জেনে নিন দ্বীপ সম্পর্কিত কিছু তথ্য :
০১. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? => বাংলাদেশ
০২. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? => সুন্দরবন
০৩. বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি? => ভোলা
০৪. দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা কোনটি? => ভোলা
০৫. বৃহত্তম দ্বীপ ভোলার আয়তন কত? => ৩,৪০৩ বর্গ কি.মি.
০৬. বাংলাদেশের প্রধান প্রধান দ্বীপসমূহ কী কী? => সেন্টমার্টিন, ভোলা, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সোনাদিয়া, দক্ষিণ তালপট্টি, ছেঁড়াদ্বীপ
০৭. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ কোনটি? => ছেঁড়াদ্বীপ ছেঁড়াদ্বীপ না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে
০৮. সেন্টমার্টিন দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? => কক্সবাজার জেলার টেকনাফ সমুদ্র উপকূল হতে ৩৭ কি.মি.দক্ষিণে
০৯. সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন কত? => ১২ বর্গ কি.মি
১০. সেন্টমার্টিন দ্বীপের আরেক নাম বা পুরাতন নাম কী? => নারিকেল জিঞ্জরা
১১. বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ কোনটি? => সেন্টমার্টিন
১২. সেন্টমার্টিন দ্বীপে বসবাসরত জনসংখ্যা কত? => ৪,০০০ জন
১৩. সেন্টমার্টিন দ্বীপ কেন বিখ্যাত? => পর্যটন কেন্দ্র, মৎস্য আহরণ, চুনাপাথর, খনিজ পদার্থ (কালো সোনা) প্রভৃতির জন্য
১৪. ছেঁড়াদ্বীপ কোথায় অবস্থিত? => সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থিত
১৫. ছেঁড়াদ্বীপের আয়তন কত? => ৩ বর্গ কি.মি.
১৬. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ও দ্বীপ কোনটি? => ছেঁড়াদ্বীপ
(২০০০ সালের অক্টোবর মাসে এই দ্বীপটির সন্ধান পাওয়া যায়
বর্তমানে ছেঁড়াদ্বীপ হবে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ও দ্বীপ
যদি প্রশ্নে ছেঁড়াদ্বীপ না থাকে তাহলে সেন্টমার্টিন হবে
) ১৭. নিঝুম দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? => বঙ্গোপসাগরের বুকে হাতিয়া হতে প্রায় ৯৭ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থিত
১৮. নিঝুম দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত? => মেঘনা নদীর মোহনায়
১৯. নিঝুম দ্বীপ এর আয়তন কত? => ৯১ বর্গ কি.মি. (প্রায়)
২০. নিঝুম দ্বীপের পুরাতন নাম কী? => বাউলার চর
২১. নিঝুম দ্বীপ কেন বিখ্যাত? => মৎস্য আহরণ এবং সমুদ্র সৈকত, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী অঞ্চল এবং অতিথি পাখির আগমনের জন্য
২২. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোন জেলায় অবস্থিত? => সাতক্ষীরা জেলায়
২৩. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত? => হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
২৪. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অন্য নাম কী? => নিউমুর বা পূর্বাশা
২৫. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের আয়তন কত? => ৮ বর্গ কিলোমিটার
২৬. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে কোন দুটি দেশের মধ্যে? => বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে
২৭. ভারতীয় নৌ-বাহিনী জোরপূর্বক দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি দখল করে নেয় কবে? => ১৯৮১ সালে
২৮. বাংলাদেশের সক্রিয় ব-দ্বীপ অঞ্চল কোনটি? => বৃহত্তর ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চল
২৯. বাংলাদেশের মৃতপ্রায় ব-দ্বীপ কোনটি? => যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চল
৩০. বাংলাদেশের কোথায় সক্রিয় ব-দ্বীপ আছে? => নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে
৩১. অপরিপক্ক দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? => মেঘনা নদীর মোহনায়
৩২. অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে গঠিত বনাঞ্চল কোনটি? => সুন্দরবন
৩৩. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি? => মহেশখালী
৩৪. বাংলাদেশের কোন দ্বীপে মন্দির রয়েছে? => মহেশখালী দ্বীপে (আদিনাথ মন্দির)
৩৫. মনপুরা দ্বীপ কোথায় অবস্থিত? => ভোলা জেলায়
(মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমস্থল থেকে ৭.২ মাইল উত্তরে অবস্থিত)
৩৬. মনপুরা দ্বীপে কারা বাস করুনত? => পর্তুগিজরা
৩৭. ‘সোনাদিয়া দ্বীপ’ কোথায় অবস্থিত? => কক্সবাজারের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের গভীরে জেগে ওঠা দ্বীপ
৩৮. ‘সোনাদিয়া দ্বীপ’ কেন বিখ্যাত? => মৎস্য আহরণ এবং অতিথি পাখির জন্য
৩৯. ‘এলিফ্যান্ট পয়েন্ট’ কোথায় অবস্থিত? => কক্সবাজার জেলায়
৪০. ‘হিরণ পয়েন্ট’ ও ‘টাইগার পয়েন্ট’ কোথায় অবস্থিত? => সুন্দরবনের দক্ষিণে
৪১. ‘শাহবাজপুর দ্বীপ’ বর্তমানে কী নামে পরিচিত? => ভোলা
৪২. বাংলাদেশের কোন দ্বীপ বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত? => কুতুবদিয়া
৪৩. কৃত্রিম উপায়ে বঙ্গোপসাগরে চর জাগানো সম্ভব কিভাবে? => ক্রস ড্যাম পদ্ধতিতে
৪৪. সন্দ্বীপ কেন বিখ্যাত? => প্রাচীনকালে সামুদ্রিক জাহাজ তৈরি করা হতো বলে
Varsityr Porashuna - ভার্সিটির পড়াশোনা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Varsityr Porashuna - ভার্সিটির পড়াশোনা, Education, Dhaka-1216.
আমাদের ফেইসবুক পেইজ , গ্রুপ এবং ইউটিউব চ্যানেল এর লিঙ্ক সমূহ -
ভার্সিটির পড়াশোনা গ্রুপ লিংক - https://www.facebook.com/groups/varsityrporashuna/
ভার্সিটির পড়াশোনা পেইজ লিংক- https://www.facebook.com/varsityrporashuna/
ভার্সিটির পড়াশোনা ইউটিউব চ্যানেল লিংক- https://www.youtube.com/channel/UCn_V2JxMstSYeK8OzzQ4Liw
রঙ বেরং পেইজ লিংক - https://www.facebook.com/Rong-Berong-%E0%A6%B0%E0%A6%99-%E0%A6%AC%
সংবিধান মুখাস্ত করুন মাত্র ১ ঘন্টায়
আজ আপনাদের জন্য থাকছে সংবিধান মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক । সংবিধান মনে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধান থেকে সব ধরনের পরীক্ষায় প্রায় সবসময়য়ই প্রশ্ন আসতে দেখা যায়।কিছু শর্টকাট টেকনিক ফলো করলে সহজেই আপনি সংবিধান মনে রাখতে পারবেন।চলুন জেনে নেই সংবিধান মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক।
☼ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনার করনীয়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
১। প্রথমেই সংবিধান প্রনয়ন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য মনে রাখুন যেমন-কবে সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়, কতজন সদস্য ছিলেন, একমাত্র মহিলা সদস্যের নাম, তখনকার আইনমন্ত্রী এবং সংবিধান প্রনয়ন কমিটির সভাপতি, কতটি মীটিং করেছিলেন তারা, কতদিন লেগেছিল সংবিধান প্রনয়ন করতে, কবে এটি কার্যকর হয়, কে এতে সাক্ষর করেন নি ইত্যাদি। এই তথ্য গুলো আপনি রচনামূলক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে ব্যবহার করতে পারবেন।
২। এরপর জেনে নিন সংবিধানের ভাগ গুলো এবং এই ভাগের মধ্যকার অনুচ্ছেদ গুলো। যেমন-
প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র (অনুচ্ছেদ- ১ থেকে ৭)
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে ২৫)
এইভাবে আপনি ১১টি ভাগের অনুচ্ছেদগুলো মনে রাখুন। এই তথ্য গুলো আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। কোন কারনে যদি ভুলে যান, সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ এ কি আছে তখন কমপক্ষে ধারনা করতে পারবেন কোন ভাগে এটি পড়েছে।
৩। এরপর প্রত্যেক অনুচ্ছেদ এর শিরোনাম গুলো মুখস্ত করুন।
৪। এরপর অনুচ্ছেদ গুলো ভালভাবে পড়ুন। বার বার পড়ুন। কোন বন্ধুর সাথে আলাপ করুন “বলতো আইনের দৃষ্টিতে সমতা এটি কোন অনুচ্ছেদ এ আছে?” প্রথম বার না পারলেও সমস্যা নেই। আস্তে আস্তে দেখবেন আপনি ঠিকই বলতে পারছেন।
৫। নিজে নিজে একাকী মনে করার চেষ্টা করুন কোন অনুচ্ছেদ এ কি আছে। ভুলে গেলে ভাববেন না সব শেষ। বরং চিন্তা করবেন আরো ভালো ভাবে পড়তে হবে!! সব সময় হাতের কাছে পকেট এডিশনের সংবিধান সাথে রাখুন। গল্পের বই (!!!!!!) মনে করে পড়ুন।।
কী পড়তে হবে- এই বিষয়ে অনেক কিছু বললাম। এই বার আসি মূল আলোচনায়।
আমি হুবহু মুখস্ত করার জন্য প্রথমেই বলব প্রস্তাবনাটাকে। কারন এই প্রস্তাবনা অনেক বার সংশোধিত হয়েছে। আবার, সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন আসলে চেষ্টা করবেন ভূমিকা হিসেবে কোটেশন আকারে এটি ব্যবহার করতে। যেহেতু মুখস্ত করেছেন সেহেতু কোটেশন হিসেবে দেয়ার সময় অবশ্যই নীল রঙের কালি ব্যবহার করবেন। পরীক্ষক কে বুঝান যে সংবিধান টা আপনি পড়েছেন বেশ ভালো (!!!) করে।
☼ তো চলুন মুখস্ত করে ফেলি-
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
“আমরা, বাংলাদেশের জনগন, ১৯৭১ খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির (স্বাধীনতা) জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের (যুদ্ধের) মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি”
[আগ্রহী পাঠকগন হয়ত খেয়াল করবেন আমি বন্ধনীর মধ্যে ২টি শব্দ ব্যবহার করেছি। কারন সংবিধান সংশোধন করে এই শব্দ গুলো একবার যোগ হয়েছে ও একবার প্রতিস্থাপিত হয়েছে] ☼ আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগনকে জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের (স্বাধীনতার) জন্য যুদ্ধে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রানোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচারের সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে। [আমার কাছে এই মুহূর্তে ১৫তম সংশোধনীর পরের সংবিধান টা নাই বলে আগ্রহী পাঠকরা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে এটা ঠিক করে নিবেন। এই রকম হবার কথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
সংবিধানের ১১টি ভাগ মনে রাখার উপায়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
☼ প্র রা মৌ নি আ বি নি ম বাং জ সং বি
আসুন, মিলিয়ে নেই-
১। প্র- প্রজাতন্ত্র
২। রা-রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
৩। মৌ- মৌলিক অধিকার
৪। নি- নির্বাহী বিভাগ
৫। আ- আইন সভা
৬। বি- বিচার বিভাগ
৭। নি- নির্বাচন
৮। ম- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৯। বাং- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
৯ক। জ- জরুরী বিধানাবলী
১০। সং-সংবিধান সংশোধন
১১। বি- বিবিধ
চলুন, এইবার আলাদা ভাবে অনুচ্ছেদ গুলোর দিকে দৃষ্টি দেই।
☼ অনুচ্ছেদ ১-১২
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১-১২ মোটামুটি এমনি মনে থাকে। এই অনুচ্ছেদ গুলোর মধ্যে গুরুত্তপূর্ন অনুচ্ছেদ গুলো হল-
২- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
২ক- রাষ্ট্রধর্ম ( মনে রাখবেন কোন সংশোধনীর মাধ্যমে এটি হয়েছে)
৪ক- প্রতিকৃতি (১৫ তম সংশোধনীতে পরিবর্তন হয়েছে এখানে)
৬- নাগরিকত্ব
৭- সংবিধানের প্রাধান্য
৮- মূলনীতিসমূহ ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
৯- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়ন ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
১০- জাতীয় জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহন
১১- গনতন্ত্র
১২- ধর্মনিরপেক্ষতা ( সংবিধান সংশোধন হয়েছে এইখানে)
☼ অনুচ্ছেদ ১৩-২৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ১৩ থেকে অনুচ্ছেদ ২৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মালি কৃষককে মৌ গ্রামে নিয়ে গিয়ে অবৈতনিক জনস্বাস্থ্যের জন্য সুযোগের সমতা সৃষ্টি করে। এতে অধিকার ও কর্তব্য রূপে নাগরিকরা নির্বাহী বিভাগ থেকে জাতীয় সংস্কৃতি ও জাতীয় স্মৃতি নিদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক শান্তির অংশীদার হলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
১৩-মালি- মালিকানার নীতি
১৪-কৃষক- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫- মৌ- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬- গ্রাম- গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭- অবৈতনিক- অবৈতনিক ও বাধ্যতা মূলক শিক্ষা
১৮। জনস্বাস্থ্য- জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৯। সুযোগের সমতা- সুযোগের সমতা
২০- অধিকার ও কর্তব্য রূপে- অধিকার ও কর্তব্য রূপে কর্ম
২১- নাগরিক- নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
২২- নির্বাহী বিভাগ থেকে- নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরন
২৩- জাতীয় সংস্কৃতি- জাতীয় সংস্কৃতি
২৪- জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন -জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি
২৫-আন্তর্জাতিক শান্তি- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
এইখানে একটি কথা বলতেই হবে। যদি পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি গুলো সংবিধানের আলোকে আলোচনা করুন অনেকেই শুধু অনুচ্ছেদ-৮ এর “মূলনীতি সমূহ” দিয়ে আসে। মনে রাখতে হবে দ্বিতীয় ভাগে বর্নিত অনুচ্ছেদ- ৮ থেকে অনুচ্ছেদ-২৫ সব –ই রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। অনুচ্ছেদ ৮ এ বর্নিত “মূলনীতি সমূহ” আসলে সংবিধানের মূলনীতি যা প্রস্তাবনায় বলা আছে। আরেকটি কথা এখানে বলব ঝেহেতু এই প্রশ্নটির উত্তর অনেক বড় হবে সেহেতু, আপনি অনুচ্ছেদ ৮ এ বর্নিত মূলনীতি সমূহ একটু বেশী আলোচনা করে অন্য অনুচ্ছেদ গুলো শুধু নাম লিখে ১ /২ লাইনের মধ্যে লেখা শেষ করবেন। সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি ভালো পারেন দেখে শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর অনেক বড় করে দিবেন, সেটা করলে দেখবেন আপনি সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না। আর যাদের হাতের লেখা একটু স্লো, তাদের তো এটা আরো ভাল করে মনে রাখতে হবে।
☼ অনুচ্ছেদ- ২৬ থেকে ৩১
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩১ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মৌলিক অধিকার আইনের দৃষ্টিতে ধর্ম , সরকারী নিয়োগ ও বিদেশী খেতাব গ্রহনে সকলের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার রয়েছে
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
২৬-মৌলিক অধিকার- মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল
২৭-আইনের দৃষ্টিতে – আইনের দৃষ্টিতে সমতা
২৮- ধর্ম- ধর্ম প্রভৃতি কারনে বৈষম্য
২৯- সরকারী নিয়োগ- সরকারী নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার – আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩২ থেকে ৩৫
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩২ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৫ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ জীবনে ১বার গ্রেপ্তার হলে জবরদস্তি বিচার হয়
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩২-জীবনে- জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ
৩৩-গ্রেপ্তার – গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
৩৪- জবরদস্তি- জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধকরন
৩৫- বিচার- বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
৩০- বিদেশী খেতাব গ্রহনে- বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহন নিষিদ্ধকরন
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার – আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৩৬ থেকে ৩৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৩৬ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ চসমা সংবা(দ)ক
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৩৬-চ-চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭-সমা – সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮- সং- সংগঠনের স্বাদহীনটা
৩৯- বাদ(ক)- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা
☼ অনুচ্ছেদ- ৪০ থেকে ৪৩
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪০ থেকে অনুচ্ছেদ ৪৩ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ পেধসগৃ
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪০-পে-পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
৪১-ধ – ধর্মীয় স্বাধীনতা
৪২- স- সম্পত্তির অধিকার
৪৩- গৃ- গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
☼ অনুচ্ছেদ- ৪৮ থেকে ৫৪
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৪৮ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৪ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ রাষ্ট্রপতি তার ক্ষমার মেয়াদে দায়মুক্তি পেতে অভিসংশন ও অপসারনের ক্ষমতা স্পীকার কে দিলেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৪৮-রাষ্ট্রপতি -রাষ্ট্রপতি
৪৯-ক্ষমার –ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
৫০- মেয়াদে- রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ
৫১- দায়মুক্তি- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
৫২-অভিসংশন –রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
৫৩-অপসারনের – অসামর্থ্যের কারনে রাষ্ট্রপতির অপসারন
৫৪- স্পীকার- অনুপস্থিতি প্রভৃতির কালে রাষ্ট্রপতি পদে স্পীকার
☼ অনুচ্ছেদ- ৫৫ থেকে ৫৮
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৫৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৫৮ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিগণ প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ ঠিক করেন।
চলুন দেখি ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৫৫-মন্ত্রিসভায়- মন্ত্রিসভা
৫৬-মন্ত্রিগণ- মন্ত্রিগণ
৫৭- প্রধানমন্ত্রী- প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ
৫৮-অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ- অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ
☼ অনুচ্ছেদ- ৬৫ থেকে ৭৯
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
অনুচ্ছেদ ৬৫ থেকে অনুচ্ছেদ ৭৯ পর্যন্ত মনে রাখতে আমি এই ছন্দটা মনে রাখতাম।
☼ সংসদ সদস্যগন শুন্য পারিশ্রমিকে অর্থদন্ড ও পদত্যাগের কারনে দ্বৈত অধিবেশেনে ভাষনের অধিকার স্পীকার কে দিলেন। কিন্তু কোরাম না থাকায় স্থায়ী কমিটি ন্যায়পাল নিয়োগে বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি পেতে সচিবালয় গঠন করেন।
চলুন, ছন্দের সাথে অনুচ্ছেদ গুলো মিলেয়ে নেই-
৬৫-সংসদ –সংসদ প্রতিষ্ঠা
৬৬-সদস্যগন –সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
৬৭- শুন্য- সদস্যদের আসন শুন্য হওয়া
৬৮- পারিশ্রমিকে- সংসদ সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি
৬৯-অর্থদন্ড– শপথ গ্রহনের পূর্বে আসন গ্রহন বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড
৭০-পদত্যাগের কারনে – পদত্যাগ ইত্যাদি কারনে আসন শূন্য হওয়া
৭১- দ্বৈত- দ্বৈত সদস্যতায় বাঁধা
৭২-অধিবেশেনে –সংসদের অধিবেশেন
৭৩-ভাষনের –সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
৭৩ক-অধিকার- সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার
৭৪- স্পীকার- স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার
৭৫-কোরাম– কার্যপ্রনালী বিধি, কোরাম প্রভৃতি
৭৬-স্থায়ী কমিটি – সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ
৭৭- ন্যায়পাল- ন্যায়পাল
৭৮-সচিবালয়- সচিবালয়
এতক্ষন ধরে পড়ার পর যারা চিন্তা করছেন এই কবিতাই তো মনে থাকবে না, তাদের জন্য বলছি আর কোন কবিতা বা ছন্দ আমি তৈরি করি নি!!! কিন্তু তারপরেও আমি বলব, আরো বেশ কিছু অনুচ্ছেদ আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে পড়তেই হবে। সেগুলো হলঃ
§ অনুচ্ছেদ-৪৬- দায়মুক্তি বিধানের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ-৬৩- যুদ্ধ
§ অনুচ্ছেদ- ৬৪- অ্যাটনী জেনারেল
§ অনুচ্ছেদ- ৮১- টীকা হিসেবে অনেকবার এসেছে, টীকা হিসেবে তাই খুব ই গুরুত্বপূর্ণ
§ অনুচ্ছেদ-৮৩-অধ্যাদেশ প্রনয়নের ক্ষমতা
§ অনুচ্ছেদ- ১১৭-প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
§ অনুচ্ছেদ- ১২২-ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
§ অনুচ্ছেদ-১৪১ ক, খ, গ- জরুরী অবস্থা
§ অনুচ্ছেদ- ১৪২-সংবিধান সংশোধন
§ ১৪৫ক- আন্তর্জাতিক চুক্তি
§ ১৪৮- পদের শপথ
বাঘের গতিবেগ ঘন্টায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার। তবে কিছু হরিণের গতিবেগ কখনও কখনও ৮৫ কিলোমিটারের উপরেও ওঠে। এরপরও বাঘ হরিণকে শিকার করে। কীভাবে করে জানেন? যখন হরিণকে তাড়া করে তখন হরিণটি দৌড়ানোর সময় বারবার পিছে ফিরে তাকায়, বাঘ আর কতটুকু দূরে আছে সেটা দেখার জন্য। এ কারণে হরিণের গতি কমে যায়।
অন্যদিকে বাঘ সামনে দৌড়ানো হরিণটিকে দেখে মনে করে, এই তো, আরেকটু হলেই ওকে আমি ধরে ফেলবো।
বাঘ টার শক্তি আর ফোকাস বেড়ে যায়। আর দিন শেষে বাঘ টার ক্ষুধার কাছে হরিণটির বেঁচে থাকার তাড়না হেরে যায়। একটু পরপর আপনিও যদি পিছনে ফিরে তাকান, তাহলে আপনি কোনও দিনই সামনে আগাতে পারবেন না। সামনে আগাতে হলে আগে সামনে দেখা প্রয়োজন, সামনে মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।
অতীতের অভিজ্ঞতা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
এগিয়ে যাবেন যত বাধাই অাসুক,
এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে কাজে নামুন 👏
সফলতা আসবেই👍👍
শুভ সকাল☕
দিকনির্দেশিনামূলক সাক্ষাৎকার
আলোচনার বিষয়বস্তু-
-ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে কেন পড়বো?
-বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট এবং ইসলামের ইতিহাসের অবস্থান
- চাকরির বাজারে সিজিপিএ এর গুরুত্ব এবং ইসলামের ইতিহাস ডিপার্টমেন্ট এর অবস্থান
- অবসর সময়কে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা
- বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠে অনেকেই পড়াশোনা থেকে কিছুটা দূরে সরে যায় , এই সাবজেক্ট এর ফিউচার ভালো নেই মনে করে অনেকেই টিউশনি কে পেশা বানিয়ে নেন , এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা।
আলোচনা করেছেন-
মো. মোর্শেদুল আলম
সহকারী অধ্যাপক
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।।
দিকনির্দেশিনামূলক সাক্ষাৎকার -
Why University Students Dropped Out ...?
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা কেন ড্রপ আউট হয়...?
আলোচনার বিষয়বস্তু-
- বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা কেন ড্রপ আউট হয়?
- ড্রপ আউট হওয়া শিক্ষার্থীরা জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে কি কি ধরনের সমস্যায় পরে।
- ড্রপ আউট কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়।
আলোচনা করেছেন-
সাঈদ আহসান খালিদ
সহকারী অধ্যাপক
আইন অনুষদ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।।
Full Video দেখতে লিংক এ প্রবেশ করুন , আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টস করুন এবং শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।
Link- https://www.youtube.com/watch?v=u0eDHbpVciU
ভিডিও ধারণ , এডিটিং এবং সার্বিক সহযোগিতায়
Shafayet Ahmed
Rezaul Karim Raihan
Mahmudur Rahman
Touhidul Islam Jihad
প্যালেস্টাইনীদের সংগ্রাম নিয়ে পড়তে পড়তে হঠাৎ করেই একজন পরিচিত বাংলাদেশীর নাম পেলাম। ইসরাইলের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক যুদ্ধ বিমানকে ভুপাতিত করার রেকর্ডটা ৪৮ বছর যাবৎ উনার দখলে! ভদ্রলোক চারটি পৃথক দেশের বিমান বাহিনীকে সার্ভিস দিয়েছেন, তিনটি ভিন্ন দেশের হয়ে যুদ্ধ করে শত্রুপক্ষের বিমান ধ্বংশ করেছেন এবং তিনটি দেশ থেকেবীরত্বসূচক খেতাব পেয়েছেন! এটাও একটা বিশ্ব রেকর্ড! যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উনাকে পৃথিবীর জীবিত ২২ জন 'লিভিং ঈগল' হিসেবে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে!
তিনি এখনো জীবিত আছেন, বাংলাদেশেই আছেন। আমরা ক'জন তাঁকে চিনি? আমরা মুছা ইব্রাহিমের মিথ্যা এভারেস্ট জয়ের কাহিনী শিশুপাঠ্য করি, যাতে করে আগামী প্রজন্ম প্রতারক
হতে পারে। কিন্তু সাইফুল আজমদের উপেক্ষা করি, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কখনো বীর হবার উৎসাহ না পায়।
Akm Wahiduzzaman পোস্টটির পড়ার পর বাকিটা কৌতূহল নিয়ে খুঁজে বের করলাম এই জীবন্ত কিংবদন্তীকে... এই জীবন্ত কিংবদন্তী হচ্ছেন
"স্যার সাইফুল আজম"...
সাইফুল আজম ১৯৪১ সালে পাবনা জেলার খগড়বাড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পর ১৯৫৬ সালে তিনি পশ্চিম পাকিস্তান যান। ১৯৬০ সালে তিনি জিডি পাইলট ব্রাঞ্চের একজন পাইলট হন।
জুন ৬ , ১৯৬৭। আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ চলছে। তৎকালীন পাকিস্তান এয়ারফোর্স থেকে ডেপুটেশনে আসা গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল আজম পশ্চিম ইরাকের এক বিমান ঘাটিতে অবস্থান করছে। অনেকটা ভোজবাজির মতোই আকাশে চারটা ইজ্রায়েলি বিমানের ( যাদের কে এস্কোর্ট
করছিলো দুইটা ইস্রায়েলি মিরেজ ফাইটার ) উদয় হয়। আকস্মিক আক্রমণে ইরাকি এয়ারফোর্স
বিপর্জস্ত ।ইসারায়েলি ক্যাপ্টেন ড্রোর একের পর এক ইরাকি বিমানের ভবলীলা সাংগ করে চলেছে। তার সাথে সঙ্গী হিসাবে আছে আরেক ইজ্রায়েলি ক্যাপ্টেন গোলান। এই অবস্থায় আকাশে উড়াল দেয় সাইফুল আজম। উড়াল দেবার কিছুক্ষণের মাঝেই তার উইংম্যান কেও ফেলে দেয়
ইজ্রায়েলি ক্যাপ্টেন ড্রোর। কিন্তু সাইফুল আজম অন্য ধাতুতে গড়া। একে একে গোলান, ড্রোর সবার প্লেন ফেলে দেয় সে। মোটামুটি একা লড়াই করে ইজ্রায়েলি বিমান গুলোকে ইরাকের আকাশ ছাড়তে বাধ্য করে সে। ক্যাপ্টেন ড্রোর এবং গোলান কে পরে যুদ্ধবন্দী হিসাবে আটক
রাখা হয়।
এখন পর্যন্ত আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ সংখ্যক বিমান ঘায়েল করার রেকর্ড
ক্যাপ্টেন সাইফুল আজমের।
এছাড়া প্রথম বিশবযুদ্ধ থেকে শুরু করে এপর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যক শত্রুপক্ষের বিমান ঘায়েল করার
রেকর্ড এর তালিকায় ও তিনি উপরের দিকে আছেন। আরব-ইস্রায়েল যুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ জর্দান-ইরাক-পাকিস্তান তাকে বীরত্ব সূচক পদকে ভূষিত করে। তিনটি দেশের সম্মান সূচক সামরিক পদক অর্জনের ঘটনা সামরিক ইতিহাসে বিরল। একই সাথে তিনটি দেশের হয়ে যুদ্ধ করা এবং একই ব্যাক্তির দ্বারা একের অধিক শ্ত্রু রাষ্ট্রের (ভারত
এবং ইসরায়েল) বিমান ভূপাতিত করার বিরল রেকর্ডের অধিকারীও এই একই ব্যাক্তি।
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় তাকে সাময়িক ভাবে সারাগোধাতে অবস্থিত ১৭
স্কোয়াড্রন এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাইফুল আযম এ সময় এফ-৮৬ স্যাবর
জেট বিমান এর পাইলট হিসেবে প্রধানত পদাতিক সহায়ক মিশন পরিচালনা করতেন। ১৯৬৫
সালের ১৯ এ সেপ্টেম্বর বিখ্যাত চাবিন্দা ট্যাংক যুদ্ধে অংশ নেন তিনি এবং বিমান থেকে রকেট ও গোলা বর্ষন করে একাধিক ভারতিয় ট্যাংককে ধ্বংস ও অকার্যকর করেন। এসময় চারটি ভারতিয় ”Gnat”জঙ্গি বিমান তাদের উপর আক্রমন করে। সাধারন ভাবে বিমান থেকে ভুমিতে যুদ্ধের উপযোগি অস্ত্র সজ্জিত থাকায় এসময় পাকিস্তানি বিমানগুলির পালিয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ফ্লাইট লেফটেনান্ট সাইফুল আযম রুখে দাড়ান এবং বিমান যুদ্ধ
বা ডগ ফাইটে একটি ভারতিয় ”Gnat” জঙ্গি বিমান ভুপাতিত করেন।
এই কৃতিত্বের জন্য তাকে পাকিস্তানে ”সিতারা-ইজুরায়ত” (বাংলাদেশের বীরবিক্রম এর সমতুল্য, পাকিস্তানের তৃতীয় সামরিক বীরত্বের খেতাব) পদকে ভুষিত করা হয়।
১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি চারটি F-86 Sabre এর ফরমেশনে অংশ নিয়ে ভারতের ভূমীতে আক্রমণের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেন। হঠাৎ
দুইটি ভারতীয় Folland Gnat (Folland Gnat, F-86 এর চেয়ে Superior) তাদের পথ রোধ করে। ঘটনার জেরে সৃষ্ট ডগফাইটে সাইফুল আজম একটি Folland Gnat গোলাবর্ষণ
করে ভূপাতিত করেন (পাইলট,ফ্লাইং অফিসার ভি মায়াদেব নিরাপদে Ejectকরে বেরিয়ে আসলে তাকে যুদ্ধবন্দি করা হয়). অন্য Folland Gnat টি রনেভঙ্গ দিয়েছে বুঝতে পারার পর
সেটিকে পালিয়ে যেতে দেওয়া হয়।
১৯৬৬ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাইফুল আজম এবং অপর আরেক জন পাকিস্তানী বিমান বাহিনীর অফিসার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সারওয়ার সাদকে রাজকীয় জর্ডান বিমান বাহিনীতে প্রেষণে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তারা রাজকীয় জর্ডান বিমান
বাহিনীর Hawker Hunter অপারেট করতেন। তারা সেখানে ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। ৫জুন ১৯৬৭ সালে আল মাফরাক থেকে উড্ডয়নের পর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাইফুল আজম একটি Mystere IV কে তার দ্বিতীয়শিকারে পরিণত করেন।
এই ঘটনার মাত্র দুই দিন পর, ৭ জুন ১৯৬৭ ইরাকী বিমান বাহিনীতে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে পশ্চিম ইরাকী এয়ার ফিল্ড H-3 এ তিনি অবস্থান করাকালে, ইসরাইলী জঙ্গি জেট এয়ার ফিল্ড H-3 আক্রমণ করে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাইফুল আজম ইরাকী Hawker
Hunter বিমান নিয়ে উড্ডয়ন করে একটি Mirage III এবং একটি Vautour Bomber
ভূপাতিত করেন (Vautour Bomber টির ছোট্ট কিছু ভগ্নাবশেষ সাইফুল আজমের Hunter এ
গেঁথে থাকতে দেখা যায়, যা থেকে তার সহকর্মীরা বুঝতে পারেন তিনি বিমানটিকে আকাশেই
গুড়িয়ে দিয়েছেন)। উল্লেখ্য Mirage III সাইফুল আজমের Hawker Hunter এর তুলনায়
বহুগুণে Superior। এছাড়া Mystere IV ও এয়ার টু এয়ার কমব্যাটের ক্ষেত্রে Hawker Hunter এর চেয়ে Superior। Mirage III, Mystere IV সাইফুল আজমের Skill, Tactics ও সাহসের কাছে পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু সাইফুল আযম ও তার স্কোয়াড্রন সাফল্য লাভ করলেও অন্যান্য জর্দানি বিমানগুলি ব্যার্থ হয় এবং ইসরাইলি বোমা বর্ষনে বেশিরভাগ জর্দানি বিমা
কালেক্টেড ফ্রম - #আধুনিক_সমরাস্ত্র গ্রুপ।
চিকুনগুনিয়া
********************
চিকুনগুনিয়া (Chikungunya) একটি জ্বরের নাম। ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে ম্যাকেন্ডে মালভূমি এবং মোজাম্বিক ও টাঙ্গানিকার সীমান্ত এলাকায় এই জ্বর মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। এর তিন বছর পর ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে ম্যারিয়ন রবিনসন ( Marion Robinson) ও ডব্লিউ.এইচ.আর লামসডেন (W.H.R. Lumsden) প্রথম এ জ্বরের প্রকৃত কারণ ও ভাইরাস আবিষ্কার করেন। গবেষণায় জানা যায়, ১৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম এ ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। molecular genetics বিশ্লেষণে জানা যায়, ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে এই ভাইরাসের প্রথম উদ্ভব হয়।
‘চিকুনগুনিয়া’ শব্দটি ম্যাকোন্ডো নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা কিমাকোনডে (Kimakonde) নামক ভাষার একটি শব্দ। যা ওই ভাষার মূল ক্রিয়া কুনগুনিয়ালা (kungunyala) হতে সৃষ্ট। এটি সোয়াহিলি ভাষার একটি উপভাষা। মোজাম্বিক ও টাঙ্গানিকাতেও শব্দটির বহুল প্রচলন রয়েছে। বাংলায় চিকুনগুনিয়া শব্দের অর্থ ‘বাঁকা হয়ে যাওয়া’ বা ‘গিটের ব্যথায় কুঁকড়ে যাওয়া’। এই জ্বর হলে হাড়ের জোড়গুলো ফুলে বাঁকা হয়ে যায়। তাই ম্যারিয়ন রবিনসন জ্বরটির এমন নাম দিয়েছেন।
ডেঙ্গুর বাহক এডিস আলবক্কটাস (Aedes albopictus) ও এডিস ইজিপ্টি (Adese aegypti) মশা চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাস CHIKV -এর বাহক। এ রোগ হলে প্রতিষেধক হিসেবে প্যারাসিট্যামলই যথেষ্ট। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রচুর পানি খাওয়া এবং বিশ্রামে থাকা আবশ্যক। চিকুনগুনিয়া জ্বরের কারণে মৃত্যুর ঘটনা অতি বিরল।(Collected)
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।।
11/06/2017
Collected From Mahmudur Rahman's Timeline.
হ্যাকার, হ্যাকিং ও সিকিউরিটি
হ্যাকার শব্দটা শুনেই অনেকে আঁতকে ঊঠেন। এর বড় একটি কারণ হলো সমাজে হ্যাকার সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা আছে যে, হ্যাকার মানেই খারাপ। কিন্তু মূলত সকল হ্যাকার ই খারাপ নয়। হ্যাকার তিন প্রকার হতে পারে।
১। Black Hat এ প্রকার হ্যাকাররা খারাপ
২। Gray Hat এই শ্রেণীর হ্যাকাররা ভাল ও হতে পারে, খারাপ ও হতে পারে।
৩। White Hat এরা ভাল হ্যাকার ( এরা খারাপ হ্যকারদেরকে প্রতিরোধ করে)
প্রথমেই জানা যাক হ্যাকার হওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজনঃ
হ্যাকার হতে হলে আপনাকে অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। যেমনঃ
১। অপারেটিং সিস্টেমঃ একজন প্রকৃত হ্যাকার ওপেন সোর্স এবং ফ্রিওয়্যার অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল। Linux/Unix OS এগুলো হ্যাকিং শিখার জন্য সবচে উপযুক্ত। কারন এসব অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে অনেক কিছুই হ্যাক করা সম্ভব।
২। প্রগ্রামিংঃ একজন দক্ষ হ্যাকার হতে হলে একাধিক প্রোগ্রামিং ল্যংগুয়েজ জানা আবশ্যক। বিভিন্ন ধরনের প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন C++, Python, Java, SQL ইত্যাদি চাইলেই ইন্টারনেটের বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে সহজে ইন্টারনেটের বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখেই শেখা যেতে পারে। তবে হ্যাকিং এর জন্য C++, Python এবং SQL খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
৩। Networking: হ্যাকিং করতে হলে নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে এবং বুঝতে হবে কিভাবে নেটওয়ার্কগুলো তৈরী হয়। বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে পার্থক্য এবং TCP/IP, UDP ইত্যাদি সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারনা থাকতে হবে। বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক টুলস যেমনঃ Wireshark, NMAP, Network স্কেনিং ইত্যাদির ব্যবহার জানতে হবে।
৪। হ্যাকিং নিয়ে পড়াশোনাঃ ইন্টারনেটে অনেক ভাল ভাল তথ্যবহুল সাইট আছে হ্যাকিং নিয়ে। এসব ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করে পড়তে হয়। বিভিন্ন হ্যাকিং ফোরামে জয়েন করে পোস্টগুলো নিয়মিত পড়া লাগে এবং তাদের সহায়তাও নেয়া লাগে। ফিশিং, স্নিপার, ট্রজান, র্যাট ইত্যাদি শিখতে হয়। । Batch Programming এবং Shell Programing সম্পর্কে ভালো করে জানা থাকতে হবে।
৫। Vulnerability: Vulnerability খুজে বের করা শিখতে হবে। এটি হল নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটার সিস্টেমের দুর্বলতা। দূর্বল জায়গা বা ত্রুটিপূর্ণ হোল খুজে পেলে এটাক সহজেই সফল হবে। সো এটা চিনতে হবে।
হ্যাকিং এর সময় নিরাপত্তাঃ
হ্যাকিং জগতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সিকিউরিটি, এনোনিমিটি এবং প্রটেকশন। ঠান্ডা মাথায় কাজ করুন, নিরাপদ থাকুন :p
নিরাপদ থাকার জন্য কিছু নিয়ম দেয়া হলঃ
১। কখনই কোন গভঃমেন্ট ওয়েবসাইটের দিকে হ্যাকিংয়ের নজরে তাকাবেনো না। :D এটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না। আপনি অনেক ভালো হ্যাকার হতে পারেন, কিন্ত গভঃমেন্ট আইডিতে হাত দিলে তারা আপনার চেয়ে সেরা হ্যাকার দিয়ে আপনাকে ধরে ফেলবে।
২। বড় কোন ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির ওয়েবসাইট বা আইডিতে হাত দিবেন না।
৩। ব্যক্তিগত কারণে কখনই হ্যাক করবেন না।
৪। হ্যাকিং এর কাজে কখনই উইন্ডোজ ব্যবহার করবেন না। আপনাকে ট্র্যাক করার মত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেকগুলো হোল আছে যা দিয়ে একদম ইজিতে ধরা খাবেন।
Linux ব্যবহার করুন। Kali Linux, RedHat, Debian, Back Box লিনাক্সের এই অপারেটিং সিস্টেমগুলো হ্যাকিং এর জন্য সেরা।
৫। VPN ছাড়া কখনই সরাসরি ইন্টারনেটে কানেক্ট করবেন না। কারণ আপনার রিয়েল IP জেনে গেলে আপনার পরিচয় বের করা কঠিন কিছু না।
৬। হ্যাকিং এর কাজে কখনই রিয়েল ইমেইল ব্যবহার করবেন না।
৭। Google ব্যবহার করবেন না। কারণ আপনি কি সার্চ করেন না করেন, আপনার সকল একটিভিটি গুগল রেকর্ড রাখে। এক্ষেত্রে DuckDuckGo ব্যবহার করতে পারেন। গুগলের মতই সার্ভিস দেয়।
এছাড়া ডীপ ওয়েবে গুগলের চেয়েও বড় ও এডভান্সড অনেকগুলো সার্চ ইঞ্জিন আছে।
এবার আসুন ফেসবুক হ্যাকিং ও সিকিউরিটিঃ
ফেসবুক আইডি কি আসলেই হ্যাক করা যায়? ফেসবুক হ্যাক করা কতটা সহজ বা কঠিন? উত্তরটা ডিপেন্ড করছে আপনি কতটা সচেতন, তার উপর। সাধারণভাবে বলা যায় যে, ফেসবুক হ্যাক করা অসম্ভব। কারন ফেসবুকের সিকিউরিটি সিস্টেম বর্তমানে অনেক স্ট্রং, যেটা ক্র্যাক করা পসিবল না। খুব এডভান্সড হাতে গোনা কোন হ্যাকার হয়ত করলেও করতে পারে। তবে তারা ফেসবুক আইডির মত সস্তা জিনিস হ্যাক করে সময় নষ্ট করে না। :D তাদের টার্গেট দামী ওয়েবসাইট বা ব্যাংক।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে, তাহলে আমাদের আসপাশে ফেসবুক হ্যাকিং এর ঘটনা দেখা যায় কেন? আমার অমুক তমুক ফ্রেন্ডের আইডি হ্যাক করে হ্যাকার টাকা চাচ্ছে।
উত্তরটা হল, উপরে হ্যাকার হওয়ার জন্য যেসব শর্তাবলি উল্লেখ করলাম, সেগুলো থাকলেই তাকে প্রকৃত হ্যাকার বলা যায়। যে আপনার আইডি হ্যাক করেছে, সে হ্যাকিং এর জ্ঞান দিয়ে তারা আপনার আইডি হ্যাক করেনি।আপনার বোকামী বা সরলতাকে কাজে লাগিয়ে জাস্ট আপনার পাসওয়ার্ড টা চুরি করে রিকভারিগুলো চেঞ্জ করে দেয়। এদেরকে হ্যাকার বললে আসল হ্যাকারদের ইন্সাল্ট করা হবে। এসব ছিঁচকে হ্যাকাররা আপনার আইডি এক্সেস নেয়ার জন্য খুবই সিম্পল ট্রিক্স কাজে লাগায়। যেমন ফিশিং সাইট। “অমুক তমুকের ফাঁস হওয়া ভিডিও দেখুন” আর “ফ্রি ইন্টারনেট” এ দুইটা বাক্য দেখলে বাংগালী ইউজাররা সহজেই পটে যায়। জিনিসটা টেস্ট করার জন্য আমি ২০১৪ সালে একটা ফিশিং সাইট বানিয়ে রবি’র অফিসিয়াল পেইজের পোস্টে গিয়ে কমেন্ট করে আসলাম, “মাত্র ৯ টাকায় ৩০ দিন মেয়াদী ১জিবি ইন্টারনেট! বিস্তারিত এই লিঙ্কে...”
ম্যাজিকের মত মাত্র ১৪ মিনিটে ২৭ টা আইডির পাসওয়ার্ড চলে আসল। প্রত্যেককেই ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে প্রত্যেকের আইডিই দিয়ে দিয়েছিলাম।
আপনি টিনের ঘরে থাকলে রাতের বেলা চোর টিন কেটে ঘরে ঢুকল। এতে আপনার দোষ নেই। আর আপনি পাকা ঘরে থাকেন, যেখানে দেয়াল কেটে চোর ঢুকা অসম্ভব, এখন চোর আপনাকে লোভ দেখিয়ে দরজা খুলিয়ে যদি চুরি করে, সেক্ষেত্রে বোকামির দায়টা আপনার গায়েও পড়ে। ফেসবুকের সিকিউরিটি পাকা দেয়াল না, লোহার দেয়ালের চেয়েও স্ট্রং। বাকিটা দরকার আপনার সচেতনতা।
সচেতনতাঃ
১। যতই বিশ্বস্ত বন্ধু হোক, কোন লিংক পাঠালে ক্লিক করে যদি দেখেন লগিন করতে বলে, ভুলেও লগিন করবেন না। হতে পারে আপনার বিশস্ত সেই বন্ধুর আইডি হ্যাক করে হ্যাকারই আপনাকে লিঙ্ক পাঠাচ্ছে।
২। ইন্টারনেটে অতি লোভনীয় কোন অফার দেখেই ক্লিক করে বসবেন না। ক্লিক করলে যদি কোন সফটওয়ার ডাউনলোড হওয়া শুরু করে, সেটা ক্যান্সেল করুন। হতে পারে কোন Keylogger.
৩। একাউন্টে মোবাইল ও ইমেইল ভেরিফাই করে রাখুন।
৪। ট্রাস্টেড কন্টাক্ট অবশ্যই এড করে রাখবেন। কারণ আইডি হ্যাক হলে হ্যাকার প্রথমেই আপনার ইমেইল আর মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করে ফেলবে। এক্ষেত্রে ট্রাস্টেড কন্টাক্ট এড করা থাকলে এগুলো চেঞ্জ করলেও সহজেই আইডি রিকভার করতে পারবেন। কারণ ট্রাস্টেড কন্টাক্ট আপনি ছাড়া হ্যাকার চেঞ্জ করতে পারবে না।
৫। সবচে ভাল বুদ্ধিমানের কাজ হলো টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অন করে রাখা। এটা অন রাখলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড পেলেও লগিন করতে পারবে না, যতক্ষণ না আপনার মোবাইলে এসএমএস এ আসা কোড টা দেয়া হয়।
এ কয়েকটা বিষয় মাথায় রাখলে আপনার আইডি অলটাইম নিরাপদ থাকবে।
(সোর্স: Not Evil, Onhax, Google)
পরবর্তী পোস্টে ডার্ক ওয়েব নিয়ে লিখব। যেটা হল ইন্টারনেটের এক অন্ধকার জগত, যেখানে সাধারন ইউজাররা এক্সেস করতে পারেনা। যেটা কখনও গুগল ও খুজে পায়না। সেখানে সব বড় বড় হ্যাকার আর ক্রিমিনালদের আনাগোনা। ইন্টারনেটের ৯০ ভাগই ডার্ক ওয়েবে, আর সাধারণ ইউজাররা যা ইউজ করে, গুগল, ফেসবুক, উইকিপিডিয়া ইত্যাদি সারফেস ওয়েব হল মাত্র ১০ ভাগ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka-1216