12/08/2020
সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য । যিনি এক এবং অদ্বিতীয় এবং সকল সৃষ্টি জগতের অধিপতি । দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক শেষ নবী প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উপর । শিরক সম্পর্কে জানা ও তা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যাবশক, আর একজন মুসলিমের জন্য এটা বেশি জরুরি ।
১৪০০ বছর পূর্বে আল্লাহ রব্বুল আলামীন প্রেরিত রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ) নেতৃত্বে তৎকালীন আরব সমাজে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন শিরক ও কুফুরীর বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল তা আজও মুসলিম জাতির জন্য প্রেরণা ও শিক্ষার উৎস । মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন অতিশয় দয়ালু যে দয়ার কোন সীমা নির্ধারণ করা কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব না । সেই মহান আল্লাহ সুব’হানু ওয়া তা’আলা বিচার দিবসে সকল গুনাহ কেই ক্ষমা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করেছেন কিন্তু শর্ত একটাই তার সাথে কাউকে শরীক বা অংশীদার করা যাবে না , সমস্ত ইবাদাত কেবল মাত্র আল্লাহর জন্য ই হতে হবে অন্য কারো জন্য নয়।
আর তা যদি মানুষ না করতে পারে তাহলে তার কোন সৎ আমল ই সেদিন বিচার দিবসে কাজে আসবে না । মহান আল্লাহ বলেন,
إِنَّهُ مَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ ۖ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنْصَارٍ
অর্থাৎ, “নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করেছেন এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম ।” (সূরা মায়িদাহঃ৭২)
মহান আল্লাহ আরো বলেন,
وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থাৎ, “তোমার প্রতি, তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবশ্যই ওহী হয়েছে; তুমি আল্লাহর শরীক স্থির করলে তোমার কাজ নিস্ফল হবে এবং তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্ত ।”
সুতরাং আমাদের মুসলিম হিসেবে শিরক সম্পর্কে জানা প্রয়োজন, নিজেকে এ সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন এবং অন্যকেও সচেতন করা প্রয়োজন । আর প্রয়োজন শিরক থেকে বেঁচে থাকার উপায় জানা ।
শিরকের প্রকারভেদঃ
ইতিমধ্যেই আমরা জেনেছি যে, শিরক হচ্ছে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক বা অংশীস্থাপন করা ।
আরো সহজভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, বিভিন্ন প্রকার ইবাদাতে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা বা অংশীস্থাপন করা । আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো কাছে ফরিয়াদ করা, অন্য কারো নামে যবেহ করা, পীর-বুজুর্গ বা কোন মৃত ব্যক্তির নামে কিছু চেয়ে মানত করা সহ আরো