Al-hikma science club

Al-hikma science club

Share

Invention your career by discover your idea

21/12/2023

ইসলামের স্বর্ণযুগে মুসলমানরা জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় যে কী পরিমাণ অগ্রগতি অর্জন করেছিলো, তা ভাবলেও আশ্চর্য হতে হয়। প্রত্যেক বিজ্ঞানীর কাজ নিয়ে লিখতে গেলে লেখার আকার অনেক বড় হয়ে যাবে বলে এখন শুধু সেই সময়কার উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানীদের নাম, তাদের গবেষণার ক্ষেত্রসহ উল্লেখ করছি।
রসায়নবিদঃ জাবির ইবন হাইয়্যান, আব্বাস ইবন ফিরনাস, আল-কিন্দী, আল-মাজ্‌রিতী, আল-খাজিনী, ইবন সিনা, নাসির আল-দীন তুসি, ইবন খালদুন, জাফর আল-সাদিক, খালিদ ইবন ইয়াজিদ প্রমুখ।

ভূতত্ত্ববিদঃ আল-মাসুদী, আল-কিন্দী, ইবন আল-জাজ্জার, আল-মাসিহী, আলী ইবন রিদওয়ান, ইবন সিনা, ইবন রুশ্‌দ, আহমেদ মুহিউদ্দীন পিরি, ইবন বতুতা, ইবন আল-নাফিস, ইবন জুবায়ের, ইবন খালদুন প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।

গণিতঃ মুহাম্মদ ইবন মুসা আল-খারিজ্‌মি, ওমর খৈয়াম, শরাফ আল-দীন আল-তুসি, আল-কারাজি, আল-সামাও’আল, আবু মাহমুদ খোজান্দি, তাহিত ইবন কুর্‌রাসহ আরো অনেকে।

পদার্থবিজ্ঞানঃ জাফর ইবন সাদিক, আব্বাস ইবন ফিরনাস, আল-সাঘানি, ইবন ইউনুস, আল-কারাজি, আল-হাইথাম, আল-বিরুনি, ইবন বাজ্জাহ, ইবন রুশ্‌দ প্রমুখ।

অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীঃ ইবন তাইমিয়া, ইবন খালদুন, ইবন আল-নাফিস, আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-গাজালি, ইবন সিনা, আল-বিরুনি, ইমাম আবু হানিফা প্রমুখ।

জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসাবিজ্ঞানীঃ ইবন সিরিন, আল-কিন্দী, আল-তাবারী, আল-বালখি, আল-ফারাবী, আল-মাজুসি, ইবন সিনা, আল-বিরুনী, ইবন রুশ্‌দ, আল হাইথাম প্রমুখ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীঃ সিন্দ ইবন আলী, আলী কুশজি, ইবরাহিম আল-ফাজারি, আল-খারিজ্‌মি, আল-বালখি, আল-বাত্তানী, আল-ফারাবী, আবু নাস্‌র মনসুর, আল-হাইথাম, ইবন রুশ্‌দ, ইবন বাজ্জাহ, নাসির আল-দীন আল-তুসি প্রমুখ।





[তথ্যসূত্রঃইন্টারনেট ]

21/12/2023

ইসলামীক গান:-সাহস আছে বলে আমি ।
পরিবেশনায়:-উদয় শিল্পীগোষ্ঠী
প্রিয় শিল্পীগোষ্ঠী ♥️♥️♥️

13/12/2023

'আল্লাহর ভয় মানুষকে সকল ভয় থেকে মুক্তি দেয়।'

মুসলিম দার্শনিকদের মধ্যে ইবনে সিনা অসামান্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তিনি একাধারে ইনসাইক্লোপেডিস্ট, দার্শনিক, চিকিৎসক, দেহতত্ত্ববিদ, গণিত বিশারদ, জ্যোতির্বিদ ও কবি ছিলেন। মুসলিম বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিককে আরববাসী ‘আল-শেখ আল-রাইস’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি উজবেকিস্তানের আফসানা নামক স্থানে ৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম আবু আলী আল হুসাইন ইবনে সিনা।

বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর রচিত প্রায় শতাধিক গ্রন্থের মধ্যে আল কানুন, কিতাবুশ শিফা, আরযুযা ফিত তিব্ব, লিসানুল আরব, আলমজনু, আল মুবাদাউন মায়াদা, আল মুখতাসারুল আওসাত, আল আরসাদুল কলিয়া উল্লেখযোগ্য। তবে ‘আল কানুন’ বইটি তখনকার যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব এনে দিয়েছিল। বইটিতে শতাধিক জটিল রোগের কারণ, লক্ষণ, ওষুধের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়। তিনি ফার্মাকোলজি ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল অবদান ছিল চিকিৎসা শাস্ত্রে। তাই তাঁকে সারাবিশ্ব চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। তিনি হলিস্টিক মেডিসিনের আবিষ্কারক। মানুষের চোখের সঠিক এনাটমির বর্ণনা করেন তিনি। যক্ষ্মা রোগ নিয়ে তাঁর অভিমত ছিল যে, যক্ষ্মা একটি ছোঁয়াচে রোগ। তিনিই প্রথম মেনিনজাইটিস রোগটি সনাক্ত করেন।

‘আশ শেফা’ দর্শনশাস্ত্রের আরেকটি অমূল্য গ্রন্থ। এতে ইবনে সিনা রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রাণীতত্ত্ব ও উদ্ভিদতত্ত্বসহ সকল বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করেন। পানি ও ভূমির মাধ্যমে যে সকল রোগ ছড়ায়, তা তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন। সময় ও গতির মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের সূত্রও তিনিই আবিষ্কার করেন।

ইবনে সিনা মানুষের কল্যাণ ও বিজ্ঞানের উন্নতি সাধনে আজীবন পরিশ্রম করেছেন, ভ্রমণ করেছেন জ্ঞানের সন্ধানে। একজন মুসলিম বহুবিদ্যাবিশারদ হিসেবে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

26/11/2023
06/10/2023

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا

"হে আল্লাহ! আপনি মুষলধারায় যে বৃষ্টি দিচ্ছেন, তা যেন আমাদের জন্য উপকারি হয়।"
(বুখারী: ১০৩২)

04/10/2023

যদি বইয়ের পাতায় খুঁজো
সোনালী আলো
মুছে যাবে দ্বিধা সব
আধার কালো

22/09/2023

৮৭৫ সালে, ৬৫ বছর বয়সে আব্বাস ইবনে ফিরনাস কাঠ এবং পালকের তৈরী একটি ঝুলন্ত গিল্ডার দিয়ে উড়ার চেষ্টা করেছিলেন, যেটি তিনি ঘন্টার পর ঘন্টা পাখির উড়ার বিষয় পর্যবেক্ষণ করে তৈরী করেছিলেন।

কর্ডোভার রুসাফা প্রাসাদ থেকে তিনি লাফ দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে তিনি কয়েক মিনিট উড়েছিলেন আর সেটি ছিলো বর্তমানে আকাশে শিকারী পাখির মতো উড়া।

তিনিই "সর্বপ্রথম উড়ে যাওয়া মানুষ" হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এছাড়াও তিনি একটি জলঘড়ির নকশা তৈরী করেছিলেন, সেই সাথে তিনি কাঁচ তৈরির উপায় চিহ্নিত করেছিলেন এবং একটি রিং এর চেইন বিকশিত করেছিলেন যা গ্রহ ও নক্ষত্রের গতি প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হতো। আরও তিনি পাথর কাটার একটি প্রক্রিয়াও বিকশিত করেন। তারপর থেকে স্পেনে আর মিশরের কোয়ার্ট রপ্তানির দরকার পড়েনি, তখন ঘরে বসেই এটা সম্পূর্ণ করা যেত।

আব্বাস ইবনে ফিরনাস ছিলেন একজন আন্দালুসিয়ান পলিম্যাথ, আবিষ্কারক,জ্যোতির্বিদ,চিকিৎসক,রসায়নবিদ,প্রকৌশলী এবং একজন আরবি ভাষার কবি।
রাইট ভাইদের প্রথম মটরচালিত বিমান আবিষ্কারের কথা হয়তো শুনেছেন কিন্তু সত্য হলো তাদের থেকেও শত শত বছর আগে একজন মুসলিম এটি আবিষ্কার করেছিলেন।
পদার্থ বিদ্যা

22/09/2023

যে ব্যক্তি এ বিশ্বাস নিয়ে মৃত্যুবরণ করবে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে।
- রাসূল সা. ( সহীহ মুসলিম, ১০৮ )

20/09/2023

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে হিদায়াত তাকওয়া, পবিত্রতা ও সচ্ছলতা চাই।
(মুসলিম : ইফা-৬৬৫৬)

16/09/2023

ইবনে সিনা অলিম্পিয়াড-২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশিত করা হয়েছে।
সকলের জন্য শুভকামনা ♥️♥️

06/09/2023

আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেন
আল-বিরুনি (প্রায় 1,000 বছর আগে) আজকের স্বীকৃত মানের তুলনায় 99.7% নির্ভুলতার সাথে পৃথিবীর🌍 পরিধি পরিমাপ📏📐 করেছিলেন।
আল-বিরুনি ছিলেন একজন পারস্য পলিম্যাথ যিনি ৯৭৩ থেকে ১০৪৮ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, পদার্থবিজ্ঞান এবং ইতিহাস সহ অনেক ক্ষেত্রের পণ্ডিত ছিলেন।
১০৩০ সালে আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করেন। তার অনুমান ছিল 6339.6 কিলোমিটার, যা 6378.1 কিলোমিটারের আধুনিক স্বীকৃত মূল্যের 0.3% এর মধ্যে।
আল-বিরুনির পদ্ধতিটি এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে পৃথিবীর বক্রতার কারণে দিগন্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে পাহাড়ের চূড়া থেকে নীচে প্রদর্শিত হয়। তিনি দিগন্ত এবং একটি প্লাম্ব লাইনের মধ্যবর্তী কোণটি দুটি ভিন্ন স্থানে পরিমাপ করেছিলেন এবং এই তথ্যটি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ গণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন।
আল-বিরুনির পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ ছিল তার সময়ের অন্যতম সঠিক পরিমাপ। সপ্তদশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত এটি অতিক্রম করা যায়নি, যখন ফরাসি গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী জিন পিকার্ড পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য আরও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন।

(copy post)

Want your school to be the top-listed School/college in Demra?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Demra, Dhaka
Demra