23/04/2024
Mia Bazar L.N High School
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mia Bazar L.N High School, Cumilla.
23/04/2024
Visit it : www.facebook.com/kishor.alo
Kishor Alo - কিশোর আলো কিশোরদের রঙিন পত্রিকা
A. Read and say
......................................................................
Sima : Hello! May I introduce myself? I'm sima.
Jessica : Hi! I'm Jessica.
Sima : Where are you going, Jessica?
Jessica : I'm going to Chittagong. I'm holiday with my father.
Sima : Really! Where are you from?
Jessica : I'm from the United Kingdom. Are you from Dhaka?
Sima : No, I'm from Sylhet. That's where we're going. Our train leaving in 10 minutes.
Jessica : Have a good journey.
Sima : Thank you. Nice meeting you, Jessica. Have fun in Chittagong.
Jessica : Thanks. Nice meeting, too, Sima.
.......................................................................
Source :
English for Today
Class Five
Unit- 1
Hello!
আমার পণ
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
......................................................
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভালো মনে।
'
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালোবাসি,
একসাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশে।
ভালো ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।
'
সুখি যেন নাহি হই আর কারও দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দিই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারও সনে,
সকালে উঠিয়া এই বলি মনে মনে।
......................................................
সংগ্রহ : আমার বই, তৃতীয় শ্রেণি।
❖ পদার্থ বিজ্ঞানের জনক : আইজ্যাক
নিউটন।
❖ সমাজ বিজ্ঞানের জনক : অগাষ্ট কোঁৎ।
❖ হিসাব বিজ্ঞানের জনক :
লুকাপ্যাসিওলি।
❖ চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক : ইবনে সিনা।
❖ দর্শন শাস্ত্রের জনক : সক্রেটিস।
❖ রসায়ন বিজ্ঞানের জনক : জাবির ইবনে
হাইয়ান।
❖ ইতিহাসের জনক : হেরোডোটাস।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ বিজ্ঞানের জনক : থ্যালিস।
❖ মেডিসিনের জনক : হিপোক্রটিস।
❖ জ্যামিতির জনক : ইউক্লিড।
❖ বীজ গণিতের জনক : আল খাওয়াজমী।
❖ জীবাণু বিদ্যার জনক : লুইস পাস্তুর।
❖ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক :এরিস্টটল।
❖ অর্থনীতির জনক : এডাম স্মিথ।
❖ অংকের জনক : আর্কিমিডিস।
❖ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক : চার্লস
ডারউইন।
❖ সনেটের জনক : পের্ত্রাক।
❖ ক্যালকুলাসের জনক : আইজ্যাক নিউটন।
❖ বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বরচন্দ্র
বিদ্যাসাগর।
❖ বাংলা কবিতার জনক : মাইকেল মধুসুদন
দত্ত।
❖ বাংলা উপন্যাসের জনক : বঙ্কিমচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায়।
❖ ইংরেজী কবিতার জনক : জিউফ্রে চসার।
❖ মনোবিজ্ঞানের জনক : উইলহেম উন্ড।
❖ প্রাণী বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী নজরুল
ইসলাম।
❖ বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল সেন।
❖ বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর।
❖ জীব বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল।
❖ ভূগোলের জনক : ইরাটস থেনিস।
❖ ইংরেজি নাটকের জনক : শেক্সপিয়র।
❖ সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক: হার্বাট
স্পেন্সর।
❖ বংশগতি বিদ্যার জনক : গ্রেডার জোহান
মেনডেল।
❖ শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক : কারোলাস
লিনিয়াস।
❖ শরীর বিদ্যার জনক : উইলিয়াম হার্ভে।
❖ বাংলা নাটকের জনক : দীন বন্ধু মিত্র।
❖ বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধু সুদন
দত্ত।
❖ আধুনিক রসায়নের জনক : জন ডাল্টন।
❖ আধুনিক গণতন্ত্রের জনক : জন লক।
❖ আধুনিক অর্থনীতির জনক : পল স্যমুয়েলসন।
❖ আধুনিক বিজ্ঞানের জনক : রজার বেকন।
কাজী_নজরুল_ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)
■ জন্মঃ ২৫মে, ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ
■ জন্মস্থানঃ বর্ধমান জেলার আসানসোল
■ মৃত্যুঃ ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দ
■ উপাধিঃ বাংলাদেশের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি
■ সেনাবাহিনীতে যোগদানঃ ১৯১৭ সালে
■ প্রথম প্রকাশিত কবিতাঃ মুক্তি (১৩২৬ বাংলা)
■ প্রথম প্রকাশিত কাব্যঃ অগ্নিবীণা (১৯২২)
■ প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসঃ বাঁধনহারা (১৯২৭)
■ প্রথম প্রকাশিত নাটকঃ ঝিলিমিলি (১৯৩০)
■ বিদ্রোহী কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয়ঃ সাপ্তাহিক বিজলী (২২ পৌষ, ১৩২৮ সংখ্যায়)
■ কাব্যঃ দোলন চাঁপা, সর্বহারা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, পূবের হাওয়া, প্রলয় শিখা, সন্ধ্যা, জিঞ্জির, চক্রবাক, সিন্ধু হিন্দোল, ফণিমনসা, অগ্নিবীণা(১৯২২), সাম্যবাদী, নতুন চাঁদ, চন্দ্রবিন্দু।
■ উপন্যাসঃ কুহেলিকা, মৃত্যুক্ষুধা, বাঁধনহারা
■ ছোটগল্পঃ ব্যাথার দান, শিউলিমালা, রিক্তের বেদন, পদ্মগোখরা, জিনের বাদশা
■ গীতিনাট্যঃ আলেয়া, মধুমালা, ঝিলিমিলি, পুতুলের বিয়ে
■ প্রবন্ধঃ যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রুদ্রমঙ্গল, রাজবন্দীর জবানবন্দি
■ অনুবাদঃ রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম, রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ, আমপাড়া
■ সম্পাদিত পত্রিকাঃ ধূমকেতু, লাঙ্গল, দৈনিক নবযুগ।
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
Source : www.facebook.com/bdjobsofficial
Bd Jobs - চাকরির খবর "তথ্যের সাথে থাকুন, অজানাকে জানার চেষ্টা করুন, আর জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে "
➢ সাফল্যের জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি
➢ I congratulate you on your success.
➢ কেমন চলছে আপনার?
➢ How are you doing?
➢ সব কেমন চলছে?
➢ How is everything?
➢ কেমন যাচ্ছে সব?
➢ How’s everything going?
➢ কেমন যাচ্ছে আপনার?
➢ How have you been keeping?
➢ আমি বিশ্বাস করি সব ঠিকঠাক আছে
➢ I trust that everything is well.
➢ কি অবস্থা?
➢ What’s up?
➢ আপনাকে দেখে ভালো লাগলো
➢ Good to see you.
➢ কেমন যাচ্ছে তোমার?
➢ How are things (with you)?
➢ কেমন চলছে?
➢ How’s it going?
➢ জীবন কেমন আচরণ করছে তোমার সাথে?
➢ How’s life been treating you?
➢ অনেক দিন হয়ে গিয়েছে।
➢ It has been a long time.
➢ অনেক সময় চলে গিয়েছে।
➢ It’s been too long.
➢ তোমার সাথে দেখা হওয়াটা সব সময়ই আনন্দের।
➢ It’s always a pleasure to see you.
➢ কতদিন হয়েছে?
➢ How long has it been?
➢ আমি খুবই খুশি তোমাকে আবার দেখতে পেরে।
➢ I’m so happy to see you again.
➢ তোমাকে কেন আর দেখি না?
➢ How come I never see you?
➢ অনেক দিন হয়ে গিয়েছে।
➢ It’s been such a long time.
➢ অনেক দিন দেখা হয় না।
➢ Long time no see.
➢ আপনি কোথায় লুকিয়ে আছেন?
➢ Where have you been hiding?
➢ অনেক যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে আপনার সাথে শেষ দেখা হওয়ার পর।
➢ It’s been ages since we last met.
➢ এই আনন্দঘন ক্ষণে তোমাকে অভিনন্দন।
➢ Congratulations on this happy event.
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
Collected from : www.facebook.com/bdjobsofficial
Bd Jobs - চাকরির খবর "তথ্যের সাথে থাকুন, অজানাকে জানার চেষ্টা করুন, আর জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে "
নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বইয়ের
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সামারি। সহজভাবে লেখা
আছে। আশা করি কাজে আসবে।
প্রথম অধ্যায়ঃ ভৌত রাশি ও পরিমাপ
। আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদান করেন - আইনস্টাইন।
। কোয়ান্টাম তত্ত্বপ্রদান করেছেন - প্ল্যাঙ্ক।
। বোসন নামটি এসেছে - সত্যেন্দ্র নাথ বসুর নাম
অনুসারে।
। মৌলিক রাশিগুলো হলো - ভর, তড়িৎ প্রবাহ ও
পদার্থের পরিমাণ।
। ইউরোপের শিল্প বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখে—জেমস ওয়াটে বাষ্পীয় ইঞ্জিন।
। দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক –মিটার।
। ভর পরিমাপের একক—কিলোগ্রাম।
। সময় পরিমাপের একক—সেকেন্ড।
। তাপমাত্রা পরিমাপের একক—কেলভিন।
। তড়িৎ প্রাবাহ পরিমাপের একক--অ্যাম্পিয়ার।
। পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক—ওপেনহেইমার।
[১৩ তম বিসিএস]
। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা ঘটে— বিজ্ঞানী
গ্যালিলিওর হাত ধরে।
। সূর্যগ্রহণ সম্পর্কিত ভবিষ্যৎ বাণীর জন্য বিখ্যাত
হয়ে আছেন—বিজ্ঞানী থেলিস।
। লিভারের নীতি আবিষ্কার করেন—আর্কিমিডিস।
। তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন—
ওয়েরস্টেড।
। বায়ু পাম্প আবিষ্কার করেন—ভন গুয়েরিক।
। পাখির ওড়া পর্যবেক্ষণ করে উড়োজাহাজের
মডেল তৈরি করেন—লিউনার্দো দা ভিঞ্চি।
। সৌরকেন্দ্রিক ধারণা প্রদাণ করেন—কোপার্নিকাস।
। সরণ, গতি, ত্বরণ, সময় ইত্যদির সংজ্ঞা প্রদান
করেন—গ্যালিলিও।
। মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন—নিউটন।
। বলবিদ্যা আবিষ্কার করেন—নিউটন।
। ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেন—নিউটন।
। বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন—মার্কনী।
। ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন—
বেকেরেল।
। উন্নত ধরনের বিস্ফোরক আবিষ্কার করেন—
আলফ্রেড নোবেল।[১৮ তম বিসিএস]
। এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালু হয়—১৯৬০
সালে।
। 1 পিকোমিটার = 10-12 মিটার।
। 1 গিগাবাইট = 109 বাইট।
। ইন্টারন্যাশনাল ওয়েটস এন্ড মেজারস অবস্থিত—
স্যাভ্রেস, ফ্রান্স।
। পদার্থের পরিমাণের আই এস একক—মোল।
। স্পিং নিক্তির দ্বারা পরিমাপ করা হয়—বস্তুর অভিকর্ষজ
বল।
। ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র—সিসমোগ্রাফ। [২২ তম
বিসিএস]
। সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র—ফ্যাদোমিটার।
। সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়—প্রতিধ্বনির মাধ্যমে।
। উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র—ট্যাকোমিটার।
[২২, ২৩ তম বিসিএস]
। MKS পদ্ধতিতে ভরের একক—কিলোগ্রাম।
। ১ মিটার সমান –৩৯.৩৭ ইঞ্চি। [ ১১, ২৫ তম বিসিএস]
। এক কুইন্টাল সমা—১০০ কেজি।
দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ গতি
১। দ্রুতি / বেগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় -
স্পিডোমিটার।
২। ঘড়ির কাঁটার গতি হলো - পর্যায়বৃত্ত গতি।
৩। বেগের আই এস একক হলো—মিটার/
সেকেন্ড।
৪। সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো একটি বস্তুর
বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে।
৫। কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে
অভিকর্ষ বলে।
৬। সরল দোলকের গতি হলো—স্পন্দন গতি।
৭। পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের মধ্যে
পিস্টনের গতি হলো -পর্যায়বৃত্ত গতি।
৮। ভেক্টর রাশির উদাহরণ হলো—সরণ, বল, তড়িৎ
তীব্রতা।
৯। এক মিনিটে একটি ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটার সরণ
—0
১০। বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের হারকে বলে
—দ্রুতি।
১১। গতির সমিকরণ –চারটি।
১২। অভিকর্ষ বল ক্রিয়া হতে পারে –পৃথিবী ও
একটি বইয়ের মধ্যে।
১৩। পড়ন্ত বস্তুর সূত্রাবলী প্রদান করেছেন—
গ্যালিলিও।
১৪। বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি—মেরু
অঞ্চলে। [৩৭ তম বিসিএস]
১৫। বস্তর ওজন সবচেয়ে কম—বিষুব অঞ্চলে।
১৬। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি—বিষুব
অঞ্চলে।
তৃতীয় অধ্যায়ঃ বল
১। প্যারাসুটের মাধ্যমে আরোহীকে নিরাপদে
অবতরণে সাহায্য করে - প্রবাহী ঘর্ষণবল।
২। বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সে অবস্থায়
থাকতে চাওয়ার প্রবণতা বা ধর্মকে বলে - জড়তা।
৩। বলের একক –নিউটন।
৪। একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর
কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে ওজন
বলে।
৫। পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার আকর্ষণকে
অভিকর্ষজ বল বলে।
৬। চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর তুলনায় ৬
ভাগের এক ভাগ।
৭। পদার্থের জড়তার পরিমাপ—ভর।
৮। প্রকৃতিতে বিদ্যমান মৌলিক বল—চারটি।
৯। সাম্য বলের লব্ধি –শূন্য হয়।
১০। কোনো বস্তুর সাম্যাবস্থায় থাকার শর্ত হলো
—ত্বরণ না থাকা।
১১। সাইকেলের চাকার গতি হলো—আবর্ত ঘর্ষণ।
১২। পুকুরে সাঁতার কাটার সময়ের ঘর্ষণ হলো—
প্রবাহী ঘর্ষণ।
১৩। জ্বালানী অপচয় হয়—ঘর্ষণের জন্য।
চতুর্থ অধ্যায়ঃ কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
১। তীর ছোঁড়ার পূর্ব মুহূর্তে তীর ধনুকে
সঞ্চিত থাকে - বিভব শক্তি।
২। কাজের একক - জুল।
৩। একটি বস্তুকে টান টান করলে এর মধ্যে জমা
থাকে - বিভব শক্তি।
৪। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হলো—সূর্যরশ্মি,
কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস।
৫। হাতে হাত ঘষলে উৎপন্ন হয়- তাপ শক্তি।
৬। কোনো বস্তুর কাজ করার সামর্থকে বলে—
শক্তি।
৭। ভর অপরিবর্তিত রেখে বেগ চারগুণ করল,
বস্তুটির গতিশক্তি হবে –১৬ গুণ।
৮। ঢিল ছঁড়ে আম পাড়া যায় –গতিশক্তির মাধ্যমে।
৯। বেস্তুর বেগ তিনগুণ করলে গতিশক্তি হবে—৯
গুণ।
১০। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান উপাদান—কয়লা।
১১। পেটেআলিয়াম থেকে পাওয়া যায়—টেরিলিন।
১২। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান—মিথেন।
১৩। জীবাশ্ম জ্বালানীতি সঞ্চিত থাকে—সৌরশক্তি।
১৪। সূর্যরশ্মি হতে আগুন জ্বালানোর জন্য ব্যবহৃত
হয়—দর্পণ।
১৫। কৃত্রিম উপগ্রহে তড়িৎ শক্তি সরবরাহের জন্য
ব্যবহৃত হয়—সৌরকোষ।
১৬। বায়োগ্যাস প্রধানত গঠিত—মিথেন গ্যাস দ্বারা।
১৭। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলে—ফিশন।
১৮। নিউক্লিয় সাবমেরিনে নিউক্লিয় শক্তি রূপান্তরিত
হয়—যান্ত্রিক শক্তিতে।
১৯। তড়িৎ শক্তিকে বা বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক
শক্তিতে রূপান্তর করে—বৈদ্যুতিক মোটর বা তড়িৎ
মোটর।
২০। বৈদ্যুতিক বাল্বে তড়িৎ শক্তি রূপান্তরিত হয়—
আলোক শক্তিতে।
২১। সঞ্চয়ক কোষে শক্তি রূপান্তরিত হয়—রাসায়নিক
শক্তিতে।
২২। ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোক শক্তি
রূপান্তরিত হয়—রাসায়নিক শক্তিতে।
২৩। বৈদ্যুতিক পাখায় শক্তির রূপান্তরের সঠিক ক্রম
হলো—বৈদ্যুতিক শক্তি → চৌম্বক শক্তি → যান্ত্রিক
শক্তি → তাপশক্তি।
২৪। গাড়ির ইঞ্জিনে রাসায়নিক শক্তি রূপান্তরিত হয়—
যান্ত্রিক শক্তিতে।
২৫। কর্মদক্ষতার একক-নেই।
পঞ্চম অধ্যায়ঃ পদার্থের অবস্থা ও চাপ
১। চাপের একক - প্যাসকেল।
২। বায়ুচাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম - ব্যারোমিটার।
৩। তরলের চাপের পরিমাণ - গভীরতার সমানুপাতিক।
৪। পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম - প্লাজমা।
৫। চার্যযুক্ত পরমাণু হলো—আয়ন।
৬। ঘনত্ব মাপার যন্ত্র হলো—হাইড্রোমিটার।
৭। পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি—277 K তাপমাত্রায়।
৮। বস্তর ওজন তরলের প্লবতার চেয়ে বেশি
হলে বস্তুটি তরলে সম্পূর্ণরূপে ডুবে যাবে।
৯। মানুষ ভাসে—ডেড সি বা মৃত সাগরের পানিতে।
১০। মানুষের রক্তচাপ বেড়ে নাক দিয়ে রক্ত পড়া
শুরু হয় যখন বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে রক্তচাপ
বেশি হয়।
১১। এভারেস্ট পর্বতের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ—
22.8 cm Hg
১২। বায়ুর চাপ কমলে বাষ্পায়নের হার বেড়ে যায়।
১৩। পদার্থের অবস্থা—চারটি।
১৪। পদার্থের প্লাজমা অবস্থার বড় উদাহরণ-সূর্য।
১৫। প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ— ৮০-৯০
ভাগ।
১৬। প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেনের পরিমাণ— ১৩ ভাগ।
১৭। প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রোপেনের পরিমাণ—৩
ভাগ।
১৮। তবে শুধুমাত্র বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক
গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ— ৯৫-৯৯ ভাগ।
ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ বস্তুর উপর তাপের প্রভাব
১। সুস্থ মানুষের দেহের তাপমাত্রা হলো ৩০৯.৮৯
কেলভিন।
২। তাপীয় প্রসারণের জন্য রেল লাইনের বিকৃতি
পরিহার করার জন্য, রেল লাইন নির্মাণের সময় দুইটি
রেল যেখানে মিলিত হয় সেখানে একটু ফাঁকা রাখা
হয়।
৩। ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয়ার কারণ-
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে তাই।
৪। বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে বলে ঘর্মাক্ত
দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয়।
৫। তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক একক-কেলভিন।
৬। পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা—273 K
৭। একজন মানুষের দেহের তাপমাত্রা 100 F হলে
তা সেলসিয়াস স্কেলে হবে—37.77⁰ C
৮। পানি ফুটতে থাকে—212⁰ F তাপমাত্রায়।
৯। তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে দেয় গতিশিক্তি।
১০। কঠিন পদার্থের প্রসারণ—তিন প্রকার।
১১। বাষ্পীভবন সংঘটিত হয় –২ টি পদ্ধতিতে।
১২। টাপ বাড়ালে মোমের গলনাঙ্ক –অপরিবর্তিত
থাকে।
১৩। বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক –শূন্যস্থানে।
৪। বাষ্পীভবন পদ্ধটি দুইটি। যথা:- বাষ্পায়ন ও স্ফুটন।
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
Collected from : www.facebook.com/bdjobsofficial
Bd Jobs - চাকরির খবর "তথ্যের সাথে থাকুন, অজানাকে জানার চেষ্টা করুন, আর জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে "
Wh-Questions শেখানোর জন্য যে প্রশ্নগুলি জানা দরকার:
Q. Wh word/ Question কয়টি? উ: ৯টি
Who :
1. Who-এর অর্থ কয়টি ও কী কী? উ: কে, কে কে, কারা
2. Who-এর Subjective, Objective এবং Possessive রূপ কী?
3. Who-এর singular রূপ এবং Plural রূপ কিভাবে বুঝব?
4. ‘Who’ Sentence-এর মধ্যে কোথায় কিভাবে বসে?
5. Who-এর পরে কখন does(এরূপ verb), is, has, was বসে এবং বসানোর পর কী অর্থ প্রকাশ করে?
6. Who-এর পরে কখন do(এরূপ verb), are, have, were বসে এবং বসানোর পর কী অর্থ প্রকাশ করে?
7. Who- দিয়ে কয়টি গঠনের Sentence পাওয়া যায়? নিচে কিছু Sentence দেয়া হল। যেমন:
Who goes to school? Who go to school?
Who is teaching you? Who are teaching you?
Who has taught you English? Who have taught you English?
Who is loved to all? Who are loved to all?
Who are you? Who is he? Who are they?
Who is Balal? Who is your teacher? Who are your teachers?
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, Who is doing the work? - কে কাজটি করতেছে? এই বাক্যটি দিয়ে is-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ১৪৫টি বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।এই একটি বাক্যের ধরনগুলি শিখে ফেললে সকল Who-এর ব্যবহার আয়েত্বে চলে আসবে।
What :
1. What-এর অর্থ কয়টি ও কী কী? উ: কী, কী কী
2. What-এর Subjective, Objective এবং Possessive রূপ কী?
3. ‘What’ কখন Subject রূপে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
4. ‘What’ কখন Object রূপে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
5. ‘What’ Possessive রূপে কখন Subject হিসাবে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
6. ‘What’ Possessive রূপে কখন Object হিসাবে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
7. ‘Subject’ কী ধরনের হলে What দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?এদের গঠন রূপ কী?
8. ‘Object’ কী ধরনের হলে What দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?এদের গঠন রূপ কী?
9. What-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ১৭টি।
ভালভাবে বুঝার জন্য নিচে কিছু Sentence দেয়া হল।
তুমি কী পড়? তুমি কী কী পড়?
তুমি কী বই পড়? তুমি কী কী পড়?
তুমি কী ধরনের পড়? তুমি কী কী ধরনের পড়?
তুমি কী প্রকারের বই পড়? তুমি কী কী প্রকারের বই পড়?
তোমার কী আছে? টেবিলের উপর কী আছে?
ইহা/এটা কী? ঐটা/ওটা কী?
কামাল কী করে? (কামালের পেশা কী?) – তোমার বাবা কী করেন?(তোমার বাবার পেশা কী?)
তোমার নাম কী? তোমার স্কুলের নাম কী? তোমার স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নাম কী?
তার বয়স কত? তোমার বাবার বয়স কত?
ইহা কী ধরনের বই? তোমার বাবা কী ধরনের লোক?
কী মানুষকে সুখী করে? কী ধরনের কাজ মানুষকে সুখী করে?
ভালো ফলাফলের জন্য কী দরকার? ভালো ফলাফলের জন্য কী ধরনের বই দরকার?
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, What do you do? তুমি কী কর? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ৮০টি বাক্য বানিয়ে পড়া যায়। এই একটি বাক্যের ধরনগুলি শিখে ফেললে সকল What-এর ব্যবহার আয়েত্বে চলে আসবে।
Which :
1. Which-এর অর্থ কয়টি ও কী কী? উ: কোনটি, কোন কোনটি, কোনগুলি
2. Which-এর Subjective, Objective এবং Possessive রূপ কী?
3. ‘Which’ কখন Subject রূপে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
4. ‘Which’ কখন Object রূপে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
5. ‘Which’ Possessive রূপে কখন Subject হিসাবে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
6. ‘Which’ Possessive রূপে কখন Object হিসাবে বসে? এবং এদের গঠন রূপ কী?
7. ‘Subject’ কী ধরনের হলে Which দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?এদের গঠন রূপ কী?
8. ‘Object’ কী ধরনের হলে Which দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?এদের গঠন রূপ কী?
9. Which-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ১৯টি। উদাহরণ পরে দেয়া হবে।
When :
1. When-এর অর্থ কী?
2. When-একটি Objective word, তবে এদের Subjective এবং Possessive রূপ হয় কি?
3. When-এর গঠন রূপ কী?
4. ‘Object’ কী ধরনের হলে বা Object-এর ঘরে কী ধরনের word থাকলে When দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?
5. When-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ৭টি। উদাহরণ পরে দেয়া হবে।
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, When do you do the work? তুমি কখন কাজটি কর? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ৮৬টি বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।
Where :
1. Where-এর অর্থ কী?
2. Where-একটি Objective word, তবে এদের Subjective এবং Possessive রূপ হয় কি?
3. Where-এর গঠন রূপ কী?
4. ‘Object’ কী ধরনের হলে বা Object-এর ঘরে কী ধরনের word থাকলে Where দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?
5. Where-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ৫টি। উদাহরণ পরে দেয়া হবে।
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, Where do you do the work? তুমি কোথায় কাজটি কর? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ৮০টির অধিক বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।
Why :
1. Why-এর অর্থ কী?
2. Why-একটি Objective word, তবে এদের Subjective এবং Possessive রূপ হয় কি?
3. Why-এর গঠন রূপ কী?
4. ‘Object’ কী ধরনের হলে বা Object-এর ঘরে কী ধরনের word থাকলে Why দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?
5. Why-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ৪টি। উদাহরণ পরে দেয়া হবে।
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, Why do you do the work? তুমি কেন কাজটি কর? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ৮০টির অধিক বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।
How :
1. How-এর অর্থ কী?
2. How-একটি Objective word, তবে এদের Subjective এবং Possessive রূপ হয় কি?
3. How-এর গঠন রূপ কী?
4. ‘Object’ কী ধরনের হলে বা Object-এর ঘরে কী ধরনের word থাকলে How দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?
5. How-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়? উ: ১৫টি। উদাহরণ পরে দেয়া হবে।
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, How do you do the work? তুমি কিভাবে কাজটি কর? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ৮০টির অধিক বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।
Whom :
1. Whom-এর অর্থ কী?
2. Whom-এর Subjective এবং Possessive রূপ কী?
3. Whom-এর গঠন রূপ কী?
4. ‘Object’ কী ধরনের হলে বা Object-এর ঘরে কী ধরনের word থাকলে Whom দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়?
5. Whom-দিয়ে কত গঠনের Sentence হয়?
6. Whom do you teach English? আপনি কাকে ইংরেজি পড়ান? এই বাক্যটি দিয়ে do-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে কতভাবে পড়া যায়?
Whose :
1. Whose-এর অর্থ কয়টি ও কী কী?
2. Whose-এর Subjective, Objective রূপ কী? কীভাবে Sentence-এ ব্যবহার হয়?
3. Whose-এর সাথে Noun বসে কেন? বা Whose-এর সাথে Noun না বসিয়ে বাক্য তৈরি করা যায় না কেন?
3. ‘Whose’ কখনো singular রূপে আবার কখনো Plural রূপে বসে, তবে কিভাবে?
4. ‘Whose’ Sentence-এর মধ্যে কোথায় কিভাবে বসে?
5. Whose-এর পরে কখন does (এরূপ verb), is, has, was বসে? এদের গঠণ রূপ কী?
6. Whose-এর পরে কখন do(এরূপ verb), are, have, were বসে?এদের গঠণ রূপ কী?
7. Whose- দিয়ে কয়টি গঠনের Sentence পাওয়া যায়? নিচে কিছু Sentence দেয়া হল। যেমন:
Whose brother goes to school? Whose brothers go to school?
Whose brother is teaching you? Whose brothers are teaching you?
Whose brother has taught you English? Who brothers have taught you English?
Whose brother is loved to all? Who brothers are loved to all?
Whose brother is he? Whose brother are they?
Whose brother is Balal? Whose brother is your teacher?
Note : জেনে রাখা ভাল হবে যে, Whose brother is doing the work? – কার ভাই কাজটি করতেছে? এই বাক্যটি দিয়ে is-এর স্থলে অন্যান্য auxiliary verb বসিয়ে একসাথে ১৪৫টি বাক্য বানিয়ে পড়া যায়।এই একটি বাক্যের ধরনগুলি শিখে ফেললে সকল Whose-এর ব্যবহার আয়েত্বে চলে আসবে।
Written by : Shishir Ashad Ashad
Collected by : M. Saiful Islam
জেনে নিন কোন নদীর তিরে কোন শহর অবস্থিত.......
-
🌶 ঢাকাঃ বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
🌶 চট্টগ্রামঃ কর্ণফুলী নদীর তীরে।
🌶 কুমিল্লাঃ গোমতী নদীর তীরে।
🌶 রাজশাহীঃ পদ্মা নদীর তীরে।
🌶 কুষ্টিয়াঃ গড়াই নদীর তীরে।
🌶 বাংলাবান্দাঃ মহানন্দা নদীর তীরে।
🌶 বরিশালঃ কীর্তন খোলা নদীর তীরে।
🌶 খুলনাঃ ভৈরব ও রূপসা নদীর মিলন স্থলে।
🌶 সিলেটঃ সুরমা নদীর তীরে।
🌶ভোলাঃ তেঁতুলিয়া ও বলেশ্বর নদীর তীরে।
🌶 হবিগঞ্জঃ খোয়াই নদীর তীরে।
🌶 মৌলভীবাজারঃ মনু নদীর তীরে।
🌶 জামালপুরঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
🌶 কিশোরগঞ্জঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
🌶 শরীয়তপুরঃ পদ্মা নদীর তীরে।
🌶শিলাইদহঃ পদ্মা নদীর তীরে।
🌶 মহাস্থানগড়ঃ করতোয়া নদীর তীরে।
🌶 ছাতকঃ সুরমা নদীর তীরে।
🌶 ময়মনসিংহঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
🌶 দিনাজপুরঃ পুনর্ভবা নদীর তীরে।
🌶 ফরিদপুরঃ আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে।
🌶 মাদারীপুরঃ পদ্মা নদীর তীরে।
🌶 যশোরঃ কপোতাক্ষ নদীর তীরে।
🌶 টেকনাফঃ নাফ নদীর তীরে।
🌶 বগুড়াঃ করতোয়া নদীর তীরে।
🌶চন্দ্রঘোনাঃ কর্ণফুলী নদীর তীরে।
🌶 ঝিনাইদহঃ নবগঙ্গা নদীর তীরে।
🌶 টঙ্গীঃ তুরাগ নদীর তীরে।
🌶গোলাগঞ্জঃ মধুমতি নদীর তীরে।
🌶 টুঙ্গীপাড়াঃ মধুমতি নদীর তীরে।
🌶ঘোড়াশালঃ শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে।
🌶 সারদাঃ পদ্মা নদীর তীরে।
🌶 ফেঞ্চুগঞ্জঃ কুশিয়ারা নদীর তীরে।
🌶 নলছিটিঃ সুগন্ধা নদীর তীরে।
🌶 আশুগঞ্জঃ মেঘনা নদীর তীরে।
🌶 পটুয়াখালীঃ পায়রা নদীর তীরে।
🌶রাঙামাটিঃ কর্ণফুলী ও শংখ নদীর তীরে।
🌶 নোয়াখালীঃ মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর তীরে।
🌶 সিরাজগঞ্জঃ যমুনা নদীর তীরে।
🌶 কাপ্তাইঃ কর্ণফুলী নদীর তীরে।
🌶 গাজীপুরঃ তুরাগ নদীর তীরে।
🌶 পাবনাঃ ইছামতি নদীর তীরে।
🌶 মুন্সিগঞ্জঃ ধলেশ্বরী নদীর তীরে।
🌶 চাঁদপুরঃ মেঘনা নদীর তীরে।
🌶 সুনামগঞ্জঃ সুরমা নদীর তীরে।
🌶 মংলাঃ পশুর নদীর তীরে।
🌶নারায়ণগঞ্জঃ শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে।
🌶আশুগঞ্জঃ মেঘনা নদীর তীরে।
🌶ঝালকাঠিঃ বিশখালী নদীর তীরে।
🌶 ঠাকুরগাঁওঃ টাঙ্গন নদীর তীরে।
🌶 ভৈরবঃ মেঘনা নদীর তীরে।
🌶শেরপুরঃ কংশ নদীর তীরে।
🌶 রংপুরঃ তিস্তা নদীর তীরে।
🌶 টাঙ্গাইলঃ যমুনা নদীর তীরে।
🌶 পঞ্চগড়ঃ করতোয়া নদীর তীরে।
🌶 কুড়িগ্রামঃ ধরলা নদীর তীরে।
🌶কক্সবাজারঃ নাফ নদীর তীরে।
🌶 ফেনীঃ ফেনী নদীর তীরে।
🌶 লালবাগের কেল্লাঃ বুড়িগঙ্গা নদের তীরে।
🌶 বরগুনাঃ বিশখালী ওহরিণঘাটা নদীর তীরে।
Written by : Musafir Bijoy
Collected by : M. Saiful Islam
আগামী কাল থেকে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা-২০১৭ শুরু।। সকল পরীক্ষার্থীর জন্য রহিল শুভ কামনা।। Best of luck জেএসি পরীক্ষার্থী।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Cumilla
COMILLA