ব্রাইট স্টার বৃত্তি

ব্রাইট স্টার বৃত্তি

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ব্রাইট স্টার বৃত্তি, High School, কুমিল্লা, Cumilla.

ব্রাইট স্টার বৃত্তি ;একটি সৃষ্টিশীল আন্দোলন – একটি প্রতিবাদ । বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কুমিল্লা জেলার গৌরবের মুকুটে এই বৃত্তি একটি উজ্জল পালক ।ব্রাইট স্টার বৃত্তি ১৯৯১ সাল থেকে শুরু হয়ে এখনও চলছে। আজকে যে “সৃজনশীল শিক্ষা / পরীক্ষা পদ্ধতি” শুরু হয়েছে আমরা এই পরীক্ষা পদ্ধতি শুরু করেছি সেই ১৯৯৬ সালে । সময়ের পরিবর্তনে – প্রয়োজন ও দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন হলেও আমরা মনেকরি “ব্রাইট স্টার বৃত্তি” এখনও সময়ের দাব

Photos from ব্রাইট স্টার বৃত্তি's post 10/06/2025

সকল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা

14/02/2024

আজ দিবস ময় একটি দিবস........অথচ আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা নির্বিশেষে প্রায় সবাই জানে আজ ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবস। স্বৈরাচার প্রতিরোধ করার ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল হিসাবে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির জন্ম। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দি মুক্তি ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবি ও গণমুখী, বৈজ্ঞানিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতির দাবিতে ছাত্র জমায়েত ডাকে।
হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলটি হাইকোর্টের গেটের সামনে ব্যারিকেডের সামনে বসে পড়ে এবং ছাত্রনেতারা তারের ওপর উঠে বক্তৃতা শুরু করে। এসময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে তারের একপাশ সরিয়ে রায়ট কার ঢুকিয়ে দিয়ে রঙ্গিন গরম পানি ছিটাতে থাকে, বেধড়ক লাঠিচার্জ, ইট-পাটকেল ও বেপরোয়া গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয় জয়নাল। এরপর গুলিবিদ্ধ জয়নালকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়। এসময় দিপালীও গুলিবিদ্ধ হন এবং পুলিশ তার লাশ গুম করে ফেলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহত ও আহতদের এ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে নিয়ে আসতে চাইলে ঘটনাস্থলে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ বাহিনী। কিছু না ঘটা সত্ত্বেও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে, এমন অপপ্রচার চালিয়ে সামরিক সরকার উস্কে দেয় পুলিশকে। ঐদিন নিহত হয়েছিল জয়নাল, জাফর, কাঞ্চন, দীপালীসহ আরও অনেকে। সরকারি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় ১,৩৩১ জন ছাত্র-জনতাকে, বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি ছিল। খোঁজ মেলেনি অনেকেরই। স্বৈরাচার এরশাদ এই ক্ষত ও ক্ষোভ প্রশমিত করতে অথবা ভুলিয়ে দিতে যায় যায় দিনের শফিক রেহমান এর মাধ্যমে আমদানি করেন ভালোবাসা দিবস উদযাপন! ভালোবাসা দিবস সংখ্যা নামে যায় যায় দিনের "চটি সংস্করণ" বের হতে শুরু করে। স্বৈরাচার এর দোসর ও মিডিয়ার কল্যাণে এই দিনটির চটুল উদযাপন ডাল-পালা মেলতে মেলতে আজ কতদূর বিস্তৃত তা দেখাই যাচ্ছে; গতকাল রাতে নাকি একটা গোলাপ ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে!!
জীব বৈচিত্র ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের উদ্যোগে পালিত হচ্ছে সুন্দরবন দিবস। আমাদের সকলের উচিৎ ছিল এই দিনটি সাড়ম্বরে পালন করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার - কিন্তু আমরা ব্যর্থ!
২০১২ সাল থেকে বিশেষ করে গ্যাজেটের আগ্রাসনের স্বীকার শিশু-কিশোরদের বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করতে যুক্তরাজ্যের এমি ব্র‍্যাডমুর পালন করার উদযোগ নেন বিশ্ব বই প্রদান / বিতরণ দিবস (২৩ এপ্রিল হচ্ছে ইউনেস্কো প্রবর্তিত বিশ্ব বই দিবস - কেউ যেন গুলিয়ে না ফেলেন তাই স্বরণ করিয়ে দেয়া)। এই দিনে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি-বেসরকারি ব্যাক্তি ও সংস্থা বই প্রদান - বিতরণ করলে কতই না সুন্দর হতো। অন্তত এবারের বই মেলায় মুস্তাক-শাবরিনারা যেভাবে তথাকথিত ভাইরাল হয়েছে বা আলোচনায় এসেছে এরকম রুচির দুর্ভিক্ষ এড়ানো যেতো।
জয়নাল, জাফর, কাঞ্চন, দীপালীসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি 🙏

11/04/2023

বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
বিনম্র শ্রদ্ধা ….🙏

20/02/2023

শুভকামনা

17/10/2022

নতুন বিশ্ব রেকর্ড........নতুন প্রজন্মের প্রেরণা হোক সাবিনারা।।

প্রত্যন্ত অঞ্চল শুধু নয় প্রতিকূল পরিবেশে কিভাবে নিজেকে মেলে ধরতে হয় তার জীবন্ত আর জ্বলজ্বলে উদাহরণ বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের প্রতিটি সদস্যই তার প্রমাণ।।

https://www.rtvonline.com/sports/194738/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%A7-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%AC-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2

30/06/2022

ভারতবর্ষের প্রথম স্বাধীনতার লড়াই - সাওতাল বিদ্রোহ। আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত হুল দিবস।
সিধু, কানু সহ সাওতাল বিদ্রোহের সকল বীর সেনানীদের সশ্রদ্ধ স্মরণ🙏🙏

"আজ ঐতিহাসিক 'হুল দিবস'!
সিঁদু-কানু-ফুলমনি'র সংগ্রামের ইতিহাস।

শোষন, বঞ্চনা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে মহান সিঁদু-কানুসহ আদিবাসীদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ শুধু ভারত বর্ষের ইতিহাসে নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।সাঁওতাল বিদ্রোহ ইংরেজদের বিরুদ্ধে হলেও এটা ছিল মূলত উচ্চবর্ণীয় জমিদার, জোতদার, অসৎ ব্যবসায়ী ও সুদখোর মহাজনদের বিরুদ্ধে।

বাংলা, বিহার ও উড়িশ্যার সবচেয়ে বড় জনজাতি ছিলেন সাঁওতালরা। পতিত, অনাবাদী জমি কঠোর শ্রম দিয়ে সাঁওতালরা আবাদি ও উর্বর করে তোলে। ফলে এদের হাতে ছিল নিজস্ব জমি- জায়গা। দীর্ঘদিন ধরে সাঁওতালরা এই অঞ্চলে সুখে শান্তিতে নিজেদের সমাজ ও সংস্কৃতিকে নিয়ে বসবাস করছিল। কিন্তু ১৭৯৩ সালে "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত"র ফলে সাঁওতালদের জমি তথাকথিত উচ্চবর্ণের জমিদার, জোতদারদের হাতে চলে যায়।
ফলে সহজ সরল সাঁওতালদের উপর শুরু হয় উচ্চবর্ণের জমিদার, জোতদারদের শোষন ও অত্যাচার। অবশেষে শান্তিপ্রিয় সাঁওতালরা জমিচ্যুত ও ভূমিচ্যুত হয়ে বিহারের হাজারিবাগ, মানভূম, ছোটনাগপুর, পালামৌ ও উড়িশ্যা থেকে বাংলা ও বিহারের সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকা "দামিন-ই-কোহি" অঞ্চলে চলে আসে এবং বিহারের ভাগলপুর থেকে বাংলার বীরভূম পর্যন্ত বিশাল এলাকা জুড়ে সাঁওতালরা বসবাস শুরু করে। তারা পুনরায় আবার অমানবিক পরিশ্রমে জঙ্গল পরিস্কার করে বসতি স্থাপন করে এবং পতিত জমি চাষ-আবাদ করে সোনার ফসল ফলিয়ে নতুন জীবন শুরু করে। কিন্তু চির বঞ্চিত, চির অবহেলিত সাঁওতালদের জীবনে এই সুখ বেশীদিন স্থায়ী হল না। তাদের ভাগ্যাকাশে আবার নেমে এলো উচ্চবর্ণীয় জমিদার, জোতদার, সুদখোর মহাজনদের অত্যাচার, শোষনের ভয়ঙ্কর কালো মেঘ।
এই নতুন অঞ্চলে পুনরায় আবার জমিদারেরা সাঁওতালদের উপর উচ্চহারে খাজনা চাপায়। খাজনা না দিতে পেরে সাঁওতালরা সুদখোর মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে সর্বশান্ত হতে থাকে। ধীরে ধীরে একদিকে যেমন জমির মালিকানা হারাতে থাকে, অপর দিকে উচ্চবর্ণীয় জমিদার ও তার কর্মচারী, জোতদার, মহাজনদের দ্বারা সাঁওতাল নারীদের ইজ্জত-সম্মানের উপর এবং আদিবাসী সংস্কৃতির উপর আঘাত নেমে আসে। এই সকল কারনে আদিবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু এবার সরল প্রান সাঁওতালরা এই অঞ্চল ছেড়ে চলে না গিয়ে উচ্চবর্ণীয় জমিদার মহাজনদের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে রুখে দাঁড়ালো। আর সমগ্র বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এগিয়ে এলো মহান বীর সংগ্রামী সিঁদু-কানু দুই ভাইসহ চাঁদ মুর্মু, ভৈরব মুর্মু, ডোমন মাঝি প্রমুখ। ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন 'হুল' বা 'বিদ্রোহ' ঘোষনা করা হল। এই বিদ্রোহে সাঁওতালদের সঙ্গে সমগ্র আদিবাসী সমাজসহ বিস্তীর্ণ এলাকার কামার, কুমার, তাঁতি, ছুঁতার, দরিদ্র মুসলমানসহ নিন্মবর্ণের প্রান্তিক কৃষকেরা যোগদান করে।

এই বিদ্রোহে সিঁদু-কানুর নেতৃত্বে আদিবাসীদের কাছে প্রথমে তিনবার জমিদার, জোতদাররা চূড়ান্ত পরাজিত হয়। পরাজিত হয়ে অবশেষে তারা আদিবাসীদের বিরুদ্ধে ইংরেজদের ভুল বুঝিয়ে ও মিথ্যা কথা বলে তাদের পক্ষে এনে ইংরেজদের দিয়ে আদিবাসীদের সঙ্গে যুদ্ধ করায়। তা সত্বেও জমিদার, জোতদার ও ইংরেজদের যৌথ বাহিনীর মেজর "বরোজ" সিঁদু-কানুর নেতৃত্বে আদিবাসীদের কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়। অবশেষে এর পরের যুদ্ধে বিশাল ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে আদিবাসীরা পরাজিত হয়। কিন্তু এই জয় তারা সহজে পায়নি। দীর্ঘ এক বছর পাঁচ মাসের এই যুদ্ধে ইংরেজদের হাতি-ঘোড়া সমন্বিত, আধুনিক কামান, বন্দুক সুসজ্জিত বিশাল বাহিনীর কাছে সাঁওতালরা পরাজিত হয়। তবে এটা মূলত যুদ্ধ ছিল না, ছিল হিংসাত্বক হত্যালীলা। ঐ সকল বিস্তীর্ণ আদিবাসী অঞ্চলের পথ-ঘাট রক্তে ভিজে গিয়েছিল, যেখানে সেখানে আদিবাসী নর-নারী-শিশুর লাশ পড়ে ছিল। পুড়ানো বা কবর দেওয়ারও কেউ ছিল না। ১৭৫টি আদিবাসী গ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়। প্রায় ৩৩ হাজার আদিবাসী সাঁওতাল এই যুদ্ধে নিহত হয়। সিঁদুকে গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় এবং কানু, চাঁদ ও ভৈরব মুর্মুসহ অন্যান্যদের ফাঁসি দেওয়া হয়।

সাঁওতাল বিদ্রোহে আদিবাসী নারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করে এবং পুরুষদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সমানে যুদ্ধ করে।
নেতৃত্ব দেয় সিঁদু কানুর বোন ফুলমনি। এই বিদ্রোহে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অত্যাচার নেমে আসে সাঁওতাল নারীদের উপর। প্রায় ১২ হাজার মহিলা ও যুবতী ধর্ষিতা হয় এবং তিন হাজার নারী ধর্ষনসহ খুন হয়। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মাতঙ্গিনী হাজরা, প্রীতিলতা, সরোজিনী নাইডুদের পাশাপাশি ফুলমনিদের মতো বিরাঙ্গনা নারিদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে।

পৃথিবীর ইতিহাস খুঁজলেও এমন নৃশংস, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কথা জানা যায় না। এটি যুদ্ধ ছিল না, ছিল হত্যালীলা।
ভারতের প্রথম স্বাধীনতার আন্দোলন ও গনসংগ্রামের নাম সাঁওতাল বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহ ছিল আদিবাসী ভূমিপুত্রদের "জমি রক্ষার" আন্দোলন বা "কৃষক আন্দোলন"।

বর্তামনে ২০১০ সাল থেকে জাতিসংঘের ১৮৪টি দেশ 'হুল দিবস' সম্মানের সাথে পালন করা হয়।

বিপ্লবি সিঁদু-কানু-ফুলমনি লাল সালাম!"

17/06/2022

এস এস সি পরীক্ষা স্থগিত

27/04/2022

১৯ শে জুন থেকে এস.এস.সি পরীক্ষা শুরু।

২০২২ সালের সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য ব্রাইট স্টার বৃত্তি প্রদান পরিষদের পক্ষ থেকে শুভকামনা।।

11/02/2022

প্রিয় সুধী,
বৈশ্বিক মহামারীর বিপ্রতীপ সময়ে সীমিত আয়োজনে "ব্রাইট স্টার বৃত্তি - ২০২১" এর বৃত্তি প্রদান আজ বিকেল ৪ টায় ব্রাইট স্টার বৃত্তি কার্যালয়, শর্মা ক্যামিকেল, নজরুল এভিনিউ, কান্দির পাড়, কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হবে।

২০২০ এর মতো ২০২১ সালেও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয় নি; কিছু স্কুলের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দের প্রস্তাবের ভিত্তিতে "সিলেকশন" এর মাধ্যমে ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমাদের এবারের প্রয়াস।

আপনাদের উপস্থিতি (স্বাস্থ্যবিধি মেনে) আমাদের প্রাণিত করবে।
ধন্যবাদ সহ
ব্রাইট স্টার বৃত্তি প্রদান পরিষদ - ২০২১।।

25/01/2022
Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


কুমিল্লা
Cumilla
3500