Arabic and Islamic Studies department,CVC-official

Arabic and Islamic Studies department,CVC-official Official page of the Department of Arabic and Islamic Studies, Comilla Victoria Government College. comilla

ঈদে মিলাদুন্নবি: মু’মিন বান্দার করণীয়ড. মোঃ মোশাররাফ হোসাইনপর্ব-২দুই. জন্ম বৎসরইমাম তিরমিযির একটি বর্ণনা থেকে রাসুলুল্লা...
22/08/2026

ঈদে মিলাদুন্নবি: মু’মিন বান্দার করণীয়
ড. মোঃ মোশাররাফ হোসাইন
পর্ব-২

দুই. জন্ম বৎসর
ইমাম তিরমিযির একটি বর্ণনা থেকে রাসুলুল্লাহ স. এর জন্ম বৎসর সম্পর্কে জানা যায়। সাহাবি কায়স ইবন মাখরাম (রা.) বলেন,
وُلِدْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيلِ. وَسَأَلَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ قُبَاثَ بْنَ أَشْيَمَ أَخَا بَنِي يَعْمَرَ بْنِ لَيْثٍ أَأَنْتَ أَكْبَرُ أَمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكْبَرُ مِنِّي وَأَنَا أَقْدَمُ مِنْهُ فِي الْمِيلادِ وُلِدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيلِ.
কায়স ইবন মাখরামা রা. বলেন, আমি ও রাসুলুল্লাহ স. দুজনেই হাতির বছরে জন্মগ্রহণ করেছি। উসমান ইবন আফফান রা. কুবাস ইবন আশইয়ামকে প্রশ্ন করেন: আপনি বড় না রাসুলুল্লাহ স. বড়? তিনি উত্তরে বলেন, রাসুলুল্লাহ স. আমার থেকে বড়, আর আমি তাঁর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছি। রাসুলুল্লাহ স. হাতির বছর জন্মগ্রহণ করেন। (সুনান তিরমিযি, হাদিস নং ৩৯৪৭)
হাতির বছর বলতে যে বছর আবরাহা হাতির বহর নিয়ে কাবা ঘর ধ্বংসের জন্য মক্কা আক্রমণ করেছিল সে বছরকে বুঝানো হয়েছে। ঐতিহাসিকদের মতে হাতির বছরটি ছিল ৫৭০ বা ৫৭১ খ্রিস্টাব্দ। (আকরাম যিয়া আল্-উমারি, আস সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ আস-সহিহা, ৪র্থ সংস্করণ (মদিনা মুনাওয়ারা, মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম, ১৯৯৩), পৃ. ৯৬-৯৮; মাহদি রেজকুল্লাহ আহমদ, আস্-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ, ১ম সংস্করণ (সৌদি আরব, রিয়াদ, বাদশাহ ফয়সল কেন্দ্র), পৃ. ১০৯-১১০।)

তিন, জন্মমাস ও জন্মতারিখ
রাসুলুল্লাহ স. এর জন্মমাস ও জন্মতারিখ সম্বন্ধে হাদিস থেকে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। সাহাবাগণও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কথা বলেন নাই। রাসুল স. এর সময় ও সাহাবাগণের যুগে কিংবা তাদের পরবর্তী তাবেঈগণের যুগেও এ ব্যাপারে কোন চিন্তা ও গবেষণা ছিল না। মূলত তারা এ বিষয়টি নিয়ে কোন চিন্তা করেন নাই মাথা ঘামান নাই। এর পরবর্তীতে এসে আলেম ও ঐতিহাসিকগণের পক্ষ থেকে অনেকগুলো মতামত পাওয়া যায়। যেমন:
১। মাস ও তারিখ অজ্ঞাত। জানা সম্ভব নয়। সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছেন এটুকুই যথেষ্ট। এরচেয়ে বেশি কিছু বলা ও তালাশ করা অবান্তর ও অনুচিত।
২। তিনি রবিউল আউয়াল মাসের ২ তারিখ জন্মগ্রহণ করেছেন। হিজরি দ্বিতীয় শতকের অন্যতম ঐতিহাসিক ও মাগাযি প্রণেতা মুহাদ্দিস আবু মা’শার নাজীহ ইবন আবদুর রহমান আস্-সিন্দী (১৭০হি.) এমতটি গ্রহণ করেছেন।
৩। রবিউল আউয়াল মাসের ৮ তারিখ নবি স. জন্মগ্রহণ করেছেন। আল্লামা কাসতালানি ও যারকানি এমতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। প্রথম শতাব্দীর প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও নসববিদ ঐতিহাসিক তাবেঈ মুহাম্মদ ইবন জুবাইর ইবন মুতঈম (১০০ হি.) এমতটিকে প্রধান্য দিয়েছেন। স্পেনের মুহাদ্দিস আল্লামা ইউসুফ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আবদুল বার বলেছেন, ঐতিহাসিকগণ এমতটিকে সঠিক বলে গ্রহণ করেছেন। মিলাদের উপর প্রথম গ্রন্থ রচনাকারী আল্লামা আবুল খাত্তাব ইবন দেহিয়া ঈদে মিলাদুন্নবির উপর লিখিত “আত্-তাবির ফি মাওলিদিল বাশির ওয়ান নাযির” গ্রন্থে এমতটি উল্লেখ করেছে।
৪। ইবন সাদ তার বিখ্যাত “আত্-তাবাকাত আল্-কুবরা” গ্রন্থে শুধু দুটি মত উল্লেখ করেছেন, রবিউল আউয়াল মাসের ০২ তারিখ ও ১০ তারিখ। (ইবন সাদ, আত্-তাবাকাত আল্-কুবরা, প্রথম খ- (বৈরুত: দারু এহইয়াউত তুরাস আল্-আরাবি), পৃ. ৪৭।)
৫। নবি স. ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন। এই মতটি গ্রহণ করেছেন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক মুহাম্মদ ইবন ইসহাক। (ইবন হিসাম, আস্-সিরাহ আন্-নাবাবিয়্যাহ, ১ম খ-, ১ম সংস্করণ (মিশর, কায়রো: দারুর রাইয়ান, ১৯৭৮), পৃ. ১৮৩।) তবে অনেক ঐতিহাসিক তার এ মতের সমালোচনা করেছেন। কেনন, তিনি এ মতের পক্ষে কোন সূত্র উল্লেখ করেন নাই।
৬। কেই কেউ বলেছেন ১৭ই রবিউল আউয়াল, আবার কেউ কেউ বলেছেন ২২শে রবিউল আউয়াল তারিখে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
৭। তিনি মুহাররাম মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন। কেউ বলেছেন, সফর মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ বলেন রবিউস সানি মাসে, কেউ কেউ বলেন রজব মাসে, কেউ কেউ বলেন রমজান মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন।
অতএব ইতিহাস পর্যালোচনায় যেটা প্রতীয়মান হয়, রাসুলুল্লাহ স. এর জন্মতারিখ ও মাস নিয়ে সুস্পষ্ট কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। অর্থাৎ কোনভাবেই জানা সম্ভব নয় যে নবি স. কোন মাসের ঠিক কোন তারিখে তিনি পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন। যারা মতামত ব্যক্ত করেছেন তারাও বিভিন্ন ধারণার উপর বলেছেন।
জন্মের সময় প্রকাশিত কিছু অলৌকিক ঘটনা:
ইবন সাদ এর বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ স. এর মা বলেছেন, যখন মুহাম্মাদ জন্মগ্রহণ করেন তখন দেহ থেকে একটি নুর বের হল, সেই নুর দ্বারা শামদেশের মহল উজ্জ্বল হয়ে গেল। ইমাম আহমাদ হযরত এরবায ইবন সারিয়া থেকে কাছাকাছি ধরণের বর্ণান উল্লেখ করেছেন। ঐতিহাসিকদের বর্ণনা ঈমাদের কোন বিষয় নয়।
কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, নবুয়তের পটভূমি হিসেবে নবি স. এর জন্মের সময় কেসরার রাজ প্রাসাদের চৌদ্দটি পিলার ধ্বসে পড়েছিল। অগ্নি উপাসকদের অগ্নিকু- নিভে গিয়েছিল। বহিরার গীর্জা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। মোহাম্মদ গাযযালী এ বর্ণনা সমর্থন করেননি।
দুধ মায়ের ঘরে আগমণ:
নবি স. এর দুধ মায়ের নাম: হালিমা বিনতে আবু জুয়াইব। তিনি হালিমাতুস সাদিয়া নামেই বেশি পরিচিত।
তার স্বামী: হারেস ইবন আবদুল ওযযা। ডাক নাম আবু কাবশা। স্বামী স্ত্রী উভয়েই বনু সাদ গোত্রের লোক ছিলেন।
ঐতিহাসিকদের বর্ণনা মতে, হালিমা নিজের স্বামীকে নিয়ে তার গোত্রের সাতে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হন যাতে তারা একটি পালক পুত্র নিতে পারেন। এটি ছিল দুর্ভিক্ষের বছর। অনেক লম্বা ইতিহাস। অবশেষে তারা মা আমিনা থেকে শিশু নবি মুহাম্মদ স. কে পালন নিয়ে নিলেন। নবি স. কে কোলে নেয়ার পর থেকে হালিমা নিজের চারদিকে এতএত বরকত দেখতে পেলেন যা কোন দিন কল্পনাও করেননি। হালিমাতুস সাদিয়ার পরিবার আল্লাহর রহমত ও বরকতে ভরপুর ছিল। এজন্য হালিমা দুধ পান শেষ হলেও মাতা আমেনাকে অনুরোধ করে আবার নিয়ে আসেন। সিনা চাকের ঘটনার পর তারা ভয় পেয়ে যান এবং মুহাম্মদ স. কে মায়ের নিকট ফেরত দেন।
চলবে.....

ঈদে মিলাদুন্নবি: মু’মিন বান্দার করণীয়ড. মোঃ মোশাররাফ হোসাইনপর্ব-১মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (স.) এর জীবনের যে কোন প্রসঙ্গ আ...
21/08/2026

ঈদে মিলাদুন্নবি: মু’মিন বান্দার করণীয়
ড. মোঃ মোশাররাফ হোসাইন

পর্ব-১

মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (স.) এর জীবনের যে কোন প্রসঙ্গ আসলে ঈমানদার দোলায়িত হবে এটাই স্বাভাবিক। তাঁর জীবনী আলোচনায় কখনো চোখের পানি গড়িয়ে পড়বে, কখনো শরীরের পশম খাড়া হয়ে যাবে, কখনো ঈমানের গতি বেড়ে যাবে আবার কখনো আনন্দে উদ্বেলিত হবে এটাই যৌক্তিক। আমরা রাসুলুল্লাহ স. এর জন্মে খুশী হব এর অনেক কারণ রয়েছে। যেমন, তিনি আমাদের জন্য রহমত। আল্লাহ বলেন, “আমি তো তোমাকে রাসূল বানিয়েছি কেবল বিশ্ব জগতের জন্য রহমত-রূপে।” (২১-সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। আল্লাহ তা’আলা রাসুলের (স.) এর খ্যতিকে উচ্চসিত করেছেন। আল্লাহ বলেন, “এবং আমি তোমার খ্যাতিকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি।” (৯৪-সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ০৪) নবি স. আমাদের নিজেদের জীবনের চেয়েও ঘনিষ্ঠতর। আল্লাহ বলেন, “মুমিনদের নিকট নবী তাদের নিজেদের চেয়েও ঘনিষ্টতর।” (৩৩-সুরা আহযাব, আয়াত: ০৬)। মহাপ্রলয়ের পর হাশরের দিন তিনি একমাত্র ব্যক্তি হবেন যিনি নিজের চিন্তা না করে নিজের অনুসারীদের চিন্তা করবেন। হাদিসে এসেছে: “মানুষ যখন কিয়ামতের সময় পুনরুত্থিত হবে তখন আমিই সর্বপ্রথম বের হব, মানুষেরা যখন হাজিরা দেবে তখন আমিই তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করব, যখন তারা নিরাশ হয়ে যাবে তখন আমিই তাদের সুসংবাদ প্রদান করব এবং সেদিন আমার হাতেই থাকবে প্রশংসার ঝা-া। আদম সন্তানদের মধ্যে আমার প্রতিপালকে কাছে আমিই সবচেয়ে সম্মানিত, আর এতে কোনো অহংকার নেই। (সুনান তিরমিযি, হাদিস: ১৬৩০)। অতএব এমন নবির (স.) আগমনে কোন অন্তর খুশি না হয়ে
পারে না।

ঈদে মিলাদুন্নবির সূচনা: ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ

ইসলামের প্রথম তিন শতাব্দীতে কেউ মিলাদ উদযাপন করেননি। মূলত জন্মদিন পালন করার সংস্কৃতি আরবদের নিকট অজানাই ছিল। আহমদ ইবনু আলী আল-কালকাশান্দী সুবহুল আ’শা গ্রন্থে লিখেন: রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ শিয়া সম্প্রদায়ের ফাতেমী শাসকগণ মিলাদুন্নবি উদযাপন করতেন। এটি ছিল হিজরি চতুর্থ শতাব্দীতে। তবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় নাই। হিজরি ষষ্ঠ শতাব্দীর শুরুর দিকে আবু সাঈদ কুকুবুরী মিলাদ উদযাপন শুরু করেন। যেহেতু নবি স. এর জন্মদিবস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না তাই তিনি একবছর ৮ তারিখ আরেক বছর ১২ তারিখ পালন করতেন। পরবর্তীতে এটি আস্তে আস্তে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মিলাদুন্নবি পালনের সাথে সাথে তারা ওরস পালন শুরু করে। কুকুবুরীর দুই শতাব্দী পর মিলাদুন্নবির অংশ হিসেবে কিয়ামের প্রচলন হয়। বর্তমানে মিলাদুন্নবি উদযাপনের ক্ষেত্রে আরো বহু কর্ম যেমন, সম্মিলিত গান বাজনা, সভা সমাবেশ, মিছিল, র‌্যালি, শোভাযাত্রা, মাইক দিয়ে বিভিন্ন গান বাজিয়ে ট্রাব মিছিল, জশনে জুলুস, হালকায়ে যিকির, আলোকসজ্জা ইত্যাদি।

ঈদে মিলাদুন্নবি (স.) এর পরিচিতি

ইবনে মানযুর তাঁর প্রসিদ্ধ আরবি অভিধান “লিসানুল আরবে” লিখেছেন:
ميلاد: اسم الوقت الذي ولد فيه""
যেমন বলা হয়:
ميلاد الرجل: اسم الوقت الذي ولد فيه
অর্থাৎ “লোকটির মিলাদ: যে সময়ে সে জন্মগ্রহণ করেছে সে সময়ের নাম।” (ইবনে মানযুর, লিসানুল আরব (বৈরুত, দারু সাদের), তৃতীয় খ-, পৃ. ৪৬৮। )
তাহলে ঈদ মানে খুশী বা আনন্দ। আর মিলাদ আন্-নাবি অর্থ: নবির জন্ম সময়। ঈদে মিলাদুন্নাবি অর্থ হল: নবির (স.) জন্ম সময়ের আনন্দ। সাধারণত মুসলিম সম্প্রদায় নবি (স.) এর আগমনের দিনে তাঁর আগমণ উপলক্ষে যে আনন্দ প্রকাশ করে থাকে তাকে ঈদে মিলাদুন্নবি (স.) বলে।

রাসুলুল্লাহ স. এর জন্ম সময়

এক. জন্ম দিন বা জন্ম বার
রাসুল স. এর জন্ম দিন সম্পর্কে কয়েকটি সহিহ বর্ণনা পাওয়া যায়:
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ رَضِي اللَّه عَنْه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ صَوْمِ الاثْنَيْنِ فَقَالَ: "ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ وَيَوْمٌ بُعِثْتُ أَوْ أُنْزِلَ عَلَيَّ فِيه"ِ
আবু কাতাদাহ আল্-আনসারি রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ স. কে সোমবার দিন রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি বলেন, “এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমি নবুয়ত পেয়েছি।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১১৬২)।
ইমাম আহমাদ (রাহ.) তাঁর মুসনাদে সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: "وُلِدَ النَّبِيُّ ﷺ يَوْمَ الاثْنَيْنِ وَاسْتُنْبِئَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ وَخَرَجَ مُهَاجِرًا مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ يَوْمَ الاثْنَيْنِ وَقَدِمَ الْمَدِينَةَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ وَرَفَعَ الْحَجَرَ الْأَسْوَدَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ"
ইবন আব্বাস রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ স. সোমবারে জন্মগ্রহণ করেন, সোমবারে নবুয়াত লাভ করেন, সোমবারে ইন্তেকাল করেন, সোমবারে মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনার পথে ওয়ানা হরেন, সোমবারে মিদানা পৌঁছান এবং সোবমারেই তিনি হাজরে আসওয়াদ উত্তোলন করেন। (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নং ২৫০৬)।
সহিহ বর্ণনার আলোকে প্রায় সকল ঐতিহাসিক একমত যে, রাসুলুল্লাহ স. সোমবার দিন জন্মগ্রহণ করেন।
জন্মের পর তাঁর মাতা তাঁর নাম রাখেন “আহমাদ”, আর তাঁর দাদা আবদুল মোত্তালিব তাঁর নাম রাখেন “মুহাম্মাদ”।
চলবে........

21/08/2026

ঈদে মিলাদুন্নবি নিয়ে চরম সত্য কিছু কথা লিখব। আজকে থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত। মনযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ করছি।
ড. মোঃ মোশাররাফ হোসাইন

আগ্রহীরা দ্রুত বিভাগে যোগাযোগ করবে।
20/08/2026

আগ্রহীরা দ্রুত বিভাগে যোগাযোগ করবে।

15/08/2026

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
​জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান গ্রেডিং সিস্টেমে অনার্স বা মাস্টার্স পরীক্ষায় বিভাগভিত্তিক "ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট" পরিভাষা ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
আমাদের বিভাগ থেকে আমাদের শিক্ষার্থীরা সর্বেোত্তম রেজাল্ট করবে, শুধু আমাদের কলেজে নয় সারা বাংলাদেশে তোমরা প্রথম হবে এটাইতো আমাদের কামনা ও সাধনা। এর মধ্যেও তোমরা যারা বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর পাচ্ছো, তারা নিঃসন্দেহে অসাধারণ মেধার পরিচয় দিচ্ছো এবং তোমাদের এই অর্জনে আমরা অত্যন্ত গর্বিত এবং আনন্দিত। তবে বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্যটি হলো—

" আল-হামদুলিল্লাহ। আমি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছি।"

বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের পোস্ট করার ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন থাকার জন্য বলা হচ্ছে।

আল্লাহ আমাদের সকলের ভাল করুন।

বিভাগীয় প্রধান
আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।
কুমিল্লা।

আমরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
06/08/2026

আমরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের জন‍্য প্রযোজ‍্যশুধু আগামীকালের পরীক্ষা শুরু: 2:00 টায়
03/08/2026

অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের জন‍্য প্রযোজ‍্য
শুধু আগামীকালের পরীক্ষা শুরু: 2:00 টায়

আগামীকাল থেকে অনার্স প্রথম বর্ষের ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর নতুন সিলেবাস এবং নতুন মানবন্টনের আলোকে শিক...
27/07/2026

আগামীকাল থেকে অনার্স প্রথম বর্ষের ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর নতুন সিলেবাস এবং নতুন মানবন্টনের আলোকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। তাই অত্র বিভাগের সকল পরীক্ষার্থীদের জন‍্য দোয়া রইল।
ভয় নয়, নতুন সিলেবাসে তোমরাই হবে আগামীর পাঞ্জেরী।
তাই তোমাদের জন্য কিছু পরামর্শ :

# OMR ফরমের প্রথম অংশ খুবই মনোযোগের সাথে বল পয়েন্ট কলম দিয়ে বৃত্ত ভরাট করবে।
# বৃত্ত ভরাট করতে ভুল হলে কোনো কাটাকাটি বা ঘষামাজা না করে সঠিক বৃত্ত ভরাট করলে কোনো সমস‍্যা হবে না।
# সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন লেখার প্রতি ষত্নবান হবে।
# প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে প্রাসঙ্গিক। অর্থ‍্যাৎ প্রশ্ন যা চেয়েছে সে অনুযায়ী উত্তর লিখতে হবে।
# উত্তরের লেখার সময় মনে রাখতে হবে বেশি পৃষ্ঠা নয় বরং তথ্য বহূল ও পয়েন্ট ভিত্তিক লেখাই ভালো নম্বর প্রাপ্তির সহায়ক।
# যথাসম্ভব Full Answer করার চেষ্টা করবে।
# পরীক্ষার খাতার শুরুতে OMR এর তিনটি অংশ। তোমাদের কাজ শুধুমাত্র প্রথম অংশে।
# Admit csrd ও রেজি: কার্ড অবশ্যই সাথে রাখবে। প্রয়োজনে প্রত‍্যেকটির ১ সেট ফটোকপি বাসায় রাখবে।
# Admit card সহ অন‍্যান‍্য কাগজপত্র রাখার জন্য স্বচ্ছ ফাইল সাথে রাখবে।
# আর OMR পূরণ করার পর, পরের পৃষ্ঠা নিচের ছবিতে দেখানো নিয়মাবলী অনুসরণ করবে।

পরামর্শ ও শুভকামনায়
মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম
সহকারি অধ‍্যাপক

অনার্স ১ম বর্ষ (সেশন:2024-25) শিক্ষার্থীদের জন‍্য জরুরি নোটিশ
27/07/2026

অনার্স ১ম বর্ষ (সেশন:2024-25) শিক্ষার্থীদের জন‍্য জরুরি নোটিশ

অনার্স ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের জন‍্য জরুরি নোটিশ
19/07/2026

অনার্স ১ম বর্ষ শিক্ষার্থীদের জন‍্য জরুরি নোটিশ

Address

Comilla Victoria Govt. College
Cumilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arabic and Islamic Studies department,CVC-official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Arabic and Islamic Studies department,CVC-official:

Shortcuts

Share