Md. Habibur Rahman

Md. Habibur Rahman

Share

♥Let's Spread Education.♥

19/12/2025

ক্ষমতালোভী দখলদাররা জানে—মেধার সঙ্গে যুদ্ধ করে তারা কোনোদিন জিততে পারবে না। তাই তারা সত্যকে হারাতে না পেরে অস্ত্র তোলে, ভয়ের রাজনীতি করে, মানুষের কণ্ঠ চেপে ধরতে চায়।

কিন্তু মনে রাখ—
অস্ত্র দুর্বলদের হাতিয়ার,
মেধা শক্তিশালীদের অস্ত্র।

যারা চিন্তা ও যুক্তির সামনে মাথা নত করতে পারে না, তারাই ট্রিগার টিপে। তারা জানে তাদের দিন শেষ—
আর ইতিহাস কখনোই কাপুরুষদের ক্ষমা করে না।

14/12/2025

আমরা সবই বুঝি💯

Photos from Md. Habibur Rahman's post 07/12/2025

বর্তমান সময়ে সামাজিক মিডিয়া ও পত্রপত্রিকার খবরে আমরা দেখছি—

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে নানা আলোচনা।
কিন্তু বাস্তবতা কি সত্যিই প্রতিফলিত হচ্ছে?

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়েন সেই শিশুদের শিশুকাল, যাদের পেছনে থাকে চা-বিক্রেতা, দিনমজুর, কৃষক, ভ্যানচালক, শ্রমজীবী পরিবারের অভাবনীয় বাস্তবতা।
যাদের ঘরে নেই পড়ার পরিবেশ, নেই প্রযুক্তি, কেউ গাইড করতে পারে না—তবু আছে স্বপ্ন, মানুষ হওয়ার, বড় হওয়ার।

এই শিশুদের পড়ানো কতটা চ্যালেঞ্জ তা শুধুই শিক্ষকরা জানেন।
ক্ষুধার্ত পেট, অনিয়মিত উপস্থিতি, দারিদ্র্য—সব বাধার মাঝেও শিক্ষকরা হাসিমুখে শেখান, বারবার বুঝিয়ে বলেন, মনোবল জাগান।
কারণ এই শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ।

কিন্তু দুঃখের বিষয়—যে শিক্ষকরা দেশের ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা আজও ১৩তম গ্রেডে চাকরি করছেন, অর্থাৎ তৃতীয় শ্রেণির সমমানের মর্যাদা!
শিক্ষকরা বহু বছর ধরে ১১তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার যৌক্তিক দাবি জানিয়ে আসছেন।
সরকার বলছে “বাজেট নেই,” যদিও বাস্তবতা হলো—
১১তম গ্রেডের মূল বেতন ১২,৫০০ টাকা,
আর ১৩তম গ্রেডের মূল বেতন ১১,০০০ টাকা।
মাত্র ১,৫০০ টাকার পার্থক্য, অথচ শিক্ষকরা আজও অধিকারবঞ্চিত।

আর সবচেয়ে দুঃখের বিষয়—যদি কেউ ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করেন, তাদের বদলি দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
তাদের কাজ, কর্তব্য, দায়িত্ব—সবকিছুকে উপেক্ষা করে সামাজিক মিডিয়া ও কিছু সংবাদমাধ্যমে ট্রলিং, অবমূল্যায়ন ও সমালোচনা করা হচ্ছে।
যে মানুষ দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে, তাকে অন্যমনস্ক দৃষ্টিতে দেখা—এটাই বর্তমানে ঘটছে।

আরও চিন্তার বিষয়—কিছু মানুষ আবার বলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাইভেট করা উচিত।
যারা বাস্তবতা জানে না, যারা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংগ্রাম বোঝে না।
প্রাইভেট করলে—গরিবের শিশু স্কুলে যাবে না, ধনী পড়বে, সমতা শেষ, জাতির ভিত্তি ভেঙে পড়বে।

প্রাথমিক শিক্ষা কোনো ব্যবসা নয়।
এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
শিক্ষকরা দেশের ভিত্তি, তারা বাঁচলে শিক্ষা বাঁচে,
শিক্ষা বাঁচলে—দেশ বাঁচে।

শিক্ষককে সম্মান দিন।
১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন করুন।
হয়রানি বন্ধ করুন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাঁচান।

13/11/2025

আওয়ামী লীগের লকডাউন মিছিল বলে প্রচার করা হলেও ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে বিএনপি কর্মীদের মশাল মিছিলের ঘটনার।

13/11/2025

কেউ ইতিহাস পড়ে, আর কেউ ইতিহাস গড়ে।
একজন শিক্ষিত মা প্রমাণ করে দিতে পারেন—
তিনি পারেন একটি শিক্ষিত জাতি গড়তে।

এমন জীবনই চাই,
যা গড়ে তুলবে মানুষ, আলো দেবে সমাজে।
মরিলে তুমি হাসিবে, কাঁদিবে ভুবন।

হাজার বছর পরেও
এই মা, এই গ্রামের মানুষের হৃদয়ে
বেঁচে থাকবেন চিরস্মরণীয় হয়ে।

05/11/2025

Sarba Mitra Chakma দের কোনো পদক্ষেপ মানেই এখন সমালোচনার ঝড়!

আপনাদের শ্লোগান ছিলো এই যাত্রায় আপনারা থামবেন না।
সুতরাং দেশবাসীর প্রত্যাশা আপনারা থামবেন না।

যারা কালকের মাদকসেবীর দাড়ি আর টুপি দেখে কান্না করতেছেন তারা ২০১৩ এর শাপলা ট্রাজেডিতে কতোটা কান্না করছিলেন সেটাও দেখার বিষয় ।

যে দাড়িটুপিকে মর্যাদা দেওয়া উচিত তখন চুপ ছিলেন, এখন দাড়িটুপিতে গাজাখোরদের নিয়ে এতো সাত সিমপ্যাথি দেখানোটাও সন্দেহজনক।

04/11/2025

My dear children,
listen to my words carefully and remember them for the rest of your lives.

The past is a waste paper,
the present is a newspaper,
and the future is a question paper.

So, read and write carefully —
otherwise, your life will become tissue paper.

29/10/2025

ভাইরাল এই ছবিটি শেখ হাসিনার নয় বরং এটি ভারতের ভিন্ন এক নারীর ছবি।
সূত্রঃ রিউমার স্ক্যানার

28/10/2025

🎓 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজনীতি মুক্ত হোক

শিক্ষা একটি জাতির আত্মা, আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো সেই আত্মার লালনক্ষেত্র। কিন্তু আজ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দেখা যায় — প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ, কমিটি গঠন, এমনকি শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমেও রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট। ফলাফল? শিক্ষা হারাচ্ছে তার গুণগত মান, শিক্ষক হারাচ্ছেন স্বাধীনতা, আর শিক্ষার্থীরা হারাচ্ছে তাদের নিরপেক্ষ ভাবনা ও মানবিক মূল্যবোধ।

একটি বিদ্যালয় বা কলেজের পরিচালনা কমিটি যখন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়, তখন সেখানে যোগ্যতার জায়গায় দলীয় আনুগত্য প্রাধান্য পায়। ভালো শিক্ষক উপেক্ষিত হন, দক্ষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় না, এবং শিক্ষার্থীরা দেখে — “দল থাকলে সুযোগ মেলে।” এই ধারণা পুরো প্রজন্মের চিন্তাধারাকে বিকৃত করে ফেলে।

অন্যদিকে, রাজনীতি মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি আলোকিত সমাজ গঠনের ভিত্তি হতে পারে।
🔹 শিক্ষকরা কাজ করবেন স্বাধীনভাবে।
🔹 শিক্ষার্থীরা শিখবে সত্য, যুক্তি ও নৈতিকতার পথে।
🔹 প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হবে বাস্তবচাহিদার ভিত্তিতে, কোনো পক্ষপাত ছাড়াই।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন এক শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে রাজনীতি নয়, জ্ঞান, মানবতা ও নৈতিকতা হবে সব সিদ্ধান্তের মূল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির মঞ্চ নয়—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষার পাঠশালা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।

তাই এখনই সময় বলার —
👉 “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাই রাজনীতি মুক্ত — যেখানে শিক্ষাই হবে সর্বোচ্চ রাজনীতি।”

✍️ — Md. Habibur Rahman

18/10/2025

🦐 চিংড়ী মাছ ডায়বেটিস রোগীর জন্য কতটা উপকারী, কতটা ক্ষতিকর?

চিংড়ী মাছ — নাম শুনলেই জিভে পানি আসে!
বাংলার মানুষের পছন্দের এই সুস্বাদু খাবারটি ডায়বেটিস রোগীর জন্য উপকারী নাকি ক্ষতিকর — এটা জানাটা খুব জরুরি।
চলুন সহজভাবে জেনে নিই👇

---

✅ চিংড়ী মাছের উপকারিতা

1. রক্তে শর্করা বাড়ায় না:
চিংড়ীতে কার্বোহাইড্রেট প্রায় নেই বললেই চলে।
তাই এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না — ফলে ডায়বেটিস রোগীর জন্য তুলনামূলক নিরাপদ প্রোটিন উৎস।

2. উচ্চ প্রোটিন ও কম ক্যালোরি:
এতে প্রোটিন আছে, কিন্তু ক্যালোরি খুব কম।
যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।
কারণ, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে রক্তে শর্করাও সহজে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

3. ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর:
চিংড়ীতে আছে “ওমেগা–৩ ফ্যাট” — যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং শরীরের প্রদাহ কমায়।

4. ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ:
এতে ভিটামিন B12, জিঙ্ক, আয়রন ও সেলেনিয়াম আছে — যা স্নায়ুর স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

---

⚠️ চিংড়ী মাছের ক্ষতিকর দিক

1. কোলেস্টেরল বেশি:
চিংড়ীতে প্রাকৃতিকভাবে কোলেস্টেরলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।
তাই যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের সমস্যা আছে, তাদের পরিমাণে সতর্ক থাকতে হবে।

2. ভাজা বা ঘি–তেলে রান্না করলে ক্ষতি:
তেলে ভাজা চিংড়ী বা সমৃদ্ধ গ্রেভির চিংড়ী কারি ডায়বেটিস রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেড়ে যায়, যা হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়।

3. অ্যালার্জি:
অনেকের শরীরে চিংড়ীর প্রতি অ্যালার্জি থাকতে পারে — ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি, এমনকি শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে।
এমন হলে একদম না খাওয়াই ভালো।

---

🥗 ডায়বেটিস রোগীর জন্য নিরাপদ চিংড়ী খাওয়ার নিয়ম

🍤 সপ্তাহে ১–২ বারের বেশি নয়
🍤 সেদ্ধ, গ্রিল বা কম তেলে রান্না করুন
🍤 ঘি বা অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করবেন না
🍤 সবজি বা সালাদের সঙ্গে খেলে ভালো
🍤 কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে খান

---

🩺 সংক্ষেপে বললে

👉 পরিমিত ও স্বাস্থ্যকরভাবে রান্না করা চিংড়ী ডায়বেটিস রোগীর জন্য উপকারী হতে পারে।
👉 কিন্তু অতিরিক্ত বা তেলে ভাজা চিংড়ী ক্ষতিকর হতে পারে।

তাই নিয়ম মানুন, পরিমাণে খান, আর চিংড়ীর স্বাদ উপভোগ করুন—নিরাপদভাবে 🦐💚

---

🔖 #ডায়বেটিস #স্বাস্থ্যটিপস #চিংড়ীমাছ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ডায়েটপ্ল্যান

18/10/2025

🥚 ডিম ডায়বেটিস রোগীর জন্য কতটা উপকারী, কতটা ক্ষতিকর?

ডিম আমাদের প্রতিদিনের প্রিয় খাবারগুলোর একটি। সকালে নাস্তা হোক বা দুপুরের খাবার—একটা ডিম যেন সবকিছুর সঙ্গী।
কিন্তু ডায়বেটিস রোগীরা প্রায়ই চিন্তায় পড়েন — “ডিম কি আমার জন্য ক্ষতিকর?”
চলুন জেনে নিই সত্যিটা 👇

✅ ডিমের উপকারিতা

1. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে:
ডিমে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট আছে, কিন্তু কার্বোহাইড্রেট প্রায় নেই বললেই চলে।
ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না।
যারা ডায়বেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য এটি একটি নিরাপদ খাবার।

2. পেট ভরিয়ে রাখে:
ডিম খেলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগে না, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।
এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে—যা ডায়বেটিসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

3. ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস:
ডিমে রয়েছে ভিটামিন D, B12, আয়রন ও সেলেনিয়াম, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

4. ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়:
পরিমিত পরিমাণে খেলে ডিম শরীরে ভালো কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

⚠️ ডিমের ক্ষতিকর দিক (যদি ভুলভাবে খাওয়া হয়)

1. কুসুমে কোলেস্টেরল বেশি:
ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল বেশি থাকে।
তাই যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, হৃদরোগ বা স্থূলতা আছে, তাদের সাবধানে খাওয়া উচিত।

2. তেলে ভাজা ডিম ক্ষতিকর হতে পারে:
তেলে ভাজা বা ঘি দিয়ে রান্না করা ডিমে “বিপজ্জনক ফ্যাট” বেড়ে যায়।
এতে হৃদরোগ ও রক্তে শর্করা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

3. অতিরিক্ত ডিম খাওয়া:
প্রতিদিন ২–৩টির বেশি ডিম খেলে শরীরে ফ্যাট জমে এবং কোলেস্টেরল বাড়তে পারে।

🥗 ডায়বেটিস রোগীর জন্য নিরাপদ ডিম খাওয়ার নিয়ম

🍳 সপ্তাহে ৪–৬টি ডিম খেতে পারেন
🍳 বেশি সময় কুসুম বাদ দিয়ে সাদা অংশ খাওয়া ভালো
🍳 সেদ্ধ বা পোচ করে খান
🍳 তেল বা ঘি কম ব্যবহার করুন
🍳 সবজি ও আঁশযুক্ত খাবারের সঙ্গে খেলে উপকারিতা আরও বাড়ে

🩺 সংক্ষেপে

👉 পরিমিত পরিমাণে, সঠিকভাবে রান্না করা ডিম ডায়বেটিস রোগীর জন্য উপকারী।
👉 কিন্তু অতিরিক্ত কুসুম বা তেলে ভাজা ডিম ক্ষতিকর হতে পারে।

সুতরাং, ডিম খেতে ভয় পাবেন না — বরং বুদ্ধিমানের মতো খান 🥚💪

🔖 #ডায়বেটিস #স্বাস্থ্যটিপস #ডিমেরউপকারিতা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

16/10/2025

🌾 ছোলা: ডায়বেটিস রোগীদের জন্য এক আশীর্বাদ 💉

ডায়বেটিস এখন নিঃশব্দে ছড়িয়ে পড়া এক নীরব রোগ। কিন্তু আমাদের আশেপাশেই আছে এমন কিছু খাবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে — তার মধ্যে সবচেয়ে উপকারী হলো ছোলা (Chickpeas)।

✅ কেন ছোলা ডায়বেটিসে উপকারী?

1️⃣ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম: রক্তে গ্লুকোজ ধীরে বাড়ে, ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় থাকে।
2️⃣ ফাইবারে ভরপুর: চিনি শোষণ ধীরে হয়, রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ে না।
3️⃣ ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: পেট ভরা রাখে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।
4️⃣ হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো: খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়।

⚖️ কতটুকু খাবেন?

👉 প্রতিদিন অর্ধেক কাপ (৫০–৭০ গ্রাম) সিদ্ধ ছোলা যথেষ্ট।
👉 তেলে ভাজা নয় — সিদ্ধ বা ভাপে রান্না করা ছোলা খাওয়াই শ্রেয়।

🚫 সতর্কতা:

🔹 অতিরিক্ত খেলে গ্যাস বা পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে।
🔹 কিডনি বা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

---

🌱 উপসংহার:
ছোলা শুধু খাবার নয়, এটি ডায়বেটিসের প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রক।
প্রতিদিন সামান্য ছোলা খেয়ে রাখুন — রক্তে শর্করা থাকবে নিয়ন্ত্রণে, জীবন থাকবে সুস্থ ও সুন্দর।

✍️ Md. Habibur Rahman

Want your school to be the top-listed School/college in Debidwar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Vill: Surjapur, Post: Saharpar, Thana: Debidwar, Dist: Cumilla
Debidwar
3530