20/02/2026
ইফতারের সময় রোযাদারের দো'আ
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللهُ
যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল 'উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হু
পিপাসা দূর হ'ল, শিরা-উপশিরা সিক্ত হ'ল এবং নেকী নিশ্চিত হ'ল ইনশাআল্লাহ্'
হাসান। আবু দাউদ ২৩৫৭
18/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা রামাদান মাসে প্রবেশ করেছি 💛
এই পবিত্র মাসটা আমলমুখর, ইবাদাত-মুখর কাটুক, আমাদের অন্তরাত্মায় সত্যিকারের পরিবর্তন নিয়ে আসুক—এই দুয়া।
রামাদান কারীম 💚
04/02/2026
কুরআন পাঠ করো কেননা এটি কিয়ামতের দিন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে।”
হাদিস: সহিহ মুসলিম, হাদিস ৮০৪
03/02/2026
তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ-কারী হিসেবে আগমন করবে।
মুসলিম: ৮০৪, আহমাদ: ১২৬৪২
02/02/2026
আবু আব্দুর রহমান সুলামী (রঃ) বলেন, আমাদেরকে আমাদের ওস্তাদগণ বর্ণনা করেছেন যে, যাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ছাত্র ছিলেন তাঁরা দশটি আয়াত শিখলে ততক্ষণ পর্যন্ত আর আগে বাড়তেন না,
যতক্ষণ পর্যন্ত ঐ দশ আয়াতের বর্ণিত ইলম ও আমল শিক্ষা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, আমরা ইলম ও আমল উভয়ই একই সময়ে শিক্ষা করেছি।
আহামদ-২৩৪৮২
02/02/2026
কুরআন এমন এক কিতাব যা পড়লে জ্ঞান বাড়ে আর মানলে জীবন বদলে যায়।
01/02/2026
“শবে বরাত” যেই দিনটিকে ঘিরে আমাদের সমাজে রয়েছে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি।
একদিকে এই রাতকে ঘিরে আমাদের সমাজে যেমন প্রচলিত রয়েছে বেশ কিছু বিদআত; যেগুলো থেকে বেঁচে থাকা আমাদের জন্য আবশ্যক।
আবার অন্যদিকে হাদিসে শাবানের এই মধ্য রজনীকে আখ্যায়িত করা হয়েছে বরকতময় হিসেবে; যেটিকে অস্বীকার করারও কোনো সুযোগ নেই।
- এখন প্রশ্ন হলো আমাদের করণীয় কি?
- আসুন সংক্ষেপে হাদিসের আলোকেই “শবে বরাতের” ফযীলত, করণীয় ও বর্জনীয় গুলো সম্পর্কে আমার জেনে নেই ইন শা আল্লাহ—
━━━━━━━━━━
❏ শবে বরাত কী?
━━━━━━━━━━
প্রথমত, শবে বরাত কোনো আরবি শব্দ নয়।
এটি মূলত ফারসি শব্দ—
➤শব = রাত
➤বরাত = মুক্তি / নিষ্কৃতি
অর্থাৎ, শবে বরাত বলতে সাধারণভাবে বোঝানো হয়—
মুক্তির রাত।
তবে কুরআন ও সহিহ হাদিসে
“শবে বরাত” নামে কোনো রাতের উল্লেখ নেই।
শরিয়তের ভাষায় এই রাতকে বলা হয়— “লাইলাতুন নিসফি মিন শা‘বান” অর্থাৎ, শা‘বান মাসের মধ্যবর্তী রাত। এই নামেই হাদিসে এ রাতের ফযীলতের কথা এসেছে।
━━━━━━━
❏ ফযীলত
━━━━━━━
আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন— “আল্লাহ তায়ালা মধ্য শা‘বানের রাতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করে দেন।”
—(ইবনু মাজাহ : ১৩৯০)
তাহলে যে রাতে আল্লাহ তা'আলা তাঁর সৃষ্টির সকলকে সাধারণ ক্ষমার এত সুন্দর একটি সুযোগ দিচ্ছেন, সে রাত শুধু শুধুই ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়া কি কোনো বুদ্ধিমান মুমিনের কাজ হবে?
না! আসুন জেনে নেই করণীয় আমল সম্পর্কে।
━━━━━━━━━━
❏ করণীয় আমল
━━━━━━━━━━
(নির্দিষ্ট কোনো আমল ব্যতীত, অন্যান্য সাধারণ দিনের ন্যায় সাধারণ নফল ইবাদত আদায় করা)
● সাধারণ নফল সালাত আদায়
● তাহাজ্জুদের সালাত
● কুরআন তিলাওয়াত
● বেশি বেশি দুরূদ ও ইস্তিগফার পাঠ
● নিজের গুনাহ স্মরণ করে আন্তরিক তাওবা
● বেশি বেশি দু‘আ করা—
যেন আল্লাহ তা'আলা আমাদেরও হাদিসে বর্ণিত সেই
ক্ষমাপ্রাপ্ত সৌভাগ্যবান বান্দাদের কাতারে
অন্তর্ভুক্ত করে নেন
━━━━━━━━━━━━
❏ বর্জনীয় বিষয়সমূহ
━━━━━━━━━━━━
(দলিলবিহীন ও বিদ‘আতি আমল থেকে বিরত থাকা। এ রাতকে ঘিরে বিশেষ কোনো ইবাদাতের কথা কোনো সহীহ হাদীসে আসেনি)
✘ এই রাতকে ঘিরে বিশেষ কোনো ইবাদাত করা
✘ বিশেষ নিয়মে সালাত আদায় করা
✘ এই রাতের নিয়তে বিশেষ সিয়াম রাখা
✘ হালুয়া-রুটি বিতরণকে ইবাদত মনে করা
✘ নির্দিষ্ট নিয়মে গোসলকে সুন্নাহ ভাবা
✘ এই রাতকে ঘিরে বিশেষ দু'আর অনুষ্ঠান, আতশবাজি, উৎসবমুখরতা, ইত্যাদি
বিঃদ্রঃ [ সিয়াম রাখতে চাইলে আরবী মাসের ১৩/১৪/১৫ তারিখ হিসেবে আইয়্যামে বীজের নফল তিনটি সিয়াম রাখতে পারেন ]
━━━━━━━━━━━━━
❏ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা
━━━━━━━━━━━━━
মনে রাখবেন—
এই রাতে আল্লাহ তাআলা
মুশরিক ও হিংসুককে ব্যতীত সকলকেই সাধারণ ক্ষমা করে দিবেন।
তাই যদি এই দুটি বদগুণ আপনার মাঝে না থাকে, তাহলে এই রাতে কোনো ইবাদাত না করে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলেও আপনি সেই নাজাতপ্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ।
কিন্তু যদি এই দুটি বদগুণ আপনার মাঝে থাকে, তবে সারারাত ইবাদাত করেও সেই নাজাতপ্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আপনি হবেন বঞ্চিত।
সুতরাং এই রাতের মূল প্রস্তুতি হলো—
➤শির্ক থেকে তাওবা
➤অন্তরের হিংসা দূর করা
➤আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা
“আগে থেকে দেখে এসেছি, আমার বাপ–দাদারাও করে এসেছেন”— এই ধরনের কথার গণ্ডি থেকে বেরিয়ে এসে নিজে যাচাই–বাছাই করে সঠিক আমল করুন। মনে রাখবেন, আপনার কবরে আপনার আমলের জবাব আপনাকেই দিতে হবে।
সুতরাং সচেতন ও সতর্ক হোন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের একটি পবিত্র ক্বলব দান করুন এবং তাঁর নাজাতপ্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। আমিন।
✍️Hazera Farhad Sayma
01/02/2026
তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে-ই, যে কুরআন শিখে এবং তা অন্যকে শেখায়।
হাদিস: মুসনাদ আহমদ, হাদিস ১৬৫৪৬
30/01/2026
যে ব্যক্তি কুরআনকে আঁকড়ে ধরে সে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।
হাদিস: মুসনাদ আহমদ,
হাদিস ১৬৫৪৬।
30/01/2026
শুক্রবার দুরূদ পাঠের দিন
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلَّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
"আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়ি্যনা মুহাম্মাদ" অর্থ: হে আল্লাহ, আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর আপনি রহমত ও শান্তি দান করুন।
24/01/2026
কুরআন পড়ার সময় আমরা হয়ত কখনো জান্নাতের বর্ণনায় কেঁদেছি। কখনো দোয়া করেছি। আমাদের হয়ত মনেও নাই। আল্লাহর মনে আছে। কোনো ভালো কাজ তাই, তুচ্ছ না।
উস্তাযা নায়লা নুযহাত
23/01/2026
যে ব্যক্তি কুরআন
পাঠ করে ও তা অনুসরণ করে, সে জান্নাতের পথে চলেছে।