শিক্ষা বিষয়ক পোস্ট পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে রাখুন।।
Debidwar Upazila Students Association of Titumir College - DUSAT মা, মাটি ডেকে যায়, শিকড়ের টানে ছুটে আয়
দেবিদ্বার কম্পিউটার সেন্টার এন্ড টেক
শিক্ষা বিষয়ক পোস্ট পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে রাখুন।।
Debidwar Upazila Students Association of Titumir College - DUSAT মা, মাটি ডেকে যায়, শিকড়ের টানে ছুটে আয়
08/06/2018
যাত্রা শুরু বিডিসানরাইজ ডটকম'র 'সংবাদে সত্যের প্রতিফলন' স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিসানরাইজ ডটকম।
আপনি কি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে #সার্টিফিকেট_ইন_কম্পিউটার_অফিস_অ্যাপ্লিকেশন কোর্সে ভর্তি হয়ে নিজেকে একজন দক্ষ কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে গড়ে তুলতে চান ??
তাহলে আজই যোগাযোগ করুন, ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম ভূইয়ার স্যারের পরিচালনায় #দেবিদ্বার_কম্পিউটার_সেন্টার_এন্ড_টেকনিক্যাল_ইন্সটিটিউট এ
ঠিকানাঃ
দেবিদ্বার কম্পিউটার সেন্টার এন্ড টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট,
নুরজাহান প্লাজা ২য় তলা, উপজেলা গেট, সরকারি কলেজ রোড, দেবিদ্বার, কুমিল্লা ।
মোবাইলঃ 01712-276307 (ইঞ্জি. আরিফ)
01929-679446 (সাইফুল)
ফেসবুকঃ www.facebook.com/sm.ashiktaj2020
S.M Ashikur Rahman Taj "বাবার বড় ছেলে", 'সবার ছোট ভাই', "মানুষ
26/08/2016
আলহামদুলিল্লাহ, অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে
#বাংলাদেশ_কারিগরি_শিক্ষা_বোর্ডের_অধীনে_অনুষ্ঠিত
#জাতীয়_দক্ষমান_৩৬০_ঘন্টা_মেয়াদী_বেসিক_ট্রেড_কোর্স
#দেবিদ্বার_কম্পিউটার_সেন্টার_এন্ড_টেকনিক্যাল_ইন্সটিটিউট থেকে
#সার্টিফিকেট_ইন_কম্পিউটার_অফিস_অ্যাপ্লিকেশন পরিক্ষায় (জানুয়ারি-জুন ২০১৬) আপনাদের দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে উক্ত সেন্টার থেকে #০৯ টি এ_প্লাস ও ০৩ টি এ গ্রেড পেয়েছে ।
সবাই আমার কম্পিউটার সেন্টার এর জন্য দোয়া করবেন, এভাবে যেন প্রতিটি পরিক্ষায় সকল ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলাফল করতে পারে ।
www.bteb.gov.bd
25/08/2015
@@হারিয়ে যাওয়া বাঙালি স্মরণে@@
হারানোর চেয়ে বেশি কিছু নয়,
স্চছ আলোকচ্ছটা ছড়াও তুমি,
না ছোয়ার চাইতে বেশি কিছু নয়,
অনন্ত নক্ষত্র বিথীর মাঝে বিলাসী সত্তা তুমি,
না দেখার চাইতে বেশি কিছু নয়,
অক্ষরে অক্ষরে গাথা তুমি ইতিহাসের পাতা,
অনুভুতির বাইরে বেশি কিছু নয়,
আছ অব্যাক্ত চেতনার চিরন্তন এ্যালবামে,
বিদ্রোহের বাইরে বেশি কিছু নয়,
যতক্ষণ না পারি ছিনিয়ে আনতে জয়,
ক্রোধের বাইরে বেশি কিছু নয়,
যতক্ষণ না পারি শত্রুকে পুড়িয়ে করতে ছাই,
এতটুকু বলতে পারি হারিয়ে যাওয়া বাঙালি স্মরণে,
বিজয়ের নেশা ছাড়েনা পিছু যতক্ষণ না ডাকে মরণে।
#যদি_রাত_পোহালে_শোনা_যেত_বঙ্গবন্ধু_মরে_নাই
১৫ ই আগষ্ট, একটা ভয়াবহ রাত, বাঙ্গালীর কলঙ্কের ইতিহাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। আজও ১৫ আগষ্ট বাঙ্গালী অপেক্ষা করে সেই রাজনীতির কবির জন্য।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহন করেন। তার সেই বজ্রকন্ঠের ডাক আজও বাঙ্গালীর প্রানে ধ্বনিত হয়।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী ছোট বেলায় ছিলেন পরোপকারী ও উদার মনের মানুষ.তিনি তার দরিদ্র সহপাঠীদের সাহায্য করতেন।
তাঁর অসামাপ্ত আত্ম জীবনী পড়ে জানতে পেরেছি অনেক কিছু.তার কাছে দেশ মাতৃভূমি ছিল সবকিছু. দেশের জন্ম জীবন বাজি রাখতে তিনি কখনও কুন্ঠাবোধ করেনি। জেল শাস্তি তাকে কখনও দমাতে পারেনি।
তাঁর ডাকে বাঙালী ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলেছিল.আমাদের তিনি পরাধীনতার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন. আমরা পৃথিবীর বুকে একটা স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছ।
তিনি সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন কিন্তু ১৫ আগস্ট রাতে তাকে সপরিবারে হত্যা করে সামরিক বাহিনীর কিছু কতিপয় বিপথগামী সদস্য।
১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, গোপালগঞ্জে জাতির জনক যেখানে চির নিদ্রায় শায়িত আছে সেখানে হাজার হাজার লোক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবে, কাঙ্গালী ভোজন হবে, আলোচনা অনুষ্ঠান হবে।
বঙ্গবন্ধু মরে নাই। তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে আছেন। বেঁচে আছে তাঁর সংগ্রাম তাঁর আদর্শ। সোনার বাংলা গড়তে হলে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে চলতে হবে। ধারন করতে হবে তাঁর আদর্শ।
জেনে নিন, পুরুষের চুল পড়া প্রতিরোধের উপায়!
adaলাইফস্টাইল ডেস্ক : আজকাল অনেক পুরুষই চুল পড়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। নারীদের তুলনায় পুরুষদের চুল পড়ার প্রবণতা অনেক বেশি। প্রতিদিন ১০০ টি বা এর কম চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে চুল পড়ার পরিমাণ এর চেয়ে বেশি হলে তা চিন্তার বিষয়। সাধারণত বয়স বেড়ে গেলে চুল পড়ে। তবে এখন কম বয়সীদেরও চুল পড়ছে এবং এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। রাসায়নিক দ্রব্যের অতিরিক্ত ব্যবহার, মানসিক চাপ এবং দূষণই এর জন্যে দায়ি। এছাড়া চুল পড়ার আরও কিছু কারণ রয়েছে যেমন- পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া, হরমোনজনিত সমস্যা, মাথার ত্বকে সংক্রমণ ইত্যাদি। ঘরোয়া কিছু উপায়ে পুরুষের চুল পড়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। এসব উপাদান ব্যবহারে নতুন চুলও গজাবে।
ভিটামিন বি৭
ভিটামিন বি৭ যা বায়োটিন নামে পরিচিত, চুল পড়া প্রতিরোধ করে। এই ভিটামিন আপনার চুলের গোড়া শক্ত রাখে। ডিম, বাদাম, দই, কলিজা ইত্যাদি খাবারে এই ভিটামিন রয়েছে। এছাড়া বায়োটিন ক্যাপসুলও খেতে পারেন।
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করতে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে হবে। শিম, ডাল, মুরগির মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি খাবারে প্রোটিন রয়েছে।
তেল দেয়া
চুলে নিয়মিত তেল দিতে হবে। চুল পড়া প্রতিরোধে এবং নতুন চুল গজাতে তিলের তেল খুবই কার্যকরী। তেল মাথার ত্বকে ঘষে ঘষে দিতে হবে। এতে মাথায় রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে।
ডিমের প্যাক
আধা কাপ দইয়ের সঙ্গে একটি ডিম মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে চুলের গোড়ায় লাগাতে পারেন। এটা শুধু চুল পড়া কমাবে না বরং খুশকি ও দূর করবে, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুলকে মজবুত করে। তিনটি পেঁয়াজ অল্প পানিতে এক ঘণ্টা সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। এরপর পেঁয়াজ সেদ্ধ পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল পড়া প্রতিরোধে ঘরোয়া পদ্ধতিগুলোর মধ্যে এটা সবচেয়ে কার্যকরী।
রসুনের পেস্ট
কয়েকটা রসুন বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগান। এটা চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
সবুজ চা
চুল পড়া বন্ধে সবুজ চা দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে পারেন। ২০ মিনিট পর হালকা কোন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
এছাড়া চুল পড়া বন্ধে ধূমপান পরিহার করতে হবে। ধূমপান মাথায় রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়। যার ফলে চুল পড়ে। সপ্তাহে দুই দিন চুল পরিষ্কার করতে হবে। বেশি বেশি চুল ধোয়ার ফলে চুলে প্রাকৃতিকভাবে যে তেল থাকে তা শুকিয়ে যায়। পুরুষদের শ্যাম্পুতে রাসায়নিক দ্রব্য বেশি থাকে যা চুলের জন্যে ক্ষতিকর। চুল ধোয়ার জন্যে বেবি শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। আজকাল ছেলেরা প্রায়ই চুলে জেল ব্যবহার করে থাকেন যা চুলকে শক্ত করে ফেলে, এতে চুল ভেঙে যায়। এছাড়া এতে থাকে প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য। তাই চুল সুস্থ রাখতে জেল ব্যবহার করা যাবেনা।
কলেজছাত্রীর জমা দেওয়া অ্যাসাইনমেন্ট দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়েছেন রাজধানীর একটি কলেজের বাংলার এক শিক্ষিকা। দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট লিখে জমা দিতে বলা হয়েছিলো। একজন ছাত্রীকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিলো 'পিকনিক থেকে ফিরে এসে ডায়েরি বা দিনলিপি' লেখা বিষয়ে। ওই ছাত্রী অ্যাসাইনমেন্ট খাতায় যা লিখে জমা দিয়েছে তাতে বিস্ময়ে হতবাক শিক্ষিকা। অ্যাসাইনমেন্ট খাতায় ওই ছাত্রী যা লিখেছে তার মূলকথা হলো- আফজাল নামে একজন ক্লাসমেটকে ভালো লাগে তার। আফজাল সবসময় কালো শার্ট পরে ক্লাসে আসে। তাই তার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সেও পিকনিকে গেছে কালো শাড়ি পরে। পিকনিক থেকে ফিরে এসে শাড়ি পরা অনেক ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছে সে। তাতে অনেকে অনেক ধরনের কমেন্টও করেছে এবং লাইক দিয়েছে। কিন্তু আফজাল ফেসবুকে অ্যাকটিভ থাকা সত্ত্বেও এখনো তার ছবিতে কোনো লাইক না দেয়ায় ও কমেন্ট না করায় মর্মাহত...।
অ্যাসাইনমেন্ট খাতা পড়ার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষিকা ছাত্রীকে ডেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। জবাবে ছাত্রী জানায়, সে যা লিখেছে তা কোনো সত্য ঘটনা নয়। একটি গ্রামার বইয়ে এ রকম একটি ঘটনা লেখা রয়েছে দিনলিপিতে এবং সেটি দেখে সে তার অ্যাসাইনমেন্টটি লিখেছে।
এবার শিক্ষিকা ছাত্রীর কাছ থেকে ওই বইটি সংগ্রহ করে 'পিকনিক থেকে ফিরে এসে দিনলিপি' শীর্ষক লেখাটি পড়ে আরো হতবাক হন।
বইটিতে লেখা হয়েছে-
"উফ্ফ। যা একখান ঝক্কি গেল। শরীরের হাড্ডি- মাংস কিমা হয়ে গেছে। সারা শরীরে কান্তি, অবসাদ। চোখ বুঝে আসছে ঘুম...। পিকনিক থেকে ফিরে এলাম। হট শাওয়ার নিয়েছি। আফজাল হোসেন, বম্পি সব সময় কালো শার্ট পরে, তাই আমিও বেছে নিয়েছিলাম কালো শাড়ি। সবার চোখ ট্যারা হয়ে গেছে। গ্রুপ ছবিতে আমাকে চেনা যাচ্ছে আলাদা করে। বাসায় ফিরেই আমার ফেসবুক ওয়ালে বাছাই করা তিনটি ছবি আপলোড করেছি। দারুন দারুন সব কমেন্টস করা হচ্ছে। কিন্তু আফজাল এখনো কোনো কমেন্ট করেনি। অথচ ফেসবুকে ওকে এ্যাকটিভ দেখাচ্ছে। বাসে আমি বসেছিলাম জানালার পাশে, ও বসেছিল ঠিক আমার দুই সারি পেছনে। ওর বন্ধু আল ফারাবি রিয়েল ও হৃদয় খান বারবার আমার দিকে তাকালেও ও একবারও আমার দিকে তাকায়নি। পিকনিকে যাওয়াই আমার ভুল হয়ে গেছে। মহা ভুল। বাসে নাস্তার বক্সে দেওয়া হয়েছিল আপেল, কলা আর একটা নিমকি। অথচ জার্নি করার সময় আমি মিষ্টি খেতে পারি না। বমি আসে। বাসে রিয়েল একটা প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে ‘আফজাল পাঠিয়েছে।’ খুলে দেখি বার্গার সমুচা আর সিঙ্গারা। কাচ্চি বিরিয়ানি আমি খাই না অথচ আমাদের পিকনিকে দুপুরের মেনুই ওটা। খাবার সময় আলাদাভাবে তাই কাঁঠাল গাছটার তলায় গিয়ে বসেছিলাম। হৃদয় একটা প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে ‘আফজাল পাঠিয়েছে।’ খুলে দেখি- চিকেন বিরিয়ানি...। ঘুম নষ্ট হয়ে গেছে। ল্যাপটপ খুলে বসে আছি। আমার ছবিতে কত ফ্রেন্ডস লাইক দিচ্ছে, কমেন্টস করছে। কিন্তু ... কিন্তু... কান্নার একটা ধাক্কা আসে। সেটা সামলে নিয়ে আবার ওয়ালে তাকাই। আমার প্রোফাইল পিকচারটা চেঞ্জ করেছিল গত সপ্তাহে। ফাটাফাটি এসেছে ছবিটা। ছবিতে আমার মামাতো ভাই তনয় আমার হাত ধরে হাসছে। আমিও বত্রিশ দাঁত বের করে হাসছি।"
বইটির নাম ‘উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি।’ বইয়ের কাভার পেজে প্রফেসর নিরঞ্জন অধিকারী ও প্রফেসর ড. শফিউদ্দিন আহমদের নাম লেখা রয়েছে। বইয়ের ওপরে লেখা হয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এবং বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসারে উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতকসহ (পাস ও অনার্স) কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য রচিত। বইয়ের ওপরে আরো লেখা হয়েছে ২০১৪-২০১৫, ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন সিলেবাস অনুসারে প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিস্মিত ওই শিক্ষক জানান, বইটি সংগ্রহ করে তিনি নাড়াচাড়া করে দেখেছেন এবং বইটিতে প্রচুর বানান ভুল রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে বইয়ের ভাষাও যাচ্ছেতাই ধরনের।
এ ব্যাপারে খোঁজ নেয়ার জন্য রাজধানীর দু’টি নামকরা কলেজের পাশে অবস্থিত দু’টি লাইব্রেরিতে গিয়ে জানতে চাওয়া হয় ওই নামে কোনো গ্রামার বই আছে কি না। দু’টি লাইব্রেরিতেই বইটি পাওয়া যায়। এরপর খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেল, রাজধানীসহ দেশের অনেক নামকরা কলেজ থেকেই বইটি পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের রেফার করা হচ্ছে।
বিশালাকৃতির বইটির মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৩৫১। একটি নামকরা প্রকাশনা সংস্থা বইটি প্রকাশ করেছে এবং ৪৮০ টাকায় বিভিন্ন লাইব্রেরিতে বইটি বিক্রি হচ্ছে। বইটি দেখতে সুদৃশ্য কিন্তু ভেতরের অনেক বিষয় রয়েছে যাকে মার্জিত বলা যায় না।
-copied
11/08/2015
# সানি_লিওন যদি বেশ্যা হয়
তাহলে
এই সমাজ হলো বেশ্যা তৈরির
কারখানা।
কথা বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে শুনুন
কেন
# _সানি_লিওন আজ বেশ্যা হলো?
তখন সানি লিওন এর বয়স ১৪ বছর, ৮ম
শ্রেণী পড়ে। অন্য সবার মত সানি ও
রোজ
স্কুলে যেত। সুন্দরী হওয়ার
কারনে অনেক
ছেলেই তার সাথে প্রেম
করতে চেতো। কিন্তু
সানি রাজি হয় না। বারবার
প্রেমে প্রর্তাখান
হয়ে ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্র
সানিকে জোর
করে ধর্ষন করে।
বিচারের আশায়
সানি ছুটে বেড়ায় সব
খানে কিন্তু কোন ন্যায় বিচার
পায় না, কারন
হলো ছেলেটি ছিল সমাজের
উচ্চবিত্ত পরিবারের।
বরং সমাজে চোখে সানি হয়ে গেল
একজন ধর্ষিতা নষ্টা মেয়ে।
স্কুলের সবাই সানির
দিকে তাকিয়ে হাসাহাসি করে।
নষ্ট মেয়ে বলে ডাকে।
সানি লিওন এখন কি করবে?
১| আর্তহত্যা
২| সমাজের সাথে যুদ্ধ
করে টিকে থাকা
সানি ২য়টা চয়েজ করলো।
এবং সমাজের
চোখে আঙ্গুল
দিয়ে দেখিয়ে দিল,
কিভাবে সমাজকে নিয়া খেলতে হয়।
আজ
বারাক ওবামার বউ মিসেল এর
চেয়ে
# সানি__লিওনের
পরিচিতি বেশী।
ফেবুতেও সানিকে নিয়া পোষ্ট
বেশি হয়।
আমার মতে, সানি লিওন ঐ ১বার ই
ধর্ষন
হইছে, এর পর থেকে সানি নিজেই
সমাজ
কে ধর্ষন
করে আসছে আর চিৎকার করে বলছে,
আমি বেশ্যা হতে চাইনি, সমাজ
আমাকে বেশ্যা করেছে।
হয়তো সানির ঐ
চিৎকার
শুনার ক্ষমতা আমাদের নাই, আর
যারা শুনতে পায় তারাও চুপ
করে থেকে না শুনার ভান করে,
কারন তাদের গায়ে সুশীল
সমাজের
ইউনির্ফম পড়ানো।
সমাজ নিয়া আর কিছু বলবো না,
সমাজের উদ্দেশে বলতে চাই,
যে দিন যায়, ভাল যায়।
আমি এ কথায় একমত না।
আমি সুন্দর একটা সমাজ উপহার
দিতে চাই
আমাদের সন্তানকে।
যে সমাজে মানুষ ন্যায় বিচার
পাবে।
কোন # সানি__লিওন
তৈরি হবে না।
এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: আপনি তো হাবুডুবু খাচ্ছেন প্রেমে। কিন্তু, আগ বাড়িয়ে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেন, সে সাহস নেই। দেখলেই কেমন যেন 'ভ্যাবলা' হয়ে যান। পেন্ডুলামের মতো দোদুল্যমান মনে টানাপোড়েন। মেয়েটিও কি ভালোবাসে? সে-ও কি প্রেমে পড়েছে? নাকি সবটাই একতরফা? নিজেরই শুধু ভালোলাগা? পড়াশোনায় মন বসছে না। খালি উচাটন। ক্লাসে লেকচার শোনায় মন নেই। কী করবেন? করণীয় কী? বলেই ফেলবেন, আই লভ ইউ? তা না হয় বলবেন। কিন্তু, বুঝবেন কী করে, তারও দুর্বলতা আছে? আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনো মুখে বলে না। তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৮ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বুঝানোর চেষ্ট করে যে সেও আপনাকে ভালবাসে।
১. সেজেগুজে কফিশপে ঠিক করেছেন কলেজ-শেষে একসঙ্গে দু'জনে কফি খেতে যাবেন। মেয়েটিও রাজি। দেখলেন বেশ সেজেগুজে এসেছে। একবার নয়, আপনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার কথা হলেই, মেয়েটি খুব সচেতন ভাবেই সাজগোজ করে আসে।
২. চুল নিয়ে খেলা নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।
৩. চোখে চোখে কথা বলো এটা ঘটনা, আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি, দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে।
৪. চলো না কাছাকাছি কোথাও ঘুরে আসি যদি দেখেন, মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না-করলে কখনোই বলত না। জানবেন, নিরিবিলিতে আপনার সঙ্গ পেতেই এভাবে পীড়াপীড়ি।
৫. প্রেমের পরশ যখন কোনও অছিলায় বা ছুঁতোনাতায় মেয়েটি আপনাকে স্পর্শ করবে, বুঝবেন তলে তলে জল অনেক দূর গড়িয়েছে।
৬. কথায় কথায় হেসে লুটোপুটি ধরুন কলেজ ক্যান্টিনে বা কফিশপে বসে বন্ধুরা চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। সেখানে সেই মেয়েটিও আছে। তার মনোযোগ কাড়তে আপনি হয়তো মজা করে কিছু বলার চেষ্টা করছেন। জানেন যদিও তাতে কারও হাসি পাবে না। দেখলেন কেউ হাসলও না। একমাত্র সে ছাড়া। বুঝবেন, এ-ও প্রেমেরই লক্ষণ।
৭. রেগে আগুন তেলে বেগুণ
মেয়েটির সামনে ভুলেও যদি অন্য মেয়ের প্রশংসা করেছেন বা কিঞ্চিত আগ্রহ দেখিয়েছেন, দেখবেন হাসিখুশি মুখটা কেমন বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে যায়। রাগের মাথায়, যা নয় তাই দু-কথা আপনাকে শুনিয়েও দিতে পারে। নিশ্চিত থাকুন, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে।
৮. 'আমায় একটু বাড়ি অবধি পৌঁছে দেবে?' যদি কখনও এমন প্রস্তাব পান, ষোলআনার ওপর আঠারোআনা নিশ্চিত থাকুন মেয়েটিও আপনাকে ভালোবাসে।
এই আটটি লক্ষণ যদি মিলে যায়, দেরি না-করে, সংকুচিত না-হয়ে স্মার্টলি বলেই ফেলুন। কারণ, প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে, প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। হতেই পারে সে-ও আপনার বলার অপেক্ষায়। ভালোবাসা তো আর অপরাধ নয়।