Biology Group

Biology Group

Share

facebook.com/shafiqurrahmanbiology

30/09/2025

যদি দিনের প্রায় ১১ ঘণ্টা বসে কাটা‌নো হয়,
তাহলে আগামী ৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০%।

* বালিশ ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস আপনার ঘাড় ও গলার ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এবং এর পাশাপাশি মেরুদণ্ড সুস্থ রাখে।

* একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারিত হয় তার বাবা ও তার ওজন নির্ধারিত হয় মায়ের মাধ্যমে।

* মানুষের মস্তিষ্ক ৩ টি জিনিসের দিক থেকে নজর ফেরাতে পারে না তা চোখের নজর হোক বা মনের নজর হোক। আর সে ৩ টি জিনিস হচ্ছে খাবার, আকর্ষণীয় মানুষ ও বিপদ।

*ডানহাতি মানুষেরা খাবার চিবোনোর সময় ডান চোয়াল ব্যবহার করেন।

*অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে’।

* পৃথিবীতে এতো বেশি প্রজাতির আপেল রয়েছে যে, আপনি যদি প্রতিদিন ভিন্ন প্রজাতির ১ টি করে আপেল খান তারপরও সবপ্রজাতির আপেল খেতে আপনার ২০ বছর সময় লাগবে।

* আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।

* যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। বলা হয় হাসি বিষণ্ণতা রোগের সবচাইতে বড় ঔষধ।

* ধূমপানের কারণে যতো মানুষ মারা যায় ঠিক ততো মানুষই অলসতা এবং পরিশ্রমবিহীন জীবনের জন্যও মারা যান।

*মানুষের মস্তিষ্ক উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য রয়েছে তার ৫ গুণ তথ্য ধারণ ধারণ ক্ষমতা রাখে।

*আমাদের দেহ ৩০ মিনিটে যতোটা তাপমাত্রা নির্গত করে তা দিয়ে দেড় লিটার পানি ফুটানো সম্ভব।

*আমাদের পাকস্থলীতে যে অ্যাসিড রয়েছে তা রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলতে সক্ষম।

*মানুষ আনমনে আপনার জুতোর দিকে নজর দেবেন এটি মানুষের প্রাকৃতিক একটি ব্যাপার। তাই সুন্দর জুতো পড়ুন। কারণ মানুষ অনেক সময় জুতো দেখেই ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে ফেলেন। সংগৃ‌হিত।।

28/09/2025

লিপিড প্রোফাইল টেস্ট কি ?

এটা হচ্ছে সোজা বাংলায় কোলেস্টেরল টেস্ট। তিন ধরণের কোলেস্টেরল চেক করা হয় এই টেস্টে।

HDL - high-density lipoprotein . ঘণ চর্বি (সোজা বাংলায়)

LDL - ligh-density lipoprotein বা সোজা বাংলায় পাতলা চর্বি।

triglycerides - ট্রাইগ্লিসারাইড

ঘণ চর্বি বেশি থাকলে ভালো। পাতলা চর্বি বেশি থাকা খারাপ। ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকা আরো খারাপ।

HDL বা ঘণ চর্বি থাকে পরিমিত পরিমান ঘিয়ে, বাদামে, ওমেগা ত্রি যুক্ত ডিম, ফ্যাটি এসিড বিশিষ্ট মাছ (তৈলাক্ত মাছ)

LDL বা পাতলা চর্বি বাড়ে বিভিন্ন ভাঁজা পোড়া, ফাস্ট ফুড (পিজ্জা, বার্গার শর্মা ইত্যাদি), ট্রান্সফ্যাট বিশিষ্ট খাবার খেলে। ট্র্যান্স ফ্যাট থাকে সয়াবিন তেলে। তাই এই তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া ঠিক না। সরিষার তেল ব্যবহার করুন।

HDL এবং LDL সম্পর্কে এগুলা হয়তো অনেকেই জানেন, তাই আর বিস্তারিত বললাম না।

বিস্তারিত বলব ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ে। এটা কি ? এটা হচ্ছে এমন একটা ফ্যাট যেটা শরীরের থাকা অতিরিক্ত চিনি বা শর্করা জমিয়ে রাখে যদি তা ব্যবহৃত না হয়।

তাই, আপনি যেই ভাত খাচ্ছেন, মিষ্টি খাচ্ছেন, কেক, বিস্কিট চানাচুর ইত্যাদি খাচ্ছেন, এগুলার মাধ্যমে যেই ক্যালরি নিচ্ছেন (চিনি, শর্করা এগুলা সবই ক্যালরি), চিন্তা করে দেখুন তো সেই পরিমাণ কাজ কি আমরা আসলেই করি ? উত্তর হচ্ছে, না। আমরা বেশিরভাগই ডেস্কজব করি, কিংবা হোমমেকিং করি। অথব আমরা যেই পরিমানে খাই, সাধারণত রিকশা টানা বা কৃষিকাজ বা কুলির কাজ করা ছাড়া এই এনার্জি ব্যয় করা সম্ভব না।

# **ট্রাইগ্লিসারাইড কেন বেশি খারাপ **

ট্রাইগ্লিসারাইড শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরির স্টোরেজ ফ্যাট, যা মূলত ফ্যাট সেল ও লিভারে জমে। লিভারে জমে হলে ফ্যাটি লিভার হয়। আর রক্তে বেশি ট্রাইগ্লিসারাইড থাকলে তা LDL কণার মাধ্যমে ধমনীর দেয়ালে প্লাক জমায়, যা হার্ট ব্লক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাভাবিক সীমার বাইরে যেতে দেয়া যাবে না। ট্রাইগ্লিসারাইডেক অতিরিক্ত মাত্রা HDL কমায় এবং LDL বাড়ায়।

# **পরিমিত মাত্রা কতটুকু ?**

১৫০ এর কম থাকলে তা পরিমিত।

১৫০-১৯৯ এর মধ্যে থাকলে তা বর্ডারলাইন হাই। এতে ভবিষ্যতে হার্ট ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়তে শুরু করে (আল্লাহ না করুন)

২০০-৪৯৯ঃ হাই। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ফ্যাটি লিভার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি।

৫০০ এর উপরেঃ খুবই বেশি। প্যানক্রিয়াটাইটিস, মারাত্মক হার্ট ও লিভার সমস্যা হতে পারে।

# **ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে কার্যকরী খাবারঃ**
* গ্রিন টি
* মেথি বীজ
* ফ্ল্যাক্সসিড
* রসুন
* পেয়াজ
* কালিজিরা (সীমিত পরিমাণে)
* **শাকসবজি:**
* শাক (পালং, লাল শাক, পুঁই শাক), সবুজ শাকসবজি, বরবটি, করলা, লাউ, মুলা, শসা, ফুলকপি, বাঁধাকপি), গাজর, বেগুন, কুমড়া
* **ফল (সীমিত পরিমাণে)ঃ দেশিও ফল
* **প্রোটিনঃ **মাছ (বিশেষ করে নদীর ছোট মাছ, ইলিশ/রুই/কাতলা তেলে ভেজে নয়, সেদ্ধ/ঝোল/গ্রিল), মুরগির বুকের মাংস (চামড়া ছাড়া), ডাল, ছোলা, মসুর, ডিমের সাদা অংশ
* **তেল: **সীমিত পরিমাণে **অলিভ অয়েল, সরিষার তেল।
* **কার্বোহাইড্রেট (শর্করা): **লাল চাল/বাকুইট রুটি/ওটস/কিনুয়া, ব্লাক রাইস।
* আর প্রচুর পানি খাবেন।
* বাদাম খাবেন (কাঠ বাদাম, আখরোট) তবে পরমানমত।

# **যা এভয়েড করবেনঃ**
* ভাজা-পোড়া খাবার (সিঙ্গারা, সমুচা, পুরি, পরোটা, ফাস্টফুড)
* কেক, বিস্কুট, চকলেট, চানাচুর
* চিনিযুক্ত খাবার (মিষ্টি, আইসক্রিম, কোমল পানীয়, মিষ্টি দুধ, কেক)
* বেশি চাল, আলু, নুডলস, পাস্তা
* ধুমপান (যদি কেউ খান, সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে)

**আরেকটা কথা, অনেকেই ডায়েটিং করে জিরো ফিগার করে ফেলেন। **শরীরের মাংস চর্বি কিছুই থাকে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ওজন অনুযায়ী শরীরে মাংস থাকা কিন্তু ভালো। কারণ, আপনি যদি অতিরিক্ত চিনি/কার্ব ইনটেক করেন, তবে অতিরিক্ত চিনি লিভার বা ধমনীতে জমার আগেই রক্তের মাধ্যমে মাংস তা নিজের মধ্যে শুষে নেয়। ফলে লিভারে জমার জন্য এক্সট্রা চিনি আর অবশিষ্ট থাকে না বা কম থাকে। (অবশ্যই মাংসের একটা ধারণক্ষমতা আছে, চিনির লিমিট তার বাইরে গেলে তা লিভারে জমবে)

# **এছাড়া**
* সাইক্লিং, সাতার, ব্যায়াম, ফুটবল বা অন্যান্য খেলাধুলা
* প্রতিদিন **৩০–৪৫ মিনিট হাঁটা**
* **ওজন নিয়ন্ত্রণ** (যদি বেশি থাকে)
* রাতে দেরি করে খাওয়া কমান
* নিয়মিত ঘুম (৬–৮ ঘণ্টা)

পরিশেষে বলতে চাই, রোগ ধরা পড়ার আগে সচেতনতাই কাম্য। কারণ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা উত্তম। আর ফয়সালা আল্লাহ করবেন, আমরা কেবল আমাদের চেষ্টাটা করবো। সংগৃ‌হিতহ্।।

13/09/2025

স্ট্রোক ম‌স্তি‌ষ্কের রক্তক্ষরণ জ‌নিত এক‌টি রোগ।

আমরা সবাই যদি স্ট্রোক চেনার এই ছোট্ট কৌশলটা শিখে ফেলি, হয়তো একদিন সেটা আমাদের প্রিয়জনের জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।

---

একটি সত্য ঘটনা, যা বদলে দিতে পারে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি

একটি জমজমাট অনুষ্ঠানে, হাসি-আনন্দে ভরা মুহূর্তে, এক ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে মেঝেতে পড়ে গেলেন।
সবাই ছুটে গেলেন তাঁর দিকে।
তিনি উঠে দাঁড়ালেন, হাসলেন, বললেন—

> “কিছু হয়নি, নতুন জুতোর হিল মেঝের টাইলসে আটকে গিয়েছিল।”

কেউ কেউ এম্বুলেন্স ডাকতে চাইলো, কিন্তু তিনি হাত নেড়ে বললেন—“প্রয়োজন নেই।”
তিনি আবার খাবার নিলেন, অতিথিদের সঙ্গে গল্প করলেন, এমনকি অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত থাকলেনও।
তবুও… কেউ খেয়াল করেনি, তাঁর শরীর যেন অল্প কেঁপে কেঁপে উঠছে।

---

পরদিন দুপুরে

ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করলেন—

> “তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।”

সেদিন সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তিনি মারা গেলেন।
ডাক্তাররা বললেন—অনুষ্ঠানের সময়ই তিনি স্ট্রোক করেছিলেন।
যদি তখন কেউ চিনতে পারতেন, হয়তো ফলাফল অন্য রকম হতো।

---

স্ট্রোকের আসল বিপদ

স্ট্রোক সবসময় তৎক্ষণাৎ মৃত্যু ঘটায় না। অনেককে সারা জীবনের জন্য বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়—হাত-পা অকেজো, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা হারানো… একা, অসহায়, নির্ভরশীল।
সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো—আমরা প্রায়শই বুঝতেই পারি না, কী ঘটছে।

---

সময়ই জীবন

বিশেষজ্ঞরা বলেন—স্ট্রোকের পর প্রথম ৩ ঘণ্টা হচ্ছে “গোল্ডেন টাইম”। এই সময়ের মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে নিতে পারলে অনেক সময় সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব।
কিন্তু এর জন্য প্রথমে চেনা শিখতে হবে।

---

স্ট্রোক চেনার সহজ ৩ ধাপ – S T R

যখন সন্দেহ হবে, রোগীকে এই তিনটি কাজ করাতে বলুন—

1. S – Smile
তাঁকে হাসতে বলুন। মুখের একপাশ বেঁকে গেলে সতর্ক হন।

2. T – Talk
তাঁকে একটি সহজ বাক্য বলতে বলুন, যেমন:

> “আজকের দিনটা সুন্দর।”
কথা জড়িয়ে গেলে, ভুল উচ্চারণ হলে সতর্ক হন।

3. R – Raise both hands
তাঁকে দুই হাত একসাথে তুলতে বলুন। এক হাত দুর্বল হয়ে নামতে থাকলে দেরি না করে হাসপাতালে নিন।

---

আরেকটি বাড়তি টিপস – Tongue (জিভ)

যদি সুযোগ থাকে, রোগীকে জিভ বের করতে বলুন।
জিভ যদি বেঁকে একদিকে চলে যায়, তাও স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।

---

আপনার করণীয়

📌 S, T, R – এই তিন ধাপ মনে রাখুন।
📌 যে কোনও একটি পরীক্ষায় সমস্যা হলে সময় নষ্ট করবেন না।
📌 সরাসরি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং ডাক্তারকে বিস্তারিত বলুন।

সংগৃ‌হিত

13/09/2025

অন্তত একমাস এই রুটিন মেনে চলুন।

১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷

২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷

৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন।

৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷

৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান।

৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে।

৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে।

৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷

৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়।

৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না।

৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর।
খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে।

১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন।

১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷

১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো।

১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷

১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷
________________
এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন সফলতা আস‌বে,ইনশাআল্লাহ। সংগৃ‌হিত।

Photos from Biology Group's post 09/09/2025

🎉 Just completed level 3 and I'm so excited to continue growing as a creator on Facebook!

29/03/2025

ইনসুলিন হরমোন কি তা না বুঝলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ব্যাপারটা আসলে বোঝা যাবে না।

ইনসুলিন হচ্ছে আমাদের দেহের অন্যতম প্রধান এনাবোলিক হরমোন(গ্রোথ হরমোন ও থাইরয়েড হরমোনের পরেই মূলত মানুষের বৃদ্ধিতে এর ভুমিকা)। পরিনত মানুষের দেহে(পরিনত বলতে এখানে আমরা ১৯ বছরের বেশি বয়সী মানুষকে বুঝবো) ইনসুলিনই প্রধান এনাবোলিক হরমোন।

এনাবোলিজম আর ক্যাটাবোলজিম কি একটু বুঝাই। এনাবোলিজম হচ্ছে আমাদের শরীরে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিকনিকা-গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, এমাইনো এসিড ও ফ্যাটি এসিডস থেকে শরীর যে শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট মলিকিউলগুলি তৈরি করে, সেই প্রক্রিয়া। মানে এটা হচ্ছে মেটাবোলিজমের সেই অংশ যাকে আমরা শরীর গড়া, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পুরনের প্রক্রিয়া বলি।

আর ক্যাটাবোলিজম হল এনাবোলিজমের উলটা। এখানে শরীর তার মধ্যস্থ বড় মলিকিউলগুলোকে ভেঙ্গে আরো ছোট মলিকিউলে রুপ দেয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটকে ভেঙ্গে এমাইনো এসিডস, ফ্যাটি এসিডস, গ্লুকোজ ইত্যাদি তৈরি করে।

তো ক্যাটাবোলিজম আর এনাবোলিজম দুটো ব্যাপারই কিন্তু আমাদের শরীরের হরমোনাল একশনের ওপর ডিপেন্ড করে। ওজন বাড়ানো আর কমানোর যত কেরামতি দেখানো হয় এর পুরোটাই আসলে নির্ভর করে এই হরমোনের সাথে স্পেসিফিক ফুড এন্ড ড্রাগস এবং এদের নিজেদের ভেতরকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝার ওপরে।

হরমোনগুলো ব্লাডে, অরগ্যানে ও টিস্যুতে থাকে এবং এদের উপস্থিতির ওপরে নির্ভর করে, শরীর কি নিজেকে ভাঙ্গবে না গড়বে। এই ক্যাটাবোলিজম-এনাবোলিজম মিলেই মূলত আমাদের শরীরের ভাঙ্গা গড়ার খেলা, যাকে সবাই বলে মেটাবোলিজম।

ব্লাড, অরগ্যান ও টিস্যুতে ক্যাটাবোলিক হরমোন বেশি থাকা মানে, শরীর নিজেকে ভাঙ্গবে; এনাবোলিক হরমোন বেশি থাকা মানে, শরীর নিজেকে গড়বে। এই প্রক্রিয়াকে ৩টা জায়গা থেকে ইনফ্লুয়েন্স করা হয়।
১)ব্রেইনঃ মাস্টার অফ অল মেটাবলিজম। আমাদের যত ওয়েট লস-গেইন বা গ্রোথ হয়, সবকিছু মূলত কন্ট্রোল্ড হয় ব্রেইন থেকে।

২)ওভারি-ইউটেরাস/টেস্টিসঃ সেকেন্ডারি গ্রোথের মাস্টার হচ্ছে মূলত আমাদের রিপ্রোডাক্টিভ হরমোন রিলিজ করে যেই অরগ্যানগুলো, তারা। বিশেষভাবে পরিনত বয়সে আমাদের কতটা মাসলস/বোন্স ডেভেলপমেন্ট হবে আর শরীরে কোথায় কোথায় ফ্যাট ডিস্ট্রিবিউশন কেমন হবে তা অনেকটাই এই অঙ্গগুলির ওপর নির্ভরশীল। গাটকে অনেকে সেকেন্ড ব্রেইন বলে। আমি ওভারি-টেস্টিসকে বলি থার্ড ব্রেইন।

৩)গাট-এড্রেনাল-থাইরয়েডসঃ ১ এবং ২ এর মাঝখানে একটা হিউজ ভ্যাকিউয়াম আছে, এই ভ্যাকিউয়ামটাকে রীতিমত ডমিনেট করে গাট-এড্রেনাল গ্ল্যান্ডস এবং থাইরয়েড গ্ল্যান্ডস। এদের কাজ হচ্ছে ওপরের দুটো অংশের কার্যক্রমকে যথাসম্ভব দুর্বোধ্য করে তোলা 😛 মানে মিডিয়েট করা, প্রভাবিত করা।

এখন আশা করি আপনারা ইনসুলিনের ব্যাপারটা বুঝবেন, ইনসুলিন হচ্ছে আমাদের দেহের অন্যতম প্রধান এনাবোলিক হরমোন। মানে এটা আমাদের শরীরকে বড়সড় হয়ে উঠতে সহায়তা করে।

কিভাবে??

ইনসুলিন আমাদের যে ৩ রকম ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট মলিকিউল আছে, কার্ব, প্রোটিন ও ফ্যাট, তাদেরকে বডিতে ইউটিলাইজ ও স্টোর করতে সাহায্য করে। ব্লাডে ইনসুলিন লেভেল হাই থাকা মানে লিভার নিজে থেকে কোন গ্লুকোজ তৈরি করবে না, বরঞ্চ সে গ্লুকোজ ভেঙ্গে গ্লাইকোজেন বানাবে, প্রয়োজনে ফ্যাট বানাবে। বডিতে এনার্জি খরচ করার জন্য যে মেকানিজম, অসংখ্য এনাবোলিক এমাইনো এসিডস বেড়ে গিয়ে সেটাকে স্লো করে দেবে, ফলে মেটাবলিজম হয়ে যাবে স্লো। মাইটোকন্ড্রিয়াগুলি শক্তি খরচ করা কমিয়ে দেবে।

এখন ইনসুলিন নিয়ে কোন আলাপ উঠলেই আমরা চিন্তা করি প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় নিয়ে। কিন্তু সেটা হচ্ছে ইনসুলিনের জন্মস্থান, তার অফিস না। ইনসুলিন যে অফিসে কাজ করে তার নাম হচ্ছে লিভার। আর এই লিভার হচ্ছে আমাদের শরীরের সবচে বড় ল্যাবরেটরি+গোডাউনও। এছাড়াও ইনসুলিনের আছে অনেকগুলো চেইন অফিস। এই চেইন অফিসের মধ্যে প্রধান হচ্ছে আমাদের বড় বড় ভোলান্টারি মাসলস আর বড়সড় হাড়গুলো। এদের মধ্যেও প্রচুর ইনসুলিন রিসেপ্টরস থাকে।

তো ইনসুলিনের প্রধান কাজ হল (প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে) এনার্জি প্রোডাকশন করা এবং এনার্জিকে স্টোরেজ ফর্মে নিয়ে যাওয়া, অ্যাজ সিম্পল অ্যাজ দ্যাট।

আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হচ্ছে একটা শারীরবৃত্তীয় অবস্থা যেখানে আপনার শরীরের কোষগুলোতে ইনসুলিন হরমোনের প্রবেশ বা ক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। ইনসুলিন চায় আপনার ব্লাড-টিস্যু থেকে গ্লুকোজ নিয়ে লিভারে গ্লাইকোজেন বা ফ্যাট আকারে স্টোর করতে। কিন্তু লিভারে যদি আগে থেকেই তার ক্যাপাসিটির সর্বোচ্চ পরিমান গ্লাইকোজেন (১০০ গ্রামের কাছাকাছি) থাকে তাহলে শরীর এই এক্সট্রা গ্লাইকোজেন পাঠায় মাসলে। মাসলের টোটাল গ্লাইকোজেন স্টোরিং ক্যাপাসিটি প্রায় ৫০০ গ্রামের মত।

এরপর, শরীরের কোষগুলো যখন গ্লাইকোজেনে টইটম্বুর, তখন আমাদের শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনকে রিফিউজ করতে থাকে।

ধরেন কুরবানীর ঈদের পর আপনার ফ্রিজার গোশতে ভরপুর, এক ফোটা জায়গা নেই, এমনকি বাসায় হাড়ি পাতিলও নেই গোশত রাখার, এখন কেউ যদি আরো দশ কেজি গোশত রাখতে বলে, আপনি কি করবেন??

ফিরিয়ে দেবেন।

শরীর এই কাজটাই করে। ইনসুলিনকে ফিরিয়ে দেয়। রিসেপ্টর এক্টিভিটি কমে যায়।

এই অবস্থায় যখন মানুষ আবার খায়, তখন রক্তে ইনসুলিন লেভেল আবার বাড়ে। হায়ার কনসেন্ট্রেশনের ইনসুলিন তখন এই লো রিসেপ্টর এক্টিভিটিতেও কোষের ভেতর ঢুকে পড়ে।

এই ঢুকে পড়াটা কোষের জন্য ভাল না, কারন সে স্যাচুরেটেড।
তখন কোষ ইনসুলিনের প্রবেশের সুযোগ আরো কমায়।।

এই যে ভরা ফ্রিজে গোশত রাখতে আসা প্রতিবেশী ইনসুলিনকে বাড়িতে আসতে মানা করে দেয়া, এটাই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।সংগৃহীত

24/12/2024

Difference Between Male and Female Pelvis
পুরুষ ও নারীর পেলভিসের পার্থক্য-

1. Shape (আকৃতি):

Male: Narrow and taller (সংকীর্ণ ও লম্বা)।

Female: Wider and shorter (প্রশস্ত ও ছোট)।

2. Pelvic Inlet (পেলভিক ইনলেট):

Male: Heart-shaped (হৃদয় আকৃতির)।

Female: Oval or round-shaped (ডিম্বাকৃতি বা গোলাকার)।

3. Subpubic Angle (সাবপিউবিক কোণ):

Male: Acute angle, less than 90° (তীক্ষ্ণ কোণ, ৯০° এর কম)।

Female: Obtuse angle, more than 90° (স্থূল কোণ, ৯০° এর বেশি)।

4. Sacrum (স্যাক্রাম):

Male: Long and curved (লম্বা ও বাঁকানো)।

Female: Shorter and less curved (ছোট ও কম বাঁকানো)।

5. Ischial Spines (ইসচিয়াল স্পাইন):

Male: Closer together (আরো কাছাকাছি)।

Female: Wider apart (দূরে অবস্থান করে)।

6. Pelvic Cavity (পেলভিক ক্যাভিটি):

Male: Narrow and deep (সংকীর্ণ ও গভীর)।

Female: Wide and shallow (প্রশস্ত ও অগভীর)।

7. Bone Thickness (হাড়ের পুরুত্ব):

Male: Thicker and heavier (পুরু ও ভারী)।

Female: Thinner and lighter (পাতলা ও হালকা)।

8. Functionality (কার্যক্ষমতা):

Male: Designed for strength and support (শক্তি ও সহায়তার জন্য উপযোগী)।

Female: Adapted for childbirth (সন্তান জন্মদানের জন্য উপযোগী)।
সংগৃহীত।

15/12/2024

৩০ দিনের এই মাস্টারক্লাস প্রোগ্রামে আপনি কি কি শিখবেন? | প্রোজেক্ট বেইজড লার্নিং
--- FREE E- Certificate will be Provided---
৩০ দিনের ইনটার্নশিপ শেষে আপনি নিজেই একদম বেসিক লেভেল থেকে পিএলসি প্রোগ্রামিং করে সিম্পল প্রোজেক্ট ডিজাইন করতে পারবেন।

PLC BASIC
✅DAY – 1 পিএলসি কি? এর অ্যাপ্লিকেশন এবং সুবিধাগুলো কি কি? পিএলসি কিভাবে ডাটা প্রসেস করে?
✅DAY – 2 পিএলসি প্রোগ্রামিং কিভাবে কাজ করে? পিএলসি ইনপুট আউটপুট ওয়্যারিং
✅DAY – 3 পিএলসি এড্রেসিং, পিএলসি অপারেশন, স্ক্যান সাইকেল
✅DAY – 4 RLC সার্কিট এনালজি
✅DAY – 5 নরমালি ওপেন/নরমালি ক্লোজড(NO/NC) বেসিক কনসেপ্ট, বিভিন্ন রকম লজিক গেইট সার্কিট কিভাবে কাজ করে?
✅DAY – 6 পিএলসি ল্যাডার ডায়াগ্রাম পরিচিতি

SENORS,RELAY,TIMER,COUNTER,TEMPERATURE COMTROLLER
✅DAY – 7 ফটো সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, মেজারমেন্ট সেন্সর অপারেশন
✅DAY – 8 রিলে, টাইমার অপারেশন
✅DAY – 9 কাউন্টার, টেম্পারেচার কন্ট্রোলার, টেম্পারেচার সেন্সর অপারেশন

S7-200 PLC
✅DAY – 10 ইনট্রুডাকশন টু সিমেন্স S7 200 পিএলসি, সিমেন্স S7 200 পিএলসি ইনপুট আউটপুট ওয়্যারিং
✅DAY – 11 লজিক গেইট সার্কিট, ল্যাডার লজিক ডায়াগ্রাম প্রোগ্রামিং
✅DAY – 12 বিভিন্ন রকম পিএলসি কমিউনিকেশন ক্যাবল পরিচিতি, সিমেন্স S7 200 পিএলসিতে প্রোগ্রাম আপলোড ডাউনলোড
✅DAY – 13 ল্যাডার প্রোগ্রামিং এক্সাম্পল
✅DAY – 14 পিএলসি ডিজিটাল ইনপুট আউটপুট ডিভাইস অ্যান্ড প্রোগ্রামিং
✅DAY – 15 অন ডিলে, অফ ডিলে টাইমার, রিটেনটিভ অন ডিলে টাইমার প্রোগ্রামিং
✅DAY – 16 পিএলসি কাউন্টার ইন্সট্রাকশন প্রোগ্রামিং
✅DAY – 17 ডাটা রেজিস্টার, MOV, Flip-Flop, Edge ইন্সট্রাকশন প্রোগ্রামিং
✅DAY – 18 পিএলসি অ্যানালগ ইনপুট আউটপুট ডিভাইস অ্যান্ড প্রোগ্রামিং
✅DAY – 19 এরিথম্যাটিক অপারেশন
✅DAY – 20 অ্যানালগ প্রোগ্রাম এক্সাম্পল

MITSUBISHI PLC
✅DAY – 21 বিট লজিক প্রোগ্রামিং, কমিউনিকেশন, আপলোড, ডাউনলোড

OMRON PLC
✅DAY – 22 বিট লজিক প্রোগ্রামিং, টাইমার, কাউন্টার ইন্সট্রাকশন প্রোগ্রামিং
✅DAY – 23 টাইমার, কাউন্টার প্রোগ্রামিং

S7-1200 PLC- TIA PORTAL
✅DAY – 24 পিএলসি মেমোরি অ্যান্ড ওয়্যারিং
✅DAY – 25 ইনপুট-আউটপুট ওয়্যারিং
✅DAY – 26 TIA Portal – Ethernet communication

SIEMENS KTP-400 HMI
✅DAY – 27 সিমেন্স KTP-400 HMI পরিচিতি
✅DAY – 28 HMI ডিজাইন

VFD
✅DAY – 29 VFD ওয়্যারিং, প্রোগ্রামিং, প্যারামিটার সেটিং, অপারেশন
✅DAY – 30 পিএলসি অপারেশন, ফিডব্যাক কন্ট্রোল

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Cumilla
3540