#ইতিহাস-
১৯৬২ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল নামে এ প্রতিষ্ঠানটি জন্মলাভ করে বর্তমান কুমিল্লা জিলা স্কুল-এ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৩ সালে স্কুলটি বর্তমান ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়।সর্বপ্রথম ১৯৬৪ সালে এই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হয়। ১৯৬৫ সালের জুন মাসে ময়নামতি পাবলিক স্কুল হিসাবে নামকরন করা হয়। ১৯৬৬ সালে ২৮শে সেপ্টেম্বর দানবীর মির্জা আহমেদ ইস
্পাহানীর আর্থিক সহায়তায় গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানটির নাম ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল নাম করন করা হয়। পরে ১৯৭৫ সালের ২৮শে অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে কলেজ শাখা করার পর প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ নাম করন করা হয় ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।
#ক্যাম্পাসের বর্ননা-
কলেজ আঙিনা প্রায় ৯.৩ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। কলেজের মূল ভবনটি তিন তলা। যার অভ্যন্তরে রয়েছে লাইব্রেরি, মসজিদ, সুবিশাল মিলনায়তন, শিক্ষকদের সমাবেশ কক্ষ, বিএনসিসি কক্ষ, অধ্যক্ষের অফিস, উপাধ্যক্ষের অফিস, একাউন্ট অফিস, বিভিন্ন বিষয়ের জন্য আলাদা গবেষণাগার এবং পর্যাপ্ত পরিমান শ্রেণী কক্ষ। কলেজের সামনে এবং পিছনে আছে বিশাল দুটি খেলার মাঠ। কলেজে ক্যাম্পাসের মধ্যেই আছে শিক্ষকদের আবাসিক বাসস্থান।
#ভর্তি-
এই স্কুলে সাধারণত জানুয়ারিতে প্রথম শ্রেনীতে বাংলা মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে এবং ষষ্ঠ শ্রেনিতে ইংরেজি মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে। একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে। উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করার পর ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে।
#যাতায়াত সুবিধা-
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে দেওয়া একটি বাস এবং কলেজের নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয়কৃত একটি বাস বর্তমানে ছাত্রদের আনা নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।
#লাইব্রেরী-
কলেজের মূল ভবনের দ্বোতলায় লাইব্রেরি অবস্থিত। ছাত্ররা লাইব্রেরি থেকে বই বাসায় নিয়ে যেতে পারে। লাইব্রেরি কক্ষে বসে ছাত্ররা পড়াশোনা করতে পারে। একজন লাইব্রেরিয়ান ও একজন সহকারী লাইব্রেরিয়ান ছাত্রদের প্রয়োজনীয় বই খুজে দিতে সাহায্য করে থাকেন।