A.S Abdullah Samiya عَبْدُاللّٰلهَ سَمِيْعَ
اسلام عليكم ورحمة الله
AbdullahSamiaকলিজা যোগাযোগ Ab اسلام عليكم ورحمة الله
AbdullahSamiaকলিজা যোগাযোগ [email protected]
দ্রুত পাত্রী খুঁজে পাবেন যেভাবে
উস্তাযে মুহতারাম মুফতি আবুল হাসান আব্দুল্লাহ সাহেব ক্লাসে ছাত্রদের সাথে একেবারেই ফ্রি ছিলেন ৷ ছাত্রদের সাথে অনেকটা বন্ধুর মতোই আচরণ করতেন ৷
আমরা যে কেউ হুজুরকে ব্যক্তিগত পারিবারিক সামাজিক যে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে পারতাম ৷ হুজুরও হাসি মুখে সব বিষয়েই কথা বলতেন ৷ সাবলীলভাবেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতেন ৷
ইফতা দ্বিতীয় বর্ষের প্রায় ছয় মাস যখন পার হয়ে যাচ্ছিল স্বাভাবিকভাবেই মনে মনে তখন বিয়ে শাদী নিয়ে একটু ভাবনা বেশি আসতো ৷ মাথায় শুধু বিয়ের কথা ঘুরঘুর করতো ৷
হুজুরকে একদিন ক্লাসে আমরা পাত্রী দেখা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম ; পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দিতে হবে ?
হুজুর বললেন :
দেখ , আমি যেদিন আমার জন্য পাত্রী দেখতে যাচ্ছিলাম মনে মনে আমার দোষগুলো খুঁজে বের করলাম ৷ গুনে গুনে দেখি আমার মধ্যে অন্তত ১৬ টা দোষ বা খুঁত আছে ৷ এই যে তোমরা দেখছ আমার নাক বোচা , ঠোঁট মোটা , দাঁতগুলোর মাঝে ফাঁকা , আবার আমি বেঁটেও , এই সেই আরও কতো কী ................ হুজুর হেসে দিলেন ৷
এখন আমি যেই মেয়েকে দেখতে যাচ্ছি তার মধ্যে যদি ১৬ টা দোষ থাকে তাহলে তো অপছন্দের কিছু নেই ৷ কারণ দুজনেই সমান সমান ৷ আমরা কেউ কারো থেকে শ্রেষ্ঠ নই ৷ আমি যেমন সেও তেমন৷ আর যদি তার কাছে আমার থেকে একটি দোষও কম থাকে তাহলে তো সে আমার থেকে শ্রেষ্ঠ ৷ তখন তো আমি তাকে অপছন্দ করার প্রশ্নই আসে না ৷
যদি তোমরা পাত্রী দেখার সময় এই কথাটা খেয়াল রাখ এবং এরকম মনোভাব নিয়েই পাত্রী দেখতে যাও তাহলে পছন্দ হতে কোন অসুবিধা হবে না৷ আর যদি নিজের খুঁত এবং দোষের দিকে না তাকিয়ে শুধু মেয়ের দোষ দেখ তাহলে জীবনেও পাত্রী পছন্দ হবে না ৷ তোমার জন্য পাত্রীও খুঁজে পাবে না ৷
হতে পারে আপনি বিশ্বের সবচাইতে খারাপ ব্যক্তিদের মধ্যে একজন! আপনি প্রেম করেছেন, যিনা করেছেন, মদ খেয়েছেন,মাতাল হয়েছেন? সর্বোপরি,এমন কোন পাপ নেই যেটা আপনি বাদ রেখেছেন!
এতকিছু করার পরেও আপনি কি জানেন, আল্লাহ চাইলে আপনার ছোট্ট কোন ভালো কাজ আল্লাহ পছন্দ করে আপনার বাকী সব গুনাহ,সব পাপ মাফ করে দিতে পারেন?
আমরা সবাই সহীহ হাদিসে বর্ণিত বনী ইসরালের সেই দুর্ধর্ষ খুনি লোকটির ঘটনা জানি, যে একশত জন মানুষ হত্যার পর ও আল্লাহ আযযা ওয়া যাল তাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। কারন সেই ব্যক্তি আন্তরিকভাবেই তাওবাহ করতে চেয়েছিল, আল্লাহর কাছে ফিরতে চেয়েছিল, তার পাপের জন্য মন থেকে অনুতপ্ত হয়েছিল। এজন্যই আল্লাহ তাকে তাঁর রহমতের চাদরে আশ্রয় দিয়ে,তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দিয়েছেন।
আরেক ব্যভিচারী মহিলার ঘটনা ও আমাদের জানা যে,"মহিলা পিপাসায় কাতর একটা কুকুরকে পানি পান করিয়ে নাজাত পেয়েছিল। তাছাড়া হাদিসে বর্ণিত আছে এক ব্যক্তি রাস্তা থেকে জাস্ট কাঁটা সরিয়ে দেওয়ার কারনে জান্নাত লাভ করেছে। হাদিসে এসেছে,''একজন ব্যক্তিকে হাশরের দিন আল্লাহ ডাকবেন যার একটি নেক আমলের বিনিময়ে নিরানব্বইটা পাপের আমল মাফ করে দিবেন।''
সুবহানআল্লাহ!
এজন্য ভাই-বোনেরা, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না। আমরা কেউ জানিনা আল্লাহ আমাদের কোন ছোট্ট আমল কবুল করি নিবেন, পছন্দ করবেন আর এর বিনিময়ে হয়তো আমাদের ক্ষমা ও করে দিবেন।
এ জন্যই যতবড় গুনাহই করবেন, হতাশ হবেন না।বরং
লজ্জিত হবেন,অনুতপ্ত হবে,কাঁদবেন,ভুল স্বীকার করবেন।দ্বিতীয় বার একই গুনাহ না করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবেন। মানুষ আপনার ভালো কাজ গুলো ভুলে গেলে ও খারাপ কাজ গুলো ঠিকই মনে রাখে।
কিন্তু আমাদের রব-আল্লাহ্, আমাদের খারাপ কাজ গুলো ক্ষমা করে দিয়ে আমাদের ভালো কাজ(তাওবাহ)
মনে রাখেন।
কারণ আল্লাহর ক্ষমার কোন কূল কিনারা নেই। তাঁর ক্ষমা অসীম!মনে রাখবেন,আপনার গুনাহ পাহাড়সম বড় হলে তাঁর ক্ষমা, মাগফিরাত আকাশের চাইতেও বিশাল।
# Dawah
মুস'আব ইবনে উমাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু
চির উজ্জ্বল এক নক্ষত্র, এক মুগ্ধতার নাম। এই সাহাবী (রা.) কথা যখন প্রথম শুনি এত অবাক হয়েছি, আল্লাহু আকবর! ইসলামের জন্য কতোটা সেক্রিফাইজ করা যায় এবং কতোটা আন্তরিকতা সেই সেক্রিফাইজে উনার ঘটনা পড়লে তা অনুভব করা যায়। তিনিই সেই যুবক যিনি ছিলেন মক্কার সবচেয়ে প্রখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করা, সবচেয়ে উৎকৃষ্ট জামা পরিধানকারী এবং সবচেয়ে দামী ও সুন্দর সুগন্ধি ব্যবহারকারী। তিনি যে সুগন্ধি ব্যবহার করে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতেন, সেই সুগন্ধির সুভাষ অনেকক্ষণ রাস্তায় থেকে যেতো। মানুষ বুঝতে পারতো, এই রাস্তা দিয়ে একটু আগে মুস'আব হেঁটে গেছেন।
স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সম্পর্কে বলেন, "মক্কায় মুস'আবের চেয়ে সুদর্শন আর উৎকৃষ্ট পোশাকধারী আর কেউ ছিলো না।"
সেই মুস'আব (রা.) ইসলাম গ্রহনের গল্পটি কি ছিল?
দারুল আরকাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেখানে কালিমার দাওয়াত দেওয়া শুরু করেছিলেন। সেখানে নিয়মিত মিটিং হতো। সেই দারুল আরকামে একদিন পৌঁছে গেলেন মুস'আব ইবনে উমাইর (রা.)। সেখানে তাঁর দেখা হলো রাসূলুল্লাহর ﷺ সাথে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন কুরআনের আয়াত পাঠ করছিলেন! সেই এক সাক্ষাতে রাসূল ﷺ মুখে কুরআনের বানী শুনে মুস'আব ইবনে উমাইর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।
সেই প্রথম দিকে যখন ইসলাম গ্রহণ করলে অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হতো, তখন মুস'আব রাঃ উপরে নেমে আসা কঠিন নির্যাতনেও যা তাঁর মা মা খুন্নাস বিনতে মালিক নিজেই চালালো তাঁর উপর, অথচ তিনি ছিলেন অটল, ঈমানের উপর স্থির। ইসলাম ত্যাগের জন্য তাঁর মায়ের অত্যাচার, চাপ প্রয়োগে তিনি কখনোই তাঁর ইসলামের প্রতি ভালোবাসা বিন্দুমাত্র কমালেন না।
শৃঙ্খল অতিক্রম করে তিনি হলেন প্রথম বার্তাবাহক। তিনি মদিনায় গেলেন প্রধান বার্তাবাহক হিসেবে এবং সেখানের লোকদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দিচ্ছিলেন। এমনি একদিন মদিনার প্রধান নেতাদের একজন নাম উসাইদ রেগে অস্থির হয়ে উপস্থিত হলেন মুস'আব (রা.) সামনে এবং রেগে, হুমকি দিলেন যদি প্রাণের ভয় থাকে তুমি চলে যাও এখান থেকে। মুস'আব (রা.) অত্যান্ত বুদ্ধিমত্তার সহিত ধীরেসুস্থে, শান্ত কন্ঠে বললেন আমার কথা শুনুন। আপনি উত্তেজিত হবেন না। আমার কথা যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে আপনি মানবেন, না হলে আমরা চলে যাবো।
অতঃপর সেই নেতা বসলেন এনং মনোযোগ দিয়ে শুনতে লাগলেন তাঁর কথা। মুস'আব রাঃ তখন কুরআনের আয়াত পাঠ করছিলেন এবং সেই নেতার রাগে লাল মুখে আস্তে আস্তে হাসি ফুটে উঠছিল। যখন মুস'আব রাঃ শেষ করলেন, সেই নেতা অতি আশ্চর্যজনক ভাবে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন। এবং তিনি যেহেতু নেতা ছিলেন সেই গোত্রের তাঁর ইসলাম গ্রহনের পর সেই গোত্রের অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করলো। সুবহানআল্লাহ! এমনি বুদ্ধিদীপ্ত এবং সাহসিক ছিলেন ইসলামের প্রথম বার্তাবাহক মুস'আব ইবনে উমাইর (রা.)।
এই সেই মুস'আব রাঃ যিনি বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে তাঁর মায়ের শৃঙ্খল ভেঙে একমাত্র ইসলামের জন্য অত্যন্ত দারিদ্র্য জীবন বেছে নিয়েছিলেন।
একবার মুস'আব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মজলিসে তাকে দেখে সাহাবীরা চোখ নামিয়ে ফেলেন, কেউ কেউ কান্না শুরু করেন। কারণ তাঁর পরনে ছিলো তালি দেওয়া এক জীর্ণ জোব্বা। তাকে এই অবস্থায় দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "...মুস'আব এসব কিছু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ত্যাগ করে এসেছে এবং সে রাসূলের কাজে নিবেদিত করেছে।"
বিভিন্ন যুদ্ধে তিনি বীরত্বের সাথে নিজের সর্বস্ব দিয়ে লড়াই করেছিলেন। উহুদ যুদ্ধের দিন মুস'আব ইবনে উমাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু পান ইসলামের পতাকা বহন করার মহান দায়িত্ব। যুদ্ধের ময়দানে যখন গুজব রটলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাহাদত বরণ করেছেন তখন অনেক সাহাবী যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকলেন। কিন্তু মুস'আব ইবনে উমাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু যুদ্ধ চালিয়ে যেতে লাগলেন আর ঘোষণা করতে লাগলেন, 'ওয়ামা মুহাম্মাদুন ইল্লা রাসূল, কাদ খালাত মিন কাবলিহির রাসূল' - মুহাম্মদ একজন রাসূল ছাড়া কিছুই নন, তাঁর পূর্বে বহু রাসূল অতিবাহিত হয়েছেন।
কাফিররা তাঁর ডান হাত কেটে ফেললে তিনি বাম হাতে পতাকা তুলে ধরেন। তাঁর বাম হাতটি কেটে ফেললে তিনি দুই হাতের বাহুর মাঝখানে ইসলামের ঝাণ্ডা তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে একটা তীর এসে তাকে আঘাত করে। তীরের আঘাতে তিনি শহীদ হন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজীউন)
যুদ্ধ শেষে যখন লাশগুলো দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছিলো, তখন মুস'আব (রাদিয়াল্লাহু আনহুর) জন্য ছিলো মাত্র এক টুকরো কাপড়। যে কাপড় দিয়ে মাথা ঢাকলে পা খালি থেকে যায়, পা ঢাকলে মাথা খালি থেকে যায়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঐ টুকরো কাপড় দিয়ে তাঁর মাথা আর 'ইখলিস' নামক ঘাস দিয়ে পা ঢেকে দিতে বলেন।
তিনি কাঁদতে কাঁদতে তেলাওয়াত করেন:
ﻣِّﻦَ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﺭِﺟَﺎﻝٌ ﺻَﺪَﻗُﻮﺍ ﻣَﺎ ﻋٰﻬَﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ۖ ﻓَﻤِﻨْﻬُﻢ ﻣَّﻦ ﻗَﻀٰﻰ ﻧَﺤْﺒَﻪُۥ ﻭَﻣِﻨْﻬُﻢ ﻣَّﻦ ﻳَﻨﺘَﻈِﺮُ ۖ ﻭَﻣَﺎ ﺑَﺪَّﻟُﻮﺍ ﺗَﺒْﺪِﻳﻠًﺎ
"মুমিনদের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে যারা আল্লাহর সাথে কৃত তাদের প্রতিশ্রুতি সত্যে বাস্তবায়ন করেছে। তাদের কেউ কেউ [যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করে] তার দায়িত্ব পূর্ণ করেছে, আবার কেউ কেউ [শাহাদাত বরণের] প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা (প্রতিশ্রুতিতে) কোন পরিবর্তনই করেনি।" [সূরাহ আহযাব, আয়াত : ৩৩]
তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা দেন, "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি এরাই হলো শহীদ। তোমরা আসো, তাদের দেখে যাও। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের আগ পর্যন্ত যারাই তাদেরকে সালাম দেবে, তাদেরকে তারা সালামের উত্তর প্রদান করবে।"
আসসালামু আলাইকুম ইয়া মুস'আব,
আসসালামু আলাইকুম মা'শার আশ-শুহাদা।
এই মুস'আব ইবনে উমাইর রাঃ এর সীমাহীন আত্মত্যাগের কথা আমরা কয়জন স্মরণ করি! ইসলামের জন্য আজ আমরা সেক্রিফাইজ করতে প্রস্তুত নই, প্রস্তুত দুনিয়ার জন্য ইসলামের বিধিবিধানের সাথে কম্প্রোমাইজ করতে। নিজেরাও জানিনা সাহাবী রাঃ ঈমানদীপ্ত জীবন, জানলেও আমল করি না। আমাদের বাচ্চাদেরও শিখাই না। অথচ আজ এই উম্মাহর জন্য দরকার এমন এমন মা,বাবার যারা সন্তানদেরকে তাদের নক্ষত্রদের, রিয়েল হিরোদের এমন সাহসী জীবন সম্পর্কে জানাবে, দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে আখিরাতের আশায় নিজ সন্তানদেরকে দ্বীনের কাজে লাগাবে, এক একজন বীর যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তুলবে।
আল্লাহ্ আমাদেরকে মাফ করুন এবং সাহাবীদের (রা.) পথ অনুসরণ করে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
লেখাঃ সায়মা সাজ্জাদ মৌসি (আল্লাহ্ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ !
_
# ওহী (Seeking The Way To Jannah)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Debidwar