সুরাইয়া লাইব্রেরী & স্টেশনারী

সুরাইয়া লাইব্রেরী & স্টেশনারী

Share

Its the own bussiness.

Photos from সুরাইয়া লাইব্রেরী & স্টেশনারী's post 26/11/2025

"আর-রাহীকুল মাখতুম
" শুধু একটি জীবনীগ্রন্থ নয়—এটি বিশ্বাস, ধৈর্য, সংগ্রাম ও আলোর পথে হাঁটার এক মহান প্রশিক্ষণপুস্তক।

এই বইটি আমাদের শেখায়—

✅ কষ্ট মানেই ব্যর্থতা নয়
✅ আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলে অসম্ভবও সম্ভব
✅ সত্যের জন্য ত্যাগই সফলতার মূল চাবিকাঠি
✅ মানুষ চাইলে নিজের চরিত্র দিয়ে পুরো সমাজ বদলে দিতে পারে

রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় যেন বলে—

✨ “তুমি একা হলে ভয় পেয়ো না, সত্যের পথে দাঁড়াও।”
✨ “মানুষ তোমাকে অপমান করলেও চরিত্র দিয়ে জবাব দাও।”
✨ “ধৈর্য ধরো, আল্লাহর সাহায্য খুব কাছেই।”

মক্কার নির্যাতন, তায়েফের পাথর, হিজরতের কষ্ট—সব মিলিয়ে এই বই আমাদের মনে করিয়ে দেয়:

🌙 ব্যথা শেষ হয়
🌙 বিজয় আসে
🌙 যদি হৃদয় নিঃস্বার্থ থাকে এবং লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি হয়

"আর-রাহীকুল মাখতুম" আমাদের বলে—

👉 নিজের জীবন বদলাতে বড় কোনো সম্পদ দরকার নেই
👉 দরকার শুধু সত্যনিষ্ঠতা, সৎ চরিত্র ও দৃঢ় সংকল্প

যে কেউ যদি এই বইয়ের শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে, তবে সে—

✅ নিজেকে উন্নত মানুষ হিসেবে গড়তে পারবে
✅ জীবনের সমস্যার সামনে দাঁড়াতে শিখবে
✅ আশা, ঈমান ও সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে

শেষে একটি অনুপ্রেরণামূলক লাইন—

🌟 “রাসূল ﷺ–এর জীবন পড়ো, বুঝো, অনুসরণ করো—তাহলে তোমার জীবনও আলোকিত হয়ে উঠবে।” 🌟
বইটি সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি করা যাবে,
বইটি অর্ডার করুন
যোগাযোগ করুন
#সুরাইয়া-লাইব্রেরী এন্ড ষ্টেশনারী
📳ফোন নাম্বার
WhatsApp 01812423057

06/11/2025
17/09/2025

দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই ১১৭০ কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন এটি একটি চমৎকার ও তথ্যবহুল পোস্ট।
যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো:

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅ নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅ সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন।

জায়গা জমি সংক্রান্ত আরো আপডেট পেতে আমাদের পেইজে লাইক/ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন

#জমি_মাপা #ভূমিসেবা #শুভনববর্ষ #নববর্ষ #নামজারি #ভূমিজরিপ #জমির #খতিয়ান #জমি_ক্রয় #জমি_পরিমান #জমি #জমিদার #ভূমি

05/08/2025

দুঃখের সমীকরণ

দুঃখ এমন এক ভাজ্য,
যার ভাজক নেই, ভাগফলও নেই;
কিন্তু ভোগফল আছে—
আর সেই ভোগফল চুপিসারে ঢুকে যায় হৃদয়ের প্রতিটি কোণে।

এটি এক অবিভাজ্য অভিজ্ঞতা,
যা কেবল ভোগ্য,
যা কেবল অনুভূত হয়—
আপনি তাকে গণনা করতে পারবেন না,
আপনি তাকে ভাগ করে হালকা করতে পারবেন না।

দুঃখের এই গাণিতিক সত্য
শিখিয়ে দেয়—
সব সমীকরণের গানিতিক ব্যাখ্যা নেই।
কিছু সমীকরণ কেবল চোখের জলে লেখা হয়।

12/06/2025

মধ্যবিত্তকে সুরক্ষার একমাত্র মাধ্যম শিক্ষা। পড়াশোনা ঠিকমতো করলে অন্তত টিউশনি করে হলেও চলা যাবে।

আজ যারা দুনিয়াটাকে ফুটবল ভেবে ঠিকমতো পড়াশোনা করছে না, পরীক্ষায় বসছে না কিংবা লাইব্রেরির দিকে হাঁটছে না—তাদেরকে মাত্র বছর পনেরো পরে দেখো। দুনিয়াই তাদেরকে ফুটবল বানাবে। এর ওর কাছে হাত পাতবে, সাহায্য চাইবে, করুণা ভিক্ষা করবে।

শিক্ষা বলতে কেবল বই, স্কুল এবং সার্টিফিকেট অর্জনকে বলছি না। দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়া দরকার। পৃথিবীর আগামী হবে দক্ষতানির্ভর। জীবন ও জীবিকার জন্য যেকোনো এক অথবা একাধিক বিষয়ে দক্ষ হতেই হবে। ছাত্রজীবনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে উৎসব-উল্লাস করে কাটালে পরিণামে দুঃখ বোধ করতেই হবে। উত্তরাধিকারসূত্রে যদি টাটা-বিরলার সন্তান না হও, তবে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।

সম্প্রতি গুলতেকিন খানের একটি লেখার শেষ লাইনে—“জীবনে যত ঝড় আসুক, পড়াশোনা শেষ করতেই হবে”—চোখ আটকে গেছে। হৃদয় কেড়ে নিয়েছে এই বাক্যটি। দিনভর ভাবাচ্ছে।

বিশ্বের কত দেশের তরুণ-তরুণীরা হাজারো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য দেশে-বিদেশে ছুটছে। অথচ আমাদের দেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রায় দুয়ারে দুয়ারে। রাষ্ট্রীয়ভাবে নাগরিক সেবায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষা উপকরণে বিশেষ কোনো অপ্রতুলতা নেই।

দুঃখ শুধু, শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম। অভিভাবককে লেগে থাকতে হয়, শিক্ষকদের রোজ খোঁজ নিতে হয়—তারপরেও শিক্ষার্থীদের পড়ায় মনোযোগ নেই। আজকালকার শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজ্যের সব কাজ তরানো যায়, কেবল পড়াশোনা বাদে।

শহরের গ্রন্থাগারগুলো পাঠকের অভাবে ধুঁকছে, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক গল্প-উপন্যাস খোঁজে না। শিক্ষার্থীরা শ্রেণি-পাঠ্যের গাইড বই ছাড়া অন্য কোনো ভালো বইয়ের নাম জানে না! সারা বাংলাদেশের প্রায় একই চিত্র। ক্লাসে উপস্থিতি নেই। পরীক্ষার খাতা পড়ে নম্বর দিলে পাশ করানো কঠিন। হোমওয়ার্ক দিলে সে শিক্ষক অপ্রিয় হয়ে ওঠে।

নানা সমীকরণ মিলিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট টিউটরের কাছে যায়। মোটকথা, পেছন থেকে তাগিদ না দিলে সন্তান পড়ছে না। যারা অভিভাবক হিসেবে সচেতন, শুধু তাদের কতিপয় সন্তানেরা ভালো করছে। বাকিদের অবস্থা গতানুগতিক—কেবল সার্টিফিকেট সর্বস্ব পড়াশোনা। এহেন পড়াশোনা জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দিচ্ছে।

ছেলের মাস্টার্সের সার্টিফিকেট আছে, কাজেই তার দ্বারা কৃষিকাজ হবে না; শ্রমিক ভিসায় বিদেশে যেতে পারবে না। ফলাফলে দেশে লাখ তিরিশেক বেকার।

মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাশ, তবুও বিয়ে হচ্ছে না। বয়স এবং শিক্ষা মিলিয়ে পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলাফলে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

আজ যারা নামকাওয়াস্তে পড়াশোনা করছে, তাদের সামনের দুর্দিন তারা অনুধাবন করতে পারছে না। ঠিকমতো পড়াশোনা না করলে সার্টিফিকেট গলার কাঁটা হবে।

কাজেই মধ্যবিত্ত থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষতানির্ভর পড়াশোনা করতে হবে। আর কিছু না হোক, শিক্ষার নিজস্ব মূল্য আছে। পরিণামে যদি ধ্বংসও থাকে, তবুও তা যদি শিক্ষিতের পন্থানুসরণে হয়—তাহলে তা সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

বারবার বলি, পড়াশোনায় মনোযোগী হও। রোজ নিজেকে অতিক্রম করো। পড়াশোনা কোনোদিন কাউকে ন্যায্যতা থেকে বঞ্চিত করেনি। পড়াশোনায় ভালো না হলে সারা দুনিয়া তোমাকে লজ্জা দেবে।

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে স্বাক্ষর না হলে রোজ পিছিয়ে পড়বে। নিজেকে আবিষ্কারের জন্য, জাত চেনানোর জন্য বই মানুষকে পথ দেখায়। যারা তোমায় পড়তে বলে, রোজ নতুন কিছু শিখতে বলে—তাদের কথা ও ভাষা এই সময়ে তিক্ত ঠেকতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে আফসোস করবে।

মাত্র কয়েকটি বছর জ্ঞানসাধনায় ব্যয় করলে সারাজীবন সুখেই যেতো। জ্ঞানের নিজস্ব আলো আছে। সকল সীমাবদ্ধতা থেকে উত্তরণের জন্য জ্ঞান পথ সৃষ্টি করে। যারা জ্ঞানী এবং যারা জ্ঞানী নয়—তারা কোনোভাবেই এক নয়।

অশিক্ষিত মানুষ অর্থ-সম্পত্তির মালিক হলে তা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়। সম্পদ যদি সুপথে ব্যয় করা না যায় তবে তা ধ্বংস অনিবার্য করে।

সেজন্য শিক্ষিতজন সীমিত সম্পদের মালিক হলেও, সেসব সুষম বণ্টনের মাধ্যমে সুখ-প্রশান্তি নিশ্চিত করতে পারে। অশিক্ষিত ধনবান অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসুখী।

শিক্ষার্থীরা, পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। শিক্ষা অর্জনে ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’ সূত্রে দশটি বছর বিনিয়োগ করো। বাকি সত্তর বছর সেটার ফল পাবে। উত্তরাধিকারের জন্য রেখে যেতে পারবে সোনালি দিন।

তুমি অন্ধকারে থেকে এই সমাজের কাউকে আলোর সন্ধান দিতে পারবে না। অথচ প্রত্যেকের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বলে হওয়ার সুযোগ ছিল।

শিক্ষা সেই সুযোগ সবার সামনে এনেছিল। কেউ হাত বাড়িয়ে নিয়েছে, কেউ পিঠ দেখিয়ে অবহেলা করেছে। কে জিতেছে আর কে ঠকেছে—ইতিহাস থেকে শিখো।

আজ যারা সঠিক পথে নেই, চাইলেই কাল পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। শিক্ষা সবসময় দ্বিতীয় সুযোগ দেয়, যদি মনোযোগী হও।

শিক্ষা আলোর পথ, যার পাশে হেঁটে তুমি হতে পারো উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিজেকে গড়ার শ্রেষ্ঠ সময় হলো আজ, এখন। বিলম্ব মানেই পিছিয়ে যাওয়া।

পড়ো, শিখো, জ্ঞানী হও—কারণ অন্ধকারে আলোর খোঁজ শুধুই বিভ্রম।

সংগৃহীত

02/10/2024

বাজারে এলো অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি’...

NCTB প্রদত্ত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সর্বশেষ সিলেবাস, প্রশ্নের ধারা ও নম্বর বণ্টন অনুসারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বার্ষিক পরীক্ষা।

স্বল্প সময়ে সহজেই সামষ্টিক ও শিখনকালীন মূল্যায়নের প্রতিটি বিষয়ের ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য পাঞ্জেরী প্রকাশ করেছে ‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি’ বই।

অষ্টম শ্রেণির সকল বিষয় নিয়ে রচিত ‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি’ বইটিতে তুমি পাবে:
📗 প্রশ্নপত্রের ধরন ও প্রশ্নকাঠামো বোঝার জন্য এনসিটিবি প্রদত্ত নমুনা প্রশ্নপত্র
📗 নতুন প্রশ্নের ধারা ও মানবণ্টনের আলোকে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর
📗 প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য বাছাইকৃত প্রশ্নের সমন্বয়ে বিষয়ভিত্তিক মডেল প্রশ্নপত্র
📗 রিভিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সুপার সাজেশন
📗 মডেল প্রশ্নপত্রের আদর্শ উত্তরের নমুনাসহ এনসিটিবি প্রদত্ত মূল্যায়নের রুব্রিক্স
📗 শিখনকালীন মূল্যায়নের প্রশ্নের ধারা, মানবণ্টন ও নির্দেশনা অনুযায়ী— শ্রেণির কাজ; অনুসন্ধানমূলক কাজ, প্রকল্প, প্রতিবেদন এবং অ্যাসাইনমেন্ট ও ব্যবহারিক কাজ

‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি’ বইটি পাওয়া যাচ্ছে তোমার নিকটস্থ বুকশপে।

বার্ষিক পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে বইটি সংগ্রহ করো আজই…

Photos from সুরাইয়া লাইব্রেরী & স্টেশনারী's post 07/09/2024

যে অ্যাপ্লিকেশন গুলো দিলাম সেগুলো মানুষের জীবনে প্রতেকটা সময়ে কাজে লাগবে।সংগ্রহে রাখতে পারেন 🙏🙏🙏

24/08/2024

জাতীয় ফুল শাপলা রচনা

সূচনা:
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ফুলকে জাতীয় ফুল হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়। যেমন- ভারতে পদ্ম এবং ইংলান্ডে গোলাপ ফুল। ঠিক তেমনি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশেও একটি ফুলকে জাতীয় ফুল হিসেবে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। এ ফুলের নাম শাপলা। শাপলাই বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।

বর্ণনা:
ফুলের দেশ এ বাংলাদেশে অসংখ্য ফুলের মধ্যে শাপলা একটি বিশিষ্ট নাম। কেননা, এটি দেশের প্রায় সর্বত্রই দেখতে পাওয়া যায়। এটি এক প্রকার জলজ ফুল। বিশেষত, বর্ষার গলা জলে সাঁতার কেটে প্রশান্ত হাসিতে সদা প্রস্ফুটিত হয়। শাপলার রঙ প্রধানত তিন প্রকার। যেমন- সাদা, লাল ও নীল। তবে সাদা শাপলাই দেশব্যাপী বেশি দেখা যায়। সেজন্য সাদা শাপলাকেই জাতীয় ফুল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। শীতে শাপলার গাছ মরে যায় এবং মূল মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে। তবে খাল-বিল একেবারে শুকিয়ে গেলেও শালুক বা মূল নষ্ট হয় না। বর্ষা শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গে জলের বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে শাপলা গাছ পানির উপরে পাতা ভাসিয়ে দেয়। শাপলা পাতার উপরিতল মসৃণ ও কালচে সবুজ, আর নিচের দিকে সাদা গোলাপীর মিশ্রণ। ঠিক এ পর্যায়ে ফুলের কুঁড়ি নিয়ে উপরের দিকে যে ডাঁটা বেরিয়ে আসে তাই শাপলা কুঁড়ি। পানির উপরে ওঠে এসে চারদিকে দল ছড়িয়ে দেয়। এটিই শাপলা ফুল। দলের মধ্যে থাকে হলুদ রঙের পরাগরেণু ও পুংকেশর। একদিন দেখা যায়, দলগুলো সম্পূর্ণ ঝরে গেছে আর শাপলা দণ্ডটির মাথায় ভারী একটি গোলাকার সবুজ গোলক মাঝখানে অসংখ্য বিচি নিয়ে পানিতে ডুবে গেছে। প্রথমত, এসব বিচির রঙ লালচে। পাকলে এগুলো কালো ও অপেক্ষাকৃত বড়ো হয়ে যায়। এ অবস্থাতে গ্রাম বাংলার ছেলের দল জমি ও খালবিলে সাঁতার কেটে এগুলো তুলে আনে এবং মনের আনন্দে পরস্পর ভাগাভাগি করে খায়।

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Monnara Bazar, Nangolkot
Cumilla