19/12/2025
ক্ষমতালোভী দখলদাররা জানে—মেধার সঙ্গে যুদ্ধ করে তারা কোনোদিন জিততে পারবে না। তাই তারা সত্যকে হারাতে না পেরে অস্ত্র তোলে, ভয়ের রাজনীতি করে, মানুষের কণ্ঠ চেপে ধরতে চায়।
কিন্তু মনে রাখ—
অস্ত্র দুর্বলদের হাতিয়ার,
মেধা শক্তিশালীদের অস্ত্র।
যারা চিন্তা ও যুক্তির সামনে মাথা নত করতে পারে না, তারাই ট্রিগার টিপে। তারা জানে তাদের দিন শেষ—
আর ইতিহাস কখনোই কাপুরুষদের ক্ষমা করে না।
07/12/2025
বর্তমান সময়ে সামাজিক মিডিয়া ও পত্রপত্রিকার খবরে আমরা দেখছি—
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে নানা আলোচনা।
কিন্তু বাস্তবতা কি সত্যিই প্রতিফলিত হচ্ছে?
বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়েন সেই শিশুদের শিশুকাল, যাদের পেছনে থাকে চা-বিক্রেতা, দিনমজুর, কৃষক, ভ্যানচালক, শ্রমজীবী পরিবারের অভাবনীয় বাস্তবতা।
যাদের ঘরে নেই পড়ার পরিবেশ, নেই প্রযুক্তি, কেউ গাইড করতে পারে না—তবু আছে স্বপ্ন, মানুষ হওয়ার, বড় হওয়ার।
এই শিশুদের পড়ানো কতটা চ্যালেঞ্জ তা শুধুই শিক্ষকরা জানেন।
ক্ষুধার্ত পেট, অনিয়মিত উপস্থিতি, দারিদ্র্য—সব বাধার মাঝেও শিক্ষকরা হাসিমুখে শেখান, বারবার বুঝিয়ে বলেন, মনোবল জাগান।
কারণ এই শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ।
কিন্তু দুঃখের বিষয়—যে শিক্ষকরা দেশের ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা আজও ১৩তম গ্রেডে চাকরি করছেন, অর্থাৎ তৃতীয় শ্রেণির সমমানের মর্যাদা!
শিক্ষকরা বহু বছর ধরে ১১তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার যৌক্তিক দাবি জানিয়ে আসছেন।
সরকার বলছে “বাজেট নেই,” যদিও বাস্তবতা হলো—
১১তম গ্রেডের মূল বেতন ১২,৫০০ টাকা,
আর ১৩তম গ্রেডের মূল বেতন ১১,০০০ টাকা।
মাত্র ১,৫০০ টাকার পার্থক্য, অথচ শিক্ষকরা আজও অধিকারবঞ্চিত।
আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়—যদি কেউ ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করেন, তাদের বদলি দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
তাদের কাজ, কর্তব্য, দায়িত্ব—সবকিছুকে উপেক্ষা করে সামাজিক মিডিয়া ও কিছু সংবাদমাধ্যমে ট্রলিং, অবমূল্যায়ন ও সমালোচনা করা হচ্ছে।
যে মানুষ দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে, তাকে অন্যমনস্ক দৃষ্টিতে দেখা—এটাই বর্তমানে ঘটছে।
আরও চিন্তার বিষয়—কিছু মানুষ আবার বলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাইভেট করা উচিত।
যারা বাস্তবতা জানে না, যারা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংগ্রাম বোঝে না।
প্রাইভেট করলে—গরিবের শিশু স্কুলে যাবে না, ধনী পড়বে, সমতা শেষ, জাতির ভিত্তি ভেঙে পড়বে।
প্রাথমিক শিক্ষা কোনো ব্যবসা নয়।
এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
শিক্ষকরা দেশের ভিত্তি, তারা বাঁচলে শিক্ষা বাঁচে,
শিক্ষা বাঁচলে—দেশ বাঁচে।
শিক্ষককে সম্মান দিন।
১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন করুন।
হয়রানি বন্ধ করুন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাঁচান।
13/11/2025
আওয়ামী লীগের লকডাউন মিছিল বলে প্রচার করা হলেও ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কর্মীদের মশাল মিছিলের ঘটনার।