17/04/2026
AL-Badi foundation : مؤسسة البديع : আল-বাদী ফাউন্ডেশন
# ছাত্রদের জন্য শিক্ষা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা ।
#সীরাত_প্রতিযোগীতা_২০২২_খ্রিষ্টাব্দ চলমান
17/04/2026
চরমোনাই পীর সাহেবের ব্যাপারে চরম উদ্ধত্যপূর্ণ স্লোগান দেয়া তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই
🥈 তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, টঙ্গী
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৬২.৪৮% | জিপিএ-৫: ৪৮৩ জন | পরীক্ষার্থী: ৭৭৩ | উত্তীর্ণ: ৭৬২ | পাসের হার: ৯৮.৫৮%
🥉 ঝালকাঠি এন. এস. কামিল মাদ্রাসা, ঝালকাঠি
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৫৩.১৬% | জিপিএ-৫: ২২৭ জন | পরীক্ষার্থী: ৪২৭ | উত্তীর্ণ: ৪২৬ | পাসের হার: ৯৯.৭৭%
🏅 জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৫২.৭৭% | জিপিএ-৫: ১৪৩ জন | পরীক্ষার্থী: ২৭১ | উত্তীর্ণ: ২৭১ | পাসের হার: ১০০%
🏅 ধাপ সাতগাড়া বায়তুল মোকাররম কামিল মাদ্রাসা, রংপুর
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৪৯.৫৯% | জিপিএ-৫: ৬১ জন | পরীক্ষার্থী: ১২৩ | উত্তীর্ণ: ১১২ | পাসের হার: ৯১.০৬%
🏅 তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, যাত্রাবাড়ী
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৩৬.৮৮% | জিপিএ-৫: ১৪৯ জন | পরীক্ষার্থী: ৪০৪ | উত্তীর্ণ: ৩৯৮ | পাসের হার: ৯৮.৫১%
🏅 জামিয়া-ই-কাসেমিয়া কামিল মাদ্রাসা, নরসিংদী
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ৩২.৭৯% | জিপিএ-৫: ৪০ জন | পরীক্ষার্থী: ১২২ | উত্তীর্ণ: ১২১ | পাসের হার: ৯৯.১৮%
🏅 ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদ্রাসা, পিরোজপুর
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ১৮.৫৬% | জিপিএ-৫: ৬২ জন | পরীক্ষার্থী: ৩৩৪ | উত্তীর্ণ: ৩২০ | পাসের হার: ৯৫.৮১%
🏅 আল জামিয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা, ফেনী
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার: ১২.৬৮% | জিপিএ-৫: ৪৩ জন | পরীক্ষার্থী: ৩৩৯ | উত্তীর্ণ: ২৭৩ | পাসের হার: ৮০.৫৩%
দারুননাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা
দাখিল পরীক্ষার্থী: ১০৪৮ জন
পাশের হার ৯৯.৮৫%
A+ ৭১৩ জন,
❣️ #মুহাররম_ও_আশুরার_তাৎপর্য_ও_বিধানঃ
-----------------------------------
بسم الله الرحمن الرحيم
মুহাররম হিজরী সনের প্রথম মাস৷ এটি ‘আরবায়াতুন হুরুম’ তথা হারামকৃত মাস চতুষ্টয়ের অন্যতম। আরবায়াতুন হুরুম সম্বদ্ধে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ.
নিশ্চয় মাসসমূহের গণনা আল্লাহর কাছে বার মাস আল্লাহর কিতাবে,(সেদিন থেকে) যেদিন তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। এর মধ্য থেকে চারটি সম্মানিত, এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বীন। সুতরাং তোমরা এ মাসসমূহে নিজদের উপর কোন জুলুম করো না। (সূরা তাওবা ৩৬ আয়াত৷)
❣️হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الزَّمَانُ قَدِ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ، السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلاَثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ ذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِي بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ ".
হযরত আবূ বাকরাহ রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা যে দিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন হতে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি পর পর জিলকদ, জিলহজ ও মুহাররম৷ আর চতুর্থটি হলো রজব। সনদ সহীহ৷ (সহীহুল বুখারী ৩১৯৭ হাদীস৷)
❣️মুহাররম শব্দের অর্থ নিষিদ্ধ বা পবিত্র। মুহাররম, রজব, জিলকদ, জিলহজ্ব এ ৪টি মাসে ঝগড়া-বিবাদ ও যুদ্ধ বিগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এরকম নিষিদ্ধ কর্মকান্ড থেকে মাসটি পবিত্র বলেই ইহাকে মুহাররম বা পবিত্র মাস বলা হয়ে থাকে। হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসে কোন ধর্মযুদ্ধ করেননি। এমনকি ইসলাম পূর্ব যুগেও এ মাসে শান্তি বিরাজ করতো। সুতরাং তোমরা এই মাসগুলোতে পাপাচার করে নিজেদের উপর জুলুম করো না। (সুরা তাওবা ৩৬ আয়াত৷ তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/৫৯১ পৃষ্ঠা৷)
উক্ত আয়াতের তাফসীরে হযরত কাতাদাহ রাযিঃ বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা যাকে ইচ্ছা তার মর্যাদাকে সমুন্নত করেন৷ তিনি তার সৃষ্টি হতে খাঁটি ও উৎকৃষ্টগুলোকে মনোনীত করেছেন৷ যেমন- ফেরেশতাদের মধ্য থেকে দূত মনোনীত করেছেন৷
মানব জাতির মধ্য থেকে রাসূলদেরকে মনোনীত করেছেন৷
কালামের মধ্য থেকে তাঁর যিকিরকে পছন্দ করেছেন।
জমিনের মধ্য থেকে মাসজিদ সমূহকে পছন্দ করেছেন৷।
মাসগুলোর মধ্য থেকে রমযান ও সম্মানিত মাস চতুষ্টয়কে নির্বাচন করেছেন৷
দিনগুলোর মধ্য থেকে জুমুআর দিনকে বাছাই করেছেন৷
রাত্রগুলোর মধ্য থেকে লাইলাতুল কদরকে মনোনীত করেছেন।
এভাবে আল্লাহ তায়ালা যেটাকে ইচ্ছা একটির উপর অন্যটিকে প্রাধান্য ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন৷ সুতরাং আল্লাহ যাদের সম্মানিত করেছেন, তোমরাও তাদের সম্মান প্রদর্শন কর। (তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/৫৯১- ৫৯২ পৃষ্ঠা৷)
❣️❣️ #ইয়াওমে_আশুরাঃ
ইসলামে বরকতময় ও ঐতিহাসিক যে কয়েকটি দিবস রয়েছে তন্মধ্যে আশুরা অন্যতম। আশুরা শব্দটি আরবী ‘আশরুন' থেকে উদগত। আশুরা অর্থ দশ বা দশম। আক্ষরিক অর্থে যেকোন মাসের দশ তারিখকেই আশুরা বলা যায়। কিন্তু ইসলামী পরিভাষায় কেবলমাত্র হিজরী সনের প্রথম মাস মুহাররমের দশ তারিখকেই আশুরা বলা হয়। রমযানের রোযা ফরয হওয়ার পূর্বে আশুরার রোযা ফরয ছিলো। অতপর, রমযানের রোযা ফরয হওয়ার পর আশুরার রোযা নফল হয়ে যায়৷ (সুনানে আবু দাউদ ২৪৪২ হাদীস৷ আহকামুস সিয়াম ১৩ পৃষ্ঠা৷)
প্রাচীন আরবরা জাহেলিয়াতের যুগে আশুরার দিন রোযা রেখে কাবা শরীফে নতূন গিলাফ চড়াত এবং দর্শনার্থীদের জন্য কাবা ঘরের দরজা খোলা রাখত। তারা এ রোযাকে হযরত ইবরাহীম (আঃ) প্রতি আরোপ করত৷ কেননা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এ রোযা রেখেছেন৷ হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও এ রোযা রাখতেন৷ অতপর তিনি যখন মদিনায় হিজরত করলেন, তখন দেখলেন যে, মদিনার ইয়াহুদীরাও এদিনে রোযা রাখে৷ তখন তিনিও সেদিন রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদের রোযা রাখতে তাকীদ করলেন৷ যেমন হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُ عَاشُورَاءَ وَيَأْمُرُ بِصِيَامِهِ.
হযরত আয়িশা রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশূরার দিন রোযা রাখতেন এবং এ দিন রোযা রাখতে নির্দেশ দিতেন। সনদ সহীহ৷
(সহীহুল বুখারী ১৮৯৩ হাদীস৷ সহীহু মুসলিম ১১২৫ হাদীস৷ সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৩৩ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৭৫৩ হাদীস৷ সুনানে আবূ দাউদ ২৪৪২ হাদীস৷ মুসনাদে আহমাদ ২৩৪৯১ হাদীস৷)
❣️হাদীস শরীফে আরও বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَرَأَى الْيَهُودَ تَصُومُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ مَا هَذَا قَالُوا هَذَا يَوْمٌ صَالِحٌ هَذَا يَوْمٌ نَجَّى اللهُ بَنِي إِسْرَائِيلَ مِنْ عَدُوِّهِمْ فَصَامَهُ مُوسَى قَالَ فَأَنَا أَحَقُّ بِمُوسَى مِنْكُمْ فَصَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ
হযরত ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা হিযরত করেন, তখন মদিনার ইয়াহুদিদের মুহাররমের ১০ তারিখে রোযা রাখতে দেখেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা এদিনে রোযা রাখো কেনো? তারা বললোঃ এটা আমাদের মুক্তির দিবস। মহান আল্লাহ এদিনে হযরত মুসা (আঃ) ও তাঁর সম্প্রদায়কে ফেরাউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছেন ও ফেরাউনকে তার দলবলসহ সাগরে নিমজ্জিত করেছেন। এর শুকরিয়া স্বরূপ হযরত মুসা (আঃ) এদিনে রোযা রেখেছেন। একই কারণে আমরাও রোযা রাখি। হযরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা তোমাদের অপেক্ষা মুসা (আঃ) এর অধিকতর আপন ও হকদার। অতঃপর তিনি এদিনে রোযা রাখেন ও সবাইকে রোযা রাখার নির্দেশ দিলেন। সনদ সহীহ৷ (সহীহুল বুখারী ২০০৪ হাদীস৷ সহীহু মুসলিম ২৫৪৮ হাদীস৷ সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৩৪ হাদীস৷ সুনানে আবূ দাউদ ২৪৪৪ হাদীস৷ সুনানে দারেমী ১৭৫৯ হাদীস৷ মুসনাদে আহমাদ ২৬৩৯ হাদীস৷)
❣️হাদীস শরীফে আরও বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ إِنِّي أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ
হযরত আবূ কাতাদাহ রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আশূরার দিনের রোযার দ্বারা আমি আল্লাহ্র নিকট আশাবাদী যে, তিনি বিগত বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন৷
সনদ সহীহ৷ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৩৮ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৭৫২ হাদীস৷ সুনানে আবূ দাউদ ২৪২৫ হাদীস৷ সহীহু মুসলিম ২৬৩৬ হাদীস৷ মুসনাদে আহমাদ ২২০৮২ হাদীস৷)
❣️হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণিত-
عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ سَأَلَهُ رَجُلٌ فَقَالَ أَىُّ شَهْرٍ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصُومَ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ قَالَ لَهُ مَا سَمِعْتُ أَحَدًا يَسْأَلُ عَنْ هَذَا إِلاَّ رَجُلاً سَمِعْتُهُ يَسْأَلُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا قَاعِدٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ شَهْرٍ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصُومَ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ قَالَ " إِنْ كُنْتَ صَائِمًا بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ فَصُمِ الْمُحَرَّمَ فَإِنَّهُ شَهْرُ اللَّهِ فِيهِ يَوْمٌ تَابَ اللَّهُ فِيهِ عَلَى قَوْمٍ وَيَتُوبُ فِيهِ عَلَى قَوْمٍ آخَرِينَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
হযরত আলী রাযিঃ কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিল, রমযানের পর আর কোন মাস আছে, যাতে আপনি আমাকে রোযা রাখার আদেশ করেন? তিনি বললেনঃ এই প্রশ্নটি হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক সাহাবী করেছিলেন, তখন আমি তাঁর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। উত্তরে হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রমযানের পর যদি তুমি রোযা রাখতে চাও! তবে মুহাররম মাসে রোযা রাখ। কারণ,এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তায়ালা একটি জাতির তথা কউমে মুসার তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যান্য জাতির তওবা কবুল করবেন। সনদ হাসান গারীব। (সুনানে তিরমিযী ৭৪১ হাদীস৷)
❣️হাদীস শরীফে আরও বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَيُّ الصِّيَامِ أَفْضَلُ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ قَالَ شَهْرُ اللهِ الَّذِي تَدْعُونَهُ الْمُحَرَّمَ.
হযরত আবূ হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷
এক ব্যক্তি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো, রমজান মাসের পর কোন রোযা উত্তম? তিনি বলেনঃ আল্লাহর মাস তথা মুহাররমের রোযা৷ সনদ সহীহ৷ (সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৪২ হাদীস৷ সুনানে আবূ দাউদ ২৪২৯ হাদীস৷ সুনানে দারেমী ১৭৫৭ হাদীস৷ মুসনাদে আহমাদ ৮৩০২ হাদীস৷)
❣️হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিঃ থেকে বর্নিত৷
حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: “فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ”. قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
মহানবী হযরত আহমাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন আশুরার দিনে রোযা রাখেন এবং অন্যদেরকেও রোযা রাখার নির্দেশ দেন৷ তখন সাহাবীরা অবাক হয়ে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইয়াহুদি-নাসারারা তো এই দিনটিকে বড়দিন মনে করে। আমরা যদি এই দিনে রোযা রাখি, তাহলে তো তাদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হবে। তাদের প্রশ্নের উত্তরে হযরত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তারা যেহেতু এদিন একটি রোযা পালন করে, আগামী বছর থেকে আমরা ৯ ও ১০ তারিখ দুই দিন রোযা পালন করবো ইনশাআল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, আগামী বছর আসার পূর্বেই হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়ে গিয়েছে। সনদ সহীহ৷ (সহীহু মুসলিম ২৫৫৬ হাদীস৷ সুনানে আবু দাউদ ২৪৪৫ হাদীস৷ সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৩৬ হাদীস৷)
❣️উক্ত হাদীসের আলোকে
ইমাম শাফেয়ী রহিঃ ইমাম আহমাদ রহিঃ ইমাম ইসহাক রহি প্রমুখ বলেছেনঃ আশুরার রোযার ক্ষেত্রে ৯ম ও ১০ম উভয় দিনের রোযাই মুস্তাহাব। কেননা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১০তারিখ রোযা রেখেছেন এবং ৯তারিখ রোযা রাখার নিয়ত করেছেন। এরই উপর ভিত্তি করে বলা যায়, আশুরার রোযার কয়েকটি স্তর রয়েছেঃ সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে কেবল ১০তারিখের রোযা রাখা। আর মাধ্যমিক স্তর হচ্ছে তার সাথে ৯তারিখের রোযা রাখা। আর উচ্চস্তর হচ্ছে পুরো মাস রোযা রাখা৷ তবে কেউ যদি ৯ মুহাররম রোযা না রেখে ১০ ও ১১ মুহাররম রোযা রাখেন, তাহলেও উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যাবে৷ আবার কেউ যদি ৯, ১০ ও ১১ মুহাররম তিনদিন রোযা রাখেন, তাতেও কোন সমস্যা নেই। কেননা, মুহাররম পুরোমাস জুড়েই রোযা রাখার কথা বর্নিত হয়েছে৷ আর রোযার পাশাপাশি এ মাসে তাওবা-ইস্তিগফার কবূল হওয়ার কথাও বিশেষভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই এ মাসে তাওবা-ইস্তিগফারের আমলও বেশী বেশী করা উচিত৷ (মুসনাদে আহমাদ ৮৩০২ হাদীস৷ সুনানে তিরমিযী ৭৪১ হাদীস৷)
❣️ #আশুরার_দিনে_উত্তম_খানার_আমলঃ
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত৷ হযরত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
أَنَّهُ مَنْ وَسَّعَ عَلَى أَهْلِهِ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَسَّعَ اللَّهُ عَلَيْهِ سَائِرَ السَّنَةِ.
যে ব্যক্তি আশুরার দিন নিজ পরিবারের উপর উদার হাতে খরচ করবে, আল্লাহ তায়ালা সারা বছরের জন্য তাকে সচ্ছলতা দান করবেন। (তাবরানী শরীফ ৯৩০৩ হাদীস৷ জামিউস সগীর ১০১৯ হাদীস৷)
হাদীসটি একাধিক সনদে বর্ণিত হয়েছে৷ তাই হাদীসটি হাসান পর্যায়ে গন্য হবে৷ সুতরাং হাদীসটি গ্রহনযোগ্য ও আমলযোগ্য৷ অতএব
আশুরার দিনে ভালো ও উত্তম খানার আমল গ্রহণযোগ্য হাদীসে প্রমাণিত। তাই গ্রহণযোগ্য হাদীস না থাকার দাবী সঠিক নয়। বরং এ হাদীসের উপর আমল একাধিক সাহাবী, তাবেয়ী ও তৎপরবর্তী ইমামগণ থেকে অনুসৃত। তাঁরা আমল করে নিজ নিজ অভিজ্ঞতার কথাও বর্ণনা করেছেন।।
وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَاب
❣️সংগ্রহেঃFB
29/06/2025
এভাবে চলতে থাকলে পুরো জাতি হুমকির মুখে পড়বে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Demra
1361