঞ্চের সম্ভাব্য দিনক্ষণ ফাঁস করে দিয়েছে।
Xiaomi 13 Ultra লঞ্চের সম্ভাব্য তারিখ ফাঁস হল
চীনের একটি সুপরিচিত অনলাইন রিটেলার স্টোর অ্যাপের বিশেষ সেকশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ‘শাওমির নতুন প্রোডাক্ট লঞ্চ’ ইভেন্টটি আগামী ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭ টায় (স্থানীয় সময়) অনুষ্ঠিত হবে। যদিও, এতে শাওমি ১৩ আল্ট্রা সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে এটি গত মাসের একটি রিপোর্টের সাথে সামান্য সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে একটি ফাঁস হওয়া পোস্টার তুলে ধরে দাবি করা হয় যে, নয়া শাওমি ফোনটি আগামী ১৭ এপ্রিল উন্মোচিত হবে। এগুলি দেখে আশা করা করা হচ্ছে, শাওমি শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে শাওমি ১৩ আল্ট্রা-এর লঞ্চের নির্দিষ্ট তারিখটি প্রকাশ্যে আনবে।
জানিয়ে রাখি, শাওমি ১৩ সিরিজের মতো, ব্র্যান্ডটি আসন্ন শাওমি ১৩ আল্ট্রা-এর জন্য জনপ্রিয় ক্যামেরা লেন্স প্রস্তুতকারক লাইকা (Leica)-এর সাথে পার্টনারশিপ করছে। এর অর্থ হল, আসন্ন ফ্ল্যাগশিপটি উন্নত ফটোগ্রাফি ক্ষমতার জন্য লাইকা দ্বারা টিউন করা বিশেষ ক্যামেরা সেটআপ অফার করবে। স্মার্টফোনটি চীনের পাশাপাশি বিশ্ব বাজারেও আত্মপ্রকাশ করবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আজই একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে যা থেকে জানা যাচ্ছে যে Xiaomi 13 Ultra-এ একটি নতুন ইউএসবি ৩.x কানেক্টিভিটি পোর্ট ব্যবহার করা হতে পারে। তথ্যটি সত্যি হলে, এই ফোনটিই হবে প্রথম শাওমি স্মার্টফোন যা তাদের পুরানো ইউএসবি ২.০ স্ট্যান্ডার্ডটিকে প্রতিস্থাপন করবে। আসন্ন ফ্ল্যাগশিপটি এলপিডিডিআর৫এক্স র্যাম এবং ইউএফএস ৪.০ স্টোরেজ সহ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮ জেন ২ দ্বারা চালিত হবে। এটি ৯০ ওয়্যার্ড এবং ৫০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করবে বলেও জানা গেছে।
07/04/2023
হঠাৎ ল্যাপটপে ডিসপ্লে আসেনা! এখন কি করবেন ?
ল্যাপটপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহৃত ডিভাইস সমূহের মধ্যে অন্যতম। ল্যাপটপ ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই। সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কিছু Basic বিষয় জানা থাকলে আমরা নিজেরাই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারি।
ল্যাপটপের সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে – হঠাৎ ডিসপ্লে না আসা।
ডিসপ্লে না আসলে প্রাথমিক ভাবে আমরা কয়েকধাপে কয়েকটি বিষয় চেক করতে পারি। যেমন –
১। ভালোভাবে চার্জার কানেক্ট করে পাওয়ার আছে কিনা দেখতে হবে অথবা পাওয়ার লাইট জ্বলে কিনা ?
২। কী বোর্ড এর ক্যাপ্স লক জ্বলে কি না ?
৩। চার্জার ভালোভাবে লাগাবো অথবা চার্জার লাইট জ্বলে কিনা ?
৪। ব্যাটারি খুলে আবার ভালোভাবে লাগিয়ে একবার পাওয়ার সুইচ চাপ দিয়ে কিছু সময় নিয়ে দেখুন।
৫। সম্ভব হলে রাম খুলে রাবার দিয়ে মুছে আবার ভালো করে সাবধানে Slot সাথে মিলিয়ে সেট করুন।
৬। আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড থাকলে এটাও একই ভাবে স্লট থেকে খুলে হালকা ভাবে ব্রাশ বা রাবার দিয়ে মুছে আবার লাগিয়ে দেখতে পারি।
৭। ডিসপ্লে ইউনিট বারবার উপরে উঠানো / নামানো যায়।
৮। লাইট দিয়ে ডিসপ্লে চেক করে দেখা যায় , ডাটা অথবা কোন লেখা দেখা যাচ্ছে কি না ?
৯। উপরোক্ত বিষয়ে কার্যকর না হলে হার্ডওয়্যার প্রবলেম হতে পারে ভেবে নিব।
১০। হার্ডওয়্যার এর বিষয় ভালো অভিজ্ঞতা না থাকলে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিন । অন্যথায় পার্ট ব্যতিক্রমভাবে সেট করা হলে পার্ট / মাদারবোর্ড ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
04/04/2023
মাদারবোর্ড নষ্ট হবার লক্ষণ কী ?
কম্পিউটারে মাদারবোর্ড খুব গুরুত্বর্পূণ একটি জিনিষ। অবশ্যয় নাম শুনেই বুঝতে পারছেন তাঁর গুরুত্বটা কতটুকু।
মাদারবোর্ডেই পিসির অন্যান্য ডিভাইসের/যন্ত্রের সংযোগ। কম্পিউটার হলো এমন একটি জিনিস যেখানে একটা ইন্টার্নাল সমস্যার করনে আপনার পিসিটাই শেষ। অন হবেনা, যতক্ষন না সে সম্যাটা চিহ্নিত করে সমাধান না করেন। যাই হোক, এবার মূল প্রশ্নে আসি। মাদারবোর্ড নষ্ট হওয়ার অনেক লক্ষন থাকতে পারে।
যেমন-
১। মাদারবোর্ডে সিপিউ (প্রসেসর ) সকেটে কিছু পিন রয়েছে। এসব পিনের সাথে প্রসেসর আর মাদারবোর্ডের সংযোগ হতে না পারলে। কম্পিউটার অন হবে না। হলেও কিছুক্ষন পর অপ হয়ে যাবে। আগেই বলেছিলাম একটা জিনিষের অনুপস্থিতিতে আপনার পিসিটা অন হবেনা। যেহেতু পিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের ( প্রসেসর) অনুপস্থিত থাকতেছে। তাই আপনার পিসি অন হবেনা।
২। র্যামের সলেট নষ্ট। যেহেতু মাদারবোর্ডের সাথে সব ডিভাইসের সংযোগ থাকে। তাই র্যামেরও সংযোগ রয়েছে। কিন্তু মাদারবোর্ডর র্যাম সলেটে যদি কোনো পিনের সমস্য হয় তাহলে পিসি অন হবেনা। মাদারবোর্ড পরিবর্তন করতে হবে।
14/09/2022
মৃত্যুর খুব কাছে দাঁড়িয়ে আমাদের ভবিষৎ পরিকল্পনা শুনছে...
31/08/2022
হারিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এখন আর সন্ধ্যার পর এক জনের পড়া শুনে আরেকজন পাল্লা দিয়ে বই পড়ে না। কোন মা-বাবা তার সন্তানকেও বলে না যে অমুক পড়তেছে তুই বসে আছিস!
অথচ ৫/১০ বছর আগেও সন্ধ্যার পর চারপাশ থেকে বিভিন্ন স্বর ভঙ্গিতে বই পড়ার আওয়াজ শোনা যেত। পরীক্ষা কাছাকাছি থাকলে তো কথাই নেই। কোন সহপাঠী বন্ধু দিনে ও রাতে কতক্ষণ পড়ালেখা করে গোপনে খোঁজ নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করা হত।
সবচেয়ে খারাপ ছাত্রটিও রাত-দিন পড়তো। যে কোন বোর্ড পরীক্ষার আগে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ার চর্চাটাও আর নেই। এ চর্চাটার জন্যই অ্যালার্ম ঘড়ির আলাদা একটা কদর ছিল।
বোর্ড পরীক্ষার আগে প্রত্যাশা ,পাঞ্জেরী, শিওর সাকসেস, টপ ব্রিলিয়ান্ট সাজেশন্সেরও খুব কদর ছিল। আগের বছর পাশ করা ভাই বোনদের কাছে সাজেশনস নিয়ে চুল ছেঁড়া বিশ্লেষণ চলতো।
মাত্র ৫/১০ বছরের ব্যবধানে সবই প্রায় বিলীন হয়ে গেল। সন্ধ্যার পর এখন দল বেঁধে নামধারী ছাত্ররা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কোথাও কোন পড়ার শব্দ নেই। গ্রূপ চ্যাটিং, অনলাইন/অফলাইন গেমস,পাব্জি, ফ্রী ফায়ার, টিকটক,চুলের বিভিন্ন স্টাইল কার্টিং করে পাড়া-মহল্লায় ও বাজারে আড্ডাবাজি,গ্রুপিং করা, শিক্ষা গুরুর সাথে বেয়াদবী, শিক্ষককের নামে মিথ্যাচার করা, নিয়ম ভাঙ্গা, বেয়াদবী এগুলোই এখন তাদের পছন্দের তালিকা।
আমরা কি কখনো আগের মতো পড়ার শব্দ শুনতে পাব??
হয়তবা হ্যাঁ,
সেই অপেক্ষায় রইলাম ................