14/11/2016
♥♥♥শুভ জন্মদিন♥♥♥
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ হুমায়ুন আহমেদ.!!
সাহিত্যিকদের মধ্যে হুমায়ুন আহমেদ স্যার আমার একজন প্রিয় লেখক। আজ এই কিংবদন্তীতুল্য কথাসাহিত্যিক আর লেখক হুমায়ুন স্যারের ৬৮ তম জন্মদিন, বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি এই কিংবদন্তী কবিকে.!!!
" বেঁচে থাকার মত আনন্দ আর কিছু নেই,কত অপূর্ব দৃশ্য চারিদিকে।মন দিয়ে আমরা কখনো দেখি না।যখন সময় শেষ হয়ে যায়,তখনই শুধু হাহাকারে হৃদয় পূর্ণ হয়..!!•••••••••••••••••••••••••••• হুমায়ুন আহমেদ
স্যারকে নিয়ে লেখার যোগ্যতা এখনো হয়ে উঠেনি----শুধু দূরথেকে জানায় একরাশ ভালোবাসা আর দোয়া..!!বেলা শেষে কেউ কারো নয়, ( রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর )‘'মরিলে কান্দিস না আমার দায়...’ তবুও কিংবদন্তির কথাশিল্পী ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের জন্য কেঁদেছিল বাংলাদেশ, এখনো কাঁদছে অসংখ্য পাঠক, দর্শক ও ভক্তানুরাগী। আমার মতো অনেকেরই হয়তো চোখে পানি নেই, কিন্তুঅন্তর আপনার জন্য কেঁদে চলেছে সব সময় ।
সাহিত্যের অসীম জগতে প্রবেশ আপনার বই সাথে করে । আপনার তৈরি চরিত্রগুলো আমার পাশে থেকেছে সবসময় । ছোটবেলা থেকে যখন নিজেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকেই এরা আমার পাশে আছে। কেও আমাকে রাস্তায় উদাসীন ভাবে হাঁটতে শিখিয়েছে, কেও শিখিয়েছে রহস্যময়তার ভেতরের প্রান্তের রহস্যটুকু।কেও আমাকে ভালবাসতে শিখিয়েছে, কেও কাঁদতে শিখিয়েছে। রাতের বেলায় জোছনা দেখাও আমি এদের কাছে শিখেছি।
ভাবতেও কষ্ট লাগছে আমি আর কখনো হিমুর নতুন কিছু পাগলামি পাব না, মিসির আলি আর রহস্য ভেদ করবে না, শুভ্র কখনই চশমাটাহারিয়ে খুজবেনা। শুধুমাত্র আপনার মৃত্যু , সব গুলো চরিত্রের মৃত্যু ঘটিয়েছে।
আরেকজন হুমায়ুন জন্ম না নেয়া পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের লাখো লাখো পাঠক, নতুন কোন বাংলা উপন্যাস পড়বে না! কারণ আমার মত অনেকেইআছে, যারা হুমায়ুন পেলে পড়ে, না পেলে কিছুই পড়েনা !
রবীন্দ্র সঙ্গীত যেমন রবীন্দ্রনাথ ছাড়া কেও সৃষ্টি করতে পারবে না, তেমনি হিমু, মিসির আলি, শুভ্র, একমাত্র হুমায়ুন আহমেদের সৃষ্টি, ইনি ছাড়া আর কেও পারবেনা এই চরিত্রদের জাগিয়ে তুলতে।হারিয়ে গিয়েও ভালো থাকিস তোরা। আমি কাদব,আবারো কাদব, বার বার কাদব , , আমি হলুদ দেখে কাদব, জোছনা দেখেকাঁদব, প্রেমিকার ভালোবাসা দেখে কাঁদব, রাতের আকাশে তারাগুলো দেখে কাঁদব , , ,
24/09/2016
★★আমার স্মৃতি বিজরিত শ্রীকাইল কে. কে হাই স্কুলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।★★ইতিহাসশিক্ষা,সাহিত্য,শিল্প ও সঙ্গীতের লীলা ভূমি হচ্ছে কুমিল্লা আর যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এসব ক্ষেত্রে আলোর মশাল জ্বালিয়ে যুগযুগান্তরের পথে এগিয়ে চলছে তা হচ্ছে মুরাদনগর উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী শ্রীকাইল কৃষ্ণকুমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৩৬ খ্রিঃ উক্ত বিদ্যালয়টি শ্রীকাইল মাইনর স্কুল নামে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে পাঠদানের লক্ষ্যে শ্রীকাইল বাজারের দক্ষিন পার্শ্বে ১০৪ শতক ভিটি বাড়ির উপর আতœপ্রকাশ করে। শ্রীকাইল গ্রামের কৃতি সন্তান কমিষ্ঠ ও প্রবাদ প্রতিক পুরুষ ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম ভূমি শ্রীকাইল গ্রামের প্রতি দর্নিবার আকর্ষন ছিল। জন্ম ভূমির টানে শ্রীকাইল গ্রামে এসে তার বহুদিনে লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়নে তৎপর হন এবং তাঁর পূজনীয় পিতা কৃষ্ণকুমার দত্তের নামে প্রথমে প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীকাইল কৃষ্ণকুমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়টি। তার প্রাতষ্ঠাকাল ১৯৩৭ খ্রিঃ। স্থান শ্রীকাইল কলেজ ক্যাম্পাস। ১৯৪০ র্খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়টি মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগে ৯ম শ্রেনিতে পাঠদানের অনুমতি পায়। ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় শ্রীকাইল কলেজ। শ্রীকাইল স্কুল ও কলেজ একবৃন্তে দুটি কুসুমের মত বিকশিত হয়ে উঠে। শিক্ষানুরাগী ক্যাপ্টেন নরেন্দ্র নাথদত্ত এলাকার গ্রামে গ্রামে ঘুরে মেধাবী শিক্ষাথী সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠান দুটিকে মনের মাধুরী মিশিয়ে গড়ে তুলেন। প্রতিষ্ঠান দুটি সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য কলিকাতার মেধাবী জ্ঞান তার্পস শিক্ষকদের শ্রীকাইল নিয়ে আসেন এবং বিশাল কর্মযজ্ঞের উদ্বোধন করেন। ক্যাপ্টেন নরেন্দ্র নাথ দত্তের অম্লান স্মৃতি শ্রীকাইল কে কে উচ্চ বিদ্যালয় ও শ্রীকাইল কলেজ । ১৯৬৩ সালে রোয়াচালা গ্রামে অজিত কুমার রাউত শিক্ষাবোর্ডের মেধা তালিকার ১৬ তম স্থান এবং ১৯৮০ সালে শাহ্পুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম শিক্ষাবোর্ডের মেধা তালিকা ১ম স্থান অধিকার করে বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করে।এ বিদ্যাপীঠ থেকে উত্তীন বহু কৃতি শিক্ষার্থী দেশমাতৃকার সেবায় গৌরবোজ্জল ভূমিকা পালন করেন।২০১৪ সালে এ বিদ্যাপীঠ মুরাদনগর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে নির্বাচিত হয়। এ প্রতিষ্ঠানের এস এস সি এবং জে এস সি পরীক্ষার ফলাফল সর্বদাই সন্তোষ জনক।পূর্বে শ্রীকাইল কে কে উচ্চ বিদ্যালয় এবং শ্রীকাইল কলেজের শ্রেণির কার্যক্রম শ্রীকাইল কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হত শিক্ষা
12/08/2016
...চিন্তাবিদ.!!..শ্রীকাইল কলেজ কেন সরকারি হচ্ছে না, নাকি সরকারের কানে মুরাদনগর গরীব দুঃখপীড়িত মানুষের হাহাকার পৌছাই না.?
.শ্রীকাইল কলেজ-স্থাপিত-১৯৪১ ইংশ্রীকাইল, মুরাদনগর, কুমিলা।কুমিল্লা জেলার তথাপি ত্রিপুরা রাজ্যের ঐতিহাসিক প্রাচীনদ্বিতীয় কলেজ। সরকারের কাছে মুরাদনগর বাসীর বিনীত অনুরোধ,গরীব দুঃখপীড়িত মানুষের প্রাণের দাবী শ্রীকাইল কলেজ সরকারি করার জন্য।
ওগো মোর প্রিয় শিক্ষাঙ্গন শ্রীকাইল কলেজ,
সুন্দর তুমি, অপরুপ তুমি, বিস্ময় তব স্নিগ্ধ আমেজ।
শির উঁচু করে ঘোষিছ বানী, "হে নরেন্দ্র, নাই তব লয়, নাই তব ক্ষয়",
যিনি জ্ঞান বিস্তার কল্পে স্থাপিলেন তোমার অঁজপাড়া গায়।
হে বিদ্যাদায়িনী, তোমাতে লভিয়া জ্ঞান কত সাধারন পেয়েছে গৌরব,
দেশ বিদেশে কৃতজ্ঞচিত্তে তাই ছড়াচ্ছে সতত তোমার সৌরভ।
ওহে প্রাচীন তুমি, কুমিল্লার দ্বিতীয় ডিগ্রী কলেজ, অগ্রজাতব ভিক্টোরিয়া,
পরে পশ্চিমগাঁয় এল নবাব ফয়জুন নেছা কলেজ, তারপর চাঁদপুর, বি-বাড়িয়া।
অতীত সুনাম, দুঃখের বারতা পড়েছে কি মনে এ আনন্দ মেলায়,
নবীন প্রবীন এক সাথে আজ ভেসেছে যেন সুখের ভেলায়।
সুবর্ণ জয়ন্তীর নাই পূর্ন জৌলস, গৌরবে কিছু ভাটার টান,
নবীনরা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, প্রবীনরা গাইছে আশার গান।
আমার প্রিয় শ্রীকাইল কলেজ, নিদ্রায় জাগরনে দেখি তুমি সরকারি,
কামনা মোর অম্লান, শ্রীকাইল কলেজ তুমি সরকারি হবে সরকার রাখিবে তার মান।
শ্রীকাইল কলেজ,তোমার শিরে থাকিবে রাজ মুকুট,
আবারও তুমি গৌরব নিয়ে থাকবে চির অটুট.....