Lakkhanpur Islamia Fazil Madrasah লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • Lakkhanpur Islamia Fazil Madrasah লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা

Lakkhanpur Islamia Fazil Madrasah লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা Arabic Lecturer of Lakhsmanpur Fazil Madrasha. Monohorgonj,Cumilla.

17/04/2025
আলহামদুলিল্লাহ :আল্লাহর রহমতে আমার একমাত্র ছেলে সানজিদ আলম (স্বাধীন) কে অবশেষে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়...
19/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ :
আল্লাহর রহমতে আমার একমাত্র ছেলে সানজিদ আলম (স্বাধীন) কে অবশেষে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পন্ন করলাম, সবাই দোয়া করবেন ছেলে যেন ভালো ভাবে পড়াশোনা শেষ করে দেশ ও জাতির সেবা করতে পারে,

ইংরেজি শেখার জগতে সবাইকে স্বাগতম 🎉❤️📚
04/03/2025

ইংরেজি শেখার জগতে সবাইকে স্বাগতম 🎉❤️📚

মাদ্রাসায় কেন শিক্ষার্থী ভর্তি হবে? "আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সংকট ও উত্তরণের উপায়" ১.কেনো একজন অভিভাবক তাঁর সন্তান...
16/01/2025

মাদ্রাসায় কেন শিক্ষার্থী ভর্তি হবে?
"আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সংকট ও উত্তরণের উপায়"
১.কেনো একজন অভিভাবক তাঁর সন্তানকে মাদ্রাসায় ভর্তি করাবেন সে বিষয়গুলো জানানো।
২.মাদ্রাসায় পড়াশোনা করলে কী কী সুবিধা রয়েছে সেগুলো তুলে ধরা।
৩.শিক্ষার্থী বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নত করা।
৪.প্রতিটি মাদ্রাসাকে কিছু স্পেসিফিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারন করা।
৫. সকল শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সন্তানদেরকে নিজ নিজ মাদ্রাসা ভর্তি করা।নিজ মাদ্রাসায় বিজ্ঞান, মুজাব্বিদ ক্বারী, কারিগরি ও ব্যবসা বিভাগ না থাকলে চালু করা।
৬.সকল শিক্ষকের যথাযথ দায়িত্ব পালন করা,সৎ গুণাবলি অর্জনসহ নৈতিকতা সম্পন্ন হওয়া এবং সঠিক নিয়মে ক্লাস নেওয়া।
৭.মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে সকল বৈষম্য দূর করা।
৮.বিশুদ্ধ কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত শেখানো ও আমল -আখলাকের উপর গুরুত্বারোপ করা।ইলমুল কিরায়াতে একবছরে ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা।
৯.যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করা।
১০.প্রশাসনিক পদে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও যোগ্য লোককে নিয়োগ করা।
১১.আলিয়া মাদরাসায় প্রাক- ইবতেদায়ী শাখা চালু করা। এবং স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করণ করা।
১২.মাদ্রাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় বা ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে একটা গবেষণা ইনস্টিটিউট তৈরি করা। যা শিক্ষার মান ও কারিকুলাম তৈরি করবে।
১৩.উপরের স্তরে নারী শিক্ষিকা কমিয়ে ইবতেদায়ী স্তরে মহিলা শিক্ষিকা বৃদ্ধি করা এবং বেতন কাঠামো ও নিয়োগ যোগ্যতা পরিবর্তন করা এবং প্রশিক্ষণ ইনিস্টিউটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
১৪.শিক্ষার্থী বৃদ্ধিতে হোম ভিজিট করা।
১৫.মাদ্রাসায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক দলাদলি ও চর্চা বেশি হওয়া।
১৬.সৎ, যোগ্য ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে ব্যর্থ হওয়া।
১৭.মাদ্রাসায় মূল কিতাব না পড়ানো।
১৮.আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতির ব্যবহার না করা।
১৯.শিখন-শেখানোর ক্ষেত্রে ICT ব্যবহার না করা।
২০.আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার না করা।
২১.নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ না করা।
২২.সমাজে মাদ্রাসা শিক্ষার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরা।
২৩.ধর্মীয় নেতা ও মাদরাসা শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাধ্যমে মাদ্রাসার ভালো দিকগুলো প্রচার -প্রচারণা চালানো।
২৪.শিক্ষকদেরকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া।
২৫.মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপর রাজনৈতিক নিপিড়ন চালানো।
২৬.মিডিয়াত, নাটক ও সিনেমাতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে নেগেটিভভাবে উপস্থাপন করা।
২৭.পর্যাপ্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থা না থাকা।
২৮.শিক্ষকরা যত্ন ও আন্তরিকতার সাথে ক্লাস না নেওয়া।
২৯.মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য অনুকূল শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারা।
৩০.কো-কারিকুলাম এক্টিভিটিস না থাকা( বিজ্ঞান মেলা,বিতর্ক প্রতিযোগিতা,পিঠা উৎসব এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দিবস উদযাপন না করা)
৩১.ইনহাউজ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না থাকা।
৩২.ম্যানেজিং কমিটি ও গর্ভনিং বডির সদস্য ও সভাপতি হিসেবে মাদ্রাসা বিদ্বেষী লোককে নিয়োগ করা।
৩৩.আন্তঃমাদরাসা প্রতিযোগিতার আয়োজন না করা।
৩৪.দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে না পারা।
৩৫.শিক্ষকের তুলনায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ইনিস্টিউট না থাকা।
৩৬.শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করা।
৩৭.পুরাতন শিক্ষার্থীদেরকে ধরে রাখা এবং নতুন শিক্ষার্থী সংগ্রহ করার জন্য কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করা।
৩৮.শিক্ষকদেরকে আরো বেশি সচেতন হওয়া এবং নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল হওয়া।
৩৯.শিক্ষকদেরকে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নে পড়াশোনা বৃদ্ধি করা।
৪০.ক্লাসে উপস্থিতির জন্য ১০ মার্ক বরাদ্দ রাখা।
৪১.সকল শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সন্তানদেরকে নিজ নিজ মাদ্রাসায় ভর্তি করা।
৪২.ব্রাইডিং ক্রাইসিস দূর করা।
৪৩.যে সকল মাদ্রাসা ধর্মানুরাগী ব্যক্তিদের নিজ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে সে সকল মাদ্রাসা সরকারি উদ্যোগে বন্ধ করার পায়তারা করা।
৪৪.শিক্ষকদের মানসম্মত বেতন -ভাতা ও পদন্নোতির ব্যবস্থা করা।
৪৫.নায়েম এর মতো বিএমটিটিআইকে গড়ে তোলা। বিশেষ করে মাদরাসার কারিকুলাম ও পাঠ-পুস্তক প্রণয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখা।
৪৬.মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য জব সেক্টর তৈরি করা।
৪৭.সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করে তা দূর করা।
৪৮.মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করা।
৪৯.স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাসহ সকল মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা।
৫০.ইবতেদায়ী স্তরে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও ডেমিল চালু করা।
৫১.মাদ্রাসা শিক্ষার মান নিম্ন বিধায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সামাজিক ভ্যালু কম থাকা।
৫২.মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতানৈক্য ( ইখতেলাফ) বেশি থাকা।
৫৩.মাদ্রাসা শিক্ষার উপর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো।
৫৪.মাদ্রাসা শিক্ষার ব্যাপারে অপপ্রচার চালানো।
৫৫.বিগত সময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কাছে কুরআন ও হাদিসের বই রাখলে বা পাওয়া গেলে জঙ্গি আখ্যা দেওয়া।
৫৬.যে সকল মাদ্রাসায় অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে সে সকল মাদ্রাসায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সরাসরি প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া বিধান রাখা। যারা দাখিল ও আলিম পাশ করে থিওলজিতে বিদেশে ( আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ও উম্মুল কুরা এবং মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে পড়াশোনা করেছেন।
৫৭.শিক্ষানীতিতে গলদ থাকা।
৫৮. মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রাখতে এনসিটিবিতে মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য স্বতন্ত্র একটা শাখা চালু করা।
৫৯.এনটিআরসি এর প্রিলি পরীক্ষায় ইসলামিয়্যাত(কুরআন, হাদিস, ফিকাহ এবং আরবি) সংযুক্ত করা।
৬০. শিক্ষার পরিবেশ ও পড়ালেখার মান উন্নয়নে ইবতেদায়ী স্তর, দাখিল স্তর, আলিম স্তর, ফাযিল ও কামিল স্তর পৃথক করা।
৬১.দাখিল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা যাতে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারে।
৬২.মাদ্রাসার শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা ।বেতন -ভাতা বৃদ্ধি এবং পদন্নোতি নিতে বেশি ব্যস্ত থাকা।
৬৩.মাধ্যমিক পর্যায়ে ক্রমান্বয়ে উপবৃত্তি চালু করা।
৬৪.মাদ্রাসা শিক্ষকদের দক্ষ, যোগ্যতা ও কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা।
৬৫.মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী বৃদ্ধিতে কওমীয়া ও আলিয়া দ্বন্দ্ব নিরসন করে যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৬৬.মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা।
৬৭. প্রত্যেক বিষয়ের জন্য উপজেলা পর্যায়ে একজন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা।
৬৮.শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে না পারা।
৬৯. মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদেরকে যথাযথ মূল্যায়ন না করা এবং সকল মাদ্রাসায় একটা অ্যালামনাই এসোসিয়েশন না থাকা।
৭০.মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মাদ্রাসায় ছাত্রাবাস বৃদ্ধি না পাওয়া।
৭১. শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন মূল্যায়নে উপর বিশেষ গুরুত্বপ্রদান। যেখানে উপস্থিতি, ইউনিফর্ম ও আমল আখলাকের উপর নম্বর প্রদান। উপস্থিতির জন্য নম্বরের পাশাপাশি পুরস্কারের ব্যবস্থা করা।
৭২. ইবতেদায়ী স্তরে প্লে/ নার্সারি চালু করা যেখানে নূরানি পদ্বতিতে কুরআন শিক্ষাপ্রদান, হাতে কলমে আরবি, ইংরেজি, বাংলা হাতের লেখা শিখানো।
৭৩. ইবতেদায়ী স্তরে মহিলা শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
৭৪. পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের উপর বিশেষ যত্নবান এবং অভিভাবক সহ ইতিবাচকভাবে কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা।
৭৫. আরবি ও ইংরেজি ভাষার ( ৪ টি দক্ষতা) উপর ব্যবহার পরীক্ষা( মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ পরিক্ষায়) নম্বর প্রদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
৬. পাঠপরিকল্পনা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আনন্দদায়ক ও যুগোপযোগী পাঠদান।
৭৬. প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান প্রধান / সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান এর বিএড, ও এম এড প্রশিক্ষণ গ্রহণ যা, প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানের মানউন্নয়ন হলে, শিক্ষার্থী সংকট নিরসন হবে বলে আশা করা যায়।
৭৭. সহশিক্ষা কার্যক্রম এর উপর গুরুত্ব প্রদান করা।
৭৮. দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে মাদ্রাসা শিক্ষা ভর্তির নিশ্চিতের জন্য গনিত ও কৃষি বিষয়ের গুরুত্ব বাড়ানো প্রয়োজন, প্রয়োজনে ইন্জিনিয়ারিং ও কৃষি বিভাগ নামে আরো বিভাগ খোলা যেতে পারে।
৭৯. মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় “ব্যবসায় শিক্ষা” চালু করা খুবই প্রয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয়ের /বিবিএ, আইবিএ, ফ্যাকাল্টিতে অবাধ ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। ব্যাংকিং খাতে জনবল সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি, শিল্প-কলকারখানার মনোনিবেশের জন্য ব্যবসা শিক্ষা চালু করা প্রয়োজন।
৮০.ফাযিল ও কামিলে শুধুমাত্র ধর্মতাত্ত্বিক বিষয় না পড়িয়ে জেনারেল সাবজেক্ট চালু করা। যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা থেকে জেনারেল সাবজেক্টে( বাংলা, ইংরেজি, গণিত বিজ্ঞান ইত্যাদি) পড়াশোনা করে সকল সেক্টরে জব করার সুযোগ পায় এবং মাদ্রাসাগুলোতে জেনারেল টিচার্স হিসেবে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের জনশক্তি নিয়োগ করা যায়।

ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ২০২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের সবক ও দোয়া অনুষ্ঠান মাদরা...
13/01/2025

ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ২০২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের সবক ও দোয়া অনুষ্ঠান মাদরাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (১৩) জানুয়ারী ইবতেদায়ী ১ম শ্রেনী থেকে দাখিল ১০ম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের সবক দেওয়া হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো.ছানা উল্লাহ বশারী। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাদরাসার সাবেক শিক্ষক মাওলানা আবদুল মালেক।

বক্তব্য রাখেন মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ মো.সাঈদুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা ইকবাল হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক আবদুল কাদের, প্রভাষক মাওলানা মো.মোখতার আহমেদ, মেরিনা ইয়াসমিন, আহসান উল্লাহ,মাওলানা আরিফুল হক, সহকারী শিক্ষক শাহজালাল ভূইয়া।
মাদরাসার প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ ও সহকারী শিক্ষক মাওলানা ইয়াছিন মিয়ার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী বৃন্দ।

13/08/2024

পারস্পারিক নয়, সার্বজনীন বদলী চালু করা হোক। পারস্পারিক বদলীর মাধ্যমে ১% শিক্ষকও উপকৃত হবে না।

16/06/2024
দাখিল-২০২৪ পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি: জনাব মহিন উদ্দিন ভূঁইয়া।সভাপতি লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসা। ...
12/02/2024

দাখিল-২০২৪ পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান।
প্রধান অতিথি: জনাব মহিন উদ্দিন ভূঁইয়া।
সভাপতি লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসা।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন: জনাব ছানাউল্লাহ বশারী।অধ্যক্ষ অত্র মাদরাসা আরো উপস্থিত আছে গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ শিক্ষকমন্ডলী।

Address

Cumilla

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lakkhanpur Islamia Fazil Madrasah লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Lakkhanpur Islamia Fazil Madrasah লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা:

Shortcuts

Share