মহান আল্লাহ্ পাক আমার জীবনে
আরেকটা সকাল
দিয়েছেন।আজকের এই সুন্দর
সকালের জন্য মহান
আল্লাহ্ পাকের নিকট কোটি কোটি
শুকরিয়া....
(আলহামদুলিল্লা)
হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের সবাইকে
ক্ষমা এবং
হেদায়েত দান করুন ।(আমিন)
রেডিও আমার লাভ গুরু
ভালোবাসার রোমান্টিক সব আপডেট পাবেন এ?
07/05/2015
ছেলেটা তার কাঁটা বিছানো
কঠিন জীবন এর পথ চলায় কাওকে
সঙ্গী করতে চায়নি। কারন এ পথে
চলার শক্তি যে সবার থাকেনা।
কিন্তু মেয়েটি সামনে এসে পথ
আগলে দাঁড়ালে। শপথ নিল
ছেলেটির কঠিন পথের সঙ্গী হবার।
অনেক বুঝাল। ভয় দেখাল। চলার পথে
পিছু টানও রাখল ছেলেটা।
কিন্তু মেয়েটি ছেলেটির চলার পথ
থেকে সরে নি।
কঠিন সে পথ যখন একটি নদীর উপর দিয়ে
অতিক্রম করছিল। তখন, ছেলেটি
মেয়েটিকে বললো, যদি এই নদীতে
এখন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেই?
মেয়েটি মিষ্টি করে হেসে উত্তর
দিল, "পড়ে যাব, আর কি হবে?"
মেয়েটির কথা বাতাশে মিলিয়ে
যাবার পূর্বেই ছেলেটি
মেয়েটিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে
দেয় নদীতে।
অতঃপর যখন ছেলেটি মেয়েটিকে
উদ্দ্যার করে পাড়ে তুলে,
মেয়েটি আবারও মিষ্টি একটা
হাঁসি দিয়ে ছেলেটির দিকে
তাকালে।
"আচ্ছা, আমি যখন তোমাকে ফেলে
দিলাম, তখন তোমার কতটা ভয় করছিল?"
"একটুও না। কারন আমার ভালবাসার
বিশ্বাস ছিল, তুমি আমার কোনো
ক্ষতি হতে দিবে না।"
অতঃপর, ছেলেটির চোখে জল,
মেয়েটির মুখে হাঁসি।
**গল্পটি পড়ুন,
চোখে পানি চলে আসবে ***
আমেরিকার এক শহরে এক নাম
করা Businessman ছিলো ।
টাকা পয়সা,নামে, দামে,কোনো কিছুরই
তার অভাব ছিলো না ।
কিন্তু তার মডার্ন সোসাইটিতে মুখ
দেখাতে পারতোনা শুধু
তার মায়ের জন্য । কারন তার
মা ছিলো অন্ধ। মায়ের
মুখে ছিলো আগুনে পোড়া দাগ।
আর মাথায় কোনো চুল ছিলো না । তাই
মডার্ন
সোসাইটিতে নিজের মান সম্মান বজায়
রাখার জন্য
মা কে বাসা থেকে বের করে দিলো ।
বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে রাস্তায়
রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ।
হঠাত
একটি গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে বৃদ্ধা মা
মারা গেল।
ছেলে শুনে কষ্ট পেলো না, ভাবলো আপদ
বিদায় হয়েছে।
কিছুদিন পর কোনো Documents
খুজতে খুজতে
মায়ের ঘরে মায়ের
লেখা একটা ডাইরি পেলো ।
ডাইরিতে লেখা ছিলো-
# ০৫-১২-১৯৮০=
আজ আমি সুন্দরি মিস আমেরিকা এর
Award পেয়েছি।
# ০২-০৫-১৯৮৩=
আজ আমার Pregnant এর Abortion না
করার
জন্য আমার স্বামী আমাকে Divorce
দিয়েছে ।
# ০৭-০৩-১৯৮৫=
আজ আমার বাড়িতে আগুন লেগেছিলো ।
আমি বাহিরে ছিলাম। আর আমার
কলিজার
টুকরা ছেলে বাড়ির ভিতরে ছিলো ।
নিজের জীবন বাজি রেখে শুধু ছেলের
জীবন
বাচাতে গিয়ে আগুন লেগে আমার চুল
এবং
মুখ পুড়ে আমার সম্মস্ত সৌন্দর্য ছাই
হয়ে গেছে।
তাতে আমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু তবু
আমার কলিজার
টুকরা ছেলের চোখ
দুটো আমি বাচাতে পারিনি ।
# ০৭-১৫-১৯৮৫=
আজ আমার নিজের চোখ দুটো আমার
ছেলে কে দিতে যাচ্ছি ।
The End of my Life dairy ............
ডাইরিটি পড়ে ছেলে পাগলের
মতো কাদতে কাদতে দেওয়ালে মাথা
আছড়াতে লাগলো ।
আমার আর বলার কিছুনেই। সমস্ত
পৃথিবীর
মা জাতীর প্রতি রইলো আমার সালাম ????
09/12/2014
ফিরে এসো দেখো ........
আমি সেই আগের মতই রয়ে গেছি
.......
ফিরে এসো খুজে পাবে সেই আমাকে যার
একটু বিপদে অস্থির হয়ে যেতে তার
চেয়েও বেশি......
ফিরে এসো দেখো.......
আমি সেই আগের মতই দুষ্টু
রয়ে গেছি.....
শুধু তোমার ঝারি ধমক অনেক
ভালবাসি বলে........
ফিরে এসো ......
খুজে পাবে সেই আমাকে যে তোমার
বিপদে তোমার সমস্যায়
হাসি মুখে বলতো ''Leave It To
Me".......
ফিরে এসো দেখো.....
আজো তুমি আছো আমার হৃদয়ের
প্রতিটি স্পন্দনে.......
কি আসবে না ফিরে ....? —
05/12/2014
অনন্ত প্রেম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত
রূপে শতবার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়
গাঁথিয়াছে গীতহার–
কত রূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ
সে উপহার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
যত শুনি সেই অতীত কাহিনী, প্রাচীন
প্রেমের ব্যথা,
অতি পুরাতন বিরহমিলন কথা,
অসীম অতীতে চাহিতে চাহিতে দেখা দেয়
অবশেষে
কালের
তিমিররজনী ভেদিয়া তোমারি মুরতি এসে
চিরস্মৃতিময়ী ধ্রুবতারকার বেশে।
আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি যুগলপ্রেমের
স্রোতে
অনাদি কালের হৃদয়-উৎস হতে।
আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা কোটি প্রেমিকের
মাঝে
বিরহবিধুর নয়নসলিলে, মিলনমধুর
লাজে–
পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।
আজি সেই চির-দিবসের প্রেম অবসান
লভিয়াছে,
রাশি রাশি হয়ে তোমার পায়ের কাছে।
নিখিলের সুখ, নিখিলের দুখ, নিখিল
প্রাণের প্রীতি,
একটি প্রেমের মাঝারে মিশেছে সকল
প্রেমের স্মৃতি–
সকল কালের সকল কবির গীতি।
বছর পাঁচেক আগের ঘটনা।
এক বন্ধু জিজ্ঞেস করেছিল
--"দোস্ত তুই
কি এখনো সিঙ্গেল?"
উত্তরে বলেছিলাম--"হ্যা "
উত্তর শুইনা সে এমন
ভাবে তাকাইছিল
আমার দিকে যেন
আমি দুনিয়া বিলুপ্ত প্রায় ড্রাগন
প্রজাতির প্রাণী! ভার্সিটিতে প্রথম
ইয়ারেই একলা থেকে দোকলা হবার
ট্রাই করলাম।
একটা মেয়ে কে ভাল্লাগসে।
সামনে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম
"তুমি কি এই
ভার্সিটি তে নতুন?"
জবাবে বলল-"হ্যা ভাইয়া"
আমি মনে মনে বললাম "কুতায়
ছিলে টূমি!কুতায়
চিলে ছুন্দলি" দুজনের পরিচয় পর্ব
শেষ
হওয়ার পর
আমি তাকে কফি খাওয়ার অফার
দিলাম।
রেস্টুরেন্ট এ
বসে শুধু কফিই না সাথে বার্গার/
পিজা/
নুডুলস অনেক কিছু
খেলাম দুজন। বিল দেওয়ার সময়
চোখের
কোনে হালকা জ্বল এসেছিল। কিন্তু
প্রেম
হবে ভেবে চোখের জ্বল চোখেই
শুকিয়ে নিলাম। মেয়েটি চলে যাচ্ছে।
রিক্সায় উঠার
আগে আমি বললাম-"এক্সকিউজ মি।
তোমার নাম্বার
টা পেতে পারি প্লীজ?"
আমার
দিকে তাকিয়ে মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে সে বলল--"ভাইয়া নাম্বার
নেন কিন্তু বেশী রাতে ফোন দিয়েন
না।" আমি বললাম --"কেন?"
সে বলল--"হাজবেন্ড রাগ করে"
আহ!
তার উত্তর শোনার পর হার্টের
ভেতরে হাড্ডি ভাঙ্গার আওয়াজ
পাইলাম।আরেকটু
হইলে হয়তো ওইখানেই কাইন্দা দিতাম
আমার কাছে ভালবাসার মানে ছিল
অজানা!
তোমার কথা তোমার ছোট ছোট
চাওয়া থেকে অদ্ভুত
এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে!
তোমায় হয়তো আমি বুজতাম না ঠিক
তেমনি তুমি ও!
বলবো না তোমায় ছাড়া বাচবো
না তবে আমি তোমায়
ছাড়া থাকতে পারবো না এটা পরিষ্কার!
আমার একটাই ভয় ছিলো যদি তোমায়
হারিয়ে ফেলি তাই বলতে যেয়ে ও
অনেক কথা লুকিয়ে ফেলছি!
যা পরবর্তীতে কাল হয়েছে!
অনেকে অনেক কিছুই বলে কিন্তু
তা আমার বিশ্বাস হয়না!
তোমার সব কিছু যদি হারিয়ে যায়
তখন ও তুুমি ফিরে এসো!!
তারপর ও তোমায় ভালবাসবো!!
01/05/2014
যদি কাউকে ধোঁকা দিতে পারো...
তাহলে ভেবোনা যে সে বোকা ছিল............
মনে রাখবে সে তোমাকে বিশ্বাস
করেছিল...
কিন্তু তুমি তার সেই বিশ্বাসের
যোগ্য ছিলেনা......... .....
*আশিকি-2*
এর গানের
চরমকাহিনী,....
মিস করবেন না....
একটা মেয়েরে বললাম,
'Ham tere bin ab reh
nahi sakte'...
মেয়েটা পাত্তা না দিয়ে বলল,
'Aasah na hi ya,
aashiq ho jaa na'...
মেয়েটারপাত্তা না পেয়ে বললাম,
'Hum mar jayenge'...
মেয়েটা বলল,
'Mil ne hai mujhse
aayi,
phir kyu jaane
tanhai'...
হতাশ
হয়ে আমি বললাম,
'Sun Raaha haina tu,
Roraaha hu main'...
মেয়েটা তাও বলল,
'Chahun me yana'...
আমি দুঃখের
সাথে বললাম,
'Piya aaye na'...
কিন্তু
মেয়েটা দেখলাম
অন্য
আরেকটা ছেলেকে বলছে,
'Meri aashiqui ab
tum hiho'...
আমি মনের
দুঃখে মদের
বোতল
তুলে নিয়ে গাইলাম,
'Bhula dena mujhe,
Ye alvidaa
tujhe'......... .
কাউকে যদি ভালবাসতে হয়
তাহলে সত্যি সত্যি ভালবাসুন।
টাইম পাস করার
যদি চিন্তা থাকে তাহলে রিলেশন
শুরু করার
আগে
তাকে বলে নিন যে আপনি টাইম
পাস
করতে চান,
কারন আপনার টাইম পাস অনেকের
জীবন
ধ্বংস করে দিতে পারে
আর কারও জীবন ধ্বংস
করে যদি আপনি আপনার জীবন
গড়তে চান
তাহলে আমি বলব আপনার মত
বোকা পৃথিবীতে নাই।
মাথার উপর একজন আছেন তিনি সব
দেখেন,...
26/04/2014
একদিন এক ছোট্ট ছেলে পাড়ার ঔষধ
দোকানে গিয়ে একটি বাক্স টেনে আনল
দোকানের টেলিফোনটি নাগাল পাওয়ার
জন্য। তারপর সে বাক্সটির উপর
উঠে দাঁড়াল
এবং টেলিফোনটি হাতে নিয়ে একটি নাম্বারে ডায়াল
করল।
দোকানদার ঘটনাটি লক্ষ্য করল
এবং কথোপকথনটি শোনার চেষ্টা করলঃ
ছেলেঃ জনাবা,
আপনি কি আমাকে আপনার বাগানের ঘাস
কাটার কাজটি দিতে পারবেন?
মহিলাঃ (ফোনের অন্য পাশ থেকে)
ইতোমধ্যে বাগানের ঘাস কাটার জন্য
একজন কর্মচারী আছে।
ছেলেঃ জনাবা, যে এখন আপনার
বাগানের ঘাস কাটে আমি তার
চেয়ে অর্ধেক দামে কেটে দিব।
মহিলাঃ যে এখন আমার বাগানের ঘাস
কাটে, আমি তার কাজে খুবই সন্তুষ্ট।
ছেলেঃ (আরও বেশি আন্তরিকতার সাথে)
জনাবা, আমি আপনার উঠান এবং বাড়ির
চারপাশও ঝাড়ু দিয়ে দিব।
ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন
আপনি সবচেয়ে গোছানো বাড়িটি পাবেন।
মহিলাঃ থাক, ধন্যবাদ।
মুখে তৃপ্তির
হাসি নিয়ে ছেলেটি টেলিফোন
নামিয়ে রাখল।
দোকানমালিক,
যিনি ঘটনাটি দেখছিলেন,
তাড়াতাড়ি ছেলেটির
কাছে ছুটে গেলেন।
দোকানমালিকঃ বাবা, তোমার
দৃষ্টিভঙ্গী আমার খুব পছন্দ হয়েছে;
তোমার ইতিবাচক মনোভাব আমার ভাল
লেগেছে এবং আমি তোমাকে একটি কাজ
দিতে চাই।
ছেলেঃ থাক, ধন্যবাদ।
দোকানমালিকঃ কিন্তু
তুমি তো চাকরিটি পাওয়ার জন্য খুব
চেষ্টা করছিলে।
ছেলেঃ না জনাব, আমি শুধু আমার কাজ
কতটা ভাল হচ্ছে তা মূল্যায়ণ
করছিলাম।
আমিই সে লোক যে ঐ মহিলার
বাগানে কাজ করি।
[এটাকেই বলা হয় আত্মমূল্যায়ণ]
যা আপনাকে আপনার দায়িত্ব
সঠিকভাবে পালন করতে উৎসাহিত
করে এবং আপনার
দুর্বলতাগুলো দেখিয়ে দেয়।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে :
যে কেউ সৎকর্ম নিয়ে আসবে,
সে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান
পাবে এবং সেদিন তারা গুরুতর
অস্থিরতা থেকে নিরাপদ থাকবে•••
[সূরা আন-নামলঃ ৮৮]
একজন ছাত্র তার টিচারকে জিজ্ঞেস
করলো,
''ভালবাসা কি?''
শিক্ষক বললো,''আমি তোমার উত্তর
দেব,
কিন্তু তার আগে তোমাকে একটি কাজ
করতে হবে।
আমাদের স্কুলের সামনে যে ভুট্টার
ক্ষেত
আছে তুমি সেখানে যাও
এবং সবচেয়ে বড়
ভুট্টাটি নিয়ে ফিরে এসো।''
''কিন্তু একটা শর্ত আছে,
তুমি সবচেয়ে বড়
ভুট্টাটি খুঁজে নিয়ে আসবে
এবং খুঁজে প
২য় বার নিতে পারবে না''
ছাত্রটি মাঠে গেল
এবং ভুট্টার ক্ষেতের প্রথম
সারিতে খোঁজা শুরু করলো।
সেই সারিতে একটা বড়ভুট্টা ছিল
কিন্তু সে ভাবলো হয়তো সামনের
সারিতে আরো বড় কোন ভুট্টা তার
জন্য অপেক্ষা করছে।
পরে, যখন সে মাঠের অর্ধেকের
বেশি খোঁজা শেষ করলো তখন
বুঝতে পারলো এদিকের
ভুট্টাগুলো ঠিক অতটা বড় নয়
যেটা সে আগেই খুঁজে পেয়েছিল।
ছাত্রটি বুঝলো যে সবচেয়ে বড়
ভুট্টাটি সে পেছনেই
ফেলে এসেছে এবং এজন্য তার
অনুশোচনার শেষ থাকলো না।
তাই সে খোঁজা বাদ
দিয়ে খালি হাতে টিচারের
কাছে ফিরে এল।
টিচার তাকে বললো,''
এটাই ভালবাসা...
তুমি হয়তো জীবনে কাউকে খুঁজে পেলে
তবু আরো ভাল কাউকে পাওয়ার আশায়
যদি খুঁজতেই থাকো,
এমন একদিন আসবে যেদিন
তুমি উপলব্ধি করবে যে,
তোমার জন্য সবচেয়ে ভাল
মানুষটিকে তুমি পেছনে হারিয়ে ফেল
তখন আর তাকে ফিরে পাওয়ার কোন
উপায়
থাকবে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Cumilla