21/12/2014
১৯৯২-১৯৯৩অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ফতেরকান্দি সরকারী বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মাস্টার ও কলাগাছিয়া এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল হাকিম মাস্টার সাহেবের খাস জমির উপর নির্মাণ করা হয় “কৃষ্ণপুর স্বল্পব্যয়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়”টি ।২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যালয়টিকে “কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়” এ রুপান্তরিত করলে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সরকারী স্কেলে শিক্ষকরা বেতন ভাতা পেতে থাকেন ।
প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বিদ্যালয়টি জমজমাট থাকলেও শিক্ষক স্বল্পতা ও পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনার অভাবে এখন বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে,গত সমাপণি পরীক্ষায় ১০০% উত্তীর্ণ হলেও কোনো জিপিএ ৫ পায়নি। প্রথম,দ্বিতীয়,তৃতীয়,চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে যথাক্রমে ৫২,৩৯,৪২,২৭ ও ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।বিদ্যালয়টির প্রথম প্রধান শিক্ষক মোঃ দুলাল আহমেদ স্থানান্তরিত হলে মোহাম্মাদ রকিবুল ইসলাম মাস্টার প্রধান শিক্ষকের পদে স্থলাভিষিক্ত হন।প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ রকিবুল ইসলাম, মিসেস কুলসুম আক্তার ও মিসেস রহিমা আক্তারসহ মাত্র ৩ জন শিক্ষক রয়েছেন।
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৫ বছর পর গ্রামের ছেলেদের লাফালাফির কারণে টিনে ফাটল,ক্লাশের দরজা ভেঙ্গে যাওয়া,টয়লেট অরিক্ষিত ,টিউবওয়েল চুরি হলে ১৯৯৫-১৯৯৬(নব উন্নয়ন) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বিদ্যালয়টিকে মেরামত করা হয়।যদিও বিদ্যালয়ের বেঞ্চ কারো কারো বিয়ে বাড়িতে শোভা পেত। এখন বিদ্যালয়টির খুঁটিতে ফাটল ধরেছে,টিনে মরিচা ধরে ছিদ্র পথে বৃষ্টি্র সময় পানির ফোয়ারা এসে ক্লাশে পরে।নেই কোনো খেলার মাঠ,নলকূপটিও নড়বড়ে।টয়লেট দুটির অবস্থাও নাজুক।
কলাগাছিয়া এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও বর্তমানে কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় সভাপতি মোঃ আব্দুল হাকিম মাস্টার ২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসে আসাদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ জহির উদ্দিন সাহেবের বড় ভাই মোঃ আব্দুল বাতেন সাহেবের স্থলাভিষিক্ত হন।বিদ্যালয়টির প্রথম সভাপতি ছিলেন ফতেরকান্দি সরকারী বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মাস্টার। সভাপতিত্রয়ের নিরলস চেষ্টা ও সময় দেওয়া স্বত্তেও কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির কোনো হয়নি।
গ্রামে ম্যাজিস্টেট,ডক্টরেট,ব্যরিস্টার,প্রভাষক,ব্যাংকার,রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী,শিল্পপতী,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ অসংখ্যা সচেতন মানুষ রয়েছেন যারা একটু হাত বাড়িয়ে দিলে কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি হতে পারে আদর্শের একটি মডেল । তা আজ কৃষ্ণপুর গ্রামবাসীর আশা ও স্বপ্ন!!!!!!!!!