আল-ফিরাসাত একাডেমি

আল-ফিরাসাত একাডেমি

Share

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্লাটফর্ম।

আমাদের কোর্স সমূহঃ
১। নাহু-সরফ কোর্সঃ এই কোর্সের মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে নাহু-সরফ পাঠদানের মাধ্যমে হরকতবিহীন আরবি পঠনের যোগ্য করে তোলা হয়। যে কোন ক্লাসের শিক্ষার্থীরা এই কোর্স করতে পারেব।
২। মেশকাত কোর্সঃ এই কোর্সের মাধ্যমে দাখিল, আলিম ও ফাযিল ক্লাসের মেশকাত শরীফের সিলেবাস অনুসরণ করে হাদীসের পাঠদান করা হয়। একজন শিক্ষার্থী তার সিলেবাসের অংশটুকু ভালোভাবে আয়ত্ত্ব করতে পারবে। অন্য যে কেউ চাইলেও হাদীসের শ

31/07/2023

الألف الفارقة الزائدة:

الألف الفارقة، هي إحدى الحروف الزائدة، وهي تُكتب ولا يُنطق بها، وتأتي بعد واو الجماعة المتطرفة المتصلة بفعل ماضٍ أو أمر مثل (ذهبوا) و(اذهبوا) ومضارع منصوب أو مجزوم، وكما في قوله تعالى: (فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا وَلَن تَفْعَلُوا) فإذا كانت الواو غير واو الجماعة لا تلحقها الألف نحو (يغزو) و (يدع)، فإذا قلنا (الرجال لن يغزوا ولن يدعوا) أثبتنا الألف لأن الواو صارت واو جمع.

كذلك لا تزاد الألف بعد واو الجمع المتصلة باسم وإن كانت متطرفة نحو (هؤلاء ضاربو زيدٍ)، فضاربو كُتبت بدون ألف بعد الواو لأن الكلمة جمع مذكر سالم مضاف

سُميت الألف الفارقة لأنها وُضعت زائدة بعد واو الجمع المتصلة بالأفعال للتفريق بينها وبين واو الجمع المتصلة بالأسماء. وهي ألف تزاد خطًّا بعد واو الجماعة ولا لفظ لها، وهي للتفريق بين ما آخره حرف الواو، مثل: (يدعو)، وما اتصل به فاعل هو ضمير الجماعة، مثل (يفشلوا). نقول: زيدٌ يدعو، والمسلمون لن يفشلوا

03/07/2023

বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি প্রসিদ্ধ নামের ভুল ব্যবহার
..............................................................

মুহাম্মাদ / আহমাদ

مُحَمَّدٌ > মুহাম্মাদ > Muhammad
اَحْمَدْ > আহমাদ > Ahmad
প্রথমত নাম এ দুটি কুরআনিক শব্দ। ‘মুহাম্মাদ’ শব্দ পবিত্র কুরআনে চার জায়গায় এসেছে। এ নামটি আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আসলী বা মূল নাম। আর যত বানানবিভ্রাট বুঝি এই ‘মুহাম্মাদ’ আর ‘আহমাদ’ নামেই। হায়! বানানবিভ্রাট সৃষ্টির জন্য জাতি আর কোনো নাম খুঁজে পেল না। যার যেমন ইচ্ছা সে তেমনি লিখছেন। বাংলায় ‘মুহাম্মাদ’ বানানের বিভিন্ন রূপ প্রচলিত পাওয়া যায়। যেমন
মোঃ / মো. / মোহাঃ / মুহাঃ / মোহাম্মদ / মুহাম্মদ। তদ্রূপ ইংরেজি বানানে Md / Md. / Mohd / Mohammed / Muhammed / Mohammad ইত্যাদি।
‘আহমাদ’ শব্দের বানানও তথৈবচ। অথচ এটিও কুরআনিক শব্দ এবং প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গুণবাচক নাম। মুহাম্মাদ নামের তুলনায় এ নামের বানানে বেশি স্বেচ্ছাচারিতা লক্ষ করা যায়। যেমন- আহমেদ, আহম্মেদ, আহাম্মদ, আহাম্মেদ। তদ্রূপ ইংরেজি বানানেও Ahmed/Ahmmed/Ahammad/ Ahammed ইত্যাদি অজ্ঞতার কারণে কেউ লিখলে তা শোধরানোর চেষ্টা করা দরকার। কিন্তু জেনে শুনে লিখলে তাকে বারণ করবে কে? আহমাদ ‘ম’-এর সাথে আ-কার যুক্ত করে উচ্চারণই শুদ্ধ উচ্চারণ। তবে আহমদ উচ্চারণও দীর্ঘদিন শুদ্ধের কাছাকাছি হিসেবেই ধর্তব্য হচ্ছে। কিন্তু আহমেদ, আহম্মেদ, আহাম্মদ লেখার কোনো অবকাশ নেই।
মোঃ / মোহাঃ / মুহাঃ / মো: -এগুলো আমাদের প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ‘মুহাম্মাদ’ নামের ভিন্ন ভিন্ন সংক্ষেপ; যা আমাদের দেশে প্রচলিত। ‘মুহাম্মাদ’ একটি স্বতন্ত্র নাম। কারো নাম যদি মুহাম্মাদ হয়, তা হলে তা পূর্ণই লিখতে হবে, সংক্ষেপ করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আমাদের দেশে মুসলমানদের মূল নামের শুরুতে ‘মুহাম্মাদ’ লেখার প্রচলন বহু আগে থেকেই রয়েছে। একসময় ব্রিটিশ ভারতে অমুসলিম হিন্দুরা তাদের নামের শুরুতে ‘শ্রী শ্রী’ লিখত। তাদের দেখাদেখি কিংবা তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মুসলমানরাও নামের শুরুতে ‘শ্রী’ ব্যবহার করতেন। পুরাতন দলীলপত্র তা-ই প্রমাণ করে। এটা ছিল সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক আগ্রাসন।
এজন্য হিন্দুয়ানি প্রভাব থেকে মুসলমানদের রক্ষা করার জন্য উলামায়ে কিরাম তার মুকাবিলায় নামের শুরুতে নবীজির নাম লেখার প্রথা চালু করেন। যেন মুসলিম-অমুসলিম নামে পার্থক্য হয়ে যায়।
নামের শুরুতে নবীর নাম য্ক্তু করার শরীআতে কোনো বিধান নেই। কিন্তু এটি ছিল ভারতীয় মুসলমানদের আত্মমর্যাদাবোধের দাবি এবং আত্মপরিচয় তুলে ধরার প্রচেষ্টা। সেইসঙ্গে তা ছিল নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি মুহাব্বত ও ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ। বর্তমানে সে প্রেক্ষাপট যেহেতু নেই, সেহেতু নামের শুরুতে মুহাম্মাদ লেখার সেই তাৎপর্য আর বাকী নেই। কিন্তু অন্য একটি কারণে ‘মুহাম্মাদ’ যুক্ত করার গুরুত্ব এখনও রয়ে গেছে। তা হলো- বর্তমানে অনেক মুসলমানই ইসলামী সংস্কৃতির পরিচায়ক আরবী-ফারসী শব্দে নবজাতকের নাম না রেখে বাংলা-ইংরেজি শব্দে নামকরণ করতে শুরু করেছে। ক্রমশ সেই প্রবণতা বেড়েই চলছে। যে কারণে এ শিশুর মুসলিমপরিচিতি চাপা পড়ে যাচ্ছে। কাজেই এজাতীয় নামধারীদের জন্য নামের শুরুতে ‘মুহাম্মাদ’ যুক্ত করা অথবা শেষে আহমাদ যুক্ত করার অনেক গুরুত্ব রয়েছে, যেন তার মুসলিমপরিচিতি নামের মধ্যেও ফুটে ওঠে। যেমন- মুহাম্মাদ সুমন, অথবা ‘সুমন আহমাদ’।
কিন্তু কথা হলো, নামের শুরুতে যে ‘মুহাম্মাদ’ লেখা হবে, তার লিখনরীতি কী হবে? বর্তমানে ‘মুহাম্মাদ’ নামের অনেক বানানরীতি প্রচলিত রয়েছে। ব্যাকরণ মতে যেমন এসব লিখনরীতি শুদ্ধ নয়, তেমনি শাস্ত্রমতেও এই সংক্ষেপণ সিদ্ধ নয়। কারণ, প্রথমত- ভাষারীতিতে কোনো শব্দকে সংক্ষেপ করে তার পরিবর্তে বিসর্গ (ঃ) কিংবা কোলন (:) লেখার কোনো নিয়ম নেই। দ্বিতীয়ত, সম্মানার্থে ও বরকতের জন্য যে নাম যুক্ত করা হয়েছে, সংক্ষেপ করা দ্বারা তার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা হয়। অথচ নিজের নাম ঠিকই বহাল রেখেছে। এজন্য নামের শুরুতে ‘মুহাম্মাদ’ লিখলে তার পূর্ণঅংশ লিখুন, সংক্ষেপে নয়। আর পূর্বোক্ত ভুলপদ্ধতিতে তথা- মোঃ / মোহাঃ / মুহাঃ / মো: তো নয়ই।
অনুরূপভাবে ইংরেজি নামের আদ্যংশের Muhammad শব্দকে সংক্ষিপ্ত করে Md. না লেখা চাই। এ প্রবণতা কেবল বাংলাদেশে। বিশ্বের আর কোথাও এ নামকে সংক্ষেপ করার রেওয়াজ প্রচলিত নয়। একারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘মুহাম্মাদ’ নামের অংশবিশেষ মো./MD. নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কারণ MD দ্বারা আরেকটি অর্থ বোঝায়। MD-এর পূর্ণরূপ হলো Managing Director (ম্যানেজিং ডিরেক্টর) কাজেই এ বিষয়ে আরেকটু সচেতন হওয়া উচিত।
তদ্রূপ মুহাম্মাদ শব্দের বানানে ‘মুহাম্মেদ’ কিংবা ‘মোহাম্মদ’ও কখনো লিখবেন না। এটি ইংরেজদের Mohammed বানান থেকে এসেছে। ইংরেজরা ইচ্ছাকৃতভাবেই অন্য ভাষার শব্দকে বানানবিকৃতি ঘটায়, যদিও তারা শুদ্ধ বানান লিখতে পারে। যেমন তারা ‘উসমানী সাম্রাজ্য’কে ‘অটোমান সাম্রাজ্য’, ‘মক্কা’কে ‘মেক্কা, ‘আহমাদ’কে ‘আহমেদ’ লিখে থাকে। এজাতীয় বানানে অন্ধ অনুসরণ করা যাবে না।
আর এটাও জেনে রাখা দরকার, আরবী কার-চিহ্ন পেশ-এর প্রতিরূপ হিসেবে বাংলায় ও-কার (ে া) এবং ইংরেজিতে ‘O’ ব্যবহার হবে না; বরং বাংলায় উ-কার ( ু) ইংরেজিতে ‘U’ হবে।
তা ছাড়া নামের অংশ হিসেবে একই নামে ‘মুহাম্মাদ’ ও ‘আহমাদ’ একত্র না করা চাই। যেমন- মুহাম্মাদ আহমাদ, মুহাম্মাদ হুসাইন আহমাদ। এখানে ‘মুহাম্মাদ’ বাদ দিয়ে শুধু ‘হুসাইন আহমাদ’ ব্যবহার করা অথবা ‘আহমাদ’ বাদ দিয়ে ‘মুহাম্মাদ হুসাইন’ ব্যবহার করাই শ্রেয়।

©শুদ্ধচর্চা

02/07/2023

جواز حذف النون من مضارع كان:

الأمثلة من أيات القرأن الكريم :
١. ولم أكُ بغيا (مريم:20)
٢. قالو لم نكُ من المصلين (المدثر: 43)
٣. ولم يكُ شيئا (مريم: 67)
٤. و إن تكُ حسنة يضاعفها (النساء: 40)
أصل الأفعال(أك، نك، يك، تك) كان أكون>أكن، نكون> نكن، يكون> يكن، تكون>تكن . حذفت الواو لاجتماع الساكنين و حذفت النون للتخفيف جوازا.
حذفت النون من الأفعال (أك، نك، يك، تك) في الأيات المذكورة بستة شروط كما تلي:
١) أن يكون الفعل مضارعا
٢) أن يكون الفعل مجزوما
٣) أن تكون علامته السكون
٤) أن يأتي بعدها حرف متحرك
٥) أن يكون وصلا لا وقفا يعني أن يكون في وسط الكلام
٦) ألا يقع بعدها ضمير متصل

تحذف النون من مضارع كان جوازا إن وردت فيه هؤلاء الشروط السابقة لا وجوبا

إعراب (أك، نك, يك، تك): فعل مضارع مجزوم، وعلامة جزمه السكون على النون المحذوفة للتخفيف.

الملاحظة: اللغة العربية هي أغنى لغات العالم

02/07/2023

متى تكتب الهمزة في آخر الكلمة منفردا ومتى على حرف:

١. إذا كان قبلها حرف ساكن أو واو مشددة مضممومة حينئذ تكتب الهمزة منفردة.
مثال: جزء، ملء، جاء ، شاء، ساء، تبوُّء وغير ذالك

٢. إذا كان قبلها حرف متحرك أو لم تكن قبلها واو مشددة فتكتب الهمزة على حرف من جنس حركة ما قبلها .
مثال: امرُؤ، امرِئ، ينشَأ، يبرَأ، مبرِئا وغير ذالك.

24/06/2023

أحوال بناء الفعل الماضي:
ثلاث حالات في بناء الفعل الماضي وهي

١) الفتحة: يكون مبنيا على الفتحة الظاهرة
* إذا لم يتصل به شيء ، يعني لصيغة المفرد المذكر للغائب
مثلا: نصر، سمع
* إذا اتصلت به تاء التانيث الساكنة التي هي حرف لا محل لها ، مثلا: نصرت
* إذا اتصلت به ألف الإثنين التي هي ضمير متصل مبني على السكون في محل رفع فاعل ، مثلا: نصرا
* يكون مبنيا على الفتحة المقدرة إذا يكون معتل الآخر، مثلا: دنا

٢) السكون: يكون مبنيا على السكون
*إذا اتصلت به تاء الفاعل المتحركة ، مثلا: نصرت
*إذا اتصلت به نا الدالة على الفاعل ، مثلا: نصرنا
*إذا اتصلت به نون النسوة ، مثلا: نصرن

٣) الضمة: يكون مبنيا على الضمة الظاهرة
*إذا اتصلت به واو الجمع، مثلا: نصروا

23/03/2023

তামরীন একাডেমির পক্ষ থেকে সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।

স্বাগত মাহে রমজান ১৪৪৪ হিজরি

12/09/2022

#আলিম_পরীক্ষায়_আরবিতে_উত্তর_প্রদানঃ
🎓আপনি কি আলিম ক্লাসে পড়ছেন?
🖊️আরবি টু আরবি উত্তর লিখতে চান?

📝আর কিছুদিন পরেই আলিম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জীবনের এই টার্নিং পয়েন্টে গোল্ডেন A+ পাওয়ার আশা সবারই থাকে। আপনিও হয়তো আশা করেন।

🖊️আলিম পরীক্ষায় আরবি বিষয়গুলোতে উত্তর লেখার ক্ষেত্রে আরবি টু আরবি লিখতে পারলে A+ পাওয়াটা যতটা সহজ বাংলায় লিখে A+ পাওয়াটা অতটা সহজ নয়, তবে বাংলায় লিখলেও A+ পাওয়া যেতে পারে। তবে আমার পরামর্শ হল- সক্ষম হলে আরবিতে লিখা, এতে করে A+ পাওয়াটা বেশি সহজ হয়।

🖋️আমি যে বিষয়গুলো আরবিতে উত্তর লিখেছিলামঃ
১। কোরআন মাজীদ
২। হাদিস শরীফ
৩। আরবি ১ম পত্র
৪। আরবি ২য় পত্র
৫। ফিকহ ১ম পত্র
৬। ফিকহ ২য় পত্র
৭। বালাগাত ও মানতিক

📚আল্লাহর রহমতে গোল্ডেন A+ পেয়েছিলাম। চাইলে আপনিও আরবিতে লিখতে পারেন। আরবিতে অল্প লেখায় বেশি কথা বুঝানো সম্ভব, যা বাংলায় সম্ভব না।

🎯কিভাবে লিখবেন আরবিতেঃ
১। একটু একটু আরবি লেখার চর্চা করা
২৷ না বুঝে শুধু মুখস্ত না করে বুঝে বুঝে মুখস্থ করা
৩। আভ্যন্তরীণ সকল পরীক্ষায় আরবিতে উত্তর লেখা
৪। মনোবল রাখা
৫। তিন ভাষার পকেট ডিকশনারি সাথে রাখা। যাতে অজানা বাংলা শব্দের আরবি জানা যায় ( আমাকে বেশ উপকার দিয়েছে)
৬। আপনি যতটুকু নাহু সরফের জ্ঞান রাখেন সেগুলোই এপ্লাই করা
৭। আপনি পারবেন এই আত্মবিশ্বাস রাখা
৮। সমস্যা মনে হলে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া।

আরবিতে উত্তর প্রদানের ক্ষেত্রে যে কোন সমস্যায় সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

সাইফুল ইসলাম
কামিল( হাদিস), দারুন নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা
বিএ(অনার্স), এমএ(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মারকাযুত তামরীন আল-ইসলামী

26/08/2022

🖨️আরবী কম্পোজ করতে চানঃ

মাদরাসার যে কোন আরবি কম্পোজ করার প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
হরকতসহ এবং হরকতবিহীন উভয় ভাবেই কম্পোজ করে দেয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

🎤আরবি, বাংলা, ইংরেজি যে কোন ভাষায় যে কোন বিষয় কম্পোজ করে দেয়া যাবে। আমরা প্রতিষ্ঠানের আরো যে সকল কাজ করে থাকি-

📜মাদরাসার প্রশ্নপত্র,
📑সিলেবাস,
📙বার্ষিক কার্যক্রম,
📒স্মৃতি স্মারক
📗বিদায়ী স্মারক
📚 শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হ্যান্ডনোট

এগুলো ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কাজ করা হয়।

যোগাযোগঃ
সাইফুল ইসলাম
মেসেঞ্জারঃ m.me/tamreenacademy
Whatsapp: 01915956009, 01796254023

আল-ফিরাসাত একাডেমি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্লাটফর্ম।

25/08/2022

📜প্রশ্নঃ— فلا تقل لهما أف এই আয়াতে أف টি কী? মুরাব না মাবনী? তারকীবে কী হয়েছে?

📜উত্তরঃ—
এই আয়াতে যে, أف আছে এটা হল اسم فعل بمعنى المضارع যা أتضجر এর অর্থ দিবে।
এই أف হল মাবনী। কারণ اسم فعل গুলো মাবনী হয়। তাই এটাও মাবনী হবে।

▪️এখন প্রশ্ন হলো কিসের উপর মাবনী?
▪️উত্তর হল- সাকিনের উপর মাবনী। আবার কেউ এটাকে কাসরার উপর মাবনী বলেন। যেমন আল্লামা আমীল বাদী ইয়াকুব সাহেব এটাকে مبني على الكسر বলেছেন।
এরকম ব্যবধানের কারণ হলো এই أف শব্দে দশটি লুগাত আছে। লুগাতগুলো নিম্নরূপ-
أفِّ، أفُّ، أفَّا، أفٍّ، أفٍّ له، أفّٰى، أفِّيْ، أفَّةً، أفْ، أفِ

🔸এখন আবার প্রশ্ন আসে তাহলে তানবীন কোথা থেকে আসলো?
🔸উত্তর হল- যখন কোন মাবনী শব্দ দ্বারা নাকিরা বুঝানো উদ্যেশ্য হয় তখন তার মধ্যে تنوين تنكيري লাগানো হয়। এখানে أف দ্বারা নাকিরা উদ্যোশ্য তাই তার মধ্যে تنوين تنكيري আনা হয়েছে।

🔹এখন প্রশ্ন হল- আমরা জানি موانع تنوين নয়টি যথা-
১. الف و لام হলে যেমনঃ- الرجلُ
২. مضاف হলে। যেমনঃ- كتابُ خالدٍ
৩. غير منصرف হলে। যেমন- عمرُ
৪. مبني হলে। যেমন- الذي
৫. فعل হলে। যেমন- يضرب
৬. تثنية হলে। যেমন- رجلان
৭. جمع مذكر سالم হলে। যেমন- مسلمون
৮. দুই নামের মধ্যেখানে ابن ، ابنة হলে। যেমন- زيدُ بن خالدٍ
৯. منادى مفرد হলে। যেমন- يا زيدُ

তন্মধ্যে একটি হলো مبني হওয়া। তো এখানে মাবনী হওয়া সত্বেও তানবীন আসলো কীভাবে?
🔹উত্তর হল- মাবনীর মধ্যে তানবীনে তানকীরী আসতে পারে। যেমন صهٍ

▫️এখন প্রশ্ন হল- যারা সাকিনের উপর মাবনী বলেন তাদের প্রশ্ন হল কাসরা আসলো কেন? তানবীন তো أخف الحركات হিসেবে ফাতহা দেয়া যেতো অথবা জম্মা দেয়া যেতো।
▫️উত্তর হল- এখানে فاء সাকিন ছিল আর প্রসিদ্ধ কায়েদা আছে যে, الساكن إذا حرك حرك بالكسر অর্থাৎ- সাকিনকে হরকত দিলে কাসরা দেয়া হয়। সেই উসুল অনুযায়ী তাকে কাসরা দেয়া হয়েছে। যেমন- صهٍ মধ্যে দেয়া হয়েছে। সেটাও মূলত صهْ ছিল।

🔻এখন প্রশ্ন হল- أف এর অর্থ কী?
🔻উত্তর হল- أف এর মুল অর্থ হল- الوسخ حول الأذن أو حول الظفر । কিন্তু যখন ইসমে ফেইল উদ্যোশ্য হয় তখন অর্থ হয়- أستقذر ،و أتأفف কখন সেটা أتضجر এর অর্থ দেয়। আর এখানে সেটাই উদ্যোশ্য। এখানে أف দ্বারা উদ্দেশ্য হল- أتضجر كثيرا من كل شيء অর্থাৎ- কোনো রকমের দুঃখ কষ্ট মুলক শব্দ উচ্ছাড়ণ করা যাবেনা। শুধু বিরক্তি হওয়া , অসন্তুষ্ট হওয়া বা রেগে যাওয়া উদ্দেশ্য নয়।
যেমন صهْ টি হলে মারিফা তার অর্থ হল- اسكت الآن আ صهٍ টি হলো নাকিরা তার অর্থ হল- اسكت سكوتا ما في وقت ما
ঠিক এরকম ভাবেই أف এর ক্ষেত্রেও সেটাই বুঝানো উদ্যোশ্য।

🔸এখন প্রশ্ন হল- এখানে أف টি তারকীবে কী হয়েছে?
🔸উত্তর হল- এখানে أف টি তারকীবে قول এর مقولة হয়েছে।

🔹এখন প্রশ্ন হল- এগুলো অর্থাৎ اسم فعل গুলো সাধারণত কিভাবে তারকীব করা হয়?
🔹উত্তর হল- এগুলোকে আল্লামা আমীল বাদী' ইয়াকুব সাহেব জুমলা ফেইলিয়া বলেন আর আল্লামা ইবনে হাজিব জুমলা ইসমিয়া বলেন।

👉আমরা আরেক পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশা আল্লাহ।।।


📜المراجع و المصادر📜
[١] لسان العرب ج١ ص١٤٣
[٢] موسوعة النحو و الصرف و الإعراب ص۱۲۵
[٣] المعجم المفصل في النحو العربي ص٢٠٦
[٤]المعجم الوسيط في الإعراب ص٤٩
[٥] جامع الدروس العربیة ج١ ص١٠

✍️তারকীম ও তারতীব✍️
মাওলানা হোসাইন আহমাদ ফয়জী
উস্তাজুন্নাহু ওয়াস্সরফ:-
মাদরাসাতুস সালিহীন গাজীপুর, ঢাকা।

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Singula, Daudkandi
Cumilla
3500