Akter' s Math care

Akter' s Math care

Share

"গণিতের জটিলতা দূর করি,আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ি।"

20/09/2025

ভর্তি চলছে... ভর্তি চলছে
০১/১০/২০২৫ থেকে নতুন ব্যাচে। শীগ্রই যোগাযোগ করুন।

28/08/2025
30/11/2024

এসএসসি-২০২৫ পরীক্ষার্থীদের স্পেশাল ব্যাচে ভর্তি চলছে।

20/11/2024

ডিসেম্বর থেকে...
দেবিদ্বার শান্তি রোডে।
Please call.

31/08/2024

আমরা যারা শিক্ষকতা পেশায় থেকে গেছি তারা এ পেশায় এসে মোহগ্রস্ত হয়ে,আবেগী হয়ে থেকে গেছি।বড়রা বলতেন এ পেশা ছাড়া যায় না।আসলেই ছাড়া যায় না।আমি যখন নবীন শিক্ষক তখন ৬ষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস টিচার ছিলাম।যখনই অন্যকোন পেশায় যাওয়ার জন্য স্হির করতাম তখনই ঐ নিষ্পাপ কচি মূখগুলো আমার সামনে চলে আসতো।আর পারতাম না।ব্যাচে টিউশনি করতাম।আমি কখনও কোন বাসায় গিয়ে ছাত্র পড়াইনি।টিউশনির ছাত্র ছাত্রী দের প্রতি কি দায়িত্ববোধ?শুক্রবারও কামাই দিতাম না।টিউশনির টাকার জন্য কখনো তাগাদা দেইনি।ছাত্ররা এ অবস্থা দেখে ওরাই মাস শেষে টাকা তুলে দিতো।তবে অনেকে দিতে পারতো না।কখনো চাই নি।একবার গ্রীস থেকে এক ছাত্র এসে ১০০০০.০০ টাকা দিতে চাইলো বললো আমি কোনদিন আপনাকে প্রাইভেটের টাকা দেইনি।আপনার কাছে অনেক ঋণ আমার।তাকে অনেক কষ্টে টাকাটা ফেরত দেই।
এমন হাজারও শিক্ষার্থী পড়িয়েছি।স্কুলের খেলাধুলার কাজটি শুরুতেই নিজ কাঁধে নিয়েছি।ছাত্রদের প্রচুর শাসন করেছি। কিন্তু কখনো প্রশ্নের সম্মুখীন হইনি।
শুরু হলো অধঃপতন। ছাত্রদের শারিরীক, মানসিক কোনভাবেই আঘাত করা যাবে না।এটা সম্ভবত শিক্ষামন্ত্রি নূরুল ইসলাম নাহিদ সাহেব কোর্টকে দিয়ে আদেশ জারি করালেন।তা আবার ঢালাওভাবে প্রচারিত হলো।
পেয়ে বসলো শিক্ষকদের।শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ শিক্ষকদের বলেই বসলো মারা যাবে না এমনকি ধমকও দেওয়া যাবে না।কিছু অভিভাবক তার অতি আদূরে ছেলেমেয়েদের পক্ষ নিয়ে ক্রমাগত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থাকলেন।কিংকর্তব্যবিমুঢ় শিক্ষক অগত্যা হাল ছাড়তে লাগলেন।পড়াশোনা শিকেয় উঠে গেলো।
পরীক্ষা পদ্ধতির একটি অংশ হলো বহু নির্বচনি প্রশ্ন।এই অংশে কিছু নীতিহীন মানুষ ছাত্রদের দেখাদেখি করে উত্তর করার জন্য শিক্ষকদের চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। নীতিবান শিক্ষকগণ আবারও হতাশ হলেন।

যদি পড়াশোনা না করে পরীক্ষার হলে অনৈতিকভাবে পরীক্ষা দেওয়া যায় তাহলে ছাত্র পড়বে কেন? আর শিক্ষকদের দিয়েই বা তারা কি করবে? এখানেই শেষ নয়।পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে চরম দায়িত্বহীনতা। পরীক্ষকদের বলা হতো পাশ করিয়ে দিতে হবে।উত্তরপত্রে লেখা থাকলেই নম্বর দিতে হবে।তাহলে ছাত্র শিক্ষকদের কেন শ্রদ্ধা করবে?
এমন হাজারও অদায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত আছে যা শিক্ষার্থী,শিক্ষা ও সমাজে পচন ধরিয়েছে।
এরপর রয়েছে কিছু শিক্ষক। যারা নিজের দায়িত্ব কর্তব্যবোধ ভুলে যান।তারা পেশাদারিত্বের বাইরে গিয়ে শিক্ষকতার মতো মহান পেশাকে কলুষিত করছেন।

অবশেষে দেশ ইউরোপ আমেরিকার সমপর্যায়ে চলে গেছে এমন ধারনা থেকে নিয়ে আসলেন এই দেশের কাঠামোয় বাস্তবতাবর্জিত নতুন শিক্ষা কারিকুলাম। প্রথম বক্তব্য হলো কোন অবস্থাতেই এর বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না।বললে চাকরি থাকবে না।দেশের সমস্ত মানুষ এই ব্যবস্হার বিরুদ্ধে কথা বললেও তা পরিবর্তন হলো না।প্রতিবাদকারীদের জেলেও নেয়া হল।
সবচেয়ে বড় কথা হলো যারা বাস্তবায়ন করবেন সেই শিক্ষক সমাজ কিছুই বুঝলোও না জানলোও না।তাদের পড়াতে বললো।
শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত হয়ে পড়লো ডিভাইস নিয়ে। পড়তে বললে কি পড়বে কিছুই বুঝল না।চরম অবক্ষয়ের দিকে চলে গেল শিক্ষা ব্যবস্হা।
অবশেষে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারনে সরকার চরম অপমানিত হয়ে বিদায় নিলেন।আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়লো।রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দলীয় লোকদের পদত্যাগ চললো।

আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও মনে করলো তাদেরও কিছু করনীয় আছে।দু'চারটি পদত্যাগ না করাতে পারলে তাদের মান থাকে না।তাই তারা নেমে পড়লো।আর এদের উপযুক্তভাবে ব্যবহার করছে কিছু সুবিধাবাদীচক্র।যারা সমাজে রাষ্ট্রে অস্থিরতা সৃষ্টি করে মজা পায়।

আজ সারাদেশে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধান আছেন তারা ভীত, আতংকিত। তারা আতংকিত পদত্যাগ করবেন এজন্য নয়।তারা আতংকিত সম্মানের ভয়ে।কারণ শিক্ষকদের এটুকুই আছে।

আমরা যারা প্রতিষ্ঠান প্রধান তাদের অধিকাংশই জীবন সায়াহ্নে,বয়োবৃদ্ধ। এই বয়সে তাদেরই সন্তানের হাতে এমন পরিনতি জীবনে কল্পনাও করতে পারেনি।আজ অনেকে চাপে পদত্যাগ করেছেন কেউবা সম্মানের ভয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। তারা কি জবাব দিবেন তার পরিবারকে,সন্তানকে কি করে মূখ দেখাবেন? যে পরিবার সারাজীবন অভাব অনটনের অভিযোগ করে গেছে।তাকেই অপবাদ দিয়ে কালিমা লিপ্ত করা হচ্ছে।

আশার কথা হচ্ছে সরকার তাদের চাকরি ফিরিয়ে দিবেন।সম্মান ফিরিয়ে দিতে পারবেন? আশার কথা হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম অনেক শিক্ষার্থীর ভুল ভেঙেছে। তারা আবার তাদের শিক্ষকদের সম্মানের সাথে ফিরিয়ে আনছে।আশাকরি সকল শিক্ষককে উপযুক্ত মর্যাদা দিয়ে ফিরিয়ে আনবে।

পরিশেষে বলবো এ কাজে যারাই থাকুক তাদের ভুল ভাঙবে।বিগত সরকারের সময় শিক্ষা ব্যবস্হায় যে নৈরাজ্য ছিল সেগুলো দূর করে নতুন বাংলাদেশ সকলের সম্মিলিত চেষ্টায় এগিয়ে যাবে।শিক্ষকগণও পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ব সচেতন হয়ে তাদের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। তবেই তারা তাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

Collected from fb

এই অবস্থা চলমান থাকলে জাতী মেধাশুন্য হবে। আমরা সেদিকেই হাটছি???

14/07/2024

#ভুল?

দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই দুধের চেয়ে দামি। যদি সেটা আরো
খারাপ হয়, তাহলে পনীর হয়ে যায়। পনীরের মূল্য দই এবং দুধের চেয়ে
অনেক বেশি। আর আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও অনেক বেশী দামী।

তুমি খারাপ না কারণ তুমি ভুল করেছ। ভুল হল সেই অভিজ্ঞতা যা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আরো মূল্যবান করে তোলে। ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছিলেন যা তাকে আমেরিকা আবিষ্কার করতে সাহায্য করেছিল। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে সাহায্য করেছে।

টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন ? তিনি বলছিলেন 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।

কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই - সবই নতুন শিক্ষা।'

বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'

'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার!

কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না!
মাঝে মাঝে ভুল লেখো তাহলে যে সোশ্যাল সাইটে,
তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবেনা বলে পণ করেছে, সেও কমেন্ট করবে।___

বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের
একটি সমন্বিত পক্রিয়া।

বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।

কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না - তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।

অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।

হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।

কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!
যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না! পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না।

তাই আসুন, আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে
ফুলের মত জীবন গড়ি। আমরা ভুল থেকে যা শিখি, তা আমাদের নিখুঁত করে তোলে।

25/03/2024

জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়।

সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে।

সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা।

জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। এরপর মনে মনে চিন্তা করবেন জীবনের লাভ ক্ষতির হিসাবে এই মৃত মানুষগুলো এই পৃথিবীতে কি করে গেছেন? কাদের রেখে গেছেন? যাদের রেখে গেছেন তারা কি কখনও এই মৃত মানুষগুলোকে স্মরণ করার জন্য কবরস্থানের আশেপাশে আসে?

আমাদের সবার শরীরেই কমবেশী রক্তকণা আছে। একথা চিরসত্য যে আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্তকণা শরীরে খুবই গুরুত্ব বহন করে। অথচ আমাদের শরীর থেকে কোন রক্তকণা বেরিয়ে গেলে সেটির যেমন কোন গুরুত্ব থাকে না তদ্রুপ আমাদের দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে আমাদের শরীরেরও অন্যের কাছে কোন মূল্য থাকে না।

আমাদের জীবনটা বড় বৈচিত্রময়। বেঁচে থাকতে আমরা এর জন্য ওর জন্য কত মায়া দেখাই, কত ভালবাসা দেখাই। এ আমার ছেলে তো সে আমার মেয়ে, এ আমার ভাই তো সে আমার বোন। অথচ মরে গেলে এই মানুষগুলোই সবার আগে তোড়জোড় শুরু করে কিভাবে মৃতকে দাফন করা যায়! কত দ্রুত মৃতকে কবরস্থ করা যায়! সেই চিন্তায় সবাই তটস্থ থাকে।

আমাদের জীবনটা আসলেই সাময়িক। এই সাময়িক জীবনটা মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ-ষাট অথবা বড়জোর সত্তর বছরের সমষ্টি। অথচ এই জীবনে আমরা কখনো মৃত্যুর কথা না ভেবে কিভাবে অঢেল সম্পদ অর্জন করা যায় সেই চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকি।

এই পৃথিবীতে যার অঢেল সম্পদ আছে সে আরো সম্পদ চায়। যার সম্পদ নেই সে সম্পদ নেই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় সময় কাটায়। আমাদের ১০% মানুষ ব্যতীত ৯০% মানুষেরই ধান্ধা ইহকাল আগে এবং পরকাল পরে। সম্পদ আগে এবং ইবাদত পরে।

এজন্য আমরা প্রায় সবাই দিনরাত চেষ্টা করি যে যেভাবে পারি, চুরি করে অথবা ডাকাতি করে অথবা অন্য কোন উপায়ে যাকে তাকে ঠকিয়ে যেভাবে পারি আগে সম্পদ অর্জন করি। এরপর এই অবৈধ সম্পদের অর্থে কয়েকবার হজ করে, মসজিদ মাদরাসায় বড় অংকের টাকা দান করে, গরীব এতিমখানায় খাইয়ে, বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দানখয়রাত করে একেবারে বেহেস্ত কনফার্ম হয়ে যাবে।

রমাদান মাসে সারা পৃথিবীর মানুষ যেখানে ইবাদত মশগুলে সময় পার করে সেখানে বাংলাদেশের অনেকেই কিভাবে একে অন্যকে ঠকানো যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। আমাদের দেশে সবাই মুসল্লি। মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর। কিন্তু ঈমানী শক্তিতে আমাদের মনোবল খুবই দুর্বল।

আমাদের দেশে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, যে সর্বদা নিজেকে ইসলামি ব্যক্তি হিসাবে সবখানে জাহির করে সেও সুযোগ পেলে সাধারণ কিছু টাকা-পয়সার কাছে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলে। এজন্য বলি যে মৃত্যু চিরসত্য সে মৃত্যু নিয়ে আমরা খুব কমই চিন্তা করি।

আমাদের সততা সাধারণ টাকার কাছেই প্রতিনিয়ত হেরফের হয়ে যায়। অথচ মৃত্যুর পর একজন মৃত ব্যক্তির কি হিসাব নিকাশ শুরু হবে সেটি উপলব্ধি করতে পারলে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতাম না, আমরা কিছুতেই অন্যের হক মারার চিন্তা করতাম না, এমনকি আমরা কিছুতেই অন্যের সাথে দুর্ব্যবহারের চিন্তা করতাম না। মহান প্রভু সবাইকে এই বিষয়টি উপলব্ধির সুযোগ দিন।

22/03/2024

বাস্তবতা....
খুবই ভালো মনের চা বিক্রেতা এক চাচা সারা দিন চা বিক্রি করার পর রাতে অবশিষ্ট চা পৌরসভার ড্রেনে ফেলে দিতেন ৷ ঊনাকে বলেছিলাম, চা টা না ফেলে সকালে গরম করে বিক্রি করলেইতো পারেন ৷ তিনি বললেন, বাসি চাতে কালার থাকে না ৷ গরম করলে কালো হয়ে যাবে, সকালে ভালো চা না পেলে দোকানের বদনাম হবে কাস্টমার কমে যাবে ৷ বললাম, তাহলে ঝুট দোকানে যারা নাইট ডিউটি করে তাদের দিলে ওদের রূহ দোয়া করবে, আপনারও সওয়াব হবে ৷ জবাবে তিনি হাসতে হাসতে বললেন, এদেরকে যদি এখন মাগনা চা দেই কাল থেকে এরা কেউ আর আমার দোকানে চা খেতে আসবে না ৷ উল্টো মনে মনে দোয়া করবে যেন দিনে আমার চা বিক্রি কম হয়, যাতে রাতে মাগনা খেতে পারে ৷ লোকটাকে তখন ভীষণ স্বার্থপর মনে হয়েছিলো ৷

ইন্ডিয়ান হজ কমিটির পক্ষ থেকে হাজীদের খাবার পরিবেশনের পার্ট টাইম জব পেয়েছিলাম ৷ দেড়শ হাজীর খাবার আসলে অনায়াসে দুইশ জনের মাঝে বন্টন করা যায় ৷ এক বেলার খাবার অন্য বেলায় দেওয়ার নিয়ম নেই ৷ অতিরিক্ত খাবার ফেলে না দিয়ে হোটেলে কর্মরত দেশী ভাইদের দিতে লাগলাম ৷ শেষের দিন হাজীরা চলে যাবে বিধায় খাবার একটু কম এসেছিল ৷ ভাইদের বললাম, ভাই, আজকে খাবার কম এসেছে ৷ আপনারা হয় অপেক্ষা করেন, না হয় অন্য ব্যবস্থা করেন ৷ এরপরই প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, আগে না করলেন না কেন? আপনার হাজীগো লাইগা আমরা বইসা থাকুম? আপনার লাগি কি আমরা পকেটে পয়সা নিয়া বইসা আছি? কাইল কইলেইতো খানা নিয়া আইতাম, ইত্যাদি ইত্যাদি ৷

দূর সম্পর্কের এক ভাইয়ের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বিয়েতে সমস্যা হচ্ছিল বিধায় আব্বা তাকে কিছু জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন ৷ যে সময় অনুমতি দিয়েছিলেন সে সময়ে ভাইয়ের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না ৷ সামর্থ্য হওয়ার পর তাকে তিনটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম জায়গাটা ক্রয় করতে, না হয় এর বদলে অন্য জায়গা দিতে অথবা ছেড়ে দিতে ৷ তিনি কোনটাতেই রাজি হলেন না ৷

পরিচিত এক সেলুনে চুল কাটানোর পর একশত টাকার একটা নোট দেওয়ার পরেও ভাইটি মুখ বেজার করে রাখতো ৷ অপরিচিত সেলুনে একশ টাকার নোট দেওয়ার পরে ষাট টাকা ফিরিয়ে দিয়েছিল ৷ দশ টাকা বখশিষ দেওয়ার পর তার মুখে খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল ৷ পরিচিত সেই সেলুন দোকানদার এখন দেখলে বলে, ভাই দেখি আগের মতো নাই ৷ নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ দেওয়ার পরেও পরিচিত অটোওয়ালা ভাইদের মুখ কালো হয়ে থাকে ৷ অপরিচিত অটোওয়ালাদের নির্ধারিত ভাড়া থেকে পাঁচ-দশ টাকা বেশি দিলে খুশিতে চোখমুখ ঝলমল করে উঠে ৷ কেন এমনটা হয়?

অতিরিক্ত পেতে পেতে মানুষ তার ন্যায্য সীমা ভুলে যায় ৷ মনে করে অতিরিক্ত পাওনাটা তার অধিকার ৷ যখনই এই অধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন মানুষ ভাবে লোকটা কত স্বার্থপর ৷ একবারও নিজের সীমার হিসাব কষে না ৷ এক সময় যেসব ভালো মানুষকে বদলে যেতে দেখে মনে মনে স্বার্থপর ভাবতাম, তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী ৷

কেউ জন্মগতভাবে স্বার্থপর, কেউ অতিরিক্ত পেয়ে স্বার্থপর হয়ে যায়, আবার কেউ নিজের ন্যায্য পাওনা বুঝে নিতে গিয়ে স্বার্থপর হয় ৷ জন্মগত স্বার্থপরদের কখনো বদলানো যায় না ৷ মায়ার বশবর্তী হয়ে আমরা যাদের প্রাপ্য সীমার অতিরিক্ত পূরণ করে স্বার্থপর হিসেবে গড়ে তুলি, তাদের সংশোধন করার দায়িত্ব আমাদেরই ৷ না হয় একদিন তারা আমাদেরই স্বার্থপর হিসেবে চিহ্নিত করবে ৷

(সংগ্রহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Debidwar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Shanti Road
Debidwar