At tɧҽ ɭaىt mɷmҽŋtى ɷʆ ɷųɾ cɷɭɭҽɠҽ ɭɩʆҽ
Best friends of huminities
বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল
05/11/2015
Kicudin aga best friend der saathe dekha holo
Friends kemon aco sobaiππππ
বাংলাদেশ আউট। বিশ্বকাপ শেষ।
লক্ষ্য পূরণ করেই দেশে ফিরছে
বাংলাদেশ দল। তবুও চারদিকে ক্ষোভ
আর হতাশা। সমালোচনার ঝড়
ক্রিকেটবিশ্বে। দায় চাপছে
ক্রিকেটের শীর্ষ সংগঠন
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট
কাউন্সিলের ওপর। অভিযোগ
আইসিসি’র ইশারাতেই হচ্ছে সব।
তাদের অর্থের লোভেই ক্রিকেট তার
শ্রী হারাচ্ছে। বলি হচ্ছে ছোট ছোট
দলগুলো। আগামী বিশ্বকাপে ছোটদের
ছেঁটে ফেলার উদ্যোগও নিয়েছে
তারা।
আয়ারল্যান্ডের অধিনায়কতো দেশে
ফেরার আগে বলেই গেছেন, আইসিসি
কারও একার সম্পত্তি নয়। ক্রিকেট এখন
আর নিছক কোন খেলা নয়। ক্রিকেটও
আজ পণ্য। অর্থ আয়ের মেশিন।
মানুষের আগ্রহকে পুঁজি করে
ক্রিকেটের সব আজ বাণিজ্যিকীকরণ
করা হয়েছে। সোয়াশ’ কোটি লোকের
দেশ ভারত বিশ্বের সব বড় বড়
প্রতিষ্ঠানের উত্তম বাজার। আর এ
সুযোগটা তারা নিচ্ছে ভালভাবেই।
ক্রিকেটকে এখন তিন মোড়লের
সংগঠনে দাঁড় করানো হয়েছে।
আইসিসি’র বর্তমান সভাপতি
বাংলাদেশের আ হ ম মুস্তফা কামাল
হলেও ক্ষমতাধর চেয়ারম্যান ভারতের
শিল্পপতি এন শ্রীনিবাসন। দেশে
তিনি ম্যাচ গড়াপেটার আসামি।
আইপিএল-এ ইন্ডিয়ান সিমেন্টের এই
কর্ণধারের দল চেন্নাই সুপার কিংস।
আর এই দলের অধিনায়কও মহেন্দ্র সিং
ধোনি। শ্রী নিবাসনের জামাতা
মিয়াপ্পান এই দলের সার্বিক
ব্যবস্থাপনায়। বিশ্বজুড়ে বিশ্বকাপের
সরাসরি সমপ্রচার হচ্ছে যে স্টার
স্পোর্টস-এ তারাই ভারতীয় দলের
পৃষ্ঠপোষক। ধারা বিবরণীতেও
ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারদের
অধিপত্য। ভারত যদি বিদায় হয়ে যায়
তবে কি ক্ষতি হয় তা আইসিসি হাড়ে
হাড়ে টের পেয়েছে ২০০৭-এ। ৫০
শতাংশের কম আয় হয় তাদের।
সেবার বাংলাদেশের কাছেই হেরে
প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় ২০০৩-
এর রানার্স আপ ভারত। ২০১১ এর
চ্যাম্পিয়ন বিদায় নিলে ক্ষতির
পরিমানটা সব অনুমান ছাড়িয়ে যেত।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসাতেও নামতো ধস।
সেখানে দর্শকই নেমে আসবে
অর্ধেকে যদি ভারত না থাকে। এ
বাস্তবতা উপেক্ষার কি উপায়?
কর্তাদের মর্জির বলি আম্পায়াররা
হতেই পারে।
কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে
পারাতেই দারুণ আনন্দিত ছিল
বাংলাদেশের আপামর
ক্রিকেটপ্রেমী। কিন্তু গতকাল সেই
কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা
বাংলাদেশের মানুষকে যেমন করেছে
হতাশ, তেমনি করেছে ক্ষুব্ধ।
আম্পায়ারদের কিছু সিদ্ধান্ত এমন
দৃষ্টিকটু ছিল যে, পরম শত্রুও বিস্মিত
হয়েছে। খোদ ভারতীয় অনেক সাবেক
ক্রিকেটারও সমালোচনা করেছেন। টক
অব দ্য ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড ছিল
পাকিস্তান আর ইংল্যান্ডের দুই
আম্পায়ারের নেয়া সিদ্ধান্ত।
প্রথমে ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ইয়ান
গোল্ড রোহিত শর্মাকে বাঁচিয়ে দেন
তার ৯০ রানের সময়। রুবেল হোসেনের
করা বলে ক্যাচ আউট হয়েছিলেন এই
ওপেনার। কিন্তু কোমর উচ্চতার বল
কাঁধ উচ্চতার হিসেবে তিনি নো বল
ঘোষণা করেন। জীবন পাওয়া রোহিত
আউট হন তাসকিনের বলে ১৩৭ রান
করে। তার সেঞ্চুরি ভারতকে ৩০২
রানের ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়। আর
পরে বাংলাদেশের ইনিংসে এ
আসরের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে আউট দেন
তৃতীয় আম্পায়ার অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ
ডেভিস। মাত্র ২১ রান করেছিলেন
তিনি।
তার আগে তামিম ইকবাল ও ইমরুল
কায়েস আউট হয়ে যাওয়ায় বেশ চাপে
পড়ে যায় বাংলাদেশ। মনে হয়
হতাশাও পেয়ে বসে ক্রিকেটারদের।
তাদের খেলায় আন্তরিকতা আর
নিষ্ঠারও অভাব দেখা যায়। জেতার
মতো স্পৃহা হারিয়ে ফেলেছিলেন
তারা। ব্যাটসম্যানরা আন্তরিক হলে
হারের ব্যবধান ১০৯ রান না হয়ে আরও
কম হতে পারতো। বাংলাদেশের
সংগ্রহ ১৯৩ না হয়ে অন্তত ২৫০ হতে
পারতো। হয়তো অলআউটও হতো না
তারা। ৫ ওভার তখনও বাকি ছিল
খেলার। এবার ভারত টানা ৭
খেলাতেই তাদের প্রতিপক্ষের সব
ব্যাটসম্যানকে সাজ ঘরে ফিরিয়েছে।
এটি তাদের বিরল সাফল্য। বিদেশের
মাটিতে ভারতের বোলারদের বদনাম
পুরোপুরি ঘুচিয়েছেন তারা।
সেমিফাইনালে ভারত মুখোমুখি হবে
অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যকার
বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের
খেলোয়াড়রা চাপে ছিলেন না বলেই
হয়তো ফিল্ডিং কিছুটা গা ছাড়া
ছিল। একটু সচেষ্ট হলে অন্তত ২৫-৩০টি
রান কম হতে পারতো ভারতের
সংগ্রহ। আর জবাব দিতে নেমে
বাংলাদেশ তাদের স্বাভাবিক
খেলাটাও হারিয়ে ফেলে।
মেলবোর্নে কখনও কোন দল ৩০০ রান
তাড়া করে জিততে পারেনি। সর্বোচ্চ
সাফল্য ২৯৫-এ। তামিম অনেকদিন পর
আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। যে জন্য ২৫ বলে
২৫ রান করেও তাকে অফের বল খোঁচা
দিয়েই বিদায় নিতে হয়।
এরপর আগের দুই খেলার ধারা বজায়
রেখে ইমরুল কায়েস তার ওপর আস্থার
প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হন। এরপর তার
ক্যারিয়ারই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।
সাত ইনিংসে কোন দুই অংকের রান
নেই তার। এরপর সাকিবের খেলা
দেখেও মনে হয়েছে তিনি যেন
ফেরার জন্যই খেলছেন। কেমন যেন
অস্থির, সব বলেই হাঁকানোর চেষ্টা।
সৌম্য, মুশফিক আর নাসির-
সাব্বিরের খেলা কিছুটা প্রশংসা
কুড়িয়েছে সবার। তবে তা খুব কমই
অবদান রেখেছে বড় সংগ্রহে।
কোন ফিফটি ছাড়া ইনিংসে
সমাপ্তি ঘটে বাংলাদেশের
বিশ্বকাপের। তার আগে টসে হারা
বাংলাদেশের বোলাররাও মোটের
ওপর সমীহ জাগানো বল করতে
পারেননি। বিশেষ করে পেস
বোলাররা। উইকেট পেলেও মাশরাফি
রুবেল, এমনকি সাকিবও ছিলেন খরুচে।
তাসকিনও বেশি রান দিয়েছেন তবে
উইকেট নিয়েছেন তিনটি। সবচেয়ে
সমীহ পেয়েছেন নাসির হোসেন, তবে
উইকেট পাননি। দিন শেষে এ সব
পরিসংখ্যানে নজর ছিল না কারও। সব
ছাপিয়ে বুকের মধ্যে শেল হয়ে বিঁধতে
থাকে আম্পায়ারদের ওই খেয়ালি
সিদ্ধান্ত।
ফ্যান of কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়াল কলেজ -কাল 11.12.2014-11.00 টায় টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে.
জোকস
শিক্ষক :কাল স্কুলে আসোনি কেন.
ছাএ:কাল আমার বাবা জেলে ছিল' আর আমার মা হাসপাতালে ছিল.
শিক্ষক :মানে.
ছাএ :স্যার আমার বাবা একজন জেলার. আর আমার মা একজন নার্স.
(মজা পাইলে লাইক দেন কমেন্ট প্লিজ) ...
হাদীস
৮. ইবনুু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটি।
১. এই বলে সাক্ষ্য দেয়া যে,আল্লাহ ছাড়া আর অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ্ বা উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রাসূল।
২. সালাত প্রতিষ্ঠা করা।
৩. যাকাত আদায় করা।
৪. হাজ্জ সম্পাদন করা এবং
৫. রামাদ্বানে সিয়াম রাখা।
৪৫১৪; মুসলিম ১/৫ হাঃ ১৬, আহমাদ ৬০২২, ৬৩০৯) (আপ্রঃ ৭, ইফাঃ ৭)
২/১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর বাণীঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর বাণী ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে পাঁচটিঃ মুখে স্বীকার ও কাজে পরিণত করার নামই হচ্ছে ঈমান এবং তা বৃদ্ধি ও হ্রাস পায়। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “ যাতে তাঁরা তাঁদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান মজবুত করে নেয়। আমরা তাঁদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। এবং যারা সৎ পথে চলে আল্লাহ্ তাঁদের অধিক হিদায়াত দান করেন। এবং যারা সৎ পথ অবলম্বন করে আল্লাহ্ তাঁদের হিদায়াত বাড়িয়ে দেন এবং তাঁদের সৎ পথে চলার শক্তি বাড়িয়ে দেন। যাতে মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায়। আল্লাহ্ তা’আলা আরও বলেন, এটা তোমাদের মধ্যে কার ঈমান বাড়িয়ে দিল? যারা মু’মিন এ তো তাঁদের ঈমান বাড়িয়ে দেয়। এবং তাঁর বাণী, “সুতরাং তোমরা তাঁদের ভয় কর; একথা তাঁদের ঈমানে দৃঢ়তা বাড়িয়ে দিল।” আর এতে তাঁদের ঈমান ও আনুগত্যই বাড়লো।” “এতে তাঁদের ঈমান ও আনুগত্য আরও বৃদ্ধি পেল।”
আর আল্লাহ্র জন্য ভালোবাসা ও আল্লাহ্র জন্য ঘৃণা করা ঈমানের অংশ। ‘উমার ইবনুু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) ‘আদী ইবনুু ‘আদী (রহঃ)-র নিকট এক পত্রে লিখেছিলেন, ‘ঈমানের কতগুলো ফার্য, কতগুলো হুকুম-আহকাম, বিধি-নিষেধ এবং সুন্নাত রয়েছে। যে এগুলো পরিপুর্ণরূপে আদায় করে তাঁর ঈমান পূর্ণ হয়। আর যে এগুলো পুর্ণভাবে আদায় করে না, তাঁর ঈমান পূর্ণ হয় না। আমি যদি বেঁচে থাকি তবে অচিরেই এগুলো তোমাদের নিকট ব্যক্ত করব, যাতে তোমরা তার উপর ‘আমাল করতে পার। আর যদি আমার মৃত্যু হয় তবে জেনে রাখ, তোমাদের সহচর্যে থাকার আমি আকাঙ্কিত নই।’
ইবরাহীম (‘আ.) বলেন, ‘তবে এ তো কেবল চিত্ত প্রশান্তির জন্য।’ মু’আয (রাঃ) বলেন, “এসো আমাদের সঙ্গে বস, কিছুক্ষণ ঈমানের আলোচনা করি।” ইবনুু মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন, ‘ইয়াক্বীন হল পূর্ণ ঈমান।’ ইবনুু ‘উমার (রাঃ) বলেন, ‘বান্দা প্রকৃত তাক্ব্বওয়ায় পৌঁছতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে, মনে যে বিষয় সন্দেহ সৃষ্টি করে, তা পরিত্যাগ না করে।’ মুজাহিদ (রহঃ) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “অর্থাৎ হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে এবং নূহকে একই ধর্মের আদেশ করেছি।” ইবনুু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, “অর্থাৎ পথ ও পন্থা।”
(বন্ধুরা শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দাও..শাহরিয়ার)
14/06/2014
ADMIN(শিশির)
সম্প্রতি কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন করার দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা। মানুষের জীবন বাঁচাতে কৃত্রিম এই রক্ত যেকোনো রক্তের গ্রুপের মানুষের শরীরে দেওয়া সম্ভব হবে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিজম্যাগের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি বছর ১০ কোটি ৭০ লাখ ব্যাগের বেশি রক্ত সংগৃহীত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, মানুষের জীবন রক্ষায় ব্যবহূত হয় এই রক্ত। কিন্তু উন্নয়নশীল অনেক দেশেই প্রয়োজনের সময় সংগৃহীত রক্ত পাওয়া যায় না। আবার শিল্পোন্নত দেশে রক্তের স্বল্পতাও দেখা যায়। এই ভারসাম্যহীনতা দূর করতে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বিকল্প কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন করেছেন।
গবেষকেদের দাবি, এই কৃত্রিম রক্ত নিরাপদ ও ভাইরাসমুক্ত। ‘হায়েম০২’ নামের একটি প্রকল্পের অধীনে কৃত্রিম রক্ত তৈরি করেছেন তাঁরা। এই বিকল্প রক্ত সংরক্ষণের জন্য বিশেষ তাপমাত্রায় রাখার প্রয়োজন পড়ে না। অর্থাত্ স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ও কৃত্রিম রক্ত দুই বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
(Admin shishir) 01. Airtel : Know For Own
Number : Dial *121*6*3 #
Know For Current Package :
Dial *121*1*1*1 #
02. Banglalink : Know For Own
Number : Dial *511 #
Know For Current Package :
Dial *125 #
03. GrameenPhone : Know For
Own Number : Dial *2 #
Know For Current Package :
Type P & Send 4444
04. Robi : Know For Own
Number : Dial *140*2*4 #
Know For Current Package :
Dial *140*14 # ( 2.00 tk )
05. Teletalk : Know For Own
Number : Type tar & Send 222
( 0.50 tk )
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Cumilla