27/10/2020
Assembly of Rasulpur Bohu Mukhi High School.
[This photo was taken before Corona outbreak]
P.C. - Rifat Hossen Sa
রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
27/10/2020
Assembly of Rasulpur Bohu Mukhi High School.
[This photo was taken before Corona outbreak]
P.C. - Rifat Hossen Sa
22/05/2020
২০২০সালের এস.এস.সি পরিক্ষার্থীদের ফলাফল সংক্রান্ত নোটিশ। রসুলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর সকল এস, এস, সি পরিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
17/02/2020
যে সাবজেক্টটা কঠিন বলে, তুমি ফেল করেছ। সেই একই সাবজেক্টে, তোমার ক্লাসের
অর্ধেকের বেশি পোলাপান ৬০ এর উপরে মার্কস পেয়েছে।
যে বৃষ্টির কারণে, যে ঠাণ্ডার ভয়ে তুমি ঘর থেকে বের হওনি। সেই একই বৃষ্টিতে ভিজে, একই ঠাণ্ডায় কেপে কেপে, রিক্সাওয়ালারা ঠিকই সংসার চালানোর টাকা কামিয়ে ঘরে ফিরেছে।
যে শহরে ঘুষ, অনিয়ম আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বিজনেসে নামার স্বপ্নটা মাটি চাপা দিয়ে রেখেছো। সেই একই শহরে তোমার পাশের ফ্ল্যাটের একজন, ব্যবসায় নেমে ঠিকই এগিয়ে গেছে।
সো, সমস্যাটা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, শীতের ঠাণ্ডা কিংবা সাবজেক্ট কঠিন হওয়ার মধ্যে না। সমস্যাটা তোমার মধ্যে। তবে সে সমস্যাটা তোমার স্বপ্ন, সাহস, চেষ্টার কমতি বা সময়ের অভাবের মধ্যে
না।
শোন যে সিগারেট ছাড়তে চায়, সে সিগারেট ছাড়তে পারে না। যে সামনের সেমিস্টারে দুনিয়া উল্টায় ফেলতে চায়, সে সেই সেমিস্টারেও আগের সেমিস্টারের মতো লাড্ডু মারে। তাই সিগারেট ছাড়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে, আজকে দুপুরে লাঞ্চ শেষ করে সাথে সাথে সিগারেট না ধরিয়ে, ৫ মিনিট পরে সিগারেট জ্বালানোর টার্গেট সেট করতে হবে। পরেরদিন ঠিক একই কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। পুরা সেমিস্টার পড়ে তাল গাছে উঠে যাওয়ার চিন্তা না করে, ক্লাস লেকচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে, ক্লাস লেকচারের একটা টপিক নিয়ে ৫ মিনিট বসে বসে বুঝার চেষ্টা করতে হবে।
কেউ যুদ্ধ জয় করে না, একজন একজন করে শত্রুপক্ষের সৈন্যকে পরাজিত করে। কেউ সাগর পাড়ি দেয় না, বৈঠা মেরে মেরে, ইঞ্চি ইঞ্চি
করে সামনে এগুতে থাকে। কেউ বিশ্ব সেরা খেলোয়াড় হয় না, একটার পর একটা ম্যাচে, দুই- একটা করে গোল করতে থাকে। সফলতা কোন লটারি না। জন্মদিনে প্রেমিকার উপহারও না। সফলতা হচ্ছে- কনসিসটেন্সি (ধারাবাহিকতা)। এই
কনসিসটেন্সি, রেজাল্ট বা আউটকামের কনসিসটেন্সি না। এইটা চেষ্টার কনসিসটেন্সি। লেগে থাকার কনসিসটেন্সি।
মানুষের চেষ্টা হচ্ছে পানির মতো। চান্স পাইলেই গড়িয়ে নিচে নেমে যাবে। রিলাক্স করার কোন পাত্র পাইলে, সেই পাত্রের আকার ধারণ করবে। আরো বেশি চান্স পাইলে, নদীর স্রোতের সাথে ভেসে ভেসে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ে তোমারে ডুবাবে। তাই রিলাক্স হইও না। লম্বা টার্গেট সেট করো না। বরং নেক্সট স্টেপের দিকে তাকাও। ছোট স্টেপটাই নিয়মিত দিতে থাকো। দেখবা, ছোট ছোট স্টেপ, পানির পাম্পের মতো তোমার চেষ্টার পানিকে একটু একটু করে উপরের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই একটু একটু করে এগিয়ে যেতে থাকলেই, একসময় পাহাড়ের চূড়া এসে তোমার
পায়ের নিচে শিস বাজাবে।
পারবা, তুমি অবশ্যই পারবা।
--মারজুক রাসেল
12/02/2020
⭕ Participle আর Gerund নিয়ে আমরা খুব সহজেই confusion এ পরি। To be precious, present participle আর Gerund এর মধ্যে এই confusion টা বেশি হয়। আজ আমরা এই confusion নিয়ে কাজ করবো।
✅ non finite verb মূলত ৩ প্রকারের হয় :
➡Participle,
➡Gerund আর
➡infinitive
আবার, Participle Sentence এ দুই ভাবে ব্যবহার হতে পারে: verb এবং adjective.
Participle মূলত তিন প্রকার।
➡ present participle বা v + ing,
➡past participle বা v3 এবং
➡perfect participle বা having + v3.
✅ অন্যদিকে Gerund হলো v + ing, ব্যবহার হয় Sentence এ noun হিসেবে।
⭕ আগেই বলেছি, present participle sentence এ verb অথবা adjective হিসেবে বসে।
যেমন:
➡I am going to market.
`going' present participle, verb হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
➡She is a working mother. কেমন mother? working mother; Adjective হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
A rolling stone gathers no moss. কেমন stone? Rolling stone; Adjective;
⭕ Present participle সাধারণত `going on' action এবং Active sense প্রকাশ করে।
⭕ অন্যদিকে past participle ‘completed' Action এবং passive sense প্রকাশ করে।
Working mother, crying baby মা নিজেই কাজ করে, বাচ্চা নিজেই কাঁদছে (Active sense)
Rolling stone, burning building `going on' Action প্রকাশ করছে। সুতরাং এরা present participle
✅ আবার, broken dishes, frightened children `passive sense' প্রকাশ করছে। আবার, finished exam, boiled egg- completed Action প্রকাশ করছে এরা past participle.
🔴 এখন আসি Gerund এ। Gerund ও present participle এর মত v + ing, কিন্তু ব্যবহার হয় noun হিসেবে।
➡ Sentence এ noun সাধারণত subject, object এবং complement হিসেবে বসে।
⭕ Swimming in the sea is a good exercise.
এখানে `Swimming' subject. so, it’s Gerund কিন্তু যদি বলা হয়,
💎 The Swimming pool is behind the hotel এখানে Subject `pool' যার adjective `swimming' এখানে ‘swimming' Gerund না বরং present participle.
♦ আবার দেখা যাক,
I hate walking after office. What do I hate?- Walking after office.
Walking এখানে object, object হিসেবে শুধু noun বসে সুতরাং walking Gerund.
🔺 কিন্তু যদি বলা হয়,
I want a pair of running shoes.
What do I want? Shoes! কেমন Shoes? `running shoes' so, running is adjective of shoes. অর্থাৎ running present participle.
✅ আরেকটু complex এ যাওয়া থাক-
Sentence i: Developing a country is a tough task.
Sentence ii: Developing economy is better than developed economy.
➡ প্রথম sentence এ developing Gerund cause এটি sentence এর subject
➡ অন্যদিকে ২য় sentence এ দুটো economy মধ্যে তুলনা করা হয়েছে; যেখানে developing এবং developed দুটো adjective.
✅ এখন, Perfect participle : অতীতে কোন কাজ শেষ করে অন্য একটি কাজের কথা বললে যে কাজটি আগে হয়েছে, সেটায় Perfect participle হয়।
Having rested, we continued our journey
Having beaten by the police, the thieves divulged the truth.
(Collected)
20/09/2019
★ "জাপানে বড় লিডার তৈরি হয়না কিন্তু গড়ে এরা সবার সেরা"
জাপানে পড়তে আসা এক বাংলাদেশী ভাই একদিন ফোনে বললো- ভাই, বড়ই লজ্জায় আছি।
-কেন কি হয়েছে ?
-ড্রইং ক্লাসে ড্রইং বক্স নিয়ে যাইনি।
-তো?
-জাপানী স্যার বড় একটা শিক্ষা দিয়েছেন।
-কি করেছে?
-আমার কাছে এসে উল্টা ক্ষমা চেয়েছেন। বলেছেন আজ যে ড্রইং বক্স নিয়ে আসতে হবে তা স্মরণ রাখার মত জোর দিয়ে আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন নি। তাই সে দুঃখিত।
-হুম।
-আমি তো আর কোন দিন ড্রইং বক্স নিতে ভুলবো না, ভাই । আজ যদি সে আমাকে বকা দিত বা অন্য কোন শাস্তি দিত আমি কোন একটা মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বাচার চেষ্টা করতাম।
★জাপানী দল বিশ্বকাপে হেরে গেলেও জাপানী দর্শকরা গ্যালারী পরিষ্কার করে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।
★দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে হেরে গিয়ে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আমেরিকার প্রতিনিধি ম্যাক আর্থারের কাছে গেলেন। প্রতীকি আইটেম হিসাবে নিয়ে গেলেন এক ব্যাগ চাল। হারাকিরি ভঙ্গিতে হাটু গেড়ে মাথা পেতে দিয়ে বললেন- আমার মাথা কেটে নেন আর এই চাল টুকু গ্রহণ করুন। আমার প্রজাদের রক্ষা করুন। ওরা ভাত পছন্দ করে। ওদের যেন ভাতের অভাব না হয়। "সম্রাট হিরোহিতোর এই ক্যারেক্টার আমেরিকানদের পছন্দ হলো। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের কুখ্যাত মহানায়কদের মধ্যে কেবলমাত্র হিরোহিতোকে বিনা আঘাতে বাচিয়ে রাখা হলো।
★২০১১ সালের ১১ই মার্চ। Tsunami র আগাম বার্তা শুনে এক ফিশারি কোম্পানীর মালিক সাতো সান প্রথমেই বাচাতে গেলেন তার কর্মচারীদের। হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ মিনিট। প্রায়রিটি দিলেন বিদেশি (চাইনিজ) দের। একে একে সব কর্মচারীদের অফিস থেকে বের করে পাশের উচু টিলায় নিজ হাতে রেখে এলেন। সর্বশেষে গেলেন তার পরিবারের খোজ নিতে। ইতিমধ্যে Tsunami সাহেব এসে হাজির। সাতো সানকে চোখের সামনে কোলে তুলে ভাসিয়ে নিয়ে গেলেন। আজও খোজহীন হয়ে আছেন তার পরিবার।
সাতো সান অমর হলেন চায়না তে। চাইনিজরা দেশে ফিরে গিয়ে শহরের চৌরাস্তায় উনার প্রতিকৃতি বানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন।
★নয় বছরের এক ছেলে। স্কুলে ক্লাস করছিল। Tsunami-র আগমনের কথা শুনে স্কুল কর্তৃপক্ষ সব ছাত্রদের তিন তলায় জড়ো করলো। তিন তলার বেলকনি থেকে দেখলো তার বাবা আসছে গাড়ি নিয়ে। গাড়িকে ধাওয়া করে আসছে ফোসফোসে পানির সৈন্য দল। গাড়ির স্পিড পানির স্পিডের কাছে হার মেনে গেলো। চোখের সামনে নাই হয়ে গেল বাবা। সৈকতের নিকটেই ছিল তাদের বাসা। মা আর ছোট ভাই ভেসে গেছে আরো আগে। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি আশ্রয় শিবিরে উঠলো। শিবিরের সবাই ক্ষুধায় আর শীতে কাপছে। ভলান্টিয়াররা রুটি বিলি করছেন। আশ্রিতরা লাইনে দাড়িয়ে আছেন। ছেলেটিও আছে। এক বিদেশী সাংবাদিক দেখলেন, যদ্দুর খাদ্য (রুটি) আছে তাতে লাইনের সবার হবেনা । ছেলেটির কপালে জুটবে না। সাংবাদিক সাহেব তার কোট পকেটে রাখা নিজের ভাগের রুটি দুটো ছেলেটিকে দিলেন। ছেলেটি ধন্যবাদ জানিয়ে রুটি গ্রহন করলো। তারপর যেখান থেকে রুটি ডিস্ট্রিবিউশন হচ্ছিল সেখানেই ফেরত দিয়ে আবার লাইনে এসে দাড়াল। সাংবাদিক সাহেব কৌতুহল ঢাকতে পারলেন না। ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন - এ কাজ কেন করলে খোকা? খোকা উত্তর দিল- বন্টন তো ওখান থেকে হচ্ছে। উনাদের হাতে থাকলে বন্টনে সমতা আসবে। তাছাড়া লাইনে আমার চেয়েও বেশী ক্ষুধার্ত লোক থাকতে পারে।
সহানুভুতিশীল হতে গিয়ে বন্টনে অসমতা এনেছেন- এই ভেবে সাংবাদিক সাহেবের পাপবোধ হলো। এই ছেলের কাছে কি বলে ক্ষমা চাইবেন ভাষা হারালেন।
★যাদের জাপান সম্পর্কে ধারণা আছে তারা সবাই জানেন...যদি ট্রেনে বা বাসে কোন জিনিস হারিয়ে যায়, অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, ঐ জিনিস আপনি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পাবেন।
★গভীর রাতে কোন ট্রাফিক নেই, কিন্তু পথচারী ঠিকই ট্রাফিক বাতি সবুজ না হওয়া পর্যন্ত পথ পার হচ্ছেন না। ট্রেনে বাসে টিকিট ফাকি দেয়ার হার (%) প্রায় শুন্যের কোঠায়।
★একবার ভুলে ঘরের দরজা লক না করে এক বাংলাদেশী দেশে গেলেন মাস খানেক পর এসে দেখেন, যেমন ঘর রেখে গেছেন, ঠিক তেমনই আছে।
★এই শিক্ষা জাপানীরা কোথায় পায়?
সামাজিক শিক্ষা শুরু হয় কিন্ডারগার্টেন লেভেল থেকে।
★সর্বপ্রথম যে তিনটি শব্দ এদের শিখানো হয় তা হলো-
১))কননিচিওয়া (হ্যালো) - পরিচিত মানুষকে দেখা মাত্র হ্যালো বলবে।
২))আরিগাতোউ (ধন্যবাদ) - সমাজে বাস করতে হলে একে অপরকে উপকার করবে। তুমি যদি বিন্দুমাত্র কারো দ্বারা উপকৃত হও তাহলে ধন্যবাদ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
৩))গোমেননাসাই (দুঃখিত) - মানুষ মাত্রই ভুল করবে এবং সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইবে।
এগুলো যে শুধু মুখস্ত করে শিখানো হয় তা না। বাস্তবে শিক্ষকরা প্রো-এক্টিভলি সুযোগ পেলেই ব্যবহার করবেন এবং করিয়ে ছাড়বেন।
সমাজে এই তিনটি শব্দের গুরুত্ব কত তা নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন। এই শিক্ষাটা এবং প্রাকটিস ওরা বাল্যকাল থেকে করতে শিখে।
কিন্ডারগার্টেন থেকেই স্বনির্ভরতার ট্রেনিং দেয়া হয়। সমাজে মানুষ হিসাবে বসবাস করার জন্য যা দরকার - নিজের বই খাতা, খেলনা, বিছানা নিজে গোছানো; টয়লেট ব্যবহার, পরিষ্কার করা; নিজের খাবার নিজে খাওয়া, প্লেট গোছানো ইত্যাদি।
★প্রাইমারী স্কুল থেকে এরা নিজেরা দল বেধে স্কুলে যায়। দল ঠিক করে দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ট্রাফিক আইন, বাস ট্রেনে চড়ার নিয়ম কানুন সবই শিখানো হয়। আপনার গাড়ি আছে, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসবেন, উল্টা আপনাকে লজ্জা পেয়ে আসতে হবে।
ক্লাস সেভেন থেকে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যেতে পারবে। ক্লাসে কে ধনী, কে গরীব, কে প্রথম কে দ্বিতীয় এসব বৈষম্য যেন তৈরী না হয় তার জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ক্লাসে রোল নং ১, মানে এই নয় যে একাডেমিক পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভাল। রোল নং তৈরী হয় নামের বানানের ক্রমানুসারে।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার সমস্ত আইটেম গুলো থাকে গ্রুপ পারফরম্যান্স দেখার জন্য - ইন্ডিভিজুয়েল নয়। সারা স্কুলের ছেলে মেয়েদের ভাগ করা হয় কয়েকটা টা গ্রুপে- সাদা দল, লাল দল, সবুজ দল ইত্যাদি। গ্রুপে কাজ করার ট্রেনিংটা পেয়ে যায় খেলাধুলা জাতীয় এক্টিভিটি থেকে। এই জন্যই হয়তো জাপানে বড় লিডার তৈরি হয়না কিন্তু গড়ে এরা সবার সেরা।
03/09/2019
ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ
১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।
২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।
৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।
৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।
৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।
৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।
৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।
৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।
৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।
১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।
১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।
১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।
১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।
১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।
১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।
12/08/2019
Assalamualikum to all the present and ex. student of Rasulpur M.L. High School. We really need some dedicated volunteers who will help to make the page better. As you can see that this page is not sufficient with page info, cover picture, and other important information. We would like to invite you all to participate in a mission by which we will make the platform a better place.
We need your cordial support in this regard. Please inbox us some photograph and written documents related to the school. By this manner you can be a contributor of the update. We hope that we will get a huge response from you people.
Thank you everyone.
শিক্ষিত বেকার নয়, আমাদের উদ্যেক্তা প্রয়োজন:
------------------------------------------
চীন অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য প্রায় ১২ বছর তাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিলো। চীন সরকারের বক্তব্য ছিল, এত ছেলেমেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কি করবে? কোথায় চাকরি পাবে? এত বেকারকে চাকরী দেয়ার মত প্রতিষ্ঠান চীনে নেই। এই সময়টায় চীন ছাত্রছাত্রীদের নানা ধরনের আধুনিক স্বল্প মেয়াদী ট্রেড কোর্সে যা শিখে চীনের ছেলেমেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে গেলো। প্রতিটি বাড়ি গড়ে উঠল একটা করে ছোট ছোট কারখানায়। পরিবারের সবাই সেখানে কাজ করে। ফলে পন্যের উৎপাদন খরচ কমে গেলো। বর্তমানে যে কোন পন্য স্বস্তায় উৎপাদন করার সক্ষমতায় তাদের ধারে কাছে কেউ নেই। পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে চাইনিজ পন্যের প্রসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে তারা বিশ্ব বানিজ্যের এক অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তি। অপর দিকে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে বেকার বানানোর কারখানা। এর আধুনিক নাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতি বছরই দুই একটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী হচ্ছে আর বের হচ্ছে কয়েক হাজার বেকার। দল বেঁধে পড়ানো হচ্ছে বিবিএ, এমবিএ অথবা চিরচরিত সেই ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ানিং। এত বেকারের ভীড়ে চাকরী বাংলাদেশে একটি সোনার হরিণ। আমরা মনে করি স্যুট, টাই পড়ে কোন কাজ করতে পারলেই বুঝি সেখানেই জাতির সফলতা। এই দেশের অর্থনীতির জন্য সামনে খুব ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে। তাই, বাংলাদেশের উচিত চীনের মত একটা পদক্ষেপ নেয়া। চাকরী করে দেশের উন্নতি হয় না, আমাদের উদ্যোক্তা প্রয়োজন। তাই শিক্ষা ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন প্রয়োজন, গুরুত্ব দেয়া উচিত কর্মমুখী শিক্ষায়।
[….সংগৃহীত]
ভীতি কখনোই প্রীতির
মতো স্থায়ী ফলদায়ক ঔষধ নয়,
তবে তাতে সাময়িক উপশম
অবশ্যই হয়।
Don't judge a person by what others say. The person
maybe true to you, but not to others. Because the
same sun which melts the ice, hardens the clay.......
আজ থেকে ১০০ বছর আগের কথা। এক বিখ্যাত জুতোর কোম্পানি তাদের এক প্রতিনিধিকে আফ্রিকায় পাঠিয়েছিলেন সেখানে জুতো বিক্রির কেমন সম্ভাবনা আছে তা দেখার জন্য। ভদ্রলোক আফ্রিকায় গিয়ে সবকিছু দেখে আসলেন। সেখান থেকে ফিরে আসার পর কোম্পানিকে জানালেন, ‘আফ্রিকায় জুতো বিক্রি সম্ভব নয়। কারণ ওখানে কেউ জুতোই পরে না।’
আরেকটা কোম্পানি তাদের প্রতিনিধিকে ঠিক একই উদ্দেশ্যে আফ্রিকায় পাঠিয়েছিলেন। ওই প্রতিনিধি আফ্রিকা থেকে ঘুরে আসার পর তার কোম্পানিকে জানান, ‘ওখানে জুতো বিক্রির প্রচুর সম্ভাবনা আছে। কারণ ওখানে কোনো জুতোর কোম্পানি নেই, তাই সেখানে কেউ জুতাও পরে না। ওখানকার মানুষদেরকে যদি জুতো পরার উপকারিতা সম্পর্কে বোঝানো যায়, তাহলে আমাদের জন্য সেটা খুবই লাভজনক হবে।’
উপরের দুটি ঘটনা একই, কিন্তু দু’জন প্রতিনিধির দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, সাফল্যের মধ্যেও আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ব্যক্তি হিসেবে আপনি নিজেকে এবং আপনার আশপাশের জগতকে কিভাবে দেখছেন আর ব্যাখ্যা করছেন— তার উপর নির্ভর করছে আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা।
সাফল্য পেতে হলে আপনার ভিতরটা অর্থাৎ আপনার মানসিকতা এমন হতে হবে যেন তা কঠিন বাধা-বিপত্তির সময়ও প্রশান্ত থাকতে পারে। একটু খেয়াল করে দেখবেন, যখন আপনার মন-মেজাজ খারাপ থাকে, তখন প্রিয়জনের সান্নিধ্যও অসহ্য লাগে। আবার যখন মন খুব ভালো থাকে, তখন প্রিয়জন আপনার সাথে রাগ করলেও তা মিষ্টি মনে হয়।
ঠিক তেমনিভাবে আপনি যদি হাসি-খুশি, প্রশান্ত মন নিয়ে কোনো কাজ করেন, তাহলে জটিল কাজও আপনার কাছে ডাল-ভাত মনে হবে। আর যদি খিটখিটে-বদ মেজাজ নিয়ে কোনো সহজ কাজও করতে যান, তখন সেটাকে বাংলাদেশ ফুটবল দলের বিশ্বকাপ জয়ের মতোই কঠিন মনে হবে।
একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন যেটা মনোবিজ্ঞানীরা বলে থাকেন, “যখন বাইরের জগতের নানারকম ঘটনায় আপনার মন বিচলিত হবে, তখন বাইরের জগতকে পাল্টাবার চেষ্টা না করে চেষ্টা করুন আপনার অন্তর্জগতকে পাল্টাতে, আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টাতে।”
| Monday | 10:00 - 16:00 |
| Tuesday | 10:00 - 16:00 |
| Wednesday | 10:00 - 16:00 |
| Thursday | 10:00 - 14:00 |
| Saturday | 10:00 - 16:00 |
| Sunday | 10:00 - 16:00 |