বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়

বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, High School, Cumilla.

10/09/2025
05/09/2025

আর নয় পঞ্চগড়, আকাশ অতিরিক্ত পরিষ্কার থাকায় বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দেখা যাচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা।

#কাঞ্চনজঙ্ঘা

05/09/2025

share করে দেন নাকি?

Photos from বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়'s post 31/08/2025

আজকে যে বলতে পারবে আমি কি পোষ্টে চাকরী করি, আর কি পোষ্টের কাজ করি, আমাকে নিয়োগ দিতে জ-ম স্যার কত টাকা মিষ্টির টাকা নিয়েছে, তাকে আমার পক্ষ হতে বিষেশ ফুচকা খাওয়াবো। জানি কেউ পারেব না।

14/07/2025

বলতে হবে আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতির নাম কি? তার বাড়ি কোথায়?

Photos from বাহেরচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়'s post 22/08/2024

অত্যন্ত গর্বের বিষয়, নতুন সরকারের পরিবর্তনের পর সারা বাংলাদেশে যখন সংস্কারের ঢেউ বইছে, তখন আমাদের প্রিয় বাহারচর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজনই পড়েনি। এত বড় চমক! কারণ, সারা দেশজুড়ে দুর্নীতি যখন লুকিয়ে থাকে, আমাদের বিদ্যালয়ে সেটা লুকানোর কোন প্রয়োজনই নেই—এখানে তো দুর্নীতি প্রচুর পরিমাণে মজুদ আছে!

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই স্কুলের ছাত্রদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারে। শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কথা না হয় বাদই দিলাম, নিয়োগের জন্য কোন ফর্মালিটিজ মানা হয় না। প্রধান শিক্ষক এবং তাঁর বিশ্বস্ত কমিটির ইচ্ছামত লোকজন শিক্ষক হয়ে যান। দূর দূরান্ত থেকে আনা লোকজন শিক্ষক হয়ে যায় আর গ্রামের প্রান্তিক শিক্ষকদের তো কোনও সুযোগই নেই! কারণ, আমাদের প্রধান শিক্ষক আর তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা তো আর দুর্নীতি ছাড়া বাঁচতেই পারেন না!

আর শিক্ষার মানের কথা? ১৪-১৫ বছর ধরে আমরা যা দেখছি, তাতে শিক্ষার মানের উন্নতির কোন সুযোগই নেই। শিক্ষকরা তো পড়ানোর চেয়ে কোচিং করানোতেই বেশি আগ্রহী। ছাত্রদের চাপ দেয়া হয় যেন তারা প্রাইভেট টিউশন নেয়, আর সেটা না করলে ক্লাসে বুঝতে পারার কোন সুযোগ নেই। এবং শ্রেণিকক্ষে যে পাঠদান হয়, তাতে ছাত্ররা জিম্মি হয়ে যায় শিক্ষকদের কাছে—যেন তাদের প্রাইভেটে না পড়লে ক্লাসে কিছুই শিখতে পারবে না।

যদিও আমি এটা বলছি একটু রসিকতা করে, কিন্তু আসলেই আমাদের বিদ্যালয়ে এমন কোন অবস্থাই নেই যা সংস্কার করা সম্ভব হবে। এলাকায় কেউই নেই যারা এদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে। ফলে, সারা দেশ সংস্কারের মুখ দেখলেও, আমাদের বিদ্যালয়ের সংস্কার হবে এমনটা আশা করাটা বোধহয় নিতান্তই হাস্যকর।

প্রকৃতপক্ষে, এই দুর্নীতির ঘুনপোকা থেকে আমাদের বাঁচাবে কে? যখন বিদ্যালয়ের চারপাশে প্রাচীরের মত দুর্নীতি আর নীরবতা ঘিরে রেখেছে, তখন সংস্কারের স্বপ্ন দেখা শুধু কৌতুক নয়, বরং নির্মম বাস্তবতাও বটে।

আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারো নেই, কারণ আমরা এখানকার একচ্ছত্র শাসক। আমরা যা চাই, তা-ই হবে—আমরাই এখানে আইন, আর আমাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই। আমাদের কার্যকলাপ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না, কারণ আমরা সকল জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে। যদি কারো এতটুকু সাহস থাকে, তবে সামনে এসে প্রতিবাদ করে দেখুক।

শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশনে বাধ্য করা—সব কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমাদের ইচ্ছামত নিয়ম পাল্টানো কিংবা আইন নিজের মতো করে বানানো, এটাই আমাদের কাজ। আর যেহেতু এলাকায় আর কোন ভালো বিদ্যালয় নেই, আপনাদের সন্তানদের আমাদের এখানেই পড়াতে হবে। তাই কোনো বিকল্প না থাকায়, আপনারা বাধ্য হয়েই আমাদের শর্ত মানতে বাধ্য থাকবেন। প্রতিবাদ? সেটা তো কল্পনাই করতে পারবেন না। আমরা যখন যা চাই, তা-ই হবে।

সবাইকে ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ, জানি sahre করার সাহস নাই।

28/07/2023

বাহের চর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের রেজাল্ট।

বিজ্ঞান থেকে পাশ ৩১ জন ,ফেল ৩জন
মানবিক থেকে পাশ ২৬ জন ,ফেল ৮ জন
ব্যবসায় থেকে পাশ ১৭ জন ,ফেল ২১ জন
মোট পরিক্ষার্থী ১০৬ জন
পাশ ৭৪জন
ফেল ৩২জন।

15/11/2022
01/06/2022

নতুন শিক্ষাক্রমের অনুমোদন দিয়েছে সরকার, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

🛑২০২৩ সাল থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে (শুক্র ও শনিবার) দু’দিন ছুটি থাকবে।
🛑পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, দশম শ্রেণির আগে কোনো কেন্দ্রীয় বা পাবলিক পরীক্ষা নেই।
🛑তৃতীয় পর্যন্তও কোনো পরীক্ষা থাকবে না।
🛑চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪০ আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
🛑বিজ্ঞান, মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বলতে মাধ্যমিকে কোনো বিভাগ থাকবে না। এটি চালু হবে এইচএসসিতে।
🛑দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপরই বোর্ড পরীক্ষায় এসএসসির ফল হবে।
🛑প্রাক-প্রাথমিকের শিশুদের জন্য আলাদা বই থাকবে না, শিক্ষকেরাই শেখাবেন।
🛑প্রাথমিকে পড়তে হবে আটটি বই।
🛑নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র ঠিক করা হয়েছে। এগুলো হলো ভাষা ও যোগাযোগ, গণিত ও যুক্তি, জীবন ও জীবিকা, সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, পরিবেশ ও জলবায়ু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি।

31/05/2022

কার্যক্রমের ভিত্তিতেফাইল ছবি
দেশের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় রকমের পরিবর্তন এনে প্রণয়ন করা প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) যৌথ সভায় এই রূপরেখার অনুমোদন দেওয়া হয়।

অবশ্য এনসিসিসির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেছেন, এই অনুমোদন কেবল আনুষ্ঠানিকতা। কারণ, ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়নও শুরু হয়ে গেছে। এমনকি প্রাথমিক স্তরে বিস্তারিত শিক্ষাক্রমও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) বাস্তবায়ন শেষে আগামী বছর থেকে বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম পর্যায়ক্রমে চালু হবে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে প্রথম, দ্বিতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি; ২০২৪ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি; ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে চালু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। এরপর উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬ সালে এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ২০২৭ সালে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিদ্যমান পরীক্ষার চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (শিখনকালীন) বেশি হবে। এর মধ্যে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না, পুরোটাই মূল্যায়ন হবে সারা বছর ধরে চলা বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে। পরবর্তী শ্রেণিগুলোর মূল্যায়নের পদ্ধতি হিসেবে পরীক্ষা ও ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রম—দুটোই থাকছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে এখনকার মতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে না। শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে হবে এসএসসি পরীক্ষা। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে। প্রতি বর্ষ শেষে বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষা হবে। এরপর এই দুই পরীক্ষার ফলের সমন্বয়ে এইচএসসির চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

এ ছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে এখন থেকে শিক্ষার্থীরা দশম শ্রেণি পর্যন্ত অভিন্ন সিলেবাসে পড়বে। আর শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক না বাণিজ্য বিভাগে পড়বে, সেই বিভাজন হবে একাদশ শ্রেণিতে গিয়ে।

নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র ঠিক করা হয়েছে। এগুলো হলো ভাষা ও যোগাযোগ, গণিত ও যুক্তি, জীবন ও জীবিকা, সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, পরিবেশ ও জলবায়ু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। প্রাক্-প্রাথমিকের শিশুদের জন্য আলাদা বই থাকবে না, শিক্ষকেরাই শেখাবেন।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখাটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দুই মন্ত্রণালয়ের এনসিসিসিতে অনুমোদন দেওয়ার ফলে এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলো।

20/04/2022

হাতের লেখা সুন্দর করার সর্বপ্রথম প্রয়োজন সুন্দর হাতের লেখার প্রতি প্রবল আকর্ষণ, অদম্য আগ্রহ। আর চাই কঠিন পরিশ্রম। কারন আপনার হাতের লেখা আপনার রুচির বহিঃপ্রকাশ করবে। প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে: তিনটি বিষয় এমন আছে যে এগুলো যদি কোন ব্যক্তির অর্জিত হয় তাহলে তার জীবন সুখের, সফলতার। সুন্দরী স্ত্রী আর সুমধুর কণ্ঠস্বর এর সাথে সাথে অন্যতম অপর টি হলো সুন্দর হাতের লেখা। তাছাড়া মানব জীবনের মূল অধ্যায় “ছাত্র যুগের” সফলতার অনেকটা নির্ভর করে সুন্দর হাতের লেখার উপর, কেননা এর মাধ্যমেই আসে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল। নিম্নে তাই হাতের লেখা সুন্দর করার উপায় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। সুন্দর হাতের লেখা শেখবার দুটি পন্থা অনুসরণ করা যেতে পারে। হয়তো কোন সুন্দর হস্তাক্ষর এর বই দেখে হুবহু উক্ত লেখা অনুকরন করে অথবা সুন্দর হস্তাক্ষরের অধিকারি কাহারো দিকনির্দেশনা সহকারে তার থেকে লেখা নিয়ে তদানুসারে শেখা। ক্ষেত্র বিশেষ এ পন্থা টিই বেশি কার্যকর।এখন আপনি যে পন্থাই অবলম্বন করুন না কেনো হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য প্রথমে লেখার সুবিধামত আরাম করে বসবেন। কলম কে তিন আঙ্গুল দিয়ে এক ইঞ্চি উপরে ধরবেন। যে বর্ণ কিংবা বাক্য অনুশীলন করবেন, প্রথমে সেটিকে গভীরভাবে লক্ষ্য করবেন। তার শুরু কিভাবে, শেষ কিভাবে, কয়টা ভাজ, ভাজটি কিরুপ, টানটি সোজা না বাকা, না বৃত্ত আকারের ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয় গুলোকে কম পক্ষে পাঁচ বার গভীর মনোযোগের সাথে দেখবেন। যাতে বর্ণ কিংবা বাক্য আত্মস্থ হয়ে যায়। যেকোন বর্ণ বা শব্দ পাঁচ বার দেখে একবার লিখবেন, একবার দেখে পাঁচ বার লিখবেন না। বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ বারবার, শতবার, প্রয়োজনে হাজারবার প্রেক্টিস করুন। লেখার সময় খুব ধৈর্যের সাথে ধীরেধীরে লিখবেন। কোনধরন এর তাড়াহুড়া করবেন না। শব্দ থেকে শব্দ একটু দূরত্ব বজায় রাখুন। যাতে পড়তে বিরক্তববোধ না হয়। প্রতিটি অক্ষরের উপর নিচ সমান করে লিখুন। প্রতিটি বর্ণের পরিমাপ সমান রাখুন। লাইন সোজা রাখার প্রতি সতর্ক থাকুন। একবার লেখার পর মূল লেখা আর আপনার লেখা মিলিয়ে দেখবেন। বর্ণের কোন ভাজ হয়েছে আর কোন কোন ভাজ হয়নি, কোথায় ব্যতিক্রম, যা হয় নি তা কেন হয়নি গভীরভাবে ভাববেন। যেখানেই ব্যতিক্রম পাবেন তা মূল বর্ণ কিংবা বাক্যের অনুকরণে লাল কলম দিয়ে ঠিক করবে। যখনই লিখবেন হাতের নাগালে লাল কলম রাখবেন। লাল কলম দিয়ে ঠিক করার পর পুনরায় অদম্য আগ্রহ নিয়ে আবার নতুন ভাবে লিখবেন। কোন শব্দ

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Cumilla
3516

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 10:00 - 16:00
Thursday 10:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00