26/06/2014
হাদীস
৮. ইবনুু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি।
১. এই বলে সাক্ষ্য দেয়া যে,আল্লাহ ছাড়া আর অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ্ বা উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রাসূল।
২. সালাত প্রতিষ্ঠা করা।
৩. যাকাত আদায় করা।
৪. হাজ্জ সম্পাদন করা এবং
৫. রামাদ্বানে সিয়াম রাখা।
৪৫১৪; মুসলিম ১/৫ হাঃ ১৬, আহমাদ ৬০২২, ৬৩০৯) (আপ্রঃ ৭, ইফাঃ ৭)
২/১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর বাণীঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর বাণী ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটিঃ মুখে স্বীকার ও কাজে পরিণত করার নামই হচ্ছে ঈমান এবং তা বৃদ্ধি ও হ্রাস পায়। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “ যাতে তাঁরা তাঁদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান মজবুত করে নেয়। আমরা তাঁদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। এবং যারা সৎ পথে চলে আল্লাহ্ তাঁদের অধিক হিদায়াত দান করেন। এবং যারা সৎ পথ অবলম্বন করে আল্লাহ্ তাঁদের হিদায়াত বাড়িয়ে দেন এবং তাঁদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দেন। যাতে মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায়। আল্লাহ্ তা’আলা আরও বলেন, এটা তোমাদের মধ্যে কার ঈমান বাড়িয়ে দিল? যারা মু’মিন এ তো তাঁদের ঈমান বাড়িয়ে দেয়। এবং তাঁর বাণী, “সুতরাং তোমরা তাঁদের ভয় কর; একথা তাঁদের ঈমানে দৃঢ়তা বাড়িয়ে দিল।” আর এতে তাঁদের ঈমান ও আনুগত্যই বাড়লো।” “এতে তাঁদের ঈমান ও আনুগত্য আরও বৃদ্ধি পেল।”
আর আল্লাহ্র জন্য ভালোবাসা ও আল্লাহ্র জন্য ঘৃণা করা ঈমানের অংশ। ‘উমার ইবনুু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) ‘আদী ইবনুু ‘আদী (রহঃ)-র নিকট এক পত্রে লিখেছিলেন, ‘ঈমানের কতগুলো ফার্য, কতগুলো হুকুম-আহকাম, বিধি-নিষেধ এবং সুন্নাত রয়েছে। যে এগুলো পরিপুর্ণরূপে আদায় করে তাঁর ঈমান পূর্ণ হয়। আর যে এগুলো পুর্ণভাবে আদায় করে না, তাঁর ঈমান পূর্ণ হয় না। আমি যদি বেঁচে থাকি তবে অচিরেই এগুলো তোমাদের নিকট ব্যক্ত করব, যাতে তোমরা তার উপর ‘আমাল করতে পার। আর যদি আমার মৃত্যু হয় তবে জেনে রাখ, তোমাদের সহচর্যে থাকার আমি আকাঙ্কিত নই।’
ইবরাহীম (‘আ.) বলেন, ‘তবে এ তো কেবল চিত্ত প্রশান্তির জন্য।’ মু’আয (রাঃ) বলেন, “এসো আমাদের সঙ্গে বস, কিছুক্ষণ ঈমানের আলোচনা করি।” ইবনুু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন, ‘ইয়াক্বীন হল পূর্ণ ঈমান।’ ইবনুু ‘উমার (রাঃ) বলেন, ‘বান্দা প্রকৃত তাক্ব্বওয়ায় পৌঁছতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে, মনে যে বিষয় সন্দেহ সৃষ্টি করে, তা পরিত্যাগ না করে।’ মুজাহিদ (রহঃ) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে এবং নূহকে একই ধর্মের আদেশ করেছি।” ইবনুু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, “অর্থাৎ পথ ও পন্থা।”
(বন্ধুরা শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দাও..শাহরিয়ার)