Jamea Akboria Sunnia Madrasah জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • Jamea Akboria Sunnia Madrasah জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা

Jamea Akboria Sunnia Madrasah জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা ইহা একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান

সময়কে মূল্য দাও, কিতাবকে সাথী বানাও।আজকের অধ্যবসায়ই আগামীর সুন্দর পথ এনে দেবে।জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা - স্বপ্ন ...
06/06/2026

সময়কে মূল্য দাও, কিতাবকে সাথী বানাও।
আজকের অধ্যবসায়ই আগামীর সুন্দর পথ এনে দেবে।
জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা - স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ🌸

📌নোটিশ -আবাসিক হিফয ও আলিয়া শাখার শিক্ষার্থীরা আজ দুপুর ৩ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার মধ্যে হোষ্টেলে অবস্থা করবে।আগামীকাল...
05/06/2026

📌নোটিশ -
আবাসিক হিফয ও আলিয়া শাখার শিক্ষার্থীরা আজ দুপুর ৩ ঘটিকা হতে সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার মধ্যে হোষ্টেলে অবস্থা করবে।
আগামীকাল রোজ: শনিবার থেকে সকাল ৯ ঘটিকা থেকে শ্রেণির সকল কার্যক্রম চলবে-
📲প্রয়োজনে-01927-475217

📌নোটিশ-
বি:দ্র: - প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ০৬-০৬-২০২৬ইং তারিখ। রোজ: শনিবার। সকাল ১১ঘটিকায়।

জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা এর পক্ষ থেকে- সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা🌸তাক্বাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুমEid Mubarak to all...
27/05/2026

জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা এর পক্ষ থেকে- সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা🌸
তাক্বাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
Eid Mubarak to all❣️

শুভ জন্মদিন 🌸
25/05/2026

শুভ জন্মদিন 🌸

🌸ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে মা-বাবার করণীয়:সারা দেশে মাদরাসা ও স্কুলে পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়ে...
24/05/2026

🌸ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে মা-বাবার করণীয়:

সারা দেশে মাদরাসা ও স্কুলে পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে। এই ছুটি শিশু-কিশোরদের জন্য আনন্দ, খেলাধুলা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর এক চমৎকার সুযোগ। শিশুদের শিক্ষা, আদব-আখলাক ও চরিত্র গঠনের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব বাবা-মায়ের ওপর ন্যস্ত। তাই সামান্য পরিকল্পনা ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এই স্বল্প সময়ের ছুটিকে তাদের জন্য উপকারী ও ফলপ্রসূ করে তোলা সম্ভব।
নিচে অভিভাবকদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরা হলো—

১. নাজেরা কুরআন ও দোয়া শিক্ষা
গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে সন্তানদের দিয়ে পূর্ণ নাজেরা কুরআন শরীফ পড়ানো এবং প্রয়োজনীয় দোয়া মুখস্থ করানো উচিত। যারা এখনো সম্পূর্ণ কুরআন পড়া শেষ করেনি, তাদের পাঠ সম্পন্ন করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

২. সুন্দর হাতের লেখার চর্চা
সন্তানদের পরিষ্কার ও সুন্দর হাতের লেখায় অভ্যস্ত করে তুলুন। নিয়মিত অনুশীলন তাদের লেখার মান উন্নত করবে।

৩. পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত বই পড়া
পাঠ্যবই ভালোভাবে অনুশীলন করানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি শিশুদের বয়স উপযোগী শিক্ষণীয় ও শিশুতোষ বই পড়ার সুযোগ করে দিলে তাদের জ্ঞান ও চিন্তার বিকাশ ঘটবে। প্রয়োজনে ছুটি পড়াশোনার জন্য অল্প পরিসরে রুটিনতৈরী করা যেতে পারে।

৪. ভ্রমণ ও শিক্ষাসফর
এই ছুটিতে শিশুদের গ্রামের পরিবেশ দেখানো যেতে পারে। পাশাপাশি কোনো কারখানা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা নিকটস্থ বাঁধ (ড্যাম) পরিদর্শনের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে, যা তাদের বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাড়াবে।

৫. গাছ লাগানো ও পরিচর্যা
সন্তানদের দিয়ে অন্তত একটি গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করুন। এমন জায়গায় গাছ লাগানো ভালো, যেখানে তারা নিজেরাই তার পরিচর্যা করতে পারে। এতে দায়িত্ববোধ ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।

৬. পাহাড়ি বা প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণ
সম্ভব হলে শিশুদের নিকটবর্তী কোনো পাহাড়ি বা প্রাকৃতিক এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, জীবনের অনেক কিছু পরে অর্জন করা যায়; কিন্তু শৈশব একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না।

৭. মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সংযম
সন্তানদের ওয়াই-ফাই ও মোবাইল ব্যবহারে যথাসম্ভব সীমাবদ্ধ রাখুন। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করুন। পাশাপাশি কোনো বিষয় অনুসন্ধান করে ছোট রিপোর্ট বা উপস্থাপনা তৈরির মতো শিক্ষামূলক কাজের লক্ষ্য দিন।

৮. ঘর পরিষ্কার ও গৃহকর্মে অংশগ্রহণ
ছুটিতে শিশুদের ঘরদোর ও অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গোছানোর কাজে যুক্ত করুন। এতে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস ও দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে।

৯. সাঁতার শেখানো
আপনার সন্তান সাঁতার না জানলে এই ছুটিতে তাকে সাঁতার শেখানোর ব্যবস্থা করুন। এটি আনন্দের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনদক্ষতাও।

১০. বন্ধু নির্বাচন ও মেলামেশায় সতর্কতা
ছুটিতে আপনার সন্তান কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, এমন সঙ্গ সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

১১. ছুটি শেষে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো

ছুটি শেষে কালক্ষেপণ না করে সন্তানদের নিয়মিত মাদরাসা বা স্কুলে পাঠানোর বিষয়ে সচেতন থাকুন।
বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার, এ সময় শিশু ও কিশোররা কুরবানির পশুর সঙ্গে সময় কাটাতে খুব আগ্রহী থাকে। পশু দেখা, খাবার দেওয়া ও তাদের সঙ্গে সময় কাটানো শিশুদের জন্য আনন্দময় অভিজ্ঞতা। তবে পশুর কাছাকাছি অবস্থানে শিশুদের তত্ত্বাবধান করা জরুরি, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। পাশাপাশি তাদের পরিচ্ছন্নতা, হাত ধোয়া এবং পশুর সঙ্গে সতর্ক আচরণের অভ্যাস শেখানো প্রয়োজন।

গরমের এই সময়ে শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। বিশেষ করে দুপুরের রোদে বেশি সময় না থাকতে দেওয়া, পর্যাপ্ত পানি, জুস ও হালকা খাবার নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা পানিশূন্যতা ও অতিরিক্ত গরমের ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকে।

আসুন, একটি সুপরিকল্পিত সময়সূচির মাধ্যমে ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে শিশুদের জন্য অর্থবহ, শিক্ষণীয় ও আনন্দময় করে তুলি। শিশুরা ছোট চারাগাছের মতো—সঠিক পরিচর্যা ও যত্নই তাদের সমাজের জন্য কল্যাণকর ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

মুফতি আব্দুল কাদের জিলানী রেজভী
প্রধান শিক্ষক
জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, নুরপুর, কুমিল্লা।
©️

📌নোটিশ-বি:দ্র: - প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ০৬-০৬-২০২৬ইং তারিখ। রোজ: শনিবার। সকাল ১১ঘটিকায়।
23/05/2026

📌নোটিশ-
বি:দ্র: - প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ০৬-০৬-২০২৬ইং তারিখ। রোজ: শনিবার। সকাল ১১ঘটিকায়।

মনোযোগ ছাড়া পড়াশোনা অনেকটা ছিদ্রযুক্ত পাত্রে পানি ভরার মতো। সময় দেওয়া হয়, পরিশ্রমও করা হয়—কিন্তু ফল আসে না প্রত্যাশামতো।...
17/05/2026

মনোযোগ ছাড়া পড়াশোনা অনেকটা ছিদ্রযুক্ত পাত্রে পানি ভরার মতো।
সময় দেওয়া হয়, পরিশ্রমও করা হয়—কিন্তু ফল আসে না প্রত্যাশামতো।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ছোট ছোট ভিডিও, অবিরাম নোটিফিকেশন এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে মানুষের মনোযোগের স্থায়িত্ব আগের তুলনায় কমে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বারবার মনোযোগ ভাঙলে মস্তিষ্কের গভীরভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

⭐তাহলে পড়ায় মনোযোগ বাড়াবেন কীভাবে❓

১. পড়ার সময় ফোন দূরে রাখুন
মনোযোগ নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো ফোন। একটি নোটিফিকেশনও মস্তিষ্কের মনোযোগের ধারা ভেঙে দিতে পারে।

২. একসাথে একটিই কাজ করুন
একসাথে পড়া, গান, চ্যাট, ভিডিও—সব করতে গেলে মস্তিষ্ক কোনোটিতেই পুরো মন দিতে পারে না। একসময় একটিমাত্র কাজ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩. ছোট সময় ধরে গভীর মনোযোগ দিন
একটানা ৪–৫ ঘণ্টা বসে থাকার চেয়ে ২৫–৫০ মিনিট গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়া বেশি কার্যকর হতে পারে। এরপর ছোট বিরতি নিন।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
ঘুম কম হলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা কমে যায়। রাত জেগে পড়া সবসময় কার্যকর হয় না।

৫. পড়াকে “বোঝার কাজ” বানান
শুধু মুখস্থ করার চেষ্টা করলে মস্তিষ্ক দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়। বিষয়টি বুঝে, নিজের ভাষায় ভাবার চেষ্টা করুন।

৬. পড়ার নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করুন
যেখানে ঘুমান বা বিনোদন নেন, সেখানেই সবসময় পড়তে বসলে মনোযোগ কমে যেতে পারে। সম্ভব হলে আলাদা ও পরিচ্ছন্ন পড়ার পরিবেশ তৈরি করুন।

৭. শরীর সচল রাখুন
নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে, যা মনোযোগ ও মানসিক সতেজতায় ভূমিকা রাখতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—
মনোযোগ কোনো “ম্যাজিক” নয়। এটি ধীরে ধীরে তৈরি হওয়া একটি অভ্যাস।

যে মস্তিষ্ক সবসময় দ্রুত বিনোদনে অভ্যস্ত, সে গভীর পড়াশোনায় সহজে স্থির হতে পারে না। তাই মনোযোগ বাড়াতে শুধু পড়ার কৌশল নয়, পুরো জীবনযাপনের অভ্যাসও বদলাতে হয়।

✍️প্রথম সাময়িক পরীক্ষার রুটিন -২০২৬ইং
17/05/2026

✍️প্রথম সাময়িক পরীক্ষার রুটিন -২০২৬ইং

12/05/2026

প্রথম সাময়িক পরীক্ষা-২০২৬ইং চলছে...
ছোট সোনামনিদের অংকন পরীক্ষার খন্ডচিত্র।

07/05/2026

“সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা”
আলোচক: জান্নাতুল মাওয়া সোহানা
শিক্ষার্থী- জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, কুমিল্লা।
দাখিল দশম শ্রেণি।

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jamea Akboria Sunnia Madrasah জামেয়া আকবরীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category